ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
৬ নবজাতকের প্রত্যেক পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ এমপির মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব কিছু মানুষের কারণে কেন অপমানিত হবে ১৮ কোটি বাংলাদেশি? ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়ার রিটে যা নির্দেশ দিল হাইকোর্ট মনোযোগ বাড়াতে চাইলে কী খেতে হবে রাঙামাটিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ৬ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু এবি ব্যাংকের এআই-চালিত ডিজিটাল লোনসেবা ‘এবি ই- লোন’ এর উদ্বোধন কুড়িগ্রামে নদীগর্ভে বিলীন শতাধিক বাড়ি সবার সক্রিয় ভূমিকায় রামিসা হত্যার বিচার দ্রুত হয়েছে: অ্যাটর্নি জেনারেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকান উচ্ছেদ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০ জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান চুয়াডাঙ্গায় বিজিবির অভিযানে মাদক ও অবৈধ মালামাল জব্দ শূন্যরেখায় মানবেতর জীবন বদরগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার শার্শায় বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মবিরতিতে সিলেটের ওসমানী হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎকরা মেয়েকে অশালীন কথা বলার প্রতিবাদ করায় প্রাণ গেল বাবার ইসলামে মায়ের গুরুত্ব ও মর্যাদা সমুদ্রের তলদেশে বিচিত্র এক সুতোয় বাঁধা ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক বান্দরবানে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সহায়তা বিতরণ দক্ষতা বাড়াচ্ছে রাজশাহী কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাব ক্যামেরা নষ্ট ছিল স্বপ্ন নয় স্মৃতির মলাটে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত পাশে ছিলেন সহপাঠীরা বেরোবির বিশেষ বাসসেবায় উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা সপ্তাহের প্রথম দিনে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার জাতীয় বাজেট নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের
Nagad desktop

রাজশাহী নগরে চারদিকে শুধু মশা আর মশা

প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৫, ১০:৩৭ এএম
আপডেট: ১১ মার্চ ২০২৫, ১২:১২ পিএম
রাজশাহী নগরে চারদিকে শুধু মশা আর মশা
মশা নিধনে রাজশাহী সিটি করপোরেশন নগরে তেমন কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তবে গত রবিবার রাজশাহী কলেজের মুসলিম ছাত্রাবাসের মশক নিধন কার্যক্রম চালাতে দেখা যায়। ছবি: খবরের কাগজ

রাজশাহীতে শীত কমার সঙ্গে সঙ্গে মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে। বিশেষ করে রমজান মাস চলায় মশার তীব্র উৎপাতের কারণে ইফতার ও সাহরির সময় মানুষ নিদারুণ ভোগান্তিতে পড়ছেন। এতে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফলে শুধু রাতের বেলা নয়, দিনেও অনেকে ঘরের মধ্যে মশারি টাঙিয়ে রাখতে বাধ্য হচ্ছেন।

এদিকে ‘শান্তির নগরীতে’ মশার এমন উপদ্রবের কারণে জনমনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। মশা নিধনে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ নগরবাসীর। তারা জানান, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা শোয়ারঘর, শৌচাগার, রাস্তাঘাট, হাটবাজার, অফিস, হাসপাতাল- কোথাও শান্তি নেই। চারদিকে শুধু মশা আর মশা। এতে দিনের বেলায় মশার কামড়ে নগরবাসী কাহিল হয়ে পড়ছেন। তবে রোজাদাররা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাচ্ছেন ইফতার ও সাহরির সময়। শহরের ড্রেনগুলোতে পানির কোনো স্রোত নেই। স্রোত থাকলে মশার লার্ভা ভেসে নদীতে বা খালে চলে যেত। ড্রেনের বদ্ধ পানিতে সহজেই মশা উৎপাদন হচ্ছে। অথচ মশা নিধনে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে না। 

তথ্যমতে, নগরীতে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার ড্রেন আছে। এসব ড্রেন ও তার আশপাশ এলাকায় ব্যবহার করা হয় লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড নামের মশা নিধনের দুই ধরনের ওষুধ। গত ৫ আগস্টের পর থেকে জনপ্রতিনিধিরা না থাকায় সিটি করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে। আর সিটি করপোরেশন বলছে, এখন প্রজনন মৌসুম বলে মশার উৎপাত বেড়েছে। অন্য শহরের তুলনায় এখানে মশা কম।

নগরবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দিনের বেলায় খোলা জায়গায় বসে থাকলেও মশার ভনভন শব্দে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে মশার এ উপদ্রব কয়েক গুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী, তাদের স্বজন, বৃদ্ধ ও শিশুরা। 

রাজশাহীর হোসেনীগঞ্জ এলাকার একটি মেসে থাকেন শিক্ষার্থী রিফাত হাসান। তিনি বলেন, ‘গরম শুরুর পাশাপাশি মশার উপদ্রব পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। রমজান মাসও শুরু হয়েছে। কিন্তু মশার যন্ত্রণায় শহরে টিকে থাকাই দায় হয়ে পড়েছে।’ 

পাঠানপাড়া এলাকার একটি ছাত্রী নিবাসের বাসিন্দা অর্পিতা রায় বলেন, ‘দিনের বেলায় মশারি টাঙিয়েও মশার আক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না। দিন ও রাতের কোনো সময়ই রেহাই পাওয়া যায় না। রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থী আমান উল্লাহ জানান, ক্লাসে বরাবরই মনোযোগ নষ্ট হচ্ছে। অনেক সময় মশার কামড়ে অতিষ্ঠ শিক্ষার্থীরা ক্লাস থেকে বের হয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের রোগী ও তাদের স্বজনরাও মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোর নিচতলায় কেউ ঘুমাতে পারেন না। রামেক হাসপাতালের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি এক রোগীর স্বজন আয়েশা আক্তার বলেন, ‘দুই দিন আগে এখানে রোগী ভর্তি করিয়েছি। কিন্তু মশার কারণে হাসপাতালে থাকাই দায় হয়ে পড়েছে।’

তবে সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, মশার ডিম ধ্বংসের জন্য ড্রেন পরিষ্কার করে স্প্রে মেশিনের মাধ্যমে ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। আর ফগার মেশিনের ওষুধের মজুত খুবই অল্প। তা দিয়ে সাত দিনও কার্যক্রম চালানো যাবে না। তাই এটি বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রতিদিন প্রতিটি ওয়ার্ডে ওষুধ স্প্রে করে মশার ডিম ধ্বংস করা হচ্ছে। প্রতি সাত দিন পরপর একেকটি ড্রেনে ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে বলেও দাবি করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

রাসিকের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন বলেন, ‘মশা এখন বেড়েছে। কারণ এখন এদের প্রজনন মৌসুম চলছে। তা ছাড়া বাড়ির পাশের ঝোপঝাড় অনেকে পরিষ্কার রাখছেন না। ছাদ বাগানের টবের পানি থেকেও বংশ বৃদ্ধি হচ্ছে। এসব ব্যাপারে নগরবাসীকে একটু সচেতন থাকতে হবে। তাহলে মশার সংখ্যা কমবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের শহরে মশা তুলনামূলক কম। অন্য শহরে এখন আপনি দাঁড়াতেই পারবেন না। আমরা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। মেয়র-কাউন্সিলর থাকলে তদারকিটা ভালো হয়। এখন তারা নেই। ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তারা দায়িত্বে আছেন। তাদের আরও অনেক কাজ থাকে। তারপরও যতটা সম্ভব আমরা সব তদারকি করছি।’

রাঙামাটিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ৬ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম
রাঙামাটিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ৬ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি
ছবি: খবরের কাগজ

ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছেন রাঙামাটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তাদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরাও।

রববার (৭ জুন) সকাল থেকে তারা এ কর্মসূচি পালন করছেন। একই দাবিতে দুপুরে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এফসিপিএস প্রশিক্ষণসংক্রান্ত কিছু সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনকারীরা দাবি করেন, তাদের উত্থাপিত বিভিন্ন দাবির বিষয়ে এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি।

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের গত ১৯ মে জারি করা এফসিপিএস প্রশিক্ষণসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার করে নতুন নির্দেশনা দেওয়া, স্বাস্থ্যকর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এর বাস্তবায়ন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ এবং সরকারি চিকিৎসকদের জন্য পৃথক বেতনকাঠামো প্রণয়ন।

এ ছাড়া বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ থেকে ৩৪ বছর নির্ধারণ, বিএমডিসি আইন-২০২৫ পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তর, ভুয়া চিকিৎসক পরিচয়দানকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিএমডিসি ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ভর্তি পরীক্ষার ফি এক হাজার টাকার মধ্যে নির্ধারণের দাবিও তাদের ছয় দফার অন্তর্ভুক্ত।

রাঙামাটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস কমিউনিটির সভাপতি শাফকাতুল ইসলাম বলেন, ‘চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যকর্মী সুরক্ষা আইনের দাবি জানানো হলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। ইন্টার্নশিপ শেষ করে আমরা পোস্টগ্র্যাজুয়েশনের জন্য যে পরীক্ষা দিই, সেখানে প্রতিবারই ১১ হাজার টাকা করে নিবন্ধন ফি দিতে হয়, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।’

তিনি আরও বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাঙামাটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।’

রিফাত/

কুড়িগ্রামে নদীগর্ভে বিলীন শতাধিক বাড়ি

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪৩ পিএম
কুড়িগ্রামে নদীগর্ভে বিলীন শতাধিক বাড়ি
কালজানি নদীর তীব্রভাঙনে বাড়িঘর সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে মানুষজন/ছবি: খবরের কাগজ

বর্ষার আগেই কালজানী নদীর ভাঙনে দিশেহারা নদীপাড়ের মানুষ। কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সীমান্ত এলাকায় গত এক সপ্তাহে শতাধিক বাড়ি বিলীন হয়েছে নদীতে।

দ্রুত ভাঙনরোধ করা না গেলে আরও শতশত বাড়িঘর, আবাদি জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে এমন আশঙ্কা স্থানীয়দের।

উত্তর ধলডাঙ্গা এলাকায় প্রায় ১৪০০ মিটার জুড়ে ভাঙন চলছে। এ এলাকার প্রায় ৮০ টি পরিবার ভিটে হারিয়েছে। দক্ষিণ ঢলডাঙ্গার চিত্র একই রকম।  প্রায় ৩০টির বেশি বাড়ি নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে।

উত্তর ধলডাঙ্গা গ্রামের ময়েন উদ্দিন বলেন, জায়গা জমি আর নাই। কেউ তো জায়গা দিতে চায়না। এখনও ঘর তুলতে পারি নাই।

গোলজার হোসেন জানান, আমাদের বাড়ি তিনবার ভাঙা হয়েছে। এবারও যেকোন মুহুর্তে বাড়ি নদীত পড়ে যেতে পারে। নতুন করে ঘর তোলার জায়গা না থাকায় ঘর দূরে নিতে পারছি না।

শনিবার (৬ জুন) ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কুদরত-এ-খুদা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জাকির হোসেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা বেনজীর রহমান ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমৃত দেবনাথ।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইউসুফ আলী বলেন, বর্ষার আগেই যেভাবে ভাঙছে, এলাকাটি থাকবেনা মনে হচ্ছে। গত এক বছরে এক হাজারের মতো পরিবার ভিটে হারিয়েছে। আমরা বিষয়টি জেলা প্রশাসকসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডে বলেছিলেন। তদন্ত করে গেছেন। দ্রুত কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন।

ভাঙ্গন প্রতিরোধের দাবিতে শনিবার (৬ জুন) বিকেলে নদী পাড়ে শত শত মানুষ উপস্থিত হয়ে বিক্ষোভ করে। ভাঙ্গন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সংসদ সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। আর যেন নতুন করে কেউ ভাঙনের শিকার না হয় সে ব্যবস্থা করা হবে। ভাঙনরোধে জরুরী ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করা হবে। প্রাথমিকভাবে দুই হাজার বালুভর্তি জিও ব্যাগ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রয়োজনে আরও বরাদ্দ দেয়া হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, উত্তর ও দক্ষিণ ঢলডাঙ্গায় জরুরী কাজ শুরু হয়েছে। অন্য ভাঙন কবলিত পয়েন্টগুলোকে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এরপর বরাদ্দ চাওয়া হবে। বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু করা হবে।

সিরাজ/আমান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকান উচ্ছেদ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকান উচ্ছেদ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকান উচ্ছেদ নিয়ে সংঘর্ষ। ছবি: খবরের কাগজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি দোকান উচ্ছেদকে ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। 

রবিবার (৭ জুন) সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে থেমে থেমে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সদর উপজেলার থলিয়ারা গ্রামে এ সংঘর্ষ চলে। 

আহতদেরকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, থলিয়ারা গ্রামের বড় গোষ্ঠীর জয়নাল মিয়া সঙ্গে ছোট গোষ্ঠীর জুবায়েরের একটি দোকান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলে দোকানটি উচ্ছেদের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। 

তবে ওই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে আবারও দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে আজ সকালে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষ চলাকালে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, পুলিশ সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনলেও এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ফলে পরবর্তী সংঘর্ষের আশঙ্কায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে।

আজিজুল সঞ্চয়/অন্তরা

চুয়াডাঙ্গায় বিজিবির অভিযানে মাদক ও অবৈধ মালামাল জব্দ

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম
চুয়াডাঙ্গায় বিজিবির অভিযানে মাদক ও অবৈধ মালামাল জব্দ
চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বড়বলদিয়া ও বারাদী বিওপির অভিযানে জব্দ হওয়া ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও অবৈধ মালামাল।

চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৯ লাখ ২ হাজার ৬৫০ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ও চোরাই মালামাল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

গত দুই দিন চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধীনস্থ বড়বলদিয়া, সুলতানপুর ও বারাদী বিওপির টহলদল সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল জব্দ করা হয়।

রবিবার (৭ জুন) দুপুরে বিজিবির পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জব্দ করা মালামালের মধ্যে রয়েছে ৯ দশমিক ৯ কেজি ভারতীয় গাঁজা, ১৯ বোতল ভারতীয় মদ, ৪০৫ পিস ভারতীয় সিলডেনাফিল ট্যাবলেট, ১ হাজার ৮০০ পিস ভারতীয় ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট, ১৪ পিস ভারতীয় শাড়ি এবং একটি ইজিবাইক।

চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সতর্ক রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় অবৈধ কার্যক্রম দমনে গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও  অব্যাহত থাকবে। 

তিনি আরও জানান, বিজিবি সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালান এবং অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

মিজানুর রহমান/আজহার/

বদরগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
বদরগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
ছবি: প্রতীকী

রংপুরে বদরগঞ্জে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে নিখোঁজের তিন দিন পর পুকুর থেকে সাজেদুল ইসলাম (১৪) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (৭ জুন) সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাজেদুল গত শুক্রবার থেকে নিখোঁজ ছিল। তাকে অনেক খোঁজ করেও পাওয়া যায়নি। রবিবার সকালে পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখা যায়।

বদরগঞ্জ বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজান আলী বলেন, মারা যাওয়া ছেলেটির মৃগী রোগ ছিল।

বদরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ) দিনেশ চন্দ্র বলেন, পুকুরে লাশের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। পরে জানা যায় ছেলেটির মৃগী রোগ ছিল। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

সেলিম সরকার/তামান্না রুপা/