সিলেটের মানচিত্র
নিজের মেয়েকে অশালীন কথা বলার জেরে মারামারি করে প্রতিবেশীর ঘুষিতে প্রাণ হারিয়েছেন চৈতন্য গোয়ালা নামে এক ব্যক্তি।
গতকাল শনিবার বিকেলে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং চা বাগানে এই ঘটনা ঘটে।
রবিবার (৭ জুন) দুপুরে অভিযুক্ত সুমন প্রধানকে (৪২) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
নিহত চৈতন্য গোয়ালার মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত চৈতন্য গোয়ালা ও সুমন প্রধান প্রতিবেশী। তারা বাগানে চা শ্রমিকের কাজ করেন। শনিবার বিকেলে চৈতন্য গোয়ালার মেয়ে পুকুর থেকে গোসল করে উঠলে সুমন প্রধান তাকে অশালীন কথা বলেন। তখন পাশে থাকা বাবা এর প্রতিবাদ করলে দুজনের হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে চৈতন্য গোয়ালাকে ঘুষি মারেন সুমন। এতে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে তাকে উপজেলা সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে গোয়াইঘাট থানায় মামলা করেন। পরে অভিযুক্ত সুমনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ বিষয়ে মধ্য জাফলং ইউনিয়নের মেম্বার শৈলেন দেব খবরের কাগজকে বলেন, নিহত চৈতন্য গোয়ালা ও সুমন প্রধান পাশাপাশি বাড়িতে থাকতেন। দুজনই চা শ্রমিক। একই সঙ্গে চলাফেরা তাদের। একই পুকুরে দুই পরিবারের সদস্যরা গোসল করে। ঘটনার দিন চৈতন্য গোয়ালার মেয়ের গোসল করা নিয়েই দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও পরে মারামারি হয়। তখন চৈতন্যকে ঘুষি মারে সুমন। এতে সে অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গোয়াইঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফয়েজ উদ্দিন খবরের কাগজকে বলেন, চৈতন্য গোয়ালার মেয়েকে অশালীন কথা বলেন সুমন প্রধান। তখন এক সঙ্গে বাড়ির সিঁড়িতে বসা ছিলেন চৈতন্য ও সুমন। অশালীন কথার প্রতিবাদ করলে চৈতন্যকে কানের বাম পাশে ঘুষি মারেন সুমন। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সুমনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অমিয়/