অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়েরকৃত মামলায় বন কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১২ নভেম্বর) চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্পেশাল জজ মিজানুর রহমানের আদালত এই আদেশ দেন। দুদকের মামলার এই আসামী বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত শুনানি শেষে তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ওই বন কর্মকর্তান নাম-সুলতানুল আলম চৌধুরী। তিনি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পূর্ব গোমদণ্ডীর মধ্যম কড়লডেঙ্গা এলাকার মৃত আজহারুল হক চৌধুরীর ছেলে। সুলতানুল আলম বর্তমানে ফেনী জেলার দাগনভূঞায় রেঞ্জ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের পটিয়া রেঞ্জে দায়িত্ব পালন করেছেন।
দুদক চট্টগ্রামের আইনজীবী মো. রেজাউল করিম রনি বলেন, আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছিলেন। কিন্তু বিচারক আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, বন কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরী ১৯৯০ সালে বন বিভাগের নার্সারি প্রকল্পে প্ল্যান্টেশন সহকারী হিসেবে অস্থায়ীভাবে যোগ দেন। ২০০০ সালে চাকরি স্থায়ী হয় এবং পরবর্তীতে পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে ফেনীর দাগনভূঞায় কর্মরত আছেন। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে ২০২৩ সালের ১৬ এপ্রিল দুদকের চট্টগ্রাম কার্যালয়ের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত বাদী হয়ে সুলতানুল আলমকে আসামি করে মামলাটি করেছিলেন। তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১২ মার্চ চট্টগ্রাম দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, সুলতানুল আলম চৌধুরী ৫১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৩৪ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন। পাশাপাশি দুদকে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে তিনি আরও ১ লাখ ৬১ হাজার ৬৪৮ টাকার সম্পদ গোপন করে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
এসএন/