ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
হালুয়াঘাটে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল যুবকের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পাশে মিলল আরেক নারীর মরদেহ ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ গাজীপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে জনতার হাতে যুবদল নেতা আটক বাউফলে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর নকলের অভিযোগ চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতি সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে সাপাহারে মতবিনিময় সভা বছরে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ রুমিন ফারহানার উচ্চশিক্ষা নয়, নৈতিক শিক্ষায় বড় হও জবানের যে ছোট্ট কথায় অফুরন্ত সওয়াব মেলে সমুদ্র বাঁচলে পৃথিবী বাঁচবে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বরগুনায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ট্রেড ফাইন্যান্স অ্যানালিটিক্স সফটওয়্যার উদ্বোধন শাওমি নিয়ে এল ৯.৭ ইঞ্চির নতুন রেডমি প্যাড ২ ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারী ঈদের আগে বেতন না পাওয়ায় সংসদে ক্ষোভ চীন-মঙ্গোলিয়া যৌথ মহড়ায় নজর কাড়লো রোবটিক উলফ চকরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় নীতিমালা আধুনিকায়ন করছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী দেশে প্রতিবছর অপচয় হয় ৩৫ লাখ টন খাদ্য: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী গৃহকর্মী রোবট! দেশের সম্মান রক্ষায় জীবন বাজি রাখছেন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রামিসার মৃত্যু, অপরাধীর শাস্তি এবং সমাজের দায় বিশ্বকাপের উন্মাদনা এবার রঙ বাংলাদেশে নাচোলে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে মৎস্য সমবায় সমিতির নিবন্ধন জাতিসংঘ: উন্নয়ন অংশীদার নাকি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নদী-খাল কিছু নেই তবুও নির্মাণ হচ্ছে ব্রিজ
Nagad desktop

রায়পুরায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আপন দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৫, ০৫:৩৪ পিএম
রায়পুরায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আপন দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
ছবি: খববের কাগজ

নরসিংদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আপন দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছে তাদেরই চাচাতো ভাইয়েরা। শনিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে রায়পুরা উপজেলার চরসুবুদ্ধি গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন চরসুবুদ্ধি গ্রামের মৃত আবু তাহেরের ছেলে ফোরা মিয়া (৪০) এবং তার ছোট ভাই শাকিল মিয়া (২৪)। এ ঘটনায় ফোরা মিয়ার স্ত্রী মনিরা বেগম আহত হয়েছেন। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

নিহতদের পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় ২০ বছর আগে ফোরা মিয়া ও শাকিলের বাবা আবু তাহের তাদের চাচা আব্দুল আউয়ালের কাছ থেকে ১,৭০০ টাকা ধার নিয়েছিলেন। সেই সূত্র ধরে আউয়াল ও তার ছেলেরা শিপন মিয়া ও রিপন মিয়া আবু তাহেরের ভিটের জমি নিজেদের দাবি করে আসছিলেন। সম্প্রতি একাধিক সালিশ বৈঠকে স্থানীয় বিচারকরা আবু তাহেরের পরিবারের পক্ষেই রায় দেন।

শনিবার সকালে রিপন ও শিপন আবারও জমি দখলের চেষ্টা করে। এ সময় বাধা দিতে গেলে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে ফোরা মিয়া, শাকিল মিয়া ও মনিরা বেগম গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই ভাইকে মৃত ঘোষণা করেন।

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফরিদা গুলশানারা কবির বলেন, ‘আহত তিনজনকে হাসপাতালে আনা হলে দুইজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। একজন সামান্য আহত ছিলেন, তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার বলেন, ‘জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই ভাইকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।’

শাওন খন্দকার শাহিন/এসএন

 

কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পাশে মিলল আরেক নারীর মরদেহ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৫৯ পিএম
কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পাশে মিলল আরেক নারীর মরদেহ
ছবি: খবরের কাগজ

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার মিরহামজানি এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে মুক্তা (৩০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। 

সোমবার (৬ জুন) সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মুক্তা ওই এলাকার সুজন মিয়ার স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বামী ও ৭ বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে রেললাইন ধরে বাবার বাড়ি যাওয়ার সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেন তাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এদিকে একই এলাকায় রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহে পচন ধরায় পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের ধারণা, কয়েকদিন আগে তাকে হত্যা করে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে।

উভয় মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় শনাক্ত ও মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

টাঙ্গাইল কালিহাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জুয়েল/নাঈম

পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৩৩ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ
ছবি: সংগৃহীত

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার বড়বাড়ি সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টায় আটকে থাকা শিশুসহ ১০ নারী-পুরুষকে চার দিনের মাথায় অবশেষে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

রবিবার (৭ জুন) রাতে কয়েক দফায় ভারতের সীমান্তের লাইট বন্ধ করে শিশুসহ ওই ১০ জনকে সরিয়ে ভারতে নিয়ে যায় বিএসএফ। পরে তাদের সরিয়ে নেওয়ার পর আবারও সীমান্তের লাইট চালু করে তারা।

এর আগে শুক্রবার ভোরে বিএসএফ ১০ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে। তবে বিজিবির বাধার মুখে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। পরে কোম্পানি ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও বিএসএফ তাদের ফেরত নিতে অস্বীকৃতি জানায়।

এদিকে গত রবিবার দুপুর ১২টার দিকে আবারও ভারতের অংশের শূন্যরেখা থেকে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে সীমান্ত এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে ভারতীয় সীমান্তরেখা থেকে পুশইনের চেষ্টায় আটকে থাকা ব্যক্তিদের বিএসএফ ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে গেলেও বিজিবির টহল ও অবস্থান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া অনুপ্রবেশ ও পুশইন ঠেকাতে জেলার বিভিন্ন সীমান্তে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কথা হয় বড় লবাড়ি প্রধানপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. সোহাগ বলেন, ‘রবিবার রাত দেড়টার দিকে প্রথমে বিএসএফ ভারতের সীমান্তের লাইট বন্ধ করে। পরে আবার চালু করে। এভাবে দুই-তিনবার লাইট বন্ধ করার পর তারা চলে যায়। আমরা এমন ঘটনা আর দেখতে চাই না।’

একই কথা বলেন আতাউর রহমান নামে আরেক স্থানীয় যুবক বলেন, ‘পুশইনের ঘটনা আমরা কোনোভাবেই মেনে নেব না। বিজিবির সঙ্গে আমরা সব সময় রয়েছি। বিএসএফ ওই ১০ জনকে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে, এটি ভালো করেছে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও মজবুত হোক এবং দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সম্পর্কও ভালো থাকুক।’

নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় আমরা কঠোর নজরদারি ও টহল জোরদার করেছি।  রবিবার রাতে বিএসএফ যে ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছিল, তাদের সবাইকে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে। বড়বাড়ি সীমান্তে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে আমাদের টহল ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।’ 

রনি মিয়াজী/রিফাত/

চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতি

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম
চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতি
ছবি: সংগৃহীত

ছয় দফা দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মত কর্মবিরতি পালন করছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রবিবার সকাল ৮টা থেকে অনির্দিষ্টকালের এ কর্মসূচি পালন করছেন তারা।

সোমবার (৮ জুন) কর্মবিতরতির পাশাপাশি তারা ক্যাম্পাসে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ নকর্মসূচিও পালন করেন।

এদিকে, তাদের কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে সোমবার সকাল থেকে বেসরকারি ট্রেইনি চিকিৎসকরাও কর্মবিরতি শুরু করেছেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক ইরফানুর রহমান বলেন, আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের এ কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।

তবে দাবি নিয়ে আলোচনার জন্য একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। আলোচনার পর কর্মসূচির বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসবে।

এদিকে রোগীর স্বজনদের অভিযোগ চিকিৎসকদের কর্মবিরতির কারণে তারা যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছেন না। স্বাভাবিক সময়ে তারা অন্তত ডিউটি ডকটরস রুমে গিয়ে চিকিৎসককে রোগীর তাৎক্ষণিক সমস্যার কথা বলতে পারতেন। তারা দ্রুত এসে সমাধান দিতেন কিন্তু এখন সেই সুযোগ নেই।

রোগীদের সেবায় বিঘ্ন ঘটার বিষয়ে ইরফানুর রহমান বলেন, জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ এবং ওয়ার্ডগুলোতে সেবা চালু আছে। যেহেতু আমরা কর্মবিরতিতে আছি তাই সেবায় বিঘ্ন ঘটাই স্বাভাবিক।

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ছয় দফাসমূহ হলো, স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের গত ১৯ মে জারি করা এফসিপিএস প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নতুন নির্দেশনা দেওয়া, স্বাস্থ্যকর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ এবং সরকারি চিকিৎসকদের জন্য পৃথক বেতনকাঠামো প্রণয়ন, বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর নির্ধারণ, বিএমডিসি অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর, ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং বিএমডিসি ও বাংলাদেশ
মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সব ভর্তি পরীক্ষার ফি এক হাজার টাকার মধ্যে নির্ধারণ করা।

এসব দাবিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন মানববন্ধন, সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।

ইন্টার্ন ডাক্তারদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে।
এতে বলা হয়, গত ১৯ মে মন্ত্রণালয় থেকে নীতিমালা জারির পর সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং বিসিপিএস কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়। আলোচনার ভিত্তিতে উপজেলায় প্রশিক্ষণ গ্রহণের শর্ত বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া এফসিপিএস প্রথম পর্বে উত্তীর্ণ বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থীরা এখন থেকে বিসিপিএস স্বীকৃত সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণ নিলে প্রশিক্ষণ ভাতার আওতাভুক্ত হবেন। বাকি দাবি পূরণ না হওয়ায় তারা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

নাঈম/

সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে সাপাহারে মতবিনিময় সভা

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:২৮ পিএম
সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে সাপাহারে মতবিনিময় সভা
ছবি: খবরের কাগজ

নওগাঁর সীমান্তবর্তী এলাকায় পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে নওগাঁর সাপাহারে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) বিকেলে সাপাহার উপজেলা হলরুমে স্থানীয় প্রশাসন এ সভার আয়োজন করে।

সভায় বক্তব্য রাখেন, নওগাঁ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ১৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম মাসুম ও সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রোমানা রিয়াজ।

বক্তারা বলেন, সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। কোনোভাবেই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হতে দেওয়া যাবে না। এমন কিছু করা যাবে না যাতে দেশের শৃঙ্খলা নষ্ট হয়। সীমান্তে অনুপ্রবেশসহ যাবতীয় অস্থিরতা ঠেকাতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আশিষ কুমার, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান টকি, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার জাহান চৌধুরী লাবু, প্রবীণ রাজনীতিবিদ অধ্যক্ষ আব্দুন নুরসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

হারুন/নাঈম

বরগুনায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম
বরগুনায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার
ছবি: খবরের কাগজ

বরগুনা সদর উপজেলার গৌরিচন্না ইউনিয়নের একটি খাল থেকে শামীম (৩০) নামের এক ব্যবসায়ীর মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নৃশংস এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে গৌরিচন্না বাজারসংলগ্ন একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শামীম ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা মুনসুর আলী বেপারির ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাত ১১টার পর থেকে শামীম নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। সকালে খালের পাড়ে রক্তের দাগ দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে আশপাশে অনুসন্ধান চালিয়ে খালের পানিতে একটি মাথাবিহীন মরদেহ ভাসতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি ও মরদেহের অবস্থা দেখে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। 

নিহতের স্বজনদের দাবি, শামীমকে হত্যার পর পরিচয় গোপন করতে তার মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়ে থাকতে পারে।

এদিকে এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আলীম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার কারণ, সময় এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। নিখোঁজ মাথা উদ্ধারে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে।

মহিউদ্দিন/নাঈম