ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিষাদ-বেদনার আঙুলে চুমো খাও নির্বাচনের খরা কাটল মাসুদুজ্জামানের শান্তি নিদ্রা আব্বার সেই ম্লান হাসিটা আমাকে তাড়া করে বেড়িয়েছে বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ পানির বোতল যে বই কেউ ছাপতে চায়নি সেই বইয়ের বুকার জয় ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে ভর্তি আরও ১৯ শিশু বেড়েছে মুরগি, কাঁচা মরিচ-কাঁচা পেঁপের দাম বাতাসে যেন আগুনের হলকা, কষ্টে প্রাণিকুল তিন ক্যাটাগরিতে রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস পেল এপেক্স ফুটওয়্যার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে চুয়াডাঙ্গায় পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার খুলনায় হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড় গোপালগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, নিহত ২ ৬ ঘণ্টা পরে ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম-সিলেটের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক কর্মস্থলে গরমে হাঁসফাঁস ভ্যাট রিটার্ন দাখিলে আসছে ত্রৈমাসিক ব্যবস্থা পর্যটন খাতে তাপের প্রভাব বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনের খসড়া অনুমোদন ইসলামী ব্যাংকের অধিকাংশ শাখায় কলমবিরতি হয়নি নাটোরে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু বেলকুচিতে বাসচাপায় অটোভ্যানের ৩ যাত্রী নিহত বন্ধ শিল্প ও প্রতিষ্ঠান সচল করতে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল ফেনীতে প্রখর রোদে দুর্ভোগে খেটে খাওয়া মানুষ বজ্রপাতে চার জেলায় নিহত ১০ দিলারার রেকর্ড গড়া ইনিংসে বাংলাদেশের জয় কৃষ্ণচূড়ার রাঙা মঞ্জরি ৫ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল তৃণমূলে বিদ্রোহের নেপথ্যে ‘ভাইপোবিরোধী’ হাওয়া বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ
Nagad desktop

বেনাপোলে নদীর পাড় থেকে নবজাতক উদ্ধার

প্রকাশ: ১২ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:০২ পিএম
আপডেট: ১২ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:২২ পিএম
বেনাপোলে নদীর পাড় থেকে নবজাতক উদ্ধার
ছবি: খবরের কাগজ

বেনাপোল হাকর নদীর পাড় থেকে এক ছেলে নবজাতক শিশুকে উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে বুধবার (১২ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে পোর্ট থানার গাজীপুর গ্রাম সংলগ্ন হাকর নদীর পাড় থেকে ওই শিশুকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বেনাপোল পৌরসভার প্রশাসক কাজী নাজিব হাসান।

কাজী নাজিব হাসান জানান, গাজীপুর গ্রামে হাকর নদীর পাড়ে একটি ছেলে নবজাতক শিশু পড়ে আছে। এমন খবর পেয়ে সেখান থেকে শিশুটি উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের পর শিশুটির প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে গাজীপুর গ্রামের প্রাইভেটকার চালক কালু মিয়ার স্ত্রীর তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। নবজাতকের শারীরিক অবস্থা এখন ভালো আছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিশুটিকে দেখাশুনা করা হবে এবং উপজেলা শিশু কল্যান বোর্ডের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নজরুল/মেহেদী/

ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে ভর্তি আরও ১৯ শিশু

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:১৭ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:১৯ এএম
ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে ভর্তি  আরও ১৯ শিশু
ছবি: খবরের কাগজ

হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে আরও ১৯টি শিশু ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোট ৮৯টি শিশু।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত ১৭ মার্চ থেকে ৫ জুন সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ৮৭১টি শিশু ভর্তি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৩টি শিশু। এখন পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে মোট ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৭৩৬টি শিশু। সেখানে এ পর্যন্ত মোট ৪৬টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

কামরুজ্জামান/আমান

বাতাসে যেন আগুনের হলকা, কষ্টে প্রাণিকুল

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:১১ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
বাতাসে যেন আগুনের হলকা, কষ্টে প্রাণিকুল
হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচাতে ব্রয়লার মুরগির শরীরে ঠাণ্ডা পানি স্প্রে করা হচ্ছে। ছবি: খবরের কাগজ

জ্যৈষ্ঠের খরতাপে পুড়ছে পাবনা। প্রখর রোদ, তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। কয়েক দিন ধরে চলা এই তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ খেটে খাওয়া মানুষ। গত সোমবার পাবনায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রার ছিল ৩৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ৫০ শতাংশে পৌঁছালে গরমের তীব্রতা ভয়াবহ রূপ নেয়।

এমন অবস্থা গত এক সপ্তাহ ধরে। বাতাসে যেন আগুনের হলকা বইছে। তপ্ত রোদে মাঠে এক বেলার বেশি কাজ করতে পারছেন না কৃষি শ্রমিকরা। ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে পাবনায় অসহনীয় ভ্যাপসা গরমের মূল কারণ বাতাসে আর্দ্রতার উচ্চ পরিমাণ। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ জুন জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তখন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৫০ শতাংশ। পরদিন মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কিছুটা কমে ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামলেও বাতাসের আর্দ্রতা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৪ শতাংশে, যার ফলে গরমের অস্বস্তি আরও প্রকট হয়। সর্বশেষ বুধবার তাপমাত্রা এক লাফে বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

এদিকে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় দিনভর দাবদাহের পর রাতেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি। তীব্র গরমে ঘাম ঝরছে অবিরাম। বিদ্যুৎচালিত পাখার বাতাসেও স্বস্তি মিলছে না। দুপুরের দিকে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও সড়কে মানুষের উপস্থিতি কমে যাচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ, কৃষি শ্রমিক ও দিনমজুররা পড়েছেন চরম বিপাকে। বিল গ্যারকা পাড়ের চাষি আবুল হোসেন কষ্টের কথা জানিয়ে বলেন, ‘সকাল ১০টার পর আর মাঠে কাজ করতে পারছি না। অতিরিক্ত গরমে অনেক কৃষক ও শ্রমিক ফসলের মাঠে কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। ফসল বিক্রির সময় নানা কথা ওঠে, কিন্তু এই কষ্টের দাম কেউ দেয় না।’

সাঁথিয়া উপজেলার কৃষি শ্রমিক বাবু আলী বলেন, ‘যে তাপমাত্রা, তাতে এক বেলা কাজ করাই কঠিন। আমরা দিনমজুর মানুষ, কাজ করতে না পারলে সংসার চলে না।’

তীব্র গরমের প্রভাব পড়েছে জেলার ব্যবসা-বাণিজ্যেও। শহরের কাপড় ব্যবসায়ী সবুজ হোসেন বলেন, ‘ক্রেতারা দোকানে এসে বেশিক্ষণ থাকতে চান না। গরমে অনেক সময় তারা না কিনেই ফিরে যান।’ একই সুর শোনা গেল মুদি দোকানি রফিকুল ইসলামের কণ্ঠে। তিনি বলেন, ‘বেচাকেনা আগের চেয়ে অর্ধেক কমে গেছে।’

তবে এই গরমে চাহিদা বেড়েছে ডাব, শরবত ও হাতপাখার। পাবনার পাঁচমাথা মোড়ের ডাব বিক্রেতা সাইদুল ইসলাম জানান, ভ্যাপসা গরমে ডাব ও ঠাণ্ডা শরবত বিক্রির পরিমাণ অনেক বেড়েছে। জেলার অন্যতম বাণিজ্য কেন্দ্র কাশীনাথপুরের হাতপাখা বিক্রেতা আফজাল হোসেন বলেন, ‘গত কয়েক দিনে গরমে অতিষ্ঠ মানুষের কাছে তার হাতপাখা বিক্রি কয়েক গুণ বেড়েছে।’ অন্যদিকে বনগ্রাম বাজারের ওষুধ বিক্রেতা আবু জাফর খান জানান, বাজারে এখন খাবার স্যালাইন, জ্বর ও ডায়রিয়ার ওষুধের বিক্রি অনেক বেশি। তীব্র গরমে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া চরম বিঘ্নিত হচ্ছে। কাশীনাথপুর উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমন হাসান আক্ষেপ করে বলে, সকাল-বিকেল বা রাতে যখনই পড়তে বসি, তখনই ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হতে হয়। ঘামতে ঘামতে পড়ার টেবিলে বসে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে।

আতাইকুলার মুরগি ব্যবসায়ী নাজমুল হোসেন জানান, মুরগিগুলো রাতে ছটফট করে। ফলে আমাদেরও জেগে থাকতে হয়। দিনের গরমও মারাত্মক। তাই সব সময় বৈদ্যতিক পাখা চালাতে ও পানি স্প্রে করতে হচ্ছে। বামনডাঙ্গা গ্রামের গো-খামারি আরজু প্রধান বলেন, ‘খামারের গরুকে হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচাতে বারবার পানি দিয়ে গোসল করাচ্ছি। পর্যাপ্ত ঠাণ্ডা পানি ও স্যালাইন খাওয়াচ্ছি।’

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:০৮ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:৩৫ এএম
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে
ছবি: সংগৃহীত

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাটে আবারও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস পদ্মায় পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বাসের চালক ও তার সহযোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। 

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় এখনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে  বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী এসবি পরিবহনের একটি বাস দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাট পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ে যায়। এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বাস থেকে যাত্রী নামানো অবস্থায় ছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে। 

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, বাস পদ্মায় ডুবে যাওয়ার ঘটনা শুনেছি। আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।

উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ৩ নম্বর পল্টুন থেকে কুষ্টিয়ার কুমারখালি থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী ‘সৌহার্দ্য পরিবহনে’র একটি বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। এ ঘটনায় মোট ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নাঈম/

চুয়াডাঙ্গায় পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:০১ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:৫৫ এএম
চুয়াডাঙ্গায় পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার
ছবি: খবরের কাগজ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে ওমর আলী (৫৯) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ভোর ৪টার দিকে নতিপোতা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ওমর আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২০ মে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে শিশু সন্তানকে নিয়ে আসার কথা বলে শ্বশুর ওমর আলী পুত্রবধূর ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি জোরপূর্বক মুখ চেপে ধরে তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরিবারের কাছে ঘটনার বিচার না পেয়ে ওই নারী ২১ মে বাবার বাড়ি রংপুরে চলে যান। পরদিন ২২ মে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।

১৫ দিন পর বুধবার (৩ জুন) রাতে নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় শ্বশুর ওমর আলীকে একমাত্র আসামি করা হয়। মামলার পরপরই বৃহস্পতিবার ভোরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।

তবে স্থানীয়দের একটি অংশ দাবি করেছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে ওই নারী মিথ্যা মামলা করেছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এর আগেও তিনি স্বামীর বিরুদ্ধে কন্যা শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে হয়রানি করেছিলেন। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। একপর্যায়ে ওমর আলীর ছেলে আব্দুস সালাম ওই নারীকে তালাক দেন। এরপরও তিনি জোরপূর্বক স্বামীর বাড়িতে অবস্থান করছিলেন বলে স্থানীয়দের দাবি। বিষয়টি একাধিকবার স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও সমাধান হয়নি। এ ছাড়াও কিছুদিন আগে ওই নারী আলমডাঙ্গা এলাকায় একটি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তাদের মতে, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।

দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন খবরের কাগজকে বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মিজানুর রহমান/থিও

খুলনায় হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড়

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:৫৯ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:৫১ এএম
খুলনায় হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড়
ছবি: খবরের কাগজ

তীব্র তাপপ্রবাহে খুলনায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। সেই সঙ্গে জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, হিটস্ট্রোকের মতো গরমজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। উপচে পড়া রোগীর চাপ সামলাতে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকরা হিমশিম খাচ্ছেন। দীর্ঘস্থায়ী হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তরা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। পাশাপাশি শ্রমজীবী ও বয়স্কদের মধ্যে হিটস্ট্রোকের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

জানা যায়, খুলনা শিশু হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের শয্যা সংখ্যা ২৭৫টি। প্রতিদিন সকালে ২০-২৫টি শয্যা খালি হলেও অপেক্ষমাণ রোগী থাকে ৪০-৫০ জন। দুপুরের পর আর কোনো শয্যা খালি পাওয়া যায় না। জায়গা সংকুলান না হওয়ায় অনেককে ফেরত পাঠাতে হচ্ছে। এর বাইরে বহির্বিভাগে প্রতিদিন চিকিৎসা নিচ্ছে আরও ৭০০-৮০০ শিশুরোগী। তাদের অধিকাংশই জ্বর, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ গরমজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। এ ছাড়া খুলনা জেনারেল হাসপাতাল, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালসহ বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে রোগীর চাপ বাড়ছে। হিটস্ট্রোকজনিত অসুস্থতা সবচেয়ে বেশি। হাসপাতালে রোগীর চাপ সামলাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।

খুলনা শিশু হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. প্রদীপ দেবনাথ জানান, গরমে শিশু ও বয়স্করা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এতে জ্বর ডায়রিয়া ও শ্বাসতন্ত্রের রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। গরমের কারণে ঘাম বেশি হচ্ছে, ফলে শরীরে পানিশূন্যতা ও দুর্বলতা দেখা দেয়। শিশুদের শরীরে জ্বর থাকছে ১০৪ থেকে ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত। গরমে ফুড পয়জনিংয়ের কারণে ডায়রিয়া হচ্ছে।

এদিকে গরমের সময় শারীরিক সুস্থতায় প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া, শিশুদের রোদে যেতে না দেওয়া ও পর্যাপ্ত খাবার স্যালাইন পান করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

খুলনা আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে, ২০২৩ সালে খুলনায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০২৪ সালে তিন ধাপে সেই রেকর্ড ভেঙে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রিতে পৌঁছে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। খুলনা আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, শুধু জলবায়ু পরিবর্তন নয়, ভূমির অপরিকল্পিত ব্যবহারে তাপ নিঃসরণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে বলেও তাপমাত্রা বাড়ছে।