আমিরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরিফের পীর হজরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন, বিধর্মীদের মোকাবিলায় দ্বীন-ইসলামের স্বার্থে মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বাদ জুমা হজরত পীর কেবলা মাহফিলে আগত মেহমানদের উদ্দেশে বয়ানে তিনি এসব কথা বলেন। আজ শনিবার বাদ জোহর দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ এবং শান্তি কামনা করে তিন দিনের মাহফিলের আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘পৃথিবীতে আজ বিধর্মীরা মুসলমান নিধনের কাজে ব্যস্ত হয়ে আছে। এই মুহূর্তে মুসলমানদের বিজয়, বিশেষ করে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার জন্য আমাদের খাস দোয়া করা দরকার। মুসলমানদের কোনো অস্ত্রশস্ত্র নেই। কিন্তু রয়েছে চোখের পানি, যা শ্রেষ্ঠ অস্ত্র। মুমিনের চোখের পানির সামনে দুনিয়াবী কোনো ক্ষমতা টিকে না, কোনো অস্ত্রও কার্যকর থাকে না, সব ভেসে যায়।’
মাহফিলের দ্বিতীয় দিনে অন্যদের মধ্যে আলোচনা করেন বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মো. হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত জামেয়া-এ-নেছারিয়া দীনিয়ার মুদির মাওলানা মাহমুদুল মুনীর হামীম, মুফতি মাওলানা মো. হায়দার হুসাইন, ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা সিরাজুম মুনীর তাওহীদ প্রমুখ।
মাহফিলে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের অ্যাডিশনাল ডিআইজি ড. মো. সাইফুল্লাহ বিন আনোয়ার, এনএসআইয়ের বরিশাল বিভাগীয় অতিরিক্ত পরিচালক আবু জাফর ইকবাল, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বরিশালের সহকারী পরিচালক মো. মানিকুজ্জামান প্রমূখ।
উল্লেখ্য, এ বছর বার্ষিক মাহফিল রমজানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে দরবার শরিফে দেশের বৃহত্তম ইফতার, খতম তারাবিহ অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলে প্রতিদিন বাদ ফজর ও বাদ মাগরিব হজরত পীর কেবলা জিকিরের তালিম প্রদান করেন। এ ছাড়া ছিলছিলার প্রখ্যাত আলেমরা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর আলোচনা করবেন। বিজ্ঞপ্তি