ঈদুল আজহার আনন্দ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন উত্তরবঙ্গের মানুষ। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে ৩৪ হাজার ৯৬৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ২৪ লাখ ৩৩ হাজার ৪০০ টাকা।
এদিকে শনিবার (২৩ মে) সকাল থেকে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জের যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। তবে গাড়ির যানজট বা ধীরগতি দেখা যায়নি।
যমুনা সেতু সাইট অফিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার পূর্ব প্রান্ত দিয়ে ১৮ হাজার ৮৫৯টি যানবাহন চলাচল করেছে। এসব যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৭০ লাখ ২১ হাজার ৪৫০ টাকা।
অপরদিকে পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে পারাপার হয়েছে ১৬ হাজার ১০৭টি যানবাহন; এতে টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৫৪ লাখ ১১ হাজার ৯৫০ টাকা।
দুই প্রান্ত মিলিয়ে এক দিনে মোট ৩৪ হাজার ৯৬৬টি যানবাহন যমুনা সেতু পারাপার হয়েছে। মোট টোল আদায় হয়েছে তিন কোটি ২৪ লাখ ৩৩ হাজার ৪০০ টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্বাভাবিক সময়ে যমুনা সেতু হয়ে প্রতিদিন উত্তরের ১৬টি ও দক্ষিণের পাঁচটি জেলার প্রায় ১৫ থেকে ১৬ হাজার যানবাহন পারাপার হয়। কিন্তু ঈদ এলে এই সংখ্যা বেড়ে যায়।
ঈদযাত্রায় সড়কের অবস্থা সম্পর্কে সাসেক-২ প্রকল্পের পিডি ড. মো. ওয়ালিউর রহমান বলেন, ‘ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের চার লেনের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে সবগুলো লেনই চালু রয়েছে। পাশাপাশি হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের সার্ভিস সড়কগুলো দিয়ে যানবহন চলাচল করছে। এছাড়া কয়েকদিন আগে হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের বগুড়া- রংপুর লেনটিও খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে এবার যানজট বা ভোগান্তি ছাড়াই স্বস্তিতে বাড়ি ফিরবেন মানুষ।’
সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু খবরের কাগজকে বলেন, ঈদে মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারেন, এজন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মহাসড়কের কোথাও যানবাহন দাঁড়াতে দেওয়া হবে না। হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশ বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করবে। মহাসড়কে ডাকাতি-ছিনতাই রোধে বাড়তি নিরাপত্তা রয়েছে।
সিরাজুল ইসলাম/অমিয়/