ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নতুন রূপে ফিরছে ঐতিহ্যবাহী আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ দেশব্যাপী ‘Go For Gold’ রাইডিং ক্যাম্প শুরু করল উত্তরা মোটর্স প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো গেলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্র ধামরাইয়ে সরকারি টাকায় ব্যক্তিগত যাত্রী ছাউনি, উপকার হচ্ছে না যাত্রীদের উদ্ভাবনের উৎসবের পর্দা নামল মাগুরায়, জাতীয় পর্যায়ে লড়বে বিজয়ী দল বেনজীরকে দ্রুত ফেরাতে সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপ উন্মাদনায়ও রুটিন থাকুন নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামে ২০০ দোকান উচ্ছেদ চিংড়ির ভিন্ন স্বাদে চীনে ক্রায়োজেনিক প্রযুক্তিতে রকেট ট্যাংক ডোমের উৎপাদনে সাফল্য বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ পাকুন্দিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু দেশে এখনও প্রযুক্তিনির্ভর কমোডিটি মার্কেট গড়ে ওঠেনি: সিইসি এমডি লালপুরে টপ সয়েল কাটায় গ্রেপ্তার ২ হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন উদযাপন রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা সিরাজগঞ্জ আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন এমপি আমির হামজা জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বড় পরিবর্তন আসছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ উপহার দেওয়া সেই সোহাগ মৃধা গ্রেপ্তার বৃদ্ধাশ্রম নয়, পরিবারই হোক নিশ্চিত আশ্রয় ইসলামী ব্যাংককে ২৫০০ কোটি টাকা ধার দিল বাংলাদেশ ব্যাংক টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন লবণ মাঠে অভিযান: গ্রেনেড, গুলি ও গাঁজা উদ্ধার আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার চার শর্ত সাবেক আইজিপি বেনজীর গ্রেপ্তার টেকনাফে আঘাতপ্রাপ্ত মা হাতি লোকালয়ে, উদ্ধারে বন বিভাগের তৎপরতা ঝিনাইদহে দুর্নীতি বিরোধী চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা মিরপুরে মাদরাসার সাইনবোর্ড লাগানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষার্থীসহ দগ্ধ ৩ ইংল্যান্ড দলের চুরি যাওয়া সরঞ্জাম উদ্ধার প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় সংস্কার
Nagad desktop

সাব-রেজিস্ট্র্রারশূন্য লালমনিরহাট!

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৯:২৩ এএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০৯:২৬ এএম
সাব-রেজিস্ট্র্রারশূন্য লালমনিরহাট!
ছবি: লালমনিরহাটের আদিতমারী সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের সাইনবোর্ড। খবরের কাগজ

জমি ক্রয়-বিক্রয়ের দলিল সম্পাদন করা নিয়ে চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন লালমনিরহাট জেলার মানুষ। জেলার সদর উপজেলা, আদিতমারী, পাটগ্রাম, কালীগঞ্জ ও হাতীবান্ধা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস বর্তমানে সাব-রেজিস্ট্রারশূন্য রয়েছে। এসব অফিসের কাজ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে আশপাশের জেলার সাব-রেজিস্ট্রারদের দিয়ে। এতে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাদেরও হিমশিম খেতে হচ্ছে।

লালমনিরহাট জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় ও উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় সূত্র ও কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, জমি ক্রয়-বিক্রয়ের দলিল সম্পাদন এবং এ খাত থেকে সরকারের রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব পালন করেন সাব-রেজিস্ট্রার। অথচ লালমনিরহাটের পাঁচ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সাব-রেজিস্ট্রার না থাকায় অন্য জেলার সরকারি কর্মকর্তাদের দিয়ে এসব অফিসের কার্যক্রম চলছে। তারা আবার সপ্তাহে এক থেকে দুই কর্মদিবস অফিস করছেন। ফলে জমি কেনাবেচা করতে গিয়ে স্থানীয়দের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এ ছাড়া এর প্রভাব পড়ছে রাজস্ব আদায়ে।

জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পাটগ্রাম উপজেলায় ২০১৭ সালে সাব-রেজিস্ট্রার রতন অধিকারী বদলি হওয়ার পর থেকে নতুন কোনো কর্মকর্তা পদায়ন করা হয়নি। প্রায় ৮ বছর ধরে অফিসটি চলছে অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে। বর্তমানে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার রাশেদুজ্জামান সপ্তাহে এক দিন পাটগ্রাম অফিসে দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে তিনি লালমনিরহাট সদর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রারের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করছেন। অর্থাৎ তিনি রাজারহাটসহ লালমনিরহাট সদর এবং প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরের পাটগ্রাম অফিসের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।

লালমনিরহাট সদর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার আহসান হাবিব ২০২৫ সালের ২৮ এপ্রিল বদলি হওয়ার পর পদটি শূন্য হয়ে পড়ে। একই দিনে কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভাণ্ডার সাব-রেজিস্ট্রার রাশেদুজ্জামানও বদলি হন। এরপর থেকে এ দুই কার্যালয়ে কোনো স্থায়ী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এদিকে এই বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি বিসিএস ক্যাডারে নির্বাচিত হয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার আরিফ ইশতিয়াক অন্যত্র যোগদান করেন। এরপর থেকে পদটি শূন্য রয়েছে। অন্যদিকে একমাত্র আদিতমারী উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার শিউলী খাতুন পদায়ন থাকলেও বর্তমানে তিনি দুই মাসের প্রশিক্ষণে রয়েছেন। এভাবে লালমনিরহাটের পাঁচটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসই কার্যত স্থায়ী কর্মকর্তাশূন্য অবস্থায় রয়েছে।

বর্তমানে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার কামরুন নাহার আদিতমারী উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করছেন হাতীবান্ধা অফিসে। আর কালীগঞ্জের তুষভান্ডার অফিসে অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার রিপন চন্দ্র মণ্ডল। অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজ নিজ কর্মস্থলের পাশাপাশি এসব অফিসে সপ্তাহে মাত্র এক বা দুই দিন সময় দিতে পারছেন। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। ভুক্তভোগীরা জানান, সাব-রেজিস্ট্রার না থাকায় অনেক সময় প্রয়োজনীয় কাজ না করেই ফিরে যেতে হয়। সপ্তাহে মাত্র এক দিন সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে এলে সেদিন আবার অনেক ক্রেতা বা বিক্রেতা ছুটি পান না। ফলে দলিল নিবন্ধনের কাজ পিছিয়ে যায়। অনেক বিক্রেতা মেয়ের বিয়ে, চিকিৎসা কিংবা অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনেও সময়মতো জমি বিক্রি করতে পারছেন না।

তারা আরও জানান, দীর্ঘ ভোগান্তির পর সাব-রেজিস্ট্রার ও ক্রেতা-বিক্রেতাকে একসঙ্গে পাওয়া গেলেও নতুন সমস্যা দেখা দেয়। অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে এক দিনে দলিল লেখক ও সাব-রেজিস্ট্রারদের পক্ষে প্রতিটি দলিল যথাযথভাবে যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে ভুলত্রুটি থেকে যাওয়ার এবং ভুলভাবে দলিল সম্পাদনের ঝুঁকি তৈরি হয়। সপ্তাহের ৫ দিনের কাজ এক দিনে সম্পন্ন করতে গিয়ে ভুল হওয়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সাব-রেজিস্ট্রারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকলে দলিল নিবন্ধন, নকল সরবরাহ, পুরোনো দলিল সংগ্রহসহ বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এতে একদিকে সরকারের রাজস্ব আদায় কমে যায়, অন্যদিকে জনদুর্ভোগ বাড়তে থাকে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত শূন্য পদগুলোতে সাব-রেজিস্ট্রার পদায়ন করে স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট জেলা রেজিস্ট্রার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সাব-রেজিস্ট্রারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকলে অফিসের সার্বিক কার্যক্রম গতিহীন হয়ে পড়ে। জনভোগান্তি কমাতে সাব-রেজিস্ট্রার পদায়নের জন্য কয়েক দফায় মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। দ্রুত পদায়ন হলে এ জনদুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে।

নতুন রূপে ফিরছে ঐতিহ্যবাহী আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:০১ পিএম
নতুন রূপে ফিরছে ঐতিহ্যবাহী আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিন বেদখলে থাকা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ এখন নতুন রূপে ফিরছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে মাঠটির আধুনিকায়ন, সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। খুব শিগগিরই মাঠটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে এবং তা নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

রবিবার (১৪ জুন) সকালে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মাঠটির উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি প্রকল্পের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বেদখলে থাকা আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে মাঠটিকে একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন উন্মুক্ত স্থানে রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়, যাতে নগরবাসী খেলাধুলা, ব্যায়াম ও বিনোদনের সুযোগ পায়।

মাঠটির উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চারপাশে আধুনিক ওয়াকওয়ে নির্মাণ, দর্শনার্থীদের জন্য গ্যালারি সুবিধা, ব্যাপক সবুজায়ন, নান্দনিক ল্যান্ডস্কেপিং এবং বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা সংযোজন করা হয়েছে। ফলে এটি শুধু একটি খেলার মাঠ নয়, বরং নগরবাসীর জন্য একটি আধুনিক উন্মুক্ত বিনোদন ও স্বাস্থ্যচর্চা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে।

পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত সবুজ স্থান ও আধুনিক খেলার মাঠ নিশ্চিত করা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের অন্যতম অঙ্গীকার। এ লক্ষ্যে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ নির্মাণ ও উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক মাঠের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সেগুলো জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলামুখী করে তোলা এবং একটি সুস্থ, সবুজ ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে আধুনিক খেলার মাঠের কোনো বিকল্প নেই।

মেয়র আশা প্রকাশ করেন, আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ উদ্বোধনের পর এটি নগরবাসীর অন্যতম প্রিয় উন্মুক্ত স্থান ও ক্রীড়া কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং চট্টগ্রামের ক্রীড়া ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী (অঞ্চল-৪) আনোয়ার জাহান, উপসহকারী প্রকৌশলী এ টি এম সেলিম রেজাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এসএন/

ধামরাইয়ে সরকারি টাকায় ব্যক্তিগত যাত্রী ছাউনি, উপকার হচ্ছে না যাত্রীদের

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
ধামরাইয়ে সরকারি টাকায় ব্যক্তিগত যাত্রী ছাউনি, উপকার হচ্ছে না যাত্রীদের
নির্মিত যাত্রী ছাউনি এবং ইনসেটে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. আওলাদ হোসেন। ছবি: খবরের কাগজ

ঢাকার ধামরাইয়ে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের নামে সরকারি অর্থ অপচয়ের অভিযোগ উঠেছে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। জনগণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা না করে নিজ বাড়ির সামনের পুকুরপাড়ে তিনি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করেন। এতে সরকারের উন্নয়ন তহবিলের অর্থের অপচয় করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

ছাউনিটি ঢাকার ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের ধামরাই কালামপুর আঞ্চলিক সড়কের গোয়ালদী গ্রামে চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেনের বাড়ির সামনে নির্মিত হয়েছে।

প্রায় দুই লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্থাপনাটি সাধারণ যাত্রীদের কোনো উপকারেই আসছে না। সেখানে যাত্রীদের কোনো যানবাহনের স্টপেজ নেই। একজন যাত্রীও সুবিধা পাচ্ছেন না তার নির্মিত সরকারি বরাদ্দের এই যাত্রী ছাউনিতে। এটি তার নিজের বাড়ির পুকুর পাড়ের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্র ও সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন সহায়তা তহবিল থেকে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ নিয়ে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের উদ্যোগ নেন তৎকালীন সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেন। দীর্ঘদিন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলে। এরই ধারাবাহিকতা তোপের মুখে গত প্রায় আট মাস আগে চেয়ারম্যানের নিজ বাড়ির সামনে পুকুরপাড়ে একটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, যাত্রী ছাউনিটি সোমভাগ ইউনিয়নের গোয়ালদী এলাকায় সাবেক চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেনের বাড়ির সামনের পুকুরের পূর্বপাশে নির্মাণ করা হয়েছে। এতে যাত্রী ছাউনির কোনো সাইনবোর্ড নেই। নির্মাণশৈলী ও অবস্থান দেখে এটিকে যাত্রী ছাউনি না বলে ব্যক্তিগত বিশ্রামাগার বা আড্ডাস্থল বলেই মনে হয়। বিশেষ করে সড়কের দিকে মুখ করে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হলেও এখানে এর ব্যতিক্রম ঘটেছে। যা যাত্রীদের ব্যবহার উপযোগী নয়। একজন যাত্রীও এখানে আসেন না। অথচ তার একশত গজ পূর্ব পাশেই রয়েছে তিন রাস্তার মোড়। যেখানে যাত্রীরা এসে দাঁড়িয়ে থাকছে। 

স্থানীয়রা জানান, ধামরাই-কালামপুর সড়কে কোনো যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে না। যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম তিন চাকার অটোরিকশা। যাত্রীরা সুবিধাজনক স্থান থেকেই অটোরিকশায় ওঠানামা করেন। ফলে ওই স্থানে যাত্রী ছাউনির কোনো প্রয়োজন ছিল না। যাত্রী ছাউনিটি আর একটু পূর্ব পাশে তিন রাস্তার মোড়ে স্থাপন করা হলেও, যাত্রী বা স্থানীয়রা এই প্রচণ্ড গড়মে একটু বসার সুযোগ পেতেন। একদিকে এ রাস্তায় যেমন বড় কোনো যানবাহন চলাচল করে না, অন্যদিকে নিজের ব্যক্তিগত জায়গায় যাত্রী ছাউনি নির্মাণ, তাই এ নিয়ে এলাকায় চলছে আলোচনা-সমালোচনা। 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, জনস্বার্থকে উপেক্ষা করে ব্যক্তিগত সুবিধা ও প্রভাব খাটিয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এটি মূলত চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত বৈঠকখানা হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছিল, জনস্বার্থে নয়।

যদিও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হত্যা মামলার আসামি হয়ে দীর্ঘদিন চেয়ারম্যান পলাতক ছিলেন, যার জন্য সে উদ্দেশ্য হয়ত বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমানে রাতের বেলায় সেখানে মাদকসেবীদের আড্ডা বসে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম, আব্দুল জলিলসহ একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, জনগণের করের টাকায় নির্মিত স্থাপনাটি কোনো জনকল্যাণ কাজে ব্যয় হয়নি। পরিকল্পনাহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি অর্থের অপচয় করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। কারণ যাত্রী ছাউনি কোথায় হলে ভালো হবে, এমন কোনো চিন্তা ভাবনা না করে নিজের বাড়ির সামনেই তিনি এটি নির্মাণ করেন। অথচ একটু পূর্ব পাশেই রয়েছে তিন রাস্তার মোড়। যেখানে সাধারণ যাত্রী ও স্থানীয় জনগণ রিকশায় ওঠানামা করেন বা বিশ্রাম নেন। 

নিয়ামত আলী নামে এই যাত্রী বলেন বলেন, প্রকল্প গ্রহণ থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদারকি থাকলে এ ধরনের অনিয়ম ও সরকারি অর্থের অপচয় ঘটত না। কোনো সরকারি কর্মকর্তা এর তদারকি করেননি। তাদের গাফিলতির কারণেই এমন হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।

রেজাউল করিম নামে আরেক যাত্রী বলেন, এ ঘটনায় ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে। চেয়ারম্যান তার নিজের বাড়িতে যাত্রী ছাউনি তৈরি করেছেন।অন্যের কথা ভাবার মতো সময় তার নেই। এটি সরকারি বরাদ্দ অথচ নিজের বাড়ির সামনে নির্মাণ করা হয়েছে ছাউনি। 

অভিযোগের বিষয়ে সাবেক চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রুহুল আমিন/নাঈম

চট্টগ্রামে ২০০ দোকান উচ্ছেদ

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম
চট্টগ্রামে ২০০ দোকান উচ্ছেদ
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামে সড়ক ও ফুটপাত থেকে প্রায় ২০০টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে নগরের সাগরিকাস্থ বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে সাগরিকা রোডের বিটাক বাজার এলাকায় এ অভিযানটি চালানো হয়।

চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যার নেতৃত্বে অভিযাটি চালানো হয়।

তিনি বলেন, আজকের অভিযানে সড়ক ও ফুটপাত থেকে প্রায় ২০০ টি দোকান উচ্ছেদ করে ফুটপাত ও সড়ক অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়। জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, পাহাড়তলী থানা ও সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তা- কর্মচারীরা ম্যাজিস্ট্রেটকে সহায়তা করেন।

রিফাত/

পাকুন্দিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:০৩ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৩২ পিএম
পাকুন্দিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু
ছবি: নিহত সৌদি প্রবাসী রাকিবুল হাসান রুবেল।

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় সৌদি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘ চার বছর চার মাস পর সৌদি থেকে বাড়িতে ছুটিতে এসেছিলেন তিনি।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে টোক-মির্জাপুর সড়কের মির্জাপুর শ্মশ্মানঘাট সংলগ্ন স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত রাকিবুল হাসান রুবেল (২৭) চরফরাদী ইউনিয়নের কাহেৎধান্দুল গ্রামের খুরশিদ মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুপুরের দিকে মোটরসাইকেলে রুবেল অপর এক প্রবাসী বন্ধুকে নিয়ে বাহাদিয়া এলাকা থেকে বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে অন্য একটি মোটরসাইকেলকে সাইড দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে পড়ে যান রুবেল। সঙ্গে সঙ্গে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়। স্থানীয়রা তাকে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান রুবেল।

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিক করেছেন।

তাসলিমা মিতু/খাদিজা রুমি/

লালপুরে টপ সয়েল কাটায় গ্রেপ্তার ২

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:২৪ পিএম
লালপুরে টপ সয়েল কাটায় গ্রেপ্তার ২
ছবি: খবরের কাগজ

নাটোরের লালপুর উপজেলার লালপুর ইউনিয়নের মঞ্জিলপুকুর গ্রামে টপ সয়েল কাটায় ভাটামালিকসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় মাটি কাটা কাজে ব্যবহৃত ভেকু ছাড়াও একটি ট্রাক্টর জব্দ করা হয়।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে আদালতের আদেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। 

গ্রেপ্তার ইটভাটা মালিকের নাম রফিকুল ইসলাম (৪০)। তিনি বিবিআর ভাটার মালিক। অপরজন হলেন ভেকুচালক মেহের আলী (৪০)।

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার মধ্যরাতে অভিযান চালানো হয়। রবিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

কামাল মৃধা/খাদিজা রুমি/