বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে মঙ্গলবার (২০ মে) পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের গার্মেন্টস কর্মীরা মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’ অভিমুখে যাত্রা করেন। তবে বেলা ৩টার দিকে কাকরাইল মোড়ে তারা পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। পরে সেখানে অবস্থান নিয়ে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন। রাত ৯টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান-বিক্ষোভ চলছিল। এতে করে কাকরাইলকেন্দ্রিক আশপাশের রাস্তায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বেলা ৩টায় মিছিল নিয়ে কাকরাইল মোড়ে এসে উপস্থিত হন আন্দোলনকারীরা। এ সময় ১৮ মাস আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া ‘ডার্ড গ্রুপের’ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ত্রিপক্ষীয় চুক্তি মোতাবেক শ্রমিক-কর্মচারীদের সব পাওনা পরিশোধের দাবি জানান তারা।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বকেয়া বেতনের দাবি সম্বলিত ব্যানার হাতে স্লোগান দিতে দিতে পল্টনের দিক থেকে যমুনার উদ্দেশে যাচ্ছলেন গার্মেন্টস কর্মীরা। এ সময় কাকরাইল মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এরপর কাকরাইল মোড়ে বসে পড়েন অনেকে। মোড়টি অবরোধ করে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এর কিছুক্ষণ পরই শুরু হয় বৃষ্টি। বৃষ্টিতে ভিজেই রাস্তায় অবস্থান করে বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করেন তারা। মঙ্গলবারের (২০ মে) মধ্যেই বেতন পরিশোধের দাবিতে তারা নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
গতকাল রাত ৮টায় রমনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ফারুক খবরের কাগজকে বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ঘিরে কাকরাইল ও আশপাশে যেকোনো ধরনের আন্দোলন, সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ। এর মধ্যেও বিক্ষুব্ধ গার্মেন্টস কর্মীরা রাতেও (রাত ৮টায়) কাকরাইল মোড়ে অবস্থান করে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি না সেদিকে লক্ষ্য রাখা হয়েছে।