ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টাইগারদের ওয়ানডে সিরিজ জয় যশোরে স্ত্রীকে বেঁধে রেখে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা ও নদী রক্ষায় ১০ হাজার কোটির বেশি টাকার মহাপরিকল্পনা আইসিটিতে লক্ষ্য জিডিপির ১০ শতাংশ, স্টার্টআপে বিশেষ গুরুত্ব ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সমর্থক বিশ্বকাপ উন্মাদনা যেন দুর্ঘটনার কারণ না হয় মূল্যস্ফীতি ও সাধারণ মানুষের বাস্তবতা প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে দুইদিন ব্যাপী ফল উৎসব দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে রাত ৯টা পর্যন্ত যাদের পাশে বসলে দুঃখ কমে, শান্তি বাড়ে বাজেটের প্রস্তাবিত অর্থবিলে স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি খরচ বাড়লে বিপাকে পড়বে সাধারণ জনগণ পরিবহন খাতের বরাদ্দে বড় কাটছাঁট, কমল ৪ বিভাগেরই বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাঁশি হাতে থাকছেন ব্রাজিলের উইল্টন সাম্পাইও টেকনাফ সীমান্তে র‌্যাবের অভিযানে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক নিউ ইয়র্কে বিশেষ সম্মাননা পেলে ও অঁরিকে নোয়াখালীতে মাদকসেবীদের হামলায় যুবক নিহত, গ্রেপ্তার ১ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাজশাহীতে ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগারে শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর বই নিয়ে ছাত্রদলের আপত্তি, অপসারণের নির্দেশ ডিসির ক্যানসার ও কিডনি রোগীদের চিকিৎসার ব্যয় কমছে মুক্তিযোদ্ধাসহ যাদের ভাতা বাড়বে বলাৎকারে ব্যর্থ হয়ে মাদরাসাশিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত আনচেলত্তির জন্মদিন আর ব্রাজিলের জন্মদিন, কিছুতেই নেই নেইমার আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির জন্য ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর শেরপুরে ব্রাজিল সমর্থকদের মিলনমেলা ও আনন্দ র‍্যালি আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের ৬০ নিত্যপণ্যে করছাড়
Nagad desktop

উপজেলা পর্যায়ে আদালত সম্প্রসারণে ঐকমত্য

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৫, ১১:০৮ এএম
উপজেলা পর্যায়ে আদালত সম্প্রসারণে ঐকমত্য
ছবি: সংগৃহীত

বিচারব্যবস্থা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে উপজেলা পর্যায়ে অধস্তন আদালত সম্প্রসারণে সব রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে। তবে ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে যেসব উপজেলা জেলা সদরের কাছাকাছি, সেসব উপজেলায় আদালত স্থাপনের বিপক্ষে মত দিয়েছে দলগুলো। একই সঙ্গে উপজেলা পর্যায়ে সালিশি আদালত কার্যকর করা এবং তৃণমূলে সরকারের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার পক্ষে মত বেশির ভাগ রাজনৈতিক দলের। 

সোমবার (৭ জুন) রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রস্তাব নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় পর্যায়ের ১০ম দিনের বৈঠকে এসব মতামত আসে। 

আলোচনায় রাষ্ট্র সংস্কারে জরুরি অবস্থা জারির ক্ষেত্রে পরিবর্তন ও সংশোধনে একমত হয়েছে বিএনপি। এক্ষেত্রে কোনোভাবেই নাগরিক মৌলিক অধিকার খর্ব না করার পক্ষে বাম দলগুলো। আলোচনায় সংস্কার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পরবর্তী সংসদের ওপর ন্যস্ত না করার আহ্বান এনসিপির। ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে সংস্কার প্রস্তাবগুলো সংশোধিত আকারে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

তিন দিন বিরতির পর সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শুরু হওয়া এই বৈঠক চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এতে আলোচ্য বিষয় ছিল- উপজেলা পর্যায়ে অধস্তন আদালত সম্প্রসারণ, জরুরি অবস্থা ঘোষণা ও সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ। রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বৈঠকে অংশ নেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোটের প্রতিনিধিরা। 

কমিশনের প্রস্তাবে বলা হয়, উপজেলা সদরের ভৌগোলিক অবস্থান ও বৈশিষ্ট্য, জেলা সদর থেকে দূরত্ব ও যাতায়াতব্যবস্থা, জনসংখ্যার ঘনত্ব ও বিন্যাস এবং মামলার চাপ বিবেচনা করে কোন কোন উপজেলায় স্থায়ী আদালত স্থাপন করা প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করতে হবে। বর্তমানে যেসব উপজেলায় চৌকি আদালত পরিচালিত হয়, সেগুলোকে বিবেচনায় নিয়ে সবগুলো চৌকি আদালতকে স্থায়ী আদালতে রূপান্তরিত করার প্রয়োজনীয়তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবে। বাস্তব পরিস্থিতির নিরিখে উপজেলা সদরে স্থাপিত কোনো আদালতের জন্য একাধিক উপজেলাকে সমন্বিত করে অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করার প্রয়োজন হলে তা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

এ বিষয়ে আলোচনায় জনগণের স্বার্থে ৩৫ বছর আগের অবস্থান বিএনপি পরিবর্তন করেছে জানিয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘১৯৯১ সালে জাতীয় মনোভাবের সঙ্গে একমত হয়ে বিএনপি উপজেলা পর্যায়ে থাকা আদালত তুলে দেয়। আগের সেই সিদ্ধান্তে কোনো আপত্তি জাতীয়ভাবে আসেনি। বিভিন্ন চৌকি আদালত ও দ্বীপাঞ্চল মিলিয়ে বর্তমানে যে ৬৭টি আদালত আছে, সেটাও তখনকার সিদ্ধান্তে। কিন্তু সময় পরিবর্তিত হয়েছে। আমরা একটা সংস্কারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। জাতির নতুন চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। সেই বিবেচনায় বিএনপি নতুন করে এ প্রস্তাবে একমত হয়েছে।’ তবে জেলার সদর উপজেলা এবং জেলা শহরের অতি কাছে যেসব উপজেলা রয়েছে, সেখানে অধস্তন আদালত প্রয়োজন হবে না। কোন কোন উপজেলায় অধস্তন আদালত প্রয়োজন, তার সংখ্যা নিরূপণের জন্য সমীক্ষার অনুরোধ করেন তিনি।

জরুরি অবস্থা জারির বিষয়ে ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে বিএনপি। তবে জরুরি অবস্থা চলাকালে মানবাধিকার রক্ষার বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো থেকে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এ ছাড়া জরুরি অবস্থাকে যেন রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা না হয় সে ব্যাপারে বিএনপিসহ দলগুলো প্রস্তাব করে। বিএনপি মনে করে, এই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা পরবর্তী নির্বাচিত জাতীয় সংসদে হওয়া উচিত।

আলোচনায় কয়েকজন নেতা উপজেলা পর্যায়ে অধস্তন আদালত স্থাপন করা হলে দুর্নীতি বাড়বে- এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তাদের এমন বক্তব্যে দ্বিমত জানান জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ। 

তিনি বলেন, ‘উপজেলা পর্যায়ে অধস্তন আদালত হলে দুর্নীতি বাড়বে, এটা ভুল ধারণা। জনসচেতনতা ও মূল্যবোধ বৃদ্ধির মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।’ 

বিচারপ্রার্থীর হয়রানি রোধ করতে বিচারের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে হবে। দুর্নীতির বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে হবে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। 

তিনি জানান, দেশের ২৩টি জেলায় বর্তমানে ৪০টি চৌকি আদালত রয়েছে। এসব চৌকিকে স্থায়ী আদালতে রূপ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে এসব চৌকির অবকাঠামো এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সরবরাহ করতে হবে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন উপজেলা পর্যায়ে অধস্তন আদালত স্থাপনে তাগিদ দেন। প্রয়োজনে সংসদীয় আসনের ভিত্তিতে দ্রুতই অধস্তন আদালত স্থাপনের প্রস্তাব করেন তিনি। এ ছাড়া কয়েকটি দলের পক্ষ থেকে আগামী কত বছরের মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে অধস্তন আদালত সম্প্রসারণ করা হবে, তা নির্দিষ্ট করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে উপজেলা পর্যায়ে অধস্তন আদালতের সম্প্রসারণের বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে।
 
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী রাষ্ট্র সংস্কারে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে সবগুলো বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হবে না। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন কোনো কিছু দলগুলোর ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে না। তারপরও যাতে করে কোনো রকম ভুল বোঝাবুঝি কিংবা বিভ্রান্তি তৈরি না হয়, সে জন্য আমাদের দিক থেকে আন্তরিক চেষ্টা থাকছে।’ 

রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য ও মতামত বিবেচনায় নিয়ে সংস্কার প্রস্তাবগুলো সংশোধন করা হচ্ছে। গতকাল তারা উপজেলা পর্যায়ে অধস্তন আদালত প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবে দলগুলো একমত হয়েছে। কিছু বিষয় এখনো আলোচিত হয়নি। কিন্তু সবাই চেষ্টা করছেন, এক জায়গায় আসার, ঐকমত্যে পৌঁছানোর। আমরা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে আলোচনা করে একমত হওয়ার চেষ্টা করছি।

বৈঠক শেষে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফায় পরবর্তী ১১তম বৈঠক বসবে আগামী বৃহস্পতিবার।

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা ও নদী রক্ষায় ১০ হাজার কোটির বেশি টাকার মহাপরিকল্পনা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৮:৩০ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৯ পিএম
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা ও নদী রক্ষায় ১০ হাজার কোটির বেশি টাকার মহাপরিকল্পনা
ছবি: সংগৃহীত

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকার এক বিশাল কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। টেকসই ও পরিবেশ-সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য বিপুল পরিমাণ বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সরকারের এই বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে দেশকে রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় সরকার সবুজ বিপ্লব গড়ার অঙ্গীকার করেছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে, যার মাধ্যমে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। 

এছাড়া উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বনের ৫০ শতাংশকে কার্বন ট্রেডিংয়ের আওতায় আনা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বৃত্তাকার ভবিষ্যৎ মডেল বাস্তবায়ন করা হবে। বায়ুর মান নিয়মিত পর্যবেক্ষণে ১৫টি এবং ১৬টি বিশেষ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যানবাহন দূষণ নিয়ন্ত্রণে আধুনিক যানবাহন পরিদর্শন কেন্দ্র স্থাপন এবং বৈদ্যুতিক বাস সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি হ্রাস, পুনঃব্যবহার ও পুনর্ব্যবহার- এই তিন নীতির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে প্লাস্টিক বর্জ্য ৩০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য আগামী অর্থবছরে ১০ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই খাতের প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩০৯ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ, পুনর্নির্মাণ ও মেরামত। এছাড়া দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তনের লক্ষ্যে একনেক অনুমোদিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প এবং উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১০ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। টেকসই দুর্যোগ মোকাবিলায় নেওয়া অন্যান্য পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি বা ইজিপিপি-এর আওতায় প্রায় ২০ লাখ গ্রামীণ শ্রমিকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। এছাড়া ভূমিকম্প ও অন্যান্য দুর্যোগ মোকাবিলায় ৫২১ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম এবং ১১টি আকাশপথে উদ্ধারকারী মই ক্রয় করা হবে। একইসঙ্গে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির আওতায় শতভাগ বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

সরকার বলছে, নদীগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় শুরুর মাধ্যমে একটি পরিবেশ-বান্ধব ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।

জয়ন্ত সাহা/এসএন

দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে রাত ৯টা পর্যন্ত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:১৩ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম
দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে রাত ৯টা পর্যন্ত
ছবি: খবরের কাগজ

শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট খোলা রাখার সময় নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

আগের নির্দেশনা শিথিল করে শুক্রবার (১২ জুন) থেকে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বার্তায় বলা হয়, গত ১ জুন থেকে বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকানগুলো রাত ১০টার পরিবর্তে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত বলবৎ ছিল।

শুক্রবার থেকে বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকানগুলো বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই সময়সীমা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান এবং অনুষ্ঠিতব্য মেলা/বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

তবে খাবারের দোকান, হাসপাতাল, ওষুধের দোকান ইত্যাদি-এর আওতা বহির্ভূত থাকবে।

এমতাবস্থায়, বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকানগুলো রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখা, সব বিলবোর্ডের বাতি আবশ্যিকভাবে রাত ৯টার মধ্যে বন্ধ করা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান/অনুষ্ঠিতব্য মেলা/বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রাত ৯টার মধ্যে বন্ধ করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

এসএন/

মুক্তিযোদ্ধাসহ যাদের ভাতা বাড়বে

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম
মুক্তিযোদ্ধাসহ যাদের ভাতা বাড়বে
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা পাঁচ হাজার টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে সরকার। এছাড়া জুলাই অভ্যুত্থানে ‘শহিদ’ পরিবারের জন্য মাসিক ২০ হাজার টাকা এবং আহতদের এ, বি ও সি ক্যাটাগরিতে যথাক্রমে ২০, ১৫ ও ১০ হাজার টাকা মাসিক ভাতা দেওয়ারও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২০২৭ সালের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে এসব প্রস্তাব রাখা হয়।

বয়স্ক ভাতার উপকারভোগীর সংখ্যা এক লাখ বাড়িয়ে ৬২ লাখে এবং মাসিক ভাতার হার ৭০০ টাকায় উন্নীত করার কথাও বলা হয়েছে।

অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে, প্রতিবন্ধী ভাতার উপকারভোগীর সংখ্যা সাড়ে তিন লাখ বাড়িয়ে ৩৮ লাখে এবং মাসিক ভাতার হার এক হাজার টাকায় উন্নীত করা, এক লাখ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি/মেধাবৃত্তি প্রদান, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর দুই লাখ ২৮ হাজার ৩৯০ জনকে মাসিক ৬৫০ টাকা হারে ভাতা প্রদান; ৪৫ হাজার ৩৩৮ জন অনগ্রসর শিক্ষার্থীকে বৃত্তি/মেধাবৃত্তি দেওয়া।

এছাড়া ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, হৃদরোগে আক্রান্ত ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ৬৫ হাজার রোগীকে আর্থিক সহায়তা ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এককালীন এক লাখ টাকায় উন্নীতকরণের কথা বলা হয়েছে।

১৫ হাজার কর্মহীন শ্রমিককে মাসিক ৫ হাজার টাকা হারে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত ভাতা দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির জন্য ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৪:৫২ পিএম
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির জন্য ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
ছবি: খবরের কাগজ

দেশের ৫৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ব্যয় নির্বাহের জন্য ১২ হাজার ৩০০ কোটি ৪ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করেছে ইউজিসি। এ বাজেটে দেশের ৫৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১২ হাজার ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা এবং ইউজিসির জন্য ২৯৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মোট বাজেটের মধ্যে ৭ হাজার ৪২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা পরিচালন ব্যয় এবং ৪৩টি প্রকল্পের অনুকূলে ৪ হাজার ৫৭৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা উন্নয়ন ব্যয় হিসেবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ১৭৮তম পূর্ণ কমিশন সভায় এ বাজেট অনুমোদন করা হয়। সভার কার্যপত্র উপস্থাপন করেন ইউজিসি সচিব ড. ফখরুল ইসলাম। সভায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মূল বাজেটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ইউজিসির অর্থ ও হিসাব বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুকূলে সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ৮০২ কোটি ২১ লাখ টাকা। সে হিসাবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য বরাদ্দ বেড়েছে ১ হাজার ৪৯৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রাজস্ব বাজেট পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যার পরিমাণ ৯৪৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। 

উচ্চশিক্ষায় গবেষণা ও বৈদেশিক স্কলারশিপ খাতের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ইউজিসি’র মূল বাজেটে ২৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে গবেষণা ও বৈদেশিক স্কলারশিপ খাতে মোট ২২৯ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের বাজেটে ১৯৪ কোটি টাকা এবং ইউজিসির বাজেটে গবেষণা ও বৈদেশিক স্কলারশিপ খাতের জন্য ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। সে হিসাবে আগামী অর্থবছরে এ খাতে মোট বরাদ্দ ৯ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ইউজিসির জন্য বরাদ্দকৃত মোট বাজেটের প্রায় ৮০ শতাংশ গবেষণা ও বৈদেশিক স্কলারশিপ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো (২০২৬-২৭ থেকে ২০২৮-২৯) বিষয়ক ত্রিপক্ষীয় সভায় গবেষণা খাতে দ্বৈততা পরিহারের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের গবেষণা খাত একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের গবেষণা খাতের ২০০ কোটি টাকা কমিশনের বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে ইউজিসির গবেষণা খাতে বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে ২২৬ কোটি টাকা। এর সঙ্গে বৈদেশিক স্কলারশিপ খাতে ১২ কোটি টাকা যোগ হয়ে মোট বরাদ্দ হয়েছে ২৩৮ কোটি টাকা। 

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে পরামর্শক্রমে শিগগিরই একটি নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে গবেষণা খাতের এ বরাদ্দ আরও কার্যকরভাবে ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে সভাকে জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, গবেষণার অর্থ কেন্দ্রীয়ভাবে বরাদ্দ করা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। বরং গবেষণার সম্ভাব্য প্রভাব, গুণগত মান এবং প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় অর্থ আরও কার্যকরভাবে বণ্টনের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চাহিদার তুলনায় এ বরাদ্দ অপ্রতুল। তবুও সমাজের প্রয়োজন এবং অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতগুলো চিহ্নিত করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে অর্থ ব্যয় করা গেলে দেশের উচ্চশিক্ষা খাত উল্লেখযোগ্যভাবে উপকৃত হবে। ইউজিসির মূল লক্ষ্য দেশে গুণগত উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করা এবং গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তোলা। দেশের টেকসই উন্নয়ন ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি বিনির্মাণে মানসম্পন্ন গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম সম্প্রসারণে উৎসাহিত করতে ইউজিসি গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এ খাতে বরাদ্দ আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সভায় ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মোঃ সাইদুর রহমান, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম ও প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন; পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) নাসরীন জাহান; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন; চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. পেয়ার আহম্মেদ; খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুল আহসান; বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ডিন ক্যাটাগরি) প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী; সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ডিন (প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ) প্রফেসর ড. মোঃ নিজাম উদ্দিন এবং সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ডিন ক্যাটাগরি) প্রফেসর ডাঃ মোঃ জিয়াউর রহমান চৌধুরী; এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) আলিফ রুদাবা পূর্ণ কমিশনের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

জয়ন্ত সাহা/এসএন

বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর
ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজ থেকে

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো নতুন অর্থবছরের শুরু থেকে ‘ধাপে ধাপে’ বাস্তবায়ন করার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় তিনি এ ঘোষণা দেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘প্রায় ১১ বছর ধরে একই বেতন কাঠামোতে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন সরকারি কর্মচারীরা। ইতোমধ্যে মূল্যস্ফীতিজনিত কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো আগামী ১ জুলাই ২০২৬ হতে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার ঘোষণা দিচ্ছি।’

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে এ প্রস্তাবিত বাজেটের অনুমোদন দেওয়া হয়। 

এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অর্থ বিলে স্বাক্ষরের পর বিকেল ৩টায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্পিকারের অনুমতি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদে বাজেট বক্তৃতা শুরু করেন।