কক্সবাজার শহরে অভিযান পরিচালনা করে ছিনতাইকারী চক্রের অন্যতম সদস্য এবং দস্যুতা মামলার আসামি ৮০টিরও বেশি ছিনতাইয়ে জড়িত মো. মুরাদ ও মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৫।
বুধবার (১২ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে এসব তথ্য জানিয়েছেন কক্সবাজার র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল অ্যান্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক।
গ্রেপ্তাররা হলেন- কক্সবাজার পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের নতুন বাহারছড়া এলাকার ছিদ্দিক খলিফার ছেলে মো. মুরাদ (২৮) ও ১১নং ওয়ার্ডের পশ্চিম বাহারছড়া এলাকার মৃত সাহেল আহমেদের ছেলে মেহেদী হাসান রাজ (২২)।
র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল অ্যান্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক বলেন, 'সম্প্রতি দেশে ছিনতাই চক্র হঠাৎ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সারা দেশের ন্যায় কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায়ও এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। র্যাব-১৫ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, জলদস্যু, ডাকাত, ছিনতাই চক্র, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক, অপহরণসহ নানাবিধ অপরাধ দমনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এসব অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসাসহ পর্যটননগরীতে আগত দেশি-বিদেশি পর্যটক ও স্থানীয় জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করতে সার্বক্ষণিকভাবে র্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।'
তারই ধারাবাহিকতায় র্যাবের ক্রমাগত ছিনতাইকারী চক্র গ্রেপ্তার অভিযান এবং চলমান গোয়েন্দা তৎপরতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, ছিনতাইকারী চক্রের কতিপয় সক্রিয় সদস্য কক্সবাজারের সদর থানাধীন লাইট হাউসপাড়ায় আত্মগোপনে অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৫-এর একটি চৌকস আভিযানিক দল ছিনতাইকারী চক্রের অন্যতম সদস্য এবং দস্যুতা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি মো. মুরাদ ও মেহেদী হাসান নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তার আসামিরা দীর্ঘদিন যাবৎ ছিনতাই চক্রের সঙ্গে জড়িত। মো. মুরাদ জানায় যে, কক্সবাজারে সে ৮০টিরও অধিক ছিনতাইয়ে সরাসরি জড়িত ছিল। দস্যুতা মামলাসহ তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার তথ্য পাওয়া যায়। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মুহিববুল্লাহ মুহিব/জোবাইদা/