সারা দেশে যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের পদত্যাগ করানোর হিড়িক পড়েছে, তখন এর উল্টো ঘটনা ঘটেছে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায়। জোর করে কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য করা প্রধান শিক্ষকে ফিরিয়ে এনে চেয়ারে বসিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গতকাল রবিবার উপজেলার নাউরী আহাম্মদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষক এ কে এম তাজুল ইসলামকে সম্মানের সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন।
সকাল ১০টার দিকে প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে এলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ফুলের মালা গলায় দিয়ে তাকে বরণ করে নেন। ওই সময় শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের পা ধরে ক্ষমা চায় এবং আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
এর আগে গত ২৪ আগস্ট শনিবার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জোর করে কর্মবিরতিতে যাওয়ার স্বাক্ষর নিয়েছিল একদল বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দা জানিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ। জোর করে কর্মবিরতি করানোর খবর শুনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ছাত্র-জনতা।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ছুটিতে ছিলাম। শিক্ষার্থীরা আমাকে বরণ করে নিয়েছে। ছুটিতে থাকার কারণে শিক্ষার্থী, ম্যানেজিং কমিটি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, উপজেলা প্রশাসনসহ সবাই আমাকে বিদ্যালযয়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য বলেছে। আমার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা আজ (রবিবার) আমাকে বরণ করেছে।’
পা ধরে ক্ষমা চেয়ে প্রধান শিক্ষককে ফেরাল শিক্ষার্থীরা
চাঁদপুর সংবাদদাতা
সারা দেশে যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের পদত্যাগ করানোর হিড়িক পড়েছে, তখন এর উল্টো ঘটনা ঘটেছে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায়। জোর করে কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য করা প্রধান শিক্ষকে ফিরিয়ে এনে চেয়ারে বসিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গতকাল রবিবার উপজেলার নাউরী আহাম্মদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষক এ কে এম তাজুল ইসলামকে সম্মানের সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন।
সকাল ১০টার দিকে প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে এলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ফুলের মালা গলায় দিয়ে তাকে বরণ করে নেন। ওই সময় শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের পা ধরে ক্ষমা চায় এবং আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
এর আগে গত ২৪ আগস্ট শনিবার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জোর করে কর্মবিরতিতে যাওয়ার স্বাক্ষর নিয়েছিল একদল বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দা জানিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ। জোর করে কর্মবিরতি করানোর খবর শুনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ছাত্র-জনতা।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ছুটিতে ছিলাম। শিক্ষার্থীরা আমাকে বরণ করে নিয়েছে। ছুটিতে থাকার কারণে শিক্ষার্থী, ম্যানেজিং কমিটি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, উপজেলা প্রশাসনসহ সবাই আমাকে বিদ্যালযয়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য বলেছে। আমার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা আজ (রবিবার) আমাকে বরণ করেছে।’