দেশের পটপরিবর্তনে এবারের চারুকলার বৈশাখের শোভাযাত্রাও ফিরছে তার পুরোনো নামে, আয়োজকরা বলছেন নামে পরিবর্তন না বরং পুরোনো নামে ফিরল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) বর্ষবরণের শোভাযাত্রা। ১৯৮৯ সালে চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে শুরু হয় বর্ষবরণের আনন্দ শোভাযাত্রা। তারই ৭ বছর পর, ৯৬ সালে নাম পরিবর্তন করে মঙ্গল শোভাযাত্রা হিসেবে নাম লাভ করে। নাম পরিবর্তনের ২৯ বছর পর ফের সেই পুরোনো নামে ফিরল আনন্দ শোভাযাত্রা।
শুক্রবার (১১ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের সকাল ১১টায় চারুকলা অনুষদের ওসমান জামান মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে মঙ্গল শোভাযাত্রা থেকে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ নামে শোভাযাত্রা নামকরণের ঘোষণা দেন বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ উদযাপনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সদস্যসচিব ও চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাপক এই আয়োজনের লক্ষ্যে শোভাযাত্রার নামকরণ করা হয়েছে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা, যার ছায়াতলে দেশের সকল বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটবে। প্রতিফলিত হবে, বর্তমানের সব শ্রেণির মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষা এবং ফুটে উঠবে শোভাযাত্রার প্রকৃত আনন্দ।’
মঙ্গল শোভাযাত্রা থেকে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ নামে শোভাযাত্রা নামকরণের ঘোষণা দেন চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ। ছবি: খবরের কাগজ
মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম কেন পরিবর্তন করা হলো, এখানে ইসলামী দলগুলো বা কোনো চাপের প্রভাব রয়েছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে আজহারুল ইসলাম শেখ বলেন, ‘এখানে পরিবর্তনের প্রসঙ্গ নেই, আমরা পুনরুদ্ধার করেছে পুরোনো নাম। চাপের বিষয়টি আমরা সেভাবে মূল্যায়ন করতে চাইছি না, তবে প্রতিবছরই বর্ষবরণের এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিতর্কের তৈরি হয়। গেল সময়গুলোতে মঙ্গল এমনভাবে ব্যবহার করেছে ফ্যাসিবাদীরা চর্চা করেছে এখানে একটা যথেষ্ট রকমের খারাপ অনুভূতি রয়েছে এই সমাজে। তাই, আমরা অতীতে ফিরে যেতে চাই যেখানে সকল মানুষের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ ছিল এবং সাংস্কৃতিক জায়গাতে কোনো রাজনৈতিক আগ্রাসন ছিল না।’
১৯৮৯ সালে যখন প্রথম শোভাযাত্রা বের করা হয়, সেই সময় চারুকলার শিক্ষার্থী ছিলেন এবারের শোভাযাত্রার উপকমিটির সদস্যসচিব ভাস্কর্য বিভাগের অধ্যাপক এ এ এম কাওসার হাসান। তিনি বলেন, ‘তখন এরশাদের স্বৈরশাসন ছিল, সেই সময় আমরা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মিলে রাজনৈতিক এবং আমাদের ঐতিহ্য বিবেচনায় কিন্তু আনন্দ শোভাযাত্রা নাম দেওয়া হয়েছিল। তারপর ঠিক সেভাবেই চলছিল কিন্তু ৯৬ সালে এসেই সেই শোভাযাত্রা মঙ্গল শোভাযাত্রা হয়ে গেল। আমাদের মঙ্গল নিয়ে কোনো সমস্যা ছিল না, কোনো বিরোধ নেই। কিন্তু আনন্দ কেন বাদ দেওয়া হলো, তার ব্যাখা আমাদের জানা নেই। তাই আমরা আগের সেই জায়গাতে ফিরে যেতে চাই।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ‘আমরা পুরোনো নাম ও ঐতিহ্যে ফিরে যাচ্ছি, যেটির মাধ্যমে চারুকলার এই কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। আনন্দ শোভাযাত্রায় এবার আমরা মূল যে প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছি সেখানে আমরা দুটো বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। একটি হলো, নির্বতনমূলক স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অবসান এবং অন্যটি নির্বতনমূলক স্বৈরাচারী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে মানুষের যে অবস্থান। তা বিভিন্ন মোটিভেও ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।’
ওই সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ উদযাপনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী প্রমুখ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
শোভাযাত্রার সামনে থাকবে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
শোভাযাত্রার সামনে এবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সামনে থাকছে না এবং এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক নিরাপত্তা হুমকির কোনো তথ্য নেই বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘বরাবরই মতো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীরা তাদের দায়িত্ব পালন করবে। তবে তাদের সামনে না রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং তারা র্যালির পাশে থাকবেন, তারাও তাদের কৌশলগত পরিবর্তন এনেছেন।’
শোভাযাত্রার আগ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ঢাবি-শাহবাগ মেট্রোস্টেশন
শোভাযাত্রার আগ মুহুর্তে দুপুর পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং শাহবাগ দুটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকবে। ঢাবি প্রক্টর বলেন, ‘ওইদিন সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মেট্রো শাহবাগ ও টিএসসি স্টেশন দুটি বন্ধ থাকবে। এখানে যাত্রী উঠবে না এবং নামবে না, তবে মেট্রো চলবে। শোভাযাত্রা শেষ হয়ে গেলে, স্টেশন দুটি খুলে যাবে।’
জোরেশোরে চলছে এবারের প্রস্তুতি, শেষ প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ
বাঙালির কৃষ্টিতে রমনার বটমূলে বর্ষবরণ আর ঢাবি চারুকলার শোভাযাত্রা যেন বরাবরই আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। বিগত বছরগুলোর মতো এবারও চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রাতে আয়োজনের ব্যত্যয় ঘটেনি। চারুকলা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা দিন-রাত এক করে জোরেশোরে চালিয়ে নিচ্ছেন মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি পর্বের কাজ। দৈনিক প্রায় ৩৫০ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন এই বিশাল কর্মযজ্ঞে অংশ নিচ্ছেন।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন প্রতিকৃতিতে শিক্ষার্থীদের নানা দিকনির্দেশনায় চাটাই বুনছেন নির্মাণ শ্রমিকরা। কেউবা আঠা দিয়ে চাটাইতে কাগজের আবরণ দিচ্ছে। এবারের শোভাযাত্রায় বড় মোটিফ থাকছে ৬টি, জুলাই বিপ্লবোত্তর এবারের শোভাযাত্রার স্লোগান ‘নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’। যার ফলে পুরো শোভাযাত্রায় থাকছে ফ্যাসিবাদের নীরব প্রতিবাদ। জানা যায়, ইলিশ মাছ, বাঘ, পালকি, পাখি, মুগ্ধের পানির বোতল, স্বৈরাচারী শাসকের প্রতিবাদে অশুভ প্রতীকী মুখোশ এবার মূল মোটিফ থাকছে।
ছবি: খবরের কাগজ
এছাড়া মাঝারি মোটিফ হিসেবে সুলতানি ও মুঘল আমলের মুখোশ, রঙিন চরকি, তালপাতার সেপাই, তুহিন পাখি, পাখা, ঘোড়া এবং লোকজ চিত্রাবলীর ক্যানভাস। এদিকে ছোট মোটিফ হিসেবে ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি, বাঘের মাথা, পলো, মাছের চাই, মাথাল, লাঙল এবং মাছের ডোলা থাকছে।
কথা হয় চারুকলার অঙ্কন ও চিত্রায়ণ বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী খাদিজাতুল নোমানীর সঙ্গে। ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়লেও কয়েকশ মাইল পাড়ি দিয়ে বিদেশ বিভূঁইয়ে থেকে দেশে এসেছেন নোমানী। অনেক বছর পর এবার শুরু থেকেই জড়িত হয়েছেন শোভাযাত্রার প্রস্তুতির সঙ্গে।
খাদিজাতুল নোমানী খবরের কাগজকে বলেন, ‘২০১৮ সালে আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ হয়। তারপর যে যার মতো করে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। গত বছর দেশের বাহির থেকে ছিলাম, যার ফলে শুধু বৈশাখে প্রোগ্রামেও আসা হয়েছিল। তাছাড়া এবার শুরুতে কমিটিতে থাকায় বেশ ব্যস্ত সময় পার করতে হচ্ছে। এবারের প্রস্তুতিও রোজার মধ্যে শুরু হয়েছিল, শুরুতে একটু উপস্থিতি কম থাকলেও ৭ এপ্রিল ক্যাম্পাস পুরোদমে খুললে বৈশাখের প্রস্তুতিতে উপস্থিতি বাড়তে শুরু করেছে। এবারের শোভাযাত্রায় বেশ পরিবর্তনও এসেছে, বিশেষ করে বাঙালির ঐতিহ্য ৫টি পটচিত্র, সবমিলিয়ে এটি ১০০ ফিটের হবে। এছাড়া ২৮টি ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর কালচারাল শো হবে এবং তারা শোভাযাত্রায় অংশ নেবে।’
২০০৬ সাল থেকে চলছিল বৈশাখের শোভাযাত্রার পুরো দায়িত্ব পেতে সিনিয়র ব্যাচ। এবার সেই রীতির কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। এ প্রসঙ্গে সাবেক এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘রোজা এবং ঈদের ছুটির কারণে এবার কিছুটা কমিউনিকেশন গ্যাপ হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তাদের সঙ্গে মিটিং হয়েছে এবং তারা এখন সকলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করছে।’
এদিকে প্রথম বর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী অনন্যা দাশ টুসি এমন বৈশাখের এমন কর্মযজ্ঞের সঙ্গে বেশ উৎফুল্ল। হাসিমাখা মুখে টুসি খবরের কাগজকে বলেন, ‘আমি তো কখনো এটি করি, নিজের আর্ট-ওয়ার্ক করতে পারছি; এটি অনেক ভালো লাগার বিষয়। হয়ত বৈশাখের দিন সেগুলো হয়ত কেউ কিনতেও পারে। তাছাড়া একটি বিষয়, আমরা যে কাজগুলো করছি তুলির আঁচড়ে আজকে আমাদের মনে যেমন অবস্থা সেটি প্রকাশ পাচ্ছে, আবার আগামীকালের যে অনুভূতি সেটিও প্রকাশ পাচ্ছে সেইদিন আর্টে। সবমিলিয়ে একটা হৈ-হুল্লোড়ের মধ্য দিয়ে আমাদের দিন পার হচ্ছে।’
পুরো আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত বরাদ্দ এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তৈরি সরা, মুখোশ ও পেইটিং বিক্রি করে শোভাযাত্রার খরচ বহন করা হয়। এবছর দুটো পেইন্টিং করছেন প্রায় ৩৫ বছর আগে ক্যাম্পাস ছাড়া ষাটোর্ধ চারুকলার সাবেক শিক্ষার্থী এম আর দিদার। ভালোবাসার টান আর অতীতচারী হয়ে বৈশাখে দাওয়াত পেয়ে আসতে দুবার ভাবেননি বলে উল্লেখ করে দিদার বলেন, ‘এবার কাজ অনেক ভালোভাবেই এগোচ্ছে। এত বড় আন্দোলন পরবর্তী সময়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে শিল্পীরা অংশগ্রহণ করছে। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি অনুভব করি, আগে একটা গোষ্ঠী নিয়ে কাজ করা হতো। এবার ডিন সবাইকেই ডেকেছে, কল করেছে। যে আপনারা আসেন, সবাই এক হয়ে আনন্দ করি। আমি একটু দেরি করে এসেছি, আরও আর্টিস্টদেরকেও বলেছে, তারাও আসবে। কাজের গতিও বেশ ভালোই এগোচ্ছে। এবার দুটো পেইন্টিং করার টার্গেট রয়েছে।’
পটপরিবর্তনের বাংলাদেশের নতুন হতে যাওয়া শোভাযাত্রায় কোনো পরিবর্তন দেখছেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখনকার পার্থক্য একটাই দিনদিন এর পরিসর বৃদ্ধি পাচ্ছে, একই সঙ্গে চারুকলার বিভাগগুলোর সংখ্যাও কলেবরে বৃদ্ধি পাচ্ছে।’
এদিকে সার্বিক বিষয়ে খবরের কাগজের সঙ্গে কথা হয় বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ উদযাপনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সদস্যসচিব ও চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখের সঙ্গে।
তিনি খবরের কাগজকে বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি বেশ জোরেশোরেই চলেছে, প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ আমাদের শেষ হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৩শ থেকে সাড়ে ৩শ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অ্যালামনাই আমাদের কর্মযজ্ঞে অংশ নিচ্ছেন। আমাদের কর্মযজ্ঞ শেষ সময় পর্যন্ত চলবে, ওই সময়ের মধ্যে যতটুক পারা যায় আমাদের কর্মযজ্ঞ চলবে।’
মঙ্গল শোভাযাত্রা নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান ছাত্র ইউনিয়নের
‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র নাম পরিবর্তন করে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ করার সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। গতকাল শুক্রবার ছাত্র ইউনিয়ের দপ্তর সম্পাদক মঈন আহমেদের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ওই বিষয়টি জানানো হয়।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে ঐতিহ্যবাহী বাংলা নববর্ষ বরণের শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তনকে ফ্যাসিস্ট সাম্প্রদায়িক মবের নিকট অন্তবর্তীকালীন সরকারের অসহায় আত্মসমর্পণ হিসেবে উল্লেখ করে এক যুক্ত বিবৃতিতে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাগীব নাঈম ও সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল রনি বলেন, ‘বর্ষবরণ শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তিত নামকে প্রত্যাখ্যান করে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ হিসেবেই সর্বত্র আখ্যায়িত করা হবে। যে কোনো পরিস্থিতিতে ফ্যাসিস্ট সাম্প্রদায়িক মবের অনুগত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত প্রতিহত করা হবে।’
মাহফুজ/