অস্কারজয়ী হলিউড অভিনেত্রী এমা স্টোন। ২০১২ সালে ‘দ্য অ্যামেজিং স্পাইডার ম্যান’ সিনেমার মাধ্যমে হলিউডে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। এর পর থেকে একের পর এক অনবদ্য কাজ উপহার দিয়ে যাচ্ছেন। ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘পুওর থিংস’ সিনেমায় অভিনয় করে অস্কার জেতেন তিনি। এর পরও নিজেকে নিয়ে কিছুটা ‘অনুশোচনা’ রয়েছে এমার।
সম্প্রতি এ অভিনেত্রী তার অতীতের কিছু রেড কার্পেট লুক নিয়ে অনুশোচনা প্রকাশ করেছেন। জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ‘ভোগ’-এর ‘লাইফ ইন লুকস’ বিভাগে অংশ নিয়ে এ তারকা ২০১১ সালের ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ডে নিজের লুক নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেন। স্টোন জানান, সেই ইভেন্টে সোনালি চুল ও রুপালি হল্টার গাউন নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট থাকলেও অতিরিক্ত গাঢ় স্প্রে ট্যানের কারণে তার আফসোস রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমি অ্যারিজোনার মেয়ে, আমার ত্বকে রঞ্জক পদার্থ কম। কিন্তু ছোটবেলায় লাল হওয়ার ধারণা মনে গেঁথে যাওয়ায় সাজগোজের সময় স্প্রে ট্যান আমার কাছে অপরিহার্য মনে হতো। তবে এদিন হাতের রঙ শরীরের সঙ্গে না মেলায় মনে হচ্ছিল যেন গ্লাভস পরেছি।’
২০১১ সালে গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডের লুক নিয়েও আত্মসমালোচনা করেন স্টোন। ওই অনুষ্ঠানে পিচ গোলাপি এ-লাইন গাউন পরেছিলেন অভিনেত্রী। তবে পোশাকের রঙের সঙ্গে ত্বকের রঙ মিলে যাওয়ায় নিজের চেহারা খুবই অদ্ভুত বলে মনে হয়েছিল তার।
এ ছাড়া কর্সেট পরা নিয়েও অভিনেত্রী নিজের অস্বস্তি প্রকাশ করেন। নির্মাতা ইয়োর্গোস ল্যান্থিমোসের পরিচালনায় ‘দ্য ফেভারিট’ ছবির জন্য প্রথমবার কর্সেট পরেছিলেন স্টোন। এর ফলে এক মাস পর তার শারীরিক গঠনে পরিবর্তন চলে আসে। যদিও এটা নিয়েও মজা করতে ছাড়েননি তিনি।
স্টোন ২০১৯ সালে অস্কারের রেড কার্পেটে যে পোশাক পরে উপস্থিত হন, সেই পোশাক নিয়েও হাস্যরসাত্মক মন্তব্য করেন। পোশাকটি দেখতে অনেকের কাছে নাকি ওয়াফেলের মতো লেগেছিল। এমন কথার প্রসঙ্গে মজারছলে এমা বলেন, ‘আমি এতে আপত্তি করি না। কারণ ওয়াফেল আমার প্রিয় খাবার।’
/এমএস