ঢাকা ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর গাইবান্ধায় ট্রেন থেকে পড়ে পা বিচ্ছিন্ন হওয়া সেই যুবকের মৃত্যু দৈনিক খবরের কাগজের শাকিলা ববিসহ সিলেটের ৬ সাংবাদিকে প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড প্রদান নড়াইলে বাস উল্টে আহত ১৫ দক্ষিণ এশিয়ার মুকুট হারাল বাংলাদেশ নড়াইলে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নিহত ২ সরু একটি আইলই এখন তাদের আশ্রয়স্থল ১২০০ ফুট লম্বা পতাকা নিয়ে ব্রাজিল সমর্থকদের র‍্যালি কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত শহিদ জিয়ার প্রস্তাবে যুদ্ধের নাম হয় ‘মুক্তিযুদ্ধ’: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অথচ বাজেট বরাদ্দ তলানিতে ঢাকায় শুরু হচ্ছে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অধস্তনকে চড় মারায় সিলেটের এক নির্বাচন কর্মকর্তাকে লঘু দণ্ড তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করবে সরকার আরেকবার সাফের ফাইনালে ঋতুপর্ণার গোল দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে মাটির নিচ থেকে উঠছে ধোঁয়া, এলাকায় চাঞ্চল্য চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ সংগঠনের ১৩ জন গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৩ এক টুকরো হৃদয়ের নাম বাংলাদেশ রামিসার  মামলার  দ্রুত রায় মা হচ্ছেন সোহিনী গাজায় ৪৮ ঘণ্টায় নিহত পাঁচজন চামড়া নিয়ে দুর্ভোগ আর দুর্গতির শেষ কোথায় লালমনিরহাটে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পর রাতেই গ্রেপ্তার ১৫ বাংলাদেশ লোক গবেষণা পরিষদের বার্ষিক সম্মেলন কেমন ছিল প্রিয় রাসুল (সা.) এর পোশাক ও রূপ? ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু সাপ্তাহিক ২দিন ছুটিসহ নগদে চাকরির সুযোগ
Nagad desktop

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ পৌরবাসী

প্রকাশ: ২২ মার্চ ২০২৫, ০৯:০১ এএম
আপডেট: ২২ মার্চ ২০২৫, ০১:৩৬ পিএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ পৌরবাসী
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা। ছবি: সংগৃহীত

‘আগে মশা বেড়ে গেলে পৌর সভার লোকজন কিছু না হলেও স্প্রে করত। কিন্তু এখন কিছুই দেখি না। যেখানে অভিযোগ করব, সেই পৌর সভার মেয়র ও কাউন্সিলরও নেই। এখন মশার অত্যাচারে ঘর-বাড়িতে থাকাটাই কষ্টসাধ্য হয়ে গেছে।’ কথাগুলো বলছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার আলীনগর মহল্লার বাসিন্দা সাদ মুনতাসির হাসান।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ বাসাবাড়ি, দোকানপাট, অফিস-আদালত, ধর্মীয় উপাসনালয়, হাসপাতাল সব জায়গায় মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষ। রাতে তো বটেই, দিনের বেলায়ও মশা থেকে নিস্তার মিলছে না। মশারি টানিয়ে, কয়েল জ্বালিয়ে, মশা মারার ইলেকট্রনিক ব্যাট কিংবা মশানাশক ওষুধ স্প্রে করেও সুফল মিলছে না। বিকেল থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যার পর থেকেই মশার উৎপাত তীব্র আকার ধারণ করে।

শুধু পৌরবাসী নয় অন্য উপজেলাগুলোতেও একই চিত্র। দিনে কিংবা রাতে সবসময় কানের কাছে ভনভন করে মশা। বর্তমানে জনপ্রতিনিধিরা না থাকায় পৌর সভার মশকনিধন কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে। পৌর কর্তৃপক্ষ  বলছেন, এখন প্রজনন মৌসুম বলে মশার উৎপাত বেড়েছে। পৌর সভার ১৫ ওয়ার্ডের মশকনিধন কার্যক্রম চলমান আছে।

পৌর এলাকার হরিপুর মহল্লার বাসিন্দা খাদেমুল ইসলাম বলেন, ‘মশার অসহনীয় যন্ত্রণায় রয়েছি। বিকেলে মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। মনে হচ্ছে আমরা কোনো মশার শহরে বসবাস করছি।’

আলীনগর ভূতপুকুর এলাকার বাসিন্দা রমজান আলী বলেন, ‘মশার যন্ত্রণায় মসজিদে নামাজ পড়তে মুসল্লিদের ভীষণ কষ্ট হয়। কয়েল জ্বালিয়ে কিংবা মশানাশক স্প্রে করেও এ যন্ত্রণা থেকে রেহাই পাচ্ছি না।’

মহাডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা রোকেয়া বেগম বলেন, ‘বাচ্চারা ঘরের ভেতরে পড়াশোনা করতে পারছে না। সারাক্ষণ কয়েল জ্বালাতে হচ্ছে। কয়েলের ধোঁয়াতেও ছেলেমেয়েদের সমস্যা হচ্ছে। মানুষের পাশাপাশি বাড়িতে থাকা গরু-ছাগলগুলোও মশার কামড়ে ছটফট করে।’
নয়াগোলা এলাকার বাসিন্দা আবদুস সবুর সুজন বলেন, ‘পৌরসভার মেয়র নেই, কাউন্সিলর নেই। কোনো রকম তদারকিও নেই। মশানিধনের কোনো কার্যক্রম চলছে কি না তা বুঝতে পারছি না। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত মশার যন্ত্রণায় থাকতে পারি না। আমাদের 
এলাকায় শেষ কবে মশকনিধন দেখেছি মনে করতে পারছি না।’

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের মশারির ব্যবস্থা আছে। ড্রেনসহ হাসপাতাল ও আশপাশের আঙিনা পরিষ্কার করে থাকি। পৌর সভার পক্ষ থেকে বেশ কিছুদিন আগে মশকনিধন ওষুধ স্প্রে করেছে। মশার উপদ্রব অনেক বেশি হলেও মশাবাহিত কোনো রোগবালাই আপাতত নেই।’

এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন-অর-রশিদ বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী ১৫টি ওয়ার্ডে ফগার মেশিন দিয়ে মশা মারা হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি তো যাওয়া সম্ভব হয় না। বর্তমানে শহরকে প্রাধান্য দিয়ে মশানিধনে ৫টি ফগার মেশিন নিয়মিত কাজ করছে।’

গাইবান্ধায় ট্রেন থেকে পড়ে পা বিচ্ছিন্ন হওয়া সেই যুবকের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:২০ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:২০ পিএম
গাইবান্ধায় ট্রেন থেকে পড়ে পা বিচ্ছিন্ন হওয়া সেই যুবকের মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

গাইবান্ধার সাঘাটায় ট্রেনে কাটা পড়ে দুই পা বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর রিপন মিয়া (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ‎

শনিবার (৬ জুন) দুপুর ১২টার দিকে বোনারপাড়া রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন কলেজ মোড় সিগন্যাল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

‎নিহত রিপন মিয়া গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ‎হরিরামপুর ইউনিয়নের ধুনদিয়া গ্রামের মৃত্যু দুদু মিয়ার ছেলে।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সান্তাহার থেকে ছেড়ে আসা করতোয়া এক্সপ্রেস ট্রেনটি বোনারপাড়া স্টেশন ছেড়ে গাইবান্ধার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথে বোনারপাড়া রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন কলেজ মোড় সিগন্যাল এলাকায় ট্রেনটি এলে ট্রেনের নিচে পড়ে তার দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

‎দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও বোনারপাড়া রেলওয়ে (জিআরপি) পুলিশ তাকে প্রথমে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। 

আহত যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বিকেলে ‎বোনারপাড়া রেলওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল উদ্দিন খবরের কাগজকে জানান, আহত যুবকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল থেকে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে রংপুরে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

‎মিলন/নাঈম

দৈনিক খবরের কাগজের শাকিলা ববিসহ সিলেটের ৬ সাংবাদিকে প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড প্রদান

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
দৈনিক খবরের কাগজের শাকিলা ববিসহ সিলেটের ৬ সাংবাদিকে প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড প্রদান
‘মাওলানা রশীদ আহমদ প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করছেন দৈনিক খবরের কাগজের সিলেট ব্যুরো অফিসের নিজস্ব প্রতিবেদক শাকিলা ববি। ছবি: সংগৃহীত

দৈনিক খবরের কাগজের সিলেট ব্যুরো অফিসের নিজস্ব প্রতিবেদক শাকিলা ববিসহ সিলেটের ৪ সাংবাদিকে দেওয়া হয়েছে ‘মাওলানা রশীদ আহমদ প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড’। এরই সঙ্গে আরও দুজন সাংবাদিককে দেওয়া সম্মাননা।

 শুক্রবার (৫ জুন) রাতে নির্ভানা ইন হলরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার এবং সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।

মাহমুদ হোসাইন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট প্রবর্তিত মাওলানা রশীদ আহমদ প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড প্রিন্ট ক্যাটাগরিতে পেয়েছেন দৈনিক খবরের কাগজের সিলেট ব্যুরো অফিসের নিজস্ব প্রতিবেদক শাকিলা ববি, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ক্যাটাগরিতে চ্যানেল টুয়েন্টি ফোরের সিলেট প্রতিনিধি আজহার উদ্দিন শিমুল, ফটো সাংবাদিকতায় স্থানীয় দৈনিক একাত্তরের কথার মোহিদ হোসেন ও মফস্বল ক্যাটাগরিতে দৈনিক যুগান্তরের গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি হারিছ আলী।

পাশাপাশি প্রবীণ সাংবাদিক সম্মাননা পেয়েছেন মুহম্মদ বশিরুদ্দিন ও মরণোত্তর ক্যাটগরিতে সম্মাননা পেয়েছেন ২৪ এর আন্দোলনে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে শহীদ সাংবাদিক এ.টি এম তুরাব।

বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের উপদেষ্টা( ফরেন অ্যাডভাইজারি কাউন্সিল) ইংল্যান্ডের টাওয়ার হ্যামলেটস বারা’র প্রথম নির্বাহী ডেপুটি মেয়র অহিদ আহমদের সভাপতিত্বে অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহিদুর রহমান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিথি শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রো ভাইস চেন্সলর অধ্যাপক সাজেদুল করিম, সিটি করপোরেশন প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, বিএমএর সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা.শামিমুর রহমান, ইংল্যান্ডের জজ ব্যারিস্টার নাজ খসরু,স্বাস্থ্য বিভাগীয় পরিচালক মাহবুবুল আলম, সিলেট চেম্বারের সাবেক সভাপতি খন্দকার শিপার আহমদ, সিলেট রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সিলেট ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান সেলিম, বাংলাদেশ স্কাউট সিলেটের আঞ্চলিক কমিশনার মহিউস সুন্নাহ চৌধুরী নারজিস, দৈনিক সিলেট মিররের প্রধান সম্পাদক জিয়াউস শামস শাহীন, সিলেট ভয়েসের প্রকাশক সেলীনা চৌধুরী, সিলেট উইমেনস জার্নালিস্ট ক্লাবের সভাপতি সুবর্ণা হামিদ, সিলেট উইমেন্স চেম্বারের সভাপতি লুবানা ইয়াসমিন শম্পা, সিনিয়র সাংবাদিক সেলিম আউয়াল প্রমুখ।

‘মাওলানা রশীদ আহমদ প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড’ এর আয়োজক অহিদ আহমদ বলেন, মরহুম মাওলানা রশীদ আহমদ আমাদের ভাই ছিলেন। আমরা আমাদের ভাইর স্মৃতি ধরে রাখতে এ উদ্যোগ নিয়ে।  কারণ তিনি জীবদ্দশায় সাংবাদিক সমাজের কল্যাণে কাজ করতে চেয়েছিলেন। আমরা তার স্বপ্নকেই প্রাধান্য দিয়েছি। প্রথম এমন কিছু আয়োজন। তাই অনুষ্ঠান পরিচালনায় আমাদের অনেক ঘাটতি ছিল। তবে এটাই শেষ নয়। এই পুরস্কার অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে আমরা অনেক সুশৃঙ্খল অনুষ্ঠান করবো।

শাকিলা ববি/এসএ

নড়াইলে বাস উল্টে আহত ১৫

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:০৪ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:০৬ পিএম
নড়াইলে বাস উল্টে আহত ১৫
ছবি: খবরের কাগজ

নড়াইল-যশোর সড়কে যাত্রীবাহী বাস উল্টে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নতুন টার্মিনাল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের নড়াইল জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নড়াইল থেকে যশোরগামী একটি যাত্রীবাহী বাস নতুন টার্মিনাল এলাকায় পৌঁছালে একটি ভ্যানকে সাইড দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ওপর উল্টে যায়। এ সময় বাসের অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হন।

নড়াইল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার হুমায়ুন কবির বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

শরিফুল ইসলাম/রিফাত/

নড়াইলে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নিহত ২

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৯:৫০ পিএম
নড়াইলে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নিহত ২
ছবি: খবরের কাগজ

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে বাবুল বিশ্বাস (৪০) ও মো. টিটুল খান (৪০) নামে দুইজন নিহত হয়েছেন।

শনিবার (৬ জুন) বিকেলে উপজেলার শালনগর ও মতিনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বাবুল বিশ্বাস মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন। তিনি উপজেলার মতিনগর এলাকার বিল্লাল বিশ্বাসের ছেলে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বাবুল বিশ্বাস বিকেলে ইছামতি বিলে মাছ ধরতে যান। এ সময় বজ্রপাতে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. হাসান ফেরদৌস শরীফ বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই বাবুল বিশ্বাসের মৃত্যু হয়েছে।’

অপরদিকে একই উপজেলার শালনগর এলাকায় মো. টিটুল খান (৪০) নামে আরও একজন বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন। তিনি শালনগর গ্রামের মতি খানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে টিটুল খান বাড়ির অদূরে মাঠে থাকা নিজের গরু আনতে যান। এ সময় হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রপাত শুরু হলে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।

শালনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লাবু খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিকেলে মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে টিটুল খানের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে।’

শফিকুল/রিফাত/

সরু একটি আইলই এখন তাদের আশ্রয়স্থল

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৯:৩৮ পিএম
সরু একটি আইলই এখন তাদের আশ্রয়স্থল
ছবি: খবরের কাগজ

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ি প্রধান পাড়া সীমান্তে মানবিক সংকটে সৃষ্টি হয়েছে। ভারত থেকে পুশইন হওয়ার অভিযোগে তিন শিশুসহ ১০ নারী পুরুষ গত ৩৮ ঘন্টা ধরে  ভারতের সীমান্তের শূন্য রেখায় আটকা পড়ে রয়েছেন। তাদের গ্রহণ করছে না ভারত আবার বাংলাদেশেও তারা প্রবেশ করতে পারছে না। ফলে খোলা আকাশের নিচে, চারপাশে পানি ঘেরা কৃষিজমির সরু একটি আইলই এখন তাদের আশ্রয়স্থল।

শুক্রবার (৫ জুন) ভোরে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়ে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারায় ভারতের শূন্য রেখায় আটকে আছেন৷ ফলে ওই পারে ভারতীয় বিএসএফ, মাঝে সেই ভুক্তভোগী ১০ জন, আর বাংলাদেশ অংশে দিকে বিজিবি অবস্থান করছে। তাদের কেউ না টানায় মাঝখানে তারা অপেক্ষার প্রহর গুনছেন। 

শনিবার (৬ জুন) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,  ভারতীয় অংশে  মাত্র এক হাত প্রস্থের একটি আইলের ওপর মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। চারদিকে পানি জমে থাকা কৃষিজমিতে। শুক্রবার রাতের বৃষ্টিতে আইলের পাশের পানির উচ্চতা আরও বেড়েছে। তারা বসলে পা ডুবে যাচ্ছে পানিতে, আর শোয়ার জন্য ব্যবহার করতে হচ্ছে কাপড়ের ব্যাগ। তাও আবার লম্বালম্বি হয়ে কষ্ট করে শুতে হচ্ছে। দিনভর প্রখর রোদ্রের মধ্যে অতিবাহিত করার পর ওই ১০ শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ সবাইকে কাটাতে হচ্ছে আরেকটি অনিশ্চিত রাত। বৃষ্টি হলে হয়তো তাদের আশ্রয়স্থলের আইলটিও পানিতে ডুবে যাবে৷ এছাড়া তাদের সেই স্থান থেকে নড়তে দেয়া হচ্ছে না।।

পুইশনের শিকার ভুক্তভোগীদের মধ্যে তিন শিশু, দুই নারী, একজন বৃদ্ধ ও চারজন পুরুষ রয়েছে । তাদের বলছেন, শুক্রবার ভোর থেকে তারা কার্যত অনাহারে রয়েছেন। মাঝে মধ্যে আশপাশের জমির পানি পান করেই তৃষ্ণা মেটাতে হচ্ছে। বিজিবি থেকে কিছু শুকনো খাবার ও পানি দেওয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। অন্যদিকে বিএসএফের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের মানবিক সহায়তা মেলেনি বলে অভিযোগ তাদের।

জানা গেছে, শুক্রবার ভোর ৬টার দিকে ভারতীয় বিএসএফ তাদের সীমান্তের গেট থেকে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার চেষ্টা করলে   বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে তারা ভারতীয় সীমান্তের শূন্য রেখায় আটকা পড়ে। পরে পর পর তিন দফা পতাকা বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি। 

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা বলছেন, বিজিবি  তাদের ভারত থেকে ঠেলে দিয়ে কাজটি ঠিক করেনি। ভারতের শূন্য রেখায় যেহেতু তারা এখনও অবস্থান করছে তাই তাদের দ্রুত ফিরিয়ে নেয়ার উচিত বলে জানান। 

এ বিষয়ে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, অধিনায়ক পর্যায়ে বিজিবি-বিএসএফ পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ আমরা এ ঘটনায় কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছি। কিন্তু  বিএসএফ পুশইন করার বিষয়টি অস্বীকার করেছে এবং তাদের ফেরত নিতেও অস্বীকার করেন। তবে ভিকটিমও স্বীকার করছে তাদের ভারত থেকে সীমান্ত পার করে দেয়া হয়েছে। 


মো: রনি মিয়াজী/এসএন