ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু ২ প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র জনবল নেবে ব্যাংক এশিয়া টুঙ্গিপাড়ায় বিদ্যালয়ের ফ্যান, জানালা, বই-খাতা বিক্রির অভিযোগ শাবনূরকে নিয়ে যা বললেন পূর্ণিমা হাম-উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ শিশুর মৃত্যু নওগাঁয় পানিতে ডুবে ১৩ মাসের শিশুর মৃত্যু টুঙ্গিপাড়ায় এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিবর্তনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ পুশইন বন্ধে ভারতকে ১০-১২টি চিঠি দিয়েছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফলাফলের তারিখ ঘোষণা সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ভাঙ্গায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু সরিষাবাড়ীতে চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা, এলাকাবাসীর তৎপরতায় রক্ষা বিল-ঝিলে পদ্ম ও শাপলার মায়াবী রূপ শরীয়তপুরে মাটি গরম হয়ে ধোঁয়া ওঠা স্থানে গ্যাস নেই: বাপেক্স শার্শায় আওয়ামী লীগ নেতা টিংকু গ্রেপ্তার শক্তিশালী ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চান নেতানিয়াহু! মানিকগঞ্জে বাবার মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্ত ছেলে ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে মৃত্যু ১৯, আহত ১৩০ ড. ইউনূসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ প্রতিদিন ১০০ কোটি লিটার পানি ঢাকায় সরবরাহ করা সম্ভব হবে : মির্জা ফখরুল মাঠের ফুটবল যখন জীবনের ব্যাধি হয়ে দাঁড়ায় ইসরায়েলের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ইরানের হামলা পাঁচ বছর না খেয়েও যেভাবে বেঁচে থাকে গভীর সমুদ্রের প্রাণী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস খাদে পড়ে নারী-শিশুসহ নিহত ৪ ধামরাইয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা আবারও ম্যাচ চলাকালে মাঠে লুটিয়ে পড়লেন এরিকসেন
Nagad desktop

প্রকৃতিবন্ধু মলিন বড়ুয়া

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৫, ১০:২৪ এএম
প্রকৃতিবন্ধু মলিন বড়ুয়া
ক্যাপশন: চট্টগ্রামের দোহাজারী রেলওয়ে স্টেশন থেকে সাতকানিয়া রেলওয়ে স্টেশন রেল ট্র্যাকের দুই পাশে নিজ খরচে সাড়ে ৫ হাজার তালগাছ রোপণ করেছেন মলিন বড়ুয়া। এরই মধ্যে অনেকগুলো বড় হতে শুরু করেছে। ছবি: খবরের কাগজ।

পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগের এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত গড়েছেন চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার প্রকৃতিবন্ধু মলিন বড়ুয়া। তিন বছর ধরে তিনি নিজ অর্থায়নে দোহাজারী রেলওয়ে স্টেশন থেকে সাতকানিয়া রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত রেলপথের দুই পাশে সাড়ে ৫ হাজার তালগাছ রোপণ করেছেন। তার এই পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলার যাত্রা এরই মধ্যে স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এ ছাড়া পরিবেশ আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরাও তার এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। বলেছেন, সরকারিভাবে এমন উদ্যোগ নেওয়া হলে রেললাইনের দুই পাশে সবুজের বিশাল করিডর তৈরি করা সম্ভব হবে।

 মলিন বড়ুয়া মনে করেন, রোপণ করা তালগাছগুলো শুধু প্রকৃতির জন্য নয়, আগামী প্রজন্মের জন্য এগুলো হয়ে উঠবে অমূল্য সম্পদ।
 
সাতকানিয়া রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন ঢেমশা এলাকা থেকে কেরানীহাট রেলক্রসিং পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায়, রেললাইনের দুই পাশে অসংখ্য তালগাছ বেড়ে উঠছে। মাটির নিচে পুঁতে রাখা বীজ থেকে অনেক গাছের পাতা মেলতে শুরু করছে। আবার কিছু গাছ সঠিক পরিচর্যার কারণে আকারে অনেক বড় হয়েছে।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা থেকে এসব বীজ কিনে এনে তিনি রোপণ করেছেন বলে জানা গেছে।

মলিন বড়ুয়া জানান, শৈশব থেকেই তিনি গাছের প্রতি গভীর টান অনুভব করতেন। বিশেষ করে তালগাছের প্রতি তার আলাদা ভালোলাগা ছিল। তিনি মনে করেন, তালগাছ কেবল পরিবেশ নয়, গ্রামীণ জীবন-সংস্কৃতিরও অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই রেললাইনের পাশের পরিত্যক্ত জমি কাজে লাগিয়ে দীর্ঘমেয়াদি এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নেন।

তিনি বলেন, ‘ছোট থেকেই আমি গাছ ভালোবাসি। বিশেষ করে তালগাছ আমার খুব প্রিয়। কারণ তালগাছ ঝড়ের সময় বাতাসের তীব্রতা কমিয়ে মানুষকে সুরক্ষা দেয়। বজ্রপাত প্রতিরোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একসময় দেখলাম রেললাইনের পাশগুলো ফাঁকা পড়ে আছে। তখনই সেখানে তালগাছ রোপণের সিদ্ধান্ত নিলাম।’

মলিন বড়ুয়া বলেন, ‘তিন বছর ধরে নিজ খরচে সাড়ে ৫ হাজার তালগাছ রোপণ করেছি। গাছগুলো লাগানোর পাশাপাশি নিয়মিত পরিচর্যাও করি। আমার এই কাজ দেখে শুরুতে অনেকে হাসাহাসি করেছে। কিন্তু আমি হাল ছাড়িনি। এখন যারা এখানে এসে দাঁড়ায়, তারা রেললাইনের দুই পাশের ঝোপঝাড়ের আড়ালে ছোট ছোট তালগাছের সারি দেখে অবাক হয়।’

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে এই প্রকৃতিবন্ধু বলেন, ‘এখন শুধু রেললাইনের পাশে সীমাবদ্ধ আছি। তবে সুযোগ হলে গ্রামের ফাঁকা জমি, গ্রামীণ সড়ক ও মহাসড়কের পাশেও তালগাছ লাগাতে চাই। কারণ আমি চাই- আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যেন একটি সবুজ ও নিরাপদ পরিবেশ পায়।’

সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন বলেন, ‘মলিন বড়ুয়ার লাগানো তালগাছগুলো বড় হতে শুরু করেছে। রেললাইন ধরে হাঁটলে এক ধরনের শীতলতা পাওয়া যায়। গ্রামের ছোট ছেলেমেয়েরা এখন এই রেললাইনের পাশ দিয়ে গেলে গাছগুলো দেখে খুশি হয়। তারা প্রকৃতির সৌন্দর্য সম্পর্কে জানতে পারছে। এ ছাড়া রোপন করা গাছগুলো আগামী প্রজন্মের জন্য অমূল্য সম্পদ হয়ে উঠবে। ভবিষ্যতে মলিন বড়ুয়াকে সঙ্গে নিয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইনের দুই পাশে বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।’

পরিবেশবাদী নাগরিক সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)-এর সাতকানিয়ার সমন্বয়ক সানজিদা রহমান বলেন, ‘তালগাছের জীবনকাল অনেক দীর্ঘ। এটি বজ্রপাত প্রতিরোধে কার্যকর এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মলিন বড়ুয়ার মতো একজন সচেতন মানুষের এমন উদ্যোগ আমাদের জন্য বড় প্রেরণা এবং শিক্ষণীয়। সরকারিভাবে এ ধরনের কর্মসূচি হাতে নিলে রেললাইনজুড়ে তৈরি হবে সবুজের এক বিশাল করিডর।’

টুঙ্গিপাড়ায় বিদ্যালয়ের ফ্যান, জানালা, বই-খাতা বিক্রির অভিযোগ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৪:০২ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম
টুঙ্গিপাড়ায় বিদ্যালয়ের ফ্যান, জানালা, বই-খাতা বিক্রির অভিযোগ
ছবি: খবরের কাগজ

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বিদ্যালয় বন্ধের দিনে নষ্ট ফ্যান, পরিত্যক্ত ভবনের জানালা, বিনামূল্যের বই ও খাতা বিক্রির অভিযোগ উঠেছে সহকারী শিক্ষক এবং দপ্তরির বিরুদ্ধে। রেজুলেশন বা টেন্ডার না করেই এগুলো বিক্রি করা হয়েছে।

তবে অভিযুক্তদের দাবি প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে তারা এগুলো বিক্রি করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন, উপজেলার গোপালপুর পঞ্চপল্লী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিপদভঞ্জন অধিকারী ও দপ্তরি গণেশ টিকাদার।

এলাকাবাসী খবরের কাগজকে জানান, অভিযুক্তরা গত ২৯ মে ওই বিদ্যালয়ের নষ্ট চারটি ফ্যান, পরিত্যক্ত ভবনের অন্তত ২০টি লোহার জানালা বিনামূল্যে বিতরণের বই ও পরীক্ষার খাতা বিক্রি করে দেন। বিদ্যালয় খোলার পর বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

জানা গেছে, বিদ্যালয় বন্ধের দিনে গোপালপুর পঞ্চপল্লী উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকটি পুরাতন ফ্যান ও পরিত্যক্ত ভবনের জানালা খুলে নিয়ে যায় সহকারী শিক্ষক বিপদভঞ্জন অধিকারী ও দপ্তরি গণেশ টিকাদার। পরে তারা সেগুলো বিক্রি করে দেন। এছাড়া বই ও খাতাও বিক্রি করেছেন। তবে পরীক্ষার
খাতা অন্তত এক বছর সংরক্ষণ করার বিধান রয়েছে। কিন্তু ২০২৫ সালের পরীক্ষার খাতা এক বছর সংরক্ষণ করে ২০২৭ সালে বিক্রি করা যায়। এ ছাড়াও শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন শিক্ষাবর্ষের বই বিতরণ করার সময় ৬০০ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পুরনো শিক্ষাবর্ষের বই নিয়ে নেওয়া হয়। ওই সব পুরাতন বইও বিক্রি করা হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক বিপদভঞ্জন অধিকারী খবরের কাগজকে বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক মিল্টন তালুকদার আমাকে ফোন করে বইখাতা, ফ্যান ও জানালা বিক্রি কারার নির্দেশ দেন।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘দপ্তরি আর আপনি সামনে থেকে এগুলো বিক্রি করেন’। প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে বই, খাতাসহ নষ্ট ৪টি ফ্যান ও পরিত্যাক্ত ভবনের জানালা ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। 

দপ্তরি গণেশ টিকাদার বলেন, ‘আমি সামান্য পোস্টে চাকুরি করি। আমি নিজে কখনও এগুলো বিক্রি করার অধিকার রাখি না। প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে এগুলো বিক্রি করেছি। এ সময় বিপদভঞ্জন অধিকারী স্যারও উপস্থিত ছিলেন’।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক মিল্টন তালুকদার বলেন, ‘শুধু পুরাতন বইখাতা বিক্রি করতে বলা হয়েছিল দপ্তরিকে। কিন্তু তার সঙ্গে ফ্যান ও পরিত্যক্ত ভবনের জানালা বিক্রির বিষয়ে জানি না। তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেবেন? এমন প্রশ্নে কোনো উত্তর না দিয়ে, বিদ্যালয় ত্যাগ করেন প্রধান শিক্ষক।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সেলিম তালুকদার খবরের কাগজকে বলেন, ‘বই, খাতা, ফ্যান ও জানালা বিক্রি করতে অবশ্যই টেন্ডার দিতে হবে। তবে সামান্য কিছু বই-খাতা বিক্রির উপযোগী হয় সেটা রেজুলেশন করলেই হয়। কিন্তু রেজুলেশন বা টেন্ডার ছাড়া এগুলো বিক্রির
সুযোগ নেই। এখানে স্কুলের মালামাল বিধি লঙ্ঘন করে বিক্রি করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বাদল সাহা/থিও/

নওগাঁয় পানিতে ডুবে ১৩ মাসের শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
নওগাঁয় পানিতে ডুবে ১৩ মাসের শিশুর মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

নওগাঁর পত্নীতলায় পুকুরের পানিতে পড়ে তানজিম আরাফ নামে ১৩ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

সোমবার (৮ জুন) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার সিংহন্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত তানজিম আরাফ সিংহন্দি গ্রামের বাসিন্দা মাহমুদুল হাসানের ছেলে। 

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৮ জুন) আনুমানিক বেলা ১২টার দিকে শিশুটির দাদি তাকে নিয়ে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে বসেছিলেন। এক সময়ে দাদির চোখে ঘুম চলে আসলে শিশুটি অজান্তেই পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। পরে দাদি শিশুটিকে না দেখে তার মায়ের কাছে খোঁজ নেন। এরপর পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে পুকুরের পানিতে শিশুটিকে ভেসে থাকতে দেখতে পান তারা।

সঙ্গে সঙ্গে শিশুটিকে উদ্ধার করে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সায়েমা আক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পত্নীতলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নিয়ামুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

হারুন চৌধুরী/অন্তরা

টুঙ্গিপাড়ায় এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিবর্তনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম
টুঙ্গিপাড়ায় এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিবর্তনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ
ছবি: খবরের কাগজ

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় এইচএসসি পরীক্ষারকেন্দ্র পরিবর্তনের দাবিতে ঢাকা-পিরোজপুর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

পরে তারা পাটগাতী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নিয়ে মহাসড়কে গাছের গুড়ি ফেলে অবরোধ করেন। এ সময় এই মহাসড়কে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।পরে খবর পেয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল-আমিন হাওলাদার এবং টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার আইয়ুব আলী ঘটনাস্থলে গিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তাদের কলেজের এইচএসসি পরীক্ষা খান সাহেব শেখ মোশারফ হোসেন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। কিন্তু ওই কেন্দ্রের শিক্ষকরা বিভিন্ন সময় পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে ‘অত্যন্ত আপত্তিকর ও অসৌজন্যমূলক’ আচরণ করে থাকেন।

​অপর এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘তারা কোনো বেসরকারি স্কুল বা কলেজকেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক নন। তাদের নিজস্ব কলেজের শিক্ষকরা বিসিএস ক্যাডার হওয়া সত্ত্বেও একটি বেসরকারি কেন্দ্রের শিক্ষকদের এমন আচরণ তারা মেনে নেবেন না।’

এ সময় যেকোনো সরকারি কলেজকে তাদের নতুন পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানান।​

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার বলেন, ‘যেহেতু আগামী মাসেই পরীক্ষা, তাই এই মুহূর্তে কেন্দ্র পরিবর্তন করা বেশ জটিল বিষয়। আমরা শিক্ষার্থীদের বুঝিয়েছি যে, তারা যে বিষয়ে আশঙ্কাবোধ করছে, তেমন  কোনো  কিছু হবে না। যদি হয় আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নেব। তবে তাদের দাবিটি বিবেচনা করে কেন্দ্র পরিবর্তন করা যায় কি না, তা আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব। আমাদের আশ্বাসের পর শিক্ষার্থীরা আন্দোলন প্রত্যাহার করে পড়ার টেবিলে ফিরে গেছে।’

​টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার আইয়ুব আলী জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ শান্ত রয়েছে এবং শিক্ষার্থীরা তাদের ক্যাম্পাসে ফিরে গেছেন। তবে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।

বাদল সাহা/খাদিজা রুমি/

এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফলাফলের তারিখ ঘোষণা

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফলাফলের তারিখ ঘোষণা
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে জাতীয় পর্যায়ের স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম, প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অন্যান্য আয়োজন বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা কারিকুলাম নিয়ে কাজ করছি। এটি পরিমার্জনের জন্য ব্যাপক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আগামী বছর চারটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি নিয়ে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি) ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন।

অমিয়/

সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:৩৩ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম
সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু
শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাম আক্রান্ত শিশুরা/ ফাইল ছবি

সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে সিলেটে হাম আক্রান্ত হয়ে ও হাম উপসর্গ নিয়ে ৬৬টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগে ৪টি শিশুর মৃত্যু হয়।

সোমবার (৮ জুন) বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা গ্রামের সোহাগ মিয়ার দেড় বছরের মেয়ে খাদিজা মারা যায়।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে নতুন করে ৩টি শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। সেই সাথে সন্দেহজনক রোগী হিসেবে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৫৫ জন।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৬ জুন পর্যন্ত মোট ২৫৬ জনের শরীরে হাম সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জে ২৩ জন (২ জন রুবেলা), মৌলভীবাজারে ১৬ জন, সুনামগঞ্জে ১৪৪ জন এবং সিলেট জেলায় ৭৬ জন।

বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মোট ২৭০ জন সন্দেহজনক শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৬ জন ভর্তি আছেন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে , ২৪ জন মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ও ৩৬ জন সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে।

এছাড়া ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন।

আমান/