হলিউড ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী অ্যাঞ্জলিনা জোলি। ১৯৯৯ সালে অস্কার জেতা এই তারকার বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্ত-অনুরাগী রয়েছে। অভিনয় করেছেন অসংখ্য দর্শকপ্রিয় সিনেমায়। অথচ তার মতো একজন তারকা কি না অন্য একজন অভিনেত্রীকে ঈর্ষা করতেন! সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জোলি তার প্রাক্তন স্বামী ব্র্যাড পিট ও ফরাসি অভিনেত্রী ম্যারিয়ন কোতিয়ারের সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে একসময় ক্ষুব্ধ ছিলেন।
২০১৬ সালে ‘অ্যালাইড’ ছবির শুটিং চলাকালে পিট ও কোতিয়ারের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে নানা জল্পনা ছড়ায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোতিয়ারই ছিলেন একমাত্র অভিনেত্রী যাকে নিয়ে জোলি প্রবল ঈর্ষান্বিত হয়েছিলেন। কারণ জোলির আশঙ্কা ছিল যে, যেমনভাবে ২০০৫ সালে ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস স্মিথ’ ছবির সেটে পিটের সঙ্গে তার সম্পর্ক শুরু হয়েছিল ঠিক একইভাবে ইতিহাস আবারও পুনরাবৃত্তি হতে পারে। অনেকেই মনে করেছিলেন, তখন কোতিয়ারের প্রতি মুগ্ধ ছিলেন এই ফিউরি তারকা।
একই বছর ২০১৬ সালের শেষের দিকে জোলি বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন বলে জানা যায়। অভিযোগে তিনি জানিয়েছিলেন, বিমানে সন্তানদের সামনে পিট তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছেন। পরে বিভিন্ন সূত্র দাবি করে, পিট নাকি জোলির সঙ্গে প্রতারণাও করেছেন।
এদিকে পিটের প্রথম স্ত্রী জেনিফার অ্যানিস্টন বর্তমানে কোতিয়ারের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়ে উঠেছেন। ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত পিটের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ ছিলেন অ্যানিস্টন। সম্প্রতি ‘দ্য মর্নিং শো’-এর চতুর্থ সিজনের প্রিমিয়ারে অংশ নিয়ে অ্যানিস্টনকে কোতিয়ারসহ বাকি শিল্পীদের সঙ্গে আড্ডা দিতে দেখা গেছে। অনুষ্ঠান চলাকালে তাদের মধ্যে পারস্পরিক প্রশংসা করতেও দেখা যায়।
তবে এসব দেখে ভক্তদের কেউ কেউ মনে করছেন, অ্যানিস্টনের এই পদক্ষেপ আসলে জোলিকে উদ্দেশ করে দেওয়া এক ধরনের বার্তা। যেন জোলি বুঝতে পারেন, পিট-অ্যানিস্টনের সংসার ভাঙার জন্য আসলে কে দায়ী ছিলেন।
/এমএস