ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
জনদুর্ভোগ নিরসন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবি ডা. শফিকুর রহমানের ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ধীরাজ শেঠ ‘তুই আসামি, চোখ নামিয়ে কথা বল’—ওসির বিরুদ্ধে নাঈম হাসানের অভিযোগ প্রযুক্তিদক্ষ তরুণরাই গড়বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী সোনারগাঁওয়ে উচ্চশিক্ষার নতুন দিগন্ত, বিশ্ববিদ্যালয় ও পলিটেকনিক হবে: শিক্ষামন্ত্রী জলবায়ু-সহনশীল ও পরিবেশ-বান্ধব পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ বিআইপির আলোচিত সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়ে জয়া টেইলর সুইফটের নতুন রেকর্ড পরকালের আয়নায় আপনার কর্মফল দেখেছেন কি? সাংবাদিকতায় দলীয় লেজুড়বৃত্তিমুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন: মোস্তফা কামাল আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের তারিখ ঘোষণা নিজেকে সমকামী বলে কটাক্ষের জবাব দিলেন মৌনী ফ্যাশনে বিশ্বকাপ মাদক কারবারে হাজার কোটিপতির উত্থান, দাবি ভূমিমন্ত্রীর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা: পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরে প্রশংসিত সঞ্জয় বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র এআই উদ্ভাবনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কৃতিত্ব, ফাইনালে ‘কগনিভার্স’ ‘সবুজ সাথী’ সম্মাননায় ভূষিত সিলেট সিটি করপোরেশন ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঝটিকা মিছিল ঘরেই মিলবে কৃত্রিম দিনের আলো চকরিয়া থেকে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির যাত্রা শুরু রাজশাহীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন ভূমিমন্ত্রী বিদেশি ঋণনির্ভর ও লুটপাটের বাজেট জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবে না: গোলাম পরওয়ার শহিদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত ও পরিবারকে সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর রংপুরে অভিনব উপায়ে দল পরিবর্তন করলেন ব্রাজিল সমর্থক সহধর্মিণীকে সঙ্গে নিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে তারেক রহমান আইভিএফে যমজ সন্তানের জন্ম, ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল না বাবা-মায়ের পরিচয় ১০ জেলা হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে রবিবার মানুষকে রোগ সম্পর্কে সচেতন করছে তথ্যপ্রযুক্তি
Nagad desktop

অপরিচিতা গল্পের ১টি নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা ১ম পত্র

প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:৫৪ এএম
আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:৫৪ এএম
অপরিচিতা গল্পের ১টি নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত

গল্প : অপরিচিতা 

নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।

সুমনের মা ভাবেন তার ছেলে অন্যদের সঙ্গে মিশলে বিপথে যাবে। তাই কলেজে পড়া ছেলেকে এখনো তিনি কলেজে নিয়ে যান, কোচিংয়ে নিয়ে যান। সারা দিন ছেলেকে চোখে চোখে রাখাই তার কাজ। মায়ের ধারণা, এভাবে সতর্ক দৃষ্টি না রাখলে ছেলে বখে যেতে পারে। তাই বিন্দুমাত্র ছাড় তিনি ছেলেকে দেন না। সেই ছেলে কয়েক দিন আগে বাসার আলমারি থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়েছে। সুমনের মা ভেবে পান না এত যত্ন করেও ছেলেকে তিনি মানুষ করতে পারলেন না কেন?

ক) শম্ভুনাথ সেন বিয়ের কত দিন আগে অনুপমকে আশীর্বাদ করে যান?
খ) ‘বংশে তো কোনো দোষ নাই?’ উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
গ) উদ্দীপকের সুমনের মা কোন বিবেচনায় অনুপমের মায়ের অনুরূপ বৈশিষ্ট্যকে ধারণ করেছেন? বিস্তারিত লেখ।
ঘ) সুমনের মায়ের উদ্দেশ্য মহৎ হলেও পরিকল্পনা ও কর্মকাণ্ড ঠিক ছিল কি না- উক্তিটির সত্যাসত্য নির্ণয় করো। 

উত্তর: ক) শম্ভুনাথ সেন বিয়ের ঠিক তিন দিন আগে অনুপমকে আশীর্বাদ করে যান।

খ) ‘বংশে তো কোনো দোষ নাই?’ অনুপমের মামার এ উক্তিটির মাধ্যমে অনুপমের বিয়ের জন্য নির্বাচিত পাত্রীর বয়স বেশি হওয়া প্রসঙ্গে মামার এ সন্দেহদ্যোতক অনুভূতি প্রকাশিত হয়েছে।
অনুপমের বন্ধু হরিশ অনুপমের বিয়ের জন্য এক পাত্রীর সন্ধান দেন। অনুপমের আসল অভিভাবক তার মামা যখন জানলেন, মেয়ের বয়স পনেরো, তখন সামান্য চিন্তিত হয়েছিলেন। কারণ সেকালের বিবেচনায় এ বয়স একটু বেশিই। বাল্যবিবাহের যুগে যে মেয়ের বয়স পনেরো তার নিশ্চয়ই বংশে কোনো দোষ থাকতে পারে। এ কারণেই হয়তো এ মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না। আসলে বিষয়টি ছিল, মেয়ের বাবা যোগ্য বর পাচ্ছিলেন না আবার এত উচ্চমূল্যের যৌতুকও তার পক্ষে দেওয়া সম্ভব ছিল না। এ কারণেই মেয়ের বয়স বাড়ছিল, বংশগত দোষের কিছু ছিল না। 

আরো পড়ুন : অপরিচিতা গল্পের ৮টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা ১ম পত্র

গ) উদ্দীপকের সুমনের মা অতি সচেতনতা ও আত্মগৌরববাদী মানসিকতার দিক থেকে ‘অপরিচিতা’ গল্পে অনুপমের মায়ের বৈশিষ্ট্যকে ধারণ করেছেন। 
‘অপরিচিতা’ গল্পে অনুপমের মা নিজের দারিদ্র্যের অতীত ভুলে গিয়েছিলেন অনুপমের বাবার সংসারে এসে। ওকালতি করে অনুপমের বাবা প্রচুর টাকা রেখে যান মৃত্যুর আগে। এসব নিয়ে অনুপমের মায়ের অহংকার ও গৌরব এত বেশি ছিল যে, ছেলেকে তিনি কোলে কোলে অর্থাৎ অতি যত্নে বড় করেছিলেন। সেই এমএ পাস ছেলে জীবনের কোনো সিদ্ধান্ত মা-মামাকে ছাড়া নিতে পারেনি। মায়ের অতি আদরে আর সতর্কতায় অনুপম হয়েছিল অন্নপূর্ণার অকর্মণ্য পুত্র কার্তিকের মতো। 
প্রায় অনুরূপ বৈশিষ্ট্য দেখা যায়, উদ্দীপকের সুমনের মার মধ্যেও। তিনিও ভেবেছেন ছেলেকে চোখে চোখে রাখতে হবে। হাতছাড়া করা যাবে না। সমাজের অন্য ছেলেরা নিশ্চয়ই তার ছেলের মতো ভালো পরিবারের সন্তান নয়। তার ছেলেকে এভাবে কড়া শাসনে রাখলেই ছেলে বড় কিছু হবে। নৈতিকতা, আত্মনির্ভরশীলতা, উপস্থিত বুদ্ধি, মানসিক বিকাশ, ন্যায়-অন্যায়বোধ প্রভৃতি শুধু কড়া শাসনের মাধ্যমে হয় না, এ বিষয়গুলো সুমনের মা কিংবা অনুপমের মা কারও অনুভূতিতে ছিল না। উভয় মা সন্তানকে অতিরিক্ত শাসন বা আদর দিয়ে নৈতিক অনুভূতিশূন্য অপদার্থে পরিণত করেছিলেন। 

ঘ) সুমনের মায়ের উদ্দেশ্য মহৎ হলেও পরিকল্পনা ও কর্মকাণ্ড ঠিক ছিল না; কারণ তিনি ছেলেকে বাস্তব জ্ঞানী ও নৈতিক গুণের অধিকারী হওয়ার অনুপ্রেরণা দেননি। 
বাবা-মার শাসন, পারিবারিক শিক্ষা, প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা অর্জনে সন্তানদের সতর্কতার সঙ্গে বড় করতে হয়। তার মানে এই নয় বয়সের সঙ্গে সঙ্গে সন্তানদের মেধা-বুদ্ধি-নৈতিকতা যাচাইয়ের জন্য একা ছাড়া যাবে না। মনে রাখতে হবে একটি পর্যায়ে সন্তানদের একাই জীবন পরিচালনা করতে হয়। বড় বা ভালো মানুষের বৈশিষ্ট্য নৈতিকতার মানদণ্ডে বিচার করতে হয়। দুর্জন কখনো বড় বা ভালোর মাপকাঠিতে পড়ে না। আর এ কারণেই ‘অপরিচিতা’ গল্পে অনুপমকে বাস্তবচেতনাশূন্য ব্যক্তিত্বহীন অপদার্থে পরিণত করেছিলেন তার মা। অতি আদরে অপরিণত এক রক্ত-মাংসের মানুষ হয়েছিল সে। অবশ্য একপর্যায়ে সে তার ভুল বুঝে সত্যিকার মানুষ হওয়ার পথে ফিরে এসে প্রকৃত জীবনের স্বাদ পেয়েছিল।
কিন্তু উদ্দীপকের সুমনের পরিণতি হয়েছিল ভয়াবহভাবে নৈতিকতা বিবর্জিত। কারণ মার চোখের সামনে সে ভালো থাকার ভান করলেও সে আসলে সুযোগ খুঁজছিল বখে যাওয়ার। লেখাপড়া, অতিআদর, চোখে চোখে রাখলে আপাত অর্থে সন্তানরা ভালো থাকলেও তাদের মধ্যে নৈতিকতাবোধ আদৌ গড়ে ওঠে কি না, তা সন্দেহের ব্যাপার। সে সন্দেহ বাস্তব রূপ নিল, যখন সুমন বাড়ির আলমারি থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে পালাল। অর্থাৎ সন্তানকে মানসিক দিক থেকে শক্তিশালী, ব্যক্তিত্ববান, নৈতিক হওয়ার শিক্ষা না দিতে পারলে বাবা-মার মহৎ উদ্দেশ্যও ব্যর্থ হতে বাধ্য। এই ব্যর্থতারই শিকার সুমনের মা। 
অতএব আলোচনার পরিশেষে বলা যায়, শুধু সুমনের মা কেন, সব বাবা-মা-ই সন্তানকে বড়-ভালো-মহৎ দেখতে চান, তা যথার্থ তখনই হয়, যখন সন্তান নৈতিক ও বাস্তবচেতনায় বড় হয়ে ওঠে। শুধু বইয়ের পড়া, পরীক্ষার ভালো ফল দিয়ে, চোখে চোখে রেখে ভালো মানুষ সৃষ্টি সম্ভব নয়। বাবা-মা-শিক্ষকসহ সবার দায়িত্ব সন্তান ও শিক্ষার্থীকে মানসিক দিক থেকে প্রত্যয়ী, পরিচ্ছন্ন, উন্নত হওয়ার অনুপ্রেরণা দেওয়া। উদ্দীপকের সুমনের মা এখানেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক বাংলা
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা 

কবীর

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:১১ পিএম
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
বন্যায় বাংলাদেশের অনেক অঞ্চল ডুবে গেছে। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ

ভূমিকা : ‘এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি
            সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি।’

কবির এই অমর বাণী কখনো কখনো মিথ্যা মনে হয়। যখন নানা প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ সর্বগ্রাসী শক্তি নিয়ে আমাদের ওপর চেপে বসে, তখন নিজেদের বড় অসহায় মনে হয়। সবুজ-শ্যামলে, হরিতে-হিরণে সুন্দর একটি দেশ–বাংলাদেশ এই পৃথিবীর মানচিত্রে  স্থান করে নিয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, লাল-সবুজের দেশটি সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের লীলভূমি হিসেবে আখ্যায়িত। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিপ্রবণ দেশ। বঙ্গোপসাগরের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত এই দেশটি ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙন, ভূমিকম্প এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই দুর্যোগগুলো জনজীবন, কৃষি, অবকাঠামো এবং অর্থনীতির ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দুর্যোগের তীব্রতা বেড়েছে। তবে আধুনিক পূর্বাভাস ব্যবস্থা, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং জনসচেতনতা কার্যক্রম গ্রহণ করার ফলে ক্ষয়ক্ষতি কমেছে। সরকার, বেসরকারি সংস্থা এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ও দেশের সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ দুর্যোগ মোকাবিলায় আরও সক্ষম হতে পারে।

বাংলাদেশের অবস্থান এবং দুর্যোগ:  বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি সমতল ও নিম্নভূমি দেশ, যা বঙ্গোপসাগরের উত্তরে অবস্থিত। এর ভৌগোলিক অবস্থান দেশটিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপ্রবণ করেছে। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে এবং বঙ্গোপসাগরের কাছাকাছি থাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের শিকার হতে হয়। পদ্মা, মেঘনা, যমুনার মতো বড় নদীগুলো বন্যা ও নদীভাঙন সৃষ্টি করে। জলবায়ু পরিবর্তন সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে এ দেশে দুর্যোগের তীব্রতা বেড়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলগুলো লবণাক্ততার সমস্যায় ভুগছে। এই অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়। তবে সরকার ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টায় দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জনসচেতনতা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দুর্যোগের ক্ষতি কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

দুর্যোগ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ: দুর্যোগের সংজ্ঞা নির্দেশ করতে গিয়ে বিশেষজ্ঞরা জানান, Disaster is an event, natural or man made, that seriously disrupts the normal functions of the civil society, thereby causing material and human losses of such severity that the affected community has to respond by taking exceptional measures nationally and internationally. মোট কথা, প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট যেসব ঘটনা মানুষের স্বাভাবিক জীবনধারাকে ব্যাহত করে, মানুষের সম্পদ ও পরিবেশের এমনভাবে ক্ষতিসাধন করে যার ফলে আক্রান্ত জনগোষ্ঠীকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ব্যতিক্রমধর্মী প্রচেষ্টার মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হয়, তা-ই দুর্যোগ। আর প্রাকৃতিক কারণে যেসব দুর্যোগ সংঘটিত হয় সেগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ। যেমন- বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প, নদীভাঙন, খরা, জলোচ্ছ্বাস এবং লবণাক্ততা সাধারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এগুলো দেশের অর্থনীতি, কৃষি ও জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, যখন বন্যা ও নদীভাঙন নিম্নাঞ্চলকে ধ্বংস করে। ভূমিকম্প শহরাঞ্চলে ঝুঁকি সৃষ্টি করে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই দুর্যোগগুলোর তীব্রতা বাড়ছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তি, পূর্বাভাস ব্যবস্থা এবং আশ্রয়কেন্দ্র তৈরির কারণে ক্ষয়ক্ষতি কমেছে। সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলো দুর্যোগ মোকাবিলায় কাজ করছে। জনসচেতনতা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুর্যোগের প্রভাব কমানো সম্ভব। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করা অপরিহার্য।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ : পরিবেশ দূষণে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পৃথিবীর বহু দেশে সৃষ্টি হচ্ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তবে শতকরা ২০ থেকে ২৫ ভাগ প্রাকৃতিক দুর্যোগ জলবায়ু পরিবর্তনের  কারণে হতে পারে। তবে বেশির ভাগ পরিবর্তন হচ্ছে মনুষ্য সৃষ্ট। বিশেষজ্ঞরা জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী শিল্পোন্নত দেশগুলো। এদের  ভোগবিলাসিতা ও যন্ত্রনির্ভরশীলতার জন্য পৃথিবীতে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। এসব দেশের কলকারখানা ও গাড়ি থেকে অতিমাত্রায় কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণের ফলে বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা, তাতে মেরু অঞ্চল ও বিভিন্ন পর্বতে জমে থাকা বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে। সমুদ্র ও নদীর পানির স্রোত ও ঢেউ বাড়ছে ফলে নদী ও সমুদ্রের উপকূলে ভাঙনের হারও বেড়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও অপরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কারণে দেশের বেশির ভাগ নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। পলি জমে বেশকিছু নদী দেশের মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে। দেশের প্রধান নদীগুলো বিভিন্ন স্থানে এসে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। পদ্মা, মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার মাধ্যমে হিমালয় থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশের নদীগুলোতে পানি এলেও এগুলোর স্রোতধারা অনেকটা কমে গেছে। ব্রহ্মপুত্রের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। পদ্মার বুকেও বিভিন্ন স্থানে চর পড়ে নদী ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ফারাক্কার প্রভাবে গত তিন দশকে বাংলাদেশের ৮০টি নদীর ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। এক সময়ের খরস্রোতা নদী হিসেবে পরিচিত দেশের ১৭টি নদী মরা নদীতে পরিণত হয়েছে। আরও আটটি নদী মৃতপ্রায়। এসব নদী ড্রেজিং করে সচল করারও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। ফলে বর্ষাকালে নদীর উপচে পড়া পানি প্লাবিত করে ফসলের মাঠ, জনবসতি। প্রতি বছরই বন্যা এ দেশের নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বন উজাড় করাও প্রাকৃতিক দুর্যোগের আরেকটি কারণ। প্রত্যেক দেশের মোট আয়তনের ২৫ শতাংশ বনাঞ্চল যেখানে থাকা প্রয়োজন সেখানে বাংলাদেশে সরকারি হিসাবে মাত্র ১৬ ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের নাম: বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো–ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প, নদীভাঙন, জলোচ্ছ্বাস, খরা, লবণাক্ততা, কালবৈশাখী, টর্নেডো, বজ্রপাত, তাপপ্রবাহ, শিলাবৃষ্টি, ঘন কুয়াশা, বায়ু দূষণ, পানি দূষণ, ভূমিধস এবং তুষারপাত। এই দুর্যোগগুলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন তীব্রতায় আঘাত হানে। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস উপকূলীয় অঞ্চলে, বন্যা ও নদীভাঙন নিম্নাঞ্চলে এবং ভূমিকম্প শহরাঞ্চলে বেশি প্রভাব ফেলে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই দুর্যোগের তীব্রতা বাড়ছে। তবে, প্রতিটি দুর্যোগের জন্য অনেক দেশের পৃথক মোকাবিলা কৌশল রয়েছে। পূর্বাভাস, প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন এই দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়ক। জনসচেতনতা ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ দুর্যোগের প্রভাব কমাতে পারে। 

(বাকি অংশ ২য় পর্বে প্রকাশ করা হবে)

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

নাটক : সিরাজউদ্‌দৌলা 

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ‘উমিচাঁদ এ যুগের সেরা বিশ্বাসঘাতক’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে ক্লাইভ তাকে এ যুগের সেরা বিশ্বাসঘাতক বলেছিলেন, কারণ উমিচাঁদ অর্থের মোহে অন্ধ হয়ে যেকোনো ধরনের প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের কাজ করতে পারেন।
উমিচাঁদ অর্থ উপার্জনের জন্য লাহোর থেকে বাংলায় এসেছিল। তার ছিল অর্থের প্রতি সীমাহীন লোভ। অর্থের মোহে পড়ে তিনি যেকোনো কাজ করে দিতে পারতেন। তার চরিত্রে নীতি-নৈতিকতার বালাই ছিল না। অর্থের লোভে তিনি নবাবকে ছেড়ে ইংরেজদের পক্ষে যোগ দিয়েছেন, আবার যদি নবাবের কাছ থেকে বেশি অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা দেখা দেয়, তবে তিনি ইংরেজদের ত্যাগ করে নবাবের পক্ষে চলে যেতে দ্বিধা করবেন না। এসব দিক বিবেচনায় ক্লাইভ উমিচাঁদকে এ যুগের সেরা বিশ্বাসঘাতক বলে অভিহিত করেছেন।

প্রশ্ন: ‘শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে মীর জাফর ষড়যন্ত্রের দলিলে স্বাক্ষর করা প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন। 
নবাব সিরাজউদ্‌দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার জন্য তার সিপাহসালার মীর জাফর ও কোম্পানির প্রতিনিধিরা মিরনের বাসগৃহে একত্রিত হয়েছিলেন। যুদ্ধে ক্লাইভ বিজয়ী হলে কে কতটা ভাগ পাবেন, তা নিয়ে দলিল তৈরি করেছিলেন তারা। কিন্তু দলিলে সই করতে গিয়ে চক্রান্তকারীরা তর্কে জড়িয়ে পড়েন। 
তখন বিলম্ব না করে দলিলে সই করার মাধ্যমে নিজ স্বার্থকে পাকাপোক্ত করার জন্য মীর জাফর আলোচ্য উক্তিটি করেন। ‘ক্লাইভের গর্দভ’ বলে কুখ্যাত মীর জাফর বুঝতেই পারেননি বাংলাকে তারা চিরতরে ব্রিটিশ শক্তির কাছে বিক্রি করে দিচ্ছিলেন।

আরো পড়ুন : সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রশ্ন:  ‘আপনারা ইচ্ছা করলে আমাদের ক্ষতি করতে পারেন।’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে ক্লাইভের এ উক্তিতে নবাব সিরাজের অমাত্যবর্গের বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটেছে।
মিরনের বাড়িতে ষড়যন্ত্র সভায় ক্লাইভ নারীর ছদ্মবেশে আসেন। জগৎশেঠ ও রাজবল্লভ ক্লাইভের দুঃসাহস দেখে অবাক হন এবং জানান নবাব যদি জানতে পারেন ক্লাইভ এখানে তবে আর উপায় থাকবে না। বিচক্ষণ ক্লাইভ স্পষ্ট জবাব দেন, নবাবের কোনো শক্তি নেই। যার চারপাশে সবাই বেইমান তিনি কী করে ক্লাইভের ক্ষতি করবেন বা শাস্তি দেবেন। বেইমান হিসেবে বরং ওরাই ক্লাইভের ক্ষতি করতে পারেন। বেইমান চিরকাল বেইমান, ক্লাইভ তা জানতেন। 

প্রশ্ন: ‘সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো?’-ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্‌দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে ক্লাইভের ষড়যন্ত্রের দলিলে স্বাক্ষর দিতে গিয়ে মীর জাফর নিজের মনের শঙ্কা প্রকাশ করে এ কথা বলেছিলেন, যা ক্ষণিক বিবেক জাগরণের মতো ব্যাপার ছিল।
নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে ইংরেজদের সঙ্গে হাত মেলান মীর জাফরসহ নবাবের পরিষদবর্গের প্রায় সবাই। ষড়যন্ত্রের জন্য নিজেদের মধ্যে সমঝোতার দলিল তৈরি করেন ক্লাইভ। ক্লাইভ এ দলিলে সই করতে বললে মীর জাফর ক্ষণিকের জন্য উদ্বিগ্ন হন। তার মনে হয়, নিজেদের স্বার্থের জন্য দেশের চূড়ান্ত ক্ষতি সাধন করছেন না তো তারা? দেশটা যেন বেনিয়াদের হাতে বিক্রি হয়ে গেল। আসলে লোভী, অদূরদর্শী মীর জাফর ক্ষণিকের জন্য বিবেক দ্বারা তাড়িত হলেও তা ছিল অর্থহীন।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:১১ পিএম
জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন। ছবি- সংগৃহীত

দ্বিতীয় অধ্যায় : জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

২৬। মানুষের দেহকোষে কত জোড়া ক্রোমোজোম থাকে?
ক) ২২ জোড়া     খ) ২৩ জোড়া 
গ) ২৪ জোড়া     ঘ) ৪৬ জোড়া

২৭। নিচের কোনটিতে ডিএনএ থাকে না?
ক) ভাইরাসে           খ) ই-কলিতে
গ) ব্যাকটেরিয়ায়     ঘ) ইএমভিতে

২৮। নিউক্লিক অ্যাসিড হলো-
i. DNA 
ii. CNA 
iii. RNA 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii     খ) i ও ii 
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

আরো পড়ুন : জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

২৯। মানুষের চামড়ার রং নিয়ন্ত্রণ করে নিচের কোনটি?
ক) DNA     খ) নিউক্লিয়াস 
গ) RNA     ঘ) মাইটোকন্ড্রিয়া

৩০। দুটি ক্রোমাটিডের পরস্পর যুক্ত হওয়ার স্থানকে কী বলে?
ক) ক্রোমোজোম     খ) সেন্ট্রোজোম 
গ) সেন্ট্রোমিয়ার     ঘ) ক্রোমোমিয়ার 

উত্তর: ২৬. খ, ২৭. ঘ, ২৮. ক, ২৯. ক, ৩০. গ।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১২টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১২টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
পাইথন ভাষা আবিষ্কার করেন গিডো ভান রসাম। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

পঞ্চম অধ্যায় : প্রোগ্রামিং ভাষা

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৬৮. ANSI-এর পূর্ণরূপ কী?
ক. American National Standards Institute 
খ. American National Standards Interchange 
গ. American National Security Institute 
ঘ. American Nations Security Institute

৬৯. ভালো সংগঠনের প্রোগ্রামগুলো কোন সময়ের নিয়ম মেনে চলে?
ক. প্রচলিত     খ. আগের 
গ. ভবিষ্যৎ     ঘ. অদূর ভবিষ্যতের

৭০. ভালো সংগঠনের প্রোগ্রামগুলোর বৈশিষ্ট্য-
i. প্রচলিত নিয়ম মেনে চলে
ii. প্রোগ্রামের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সহজ সম্পর্ক থাকে
iii. প্রোগ্রামের গতি প্রবাহ সুনির্দিষ্ট থাকে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৭১. পাইথন ভাষা আবিষ্কার করেন কে বা কারা?
ক. জন স্ট্রাউস্ট্রপ              খ. গিডো ভান রসাম
গ. আইবিএম কোম্পানি     ঘ. মাইক্রোসফট কোম্পানি

৭২. কি-ওয়ার্ড কেন ব্যবহৃত হয়?
ক. এটা কিছু সংরক্ষিত শব্দ, যা প্রোগ্রাম করার সময় ব্যবহার করা হয় 
খ. একগুচ্ছ ক্যারেক্টার নিয়ে গঠিত 
গ. কনস্ট্যান্ট সংখ্যা নিয়ে কাজ করে 
ঘ. স্ট্রাকচার নিয়ে কাজ করে

৭৩. ফ্লোচার্টে বৃত্ত দিয়ে কী বোঝায়?
ক. শুরু          খ. দিক 
গ. সংযোগ     ঘ. ইনপুট

আরো পড়ুন : প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

৭৪. সব টেস্ট কেসের জন্য প্রোগ্রাম রান করলে প্রোগ্রামকে কী করা হয়?
ক. পুনরায় কোডিং     খ. সিলিজ 
গ. ডিবাগ                   ঘ. ডিলিট

৭৫. কে বা কারা ফোরট্রান আবিষ্কার করেন?
ক. জন স্ট্রাউস্ট্রপ              খ. গিডো ভান রসাম 
গ. আইবিএম কোম্পানি     ঘ. মাইক্রোসফট কোম্পানি

৭৬. প্রোগ্রাম লেখার আগে- 
i. চিন্তা করতে হয়     
ii. ধাপগুলো লিখতে হয় 
iii. চিত্ররূপ দিতে হয় 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii       খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৭৭. কোন স্টেটমেন্টের সাহায্যে ফলাফল প্রদর্শন করা হয়?
ক. আউটপুট স্টেটমেন্ট     খ. লুপিং স্টেটমেন্ট 
গ. ইনপুট স্টেটমেন্ট          ঘ. কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট

৭৮. উচ্চ স্তরের ভাষায় প্রোগ্রাম-
i. লেখা সহজ 
ii. পড়া সহজ 
iii. সময়সাপেক্ষ 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৭৯. একটি প্রোগ্রামের বিভিন্ন অংশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ককে কী বলে?
ক. প্রোগ্রামের সংগঠন           খ. প্রোগ্রামের ফ্লোচার্ট 
গ. প্রোগ্রামের অ্যালগরিদম     ঘ. প্রোগ্রামের সুডোকোড

উত্তর: ৬৮. ক, ৬৯. ক, ৭০. ঘ, ৭১. খ, ৭২. ক, ৭৩. গ, ৭৪. খ, ৭৫. গ, ৭৬. ঘ, ৭৭. ক, ৭৮. ক, ৭৯. ক।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা
রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

পাঠ-৮ : রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার

অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: খালি জায়গায় নিচের শব্দগুলো বসাও।

প্রখর, রাজকীয়, ভারসাম্য, বিপন্ন, নখর, ক্ষিপ্র, নির্দিষ্ট

ক. বাঘটি …. গতিতে দৌড়ে শিকার ধরল।
খ. শিকার ধরার সময়ে বাঘের থাবা থেকে বেরিয়ে আসে ….।
গ. মেয়েটির স্মরণশক্তি …..।
ঘ. বাঘটি …. ভঙ্গিমায় বসে আছে।
ঙ. সুন্দরবন ধ্বংস হতে থাকলে বাঘের জীবন …. হবে।
চ. কাজটি…. সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে।
ছ. পরিবেশের বিপর্যয়ের কারণে প্রকৃতির ….. নষ্ট হচ্ছে।

উত্তর: ক. বাঘটি ক্ষিপ্র গতিতে দৌড়ে শিকার ধরল।
খ. শিকার ধরার সময়ে বাঘের থাবা থেকে বেরিয়ে আসে নখর
গ. মেয়েটির স্মরণশক্তি প্রখর
ঘ. বাঘটি রাজকীয় ভঙ্গিমায় বসে আছে।
ঙ. সুন্দরবন ধ্বংস হতে থাকলে বাঘের জীবন বিপন্ন হবে।
চ. কাজটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে।
ছ. পরিবেশের বিপর্যয়ের কারণে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের জাতীয় পশুর নাম কী?

উত্তর: বাংলাদেশের জাতীয় পশুর নাম হলো রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা, ঢাকা

কবীর