ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬ টন ভারতীয় জিরা জব্দ কাফনে রক্তের দাগ দেখে জানাজা স্থগিত মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ড. তোজাম্মেল হোসেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ঘাঁটির কাছে গোলাগুলি, আহত ৯ দেশে প্রথমবার রোবোটিক অ্যাসিস্টেড এমআরআই-ইউএসজি ফিউশন প্রোস্টেট বায়োপসি সম্পন্ন বাংলাদেশ সিরিজের আগে জোড়া ধাক্কা খেল অস্ট্রেলিয়া ইসরায়েলের পাল্টা হামলায় তেহরান-তেল আবিবে নতুন উত্তেজনা বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের ‘বাধা’ নিয়ে ক্ষোভ, মেক্সিকোয় পৌঁছেছে ইরান দল হামে ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ মেডিকেলে ১ শিশুর মৃত্যু, ভর্তি ২৯ বিশ্ববাজারে ফের কমল স্বর্ণের দাম ভুয়া কমিটি ঘোষণা নিয়ে বিএনপি মিডিয়া সেলের সতর্কবার্তা ৯ অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস স্পেন ও ইয়ামালের মাঝে বার্সা গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন সৌরভ-ইউসুফ, মমতার জন্য এমপি পদ ছাড়ার দাবি অস্বীকার বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রউফ স্মারক গ্রন্থের জন্য লেখা আহ্বান মানিকগঞ্জে চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে নিহত ১ টিভিতে আজকের খেলা ফিলিপাইনে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি টেকনাফে বজ্রপাতে সাগরপারের দোকান ক্ষতিগ্রস্ত স্পেসএক্সের শেয়ার যেভাবে কিনবেন, ঝুঁকি কী গাইবান্ধায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত ছোট ভাই, আশঙ্কাজনক বড় ভাই ময়মনসিংহে ডিসি অফিসে বিএনপির বর্তমান ও বহিষ্কৃত নেতার হাতাহাতি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র হাত ও পায়ের গঠন কেমন ছিল? ঈশ্বরদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২ চুরি, সিস্টেম লস ও ভর্তুকিতে ঘুরপাক পঞ্চগড়ে ব্যর্থ হয়ে চার দিন পর ১০ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ রামিসা হত্যা মামলার রায় যেভাবে কার্যকর হবে রৌমারী সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা
Nagad desktop

বিএনপির আপত্তি, এনসিপির শর্ত ও আইনি কাঠামোতে ঘুরপাক কমিশনের

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৫, ১০:২৯ এএম
আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৫, ১০:২৯ এএম
বিএনপির আপত্তি, এনসিপির শর্ত ও আইনি কাঠামোতে ঘুরপাক কমিশনের
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রস্তাবিত সুপারিশের খসড়া প্রায় চূড়ান্ত হলেও সনদের আইনি নিশ্চয়তা বিধান ও রাজনৈতিক সমঝোতা- দুই ক্ষেত্রেই জটিলতা কাটাতে পারছে না জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এনসিপির শর্ত, বিএনপির আপত্তি এবং সংবিধান সংস্কারের আইনি কাঠামো চূড়ান্ত না হওয়ায় চূড়ান্ত সুপারিশ এখনো সরকারের কাছে জমা দিতে পারেনি কমিশন। ফলে সনদ বাস্তবায়নের ইস্যুতে রাজনৈতিক সংকট নিরসন করতে এখনো হিমশিম খাচ্ছেন কমিশনের কর্মকর্তারা।

সনদ বাস্তবায়নের আইনি নিশ্চয়তা এবং সংবিধান সংস্কারের কাঠামো নিয়ে বিশেষজ্ঞ ও আইনবিদদের সঙ্গে বারবার বৈঠক করেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি কমিশন। বিশেষ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এখনো সনদে সই না করায় এবং গণভোটের প্রস্তাবে বিএনপির আপত্তির কারণে রাজনৈতিক সমঝোতা প্রক্রিয়া থমকে গেছে।

কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ খবরের কাগজকে জানান, জুলাই সনদের বাস্তবায়নসংক্রান্ত সুপারিশ প্রায় চূড়ান্ত। এ পর্যায়ে ভুলত্রুটি সংশোধন ও আইনি জটিলতা নিরসন করতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বসে পর্যালোচনা অব্যাহত রেখেছেন তারা। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি দু-এক দিনের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ সরকারকে দিতে পারব।’

এদিকে জুলাই সনদের আইনি স্বীকৃতি এবং শহিদ পরিবারের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্যরা। 

রবিবার (২৬ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ এলাকার এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তারা বলেন, যেসব আদর্শ ও উদ্দেশ্য সামনে রেখে তাদের সন্তানরা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। এ পরিস্থিতিতে জুলাই জাতীয় সনদের একটি আইনি ভিত্তি তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে শহিদদের আদর্শ ও অবদান রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি পায়। একই সঙ্গে অবহেলা ও হয়রানি প্রতিরোধে পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি তাদের।

রাজনৈতিক সমঝোতায় জট

জুলাই সনদে এখন পর্যন্ত ২৫টি রাজনৈতিক দল ও জোট সই করলেও এনসিপি ও সিপিবির নেতৃত্বাধীন ছয়টি বাম দল এখনো সই করেনি। তাদের মধ্যে এনসিপি এ বিষয়ে তার অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছে, সনদ বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা ছাড়া তারা স্বাক্ষর করবে না। এ বিষয়ে কমিশনের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘আমরা চাই সব দল সনদে সই করুক। কিন্তু নিশ্চয়তা প্রশ্নে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আশা করছি এনসিপিও সনদে সই করবে।’ কমিশনও স্বীকার করছে- এই নিশ্চয়তা না থাকলে আরও কিছু দল আপত্তি তুলতে পারে। বিএনপি এখনো গণভোটের সময় নিয়ে দ্বিধান্বিত। তাদের দাবি, সংবিধান সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংসদীয় প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই হওয়া উচিত। এই অবস্থায় কমিশন রাজনৈতিক সমঝোতায় নতুন পথ খুঁজছে। 

আইনি কাঠামো ও বাস্তবায়নের জটিলতা

জুলাই সনদের সংবিধানসংক্রান্ত সংস্কার প্রস্তাবগুলো আগামী সংসদ বাস্তবায়ন করবে- এমন নিশ্চয়তা বিধান কীভাবে করা যায়, তা নিয়েই কমিশনের মূল চিন্তা। কমিশনের ভাবনা ছিল, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন (সংবিধান সংস্কার) আদেশ-২০২৫’ জারি করে আগামী সংসদকে ৯ মাসের মধ্যে সংস্কার সম্পন্নের নির্দেশ দেওয়া। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন না হলে কী হবে- এ প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়।

গত বৃহস্পতিবারের বৈঠকে দুটি বিকল্প আলোচনায় আসে- ১. নির্ধারিত সময়ে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়িত না হলে সংসদ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। ২. নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন না হলে প্রস্তাবগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাস্তবায়িত বলে গণ্য হবে।

কিন্তু দুই বিকল্পেরই রয়েছে বড় সীমাবদ্ধতা। প্রথম বিকল্পে রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা সংকট তৈরি হবে, কারণ সংসদ বিলুপ্ত হলে আবার নির্বাচন আয়োজনের প্রশ্ন উঠবে- কার অধীনে হবে নির্বাচন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার না দলীয় সরকার? এতে নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে দ্বিতীয় বিকল্পটি আইনি দিক থেকে দুর্বল; কারণ সংসদীয় অনুমোদন ছাড়া কোনো সংস্কার স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর করা সংবিধানসম্মত নয়।

কমিশনের পরিকল্পনায় গণভোট ও সংস্কার পরিষদ

ঐকমত্য কমিশনের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় উঠে এসেছে, ‘জুলাই সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করার পর একটি গণভোট আয়োজনের প্রস্তাব রাখা হবে। গণভোটে গৃহীত প্রস্তাবগুলো পরবর্তী সংসদ অনুমোদন করবে। সেই সংসদ নিয়মিত আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ হিসেবে কাজ করবে। 

গতকাল সনদ বাস্তবায়নের উপায় ও পদ্ধতি সম্পর্কিত সুপারিশ নিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের কার্যালয়ে বৈঠক করেন কমিশনের সদস্যরা। বৈঠকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিশেষজ্ঞরা। বৈঠকে সনদ বাস্তবায়নসংক্রান্ত বিভিন্ন সুপারিশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়, যেখানে সাংবিধানিক ও আইনি দিকগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে প্রাপ্ত মতামতও পর্যালোচনা করা হয়। সনদ বাস্তবায়নে যাতে কোনো আইনি জটিলতার সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হয়। বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন, সংস্কার প্রক্রিয়ায় আইনি স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে সনদ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে।

বৈঠকের বিষয়ে ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ তৈরি করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়নে সরকারের দিক থেকে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপ যাতে নেওয়া যায়, সেই বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। আজ সোমবার আবারও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বসবে কমিশন। সুপারিশসংবলিত প্রস্তাব আজকালের মধ্যে সরকারের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা করছেন। অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমরা চাই জুলাই সনদ শুধু কাগজে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবে রূপ পাক। এ জন্য দরকার রাজনৈতিক ঐকমত্য ও আইনি নিশ্চয়তা।’

কমিশন সূত্র জানিয়েছে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন সুপারিশে একাধিক বিকল্প প্রস্তাব রাখা হয়েছে। কমিশন সাংবিধানিক আদেশ ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন (সংবিধান সংস্কার) আদেশ-২০২৫’ জারি এবং এরপর গণভোটের প্রস্তাব করা হয়েছে। গণভোটে গৃহীত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে পরবর্তী জাতীয় সংসদকে দ্বৈত ভূমিকা (সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও ত্রয়োদশ সংসদ) দিয়ে সনদের সংবিধানসম্পর্কিত বিষয়গুলো সংবিধানে যুক্ত করার সুপারিশ রাখা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে সংবিধান সংশোধন প্রস্তাব পাসের বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। কারণ সংবিধান সংশোধনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বাধ্যতামূলক। তবে সংবিধান সংস্কার পরিষদকে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায়, অর্থাৎ ১৫১ আসন পেলে প্রস্তাব অনুমোদন করতে পারবে- এমন সুপারিশের কথা আলোচনায় এসেছে। 

বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের আজকের বৈঠকে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে আশা করা হচ্ছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩১ অক্টোবর। তার আগেই অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে একটি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন-সুপারিশ জমা দিতে চায় কমিশন, যেটি আইনি ও রাজনৈতিক দিক থেকে গ্রহণযোগ্য হবে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১২:০৭ পিএম
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি
ছবি: খবরের কাগজ

রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের লক্ষে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা ও মাঠ প্রশাসনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যবিবরণী সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-২ শাখার উপসচিব শবনম মুস্তারী রিক্তা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালন উপলক্ষে গত ৩ মে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যবিবরণী সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার কাছে পাঠানো হয়েছে। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চিঠি অনুযায়ী, দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের লক্ষ্যে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসন পর্যন্ত ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এ উপলক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, উপজেলা প্রশাসনসহ দেশের প্রায় সব সরকারি প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

কার্যবিবরণী বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব ও সচিবদের কাছে স্মারক পাঠানো হয়েছে।

একই সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্ট গার্ড, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) এবং ঢাকা মহানগর পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, তথ্য অধিদপ্তর এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরকে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বলা হয়েছে।

জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং বিশেষ প্রকাশনার উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও কার্যবিবরণীতে নির্দেশনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মাঠ প্রশাসনের অংশ হিসেবে দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছেও কার্যবিবরণী পাঠানো হয়েছে। ফলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও দিবসটি উদযাপনের জন্য সমন্বিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দিবসটি উদযাপনের প্রস্তুতির সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়া, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, কৃষি, পরিবহন, ধর্ম, সমাজকল্যাণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, মহিলা ও শিশুবিষয়ক, প্রবাসী কল্যাণ, পরিবেশ, বাণিজ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

এতে জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন খাতভিত্তিক বিশেষ আয়োজনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এদিকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ স্কাউটস, বিএনসিসি এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদকেও কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য অবহিত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে বলে জানা গেছে। সরকারি সূত্রগুলো বলছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসকে জাতীয় পর্যায়ে মর্যাদাপূর্ণভাবে পালনের লক্ষ্যে সারা দেশে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচি আয়োজন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আলোকসজ্জা, আলোচনা সভা, দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠান এবং গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দিবসটির গুরুত্ব জনগণের কাছে তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য বলা হয়েছে। সূত্র: বাসস

অমিয়/

৯ অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১০:৫২ এএম
৯ অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস
ছবি: সংগৃহীত

দেশের ৯ অঞ্চলে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সোমবার (৮ জুন) সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। 

এসব এলাকার নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সালমান/

ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সরকারের ব্যাপক প্রস্তুতি

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:২০ এএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:৩৬ এএম
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সরকারের ব্যাপক প্রস্তুতি
ছবি: খবরের কাগজ

আসন্ন বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার রোধে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিটি করপোরেশন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে দেশব্যাপী প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে সারা দেশে সচেতনতামূলক র‌্যালি, বাউল গানের মাধ্যমে প্রচার, সপ্তাহে এক দিন পরিচ্ছন্নতা অভিযান, কমিউনিটি মিটিং, উঠান বৈঠক এবং জনসচেতনতামূলক নানা কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ‘ডেঙ্গু কর্নার’ চালু, চিকিৎসক ও নার্সদের প্রশিক্ষণ, ফিল্ড হাসপাতাল প্রস্তুত, রিএজেন্ট ও টেস্টিং কিট সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার স্যালাইনের মজুত নিশ্চিত করা হয়েছে।

মশাবাহিত এই রোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ দেশের সাতটি সিটি করপোরেশন। নিজ নিজ এলাকায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার ঝুঁকি মোকাবিলায় পৃথক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে তারা।

এবার প্রথমবারের মতো নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ‘প্রাক-বর্ষা এডিস মশার লার্ভা জরিপ’ পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। অন্যদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সুর ও সংগীতভিত্তিক ব্যতিক্রমধর্মী প্রচার কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সরকারের প্রস্তুতি সম্পর্কে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ‘ডেঙ্গু কর্নার’ স্থাপন করা হচ্ছে এবং চিকিৎসক ও নার্সদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে একটি ফিল্ড হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির প্রয়োজন হলে আরও ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য অন্তত ১০ শতাংশ শয্যা সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে চিকিৎসকদের ডেঙ্গু রোগীদের কাছ থেকে ভিজিট ফি না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ ছাড়া রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন পরীক্ষার খরচে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে সরকারের কাছে প্রায় ২ লাখ ব্যাগ খাবার স্যালাইন মজুত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় মজুত আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে গত শনিবার দেশব্যাপী সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই দিনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারা দেশে তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক অভিযানের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। রাজধানীর রবীন্দ্র সরোবর থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। কোনো বাসাবাড়ি, প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুই থেকে তিন দিন পরপর মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু মোকাবিলা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়, এটি সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। করোনাকালে যেমন সবাই একযোগে কাজ করেছে, তেমনি ডেঙ্গু প্রতিরোধেও সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণের সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ এবং সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ। উভয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।’

তিনি জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে পাঁচ দিনব্যাপী বিশেষ ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ শুরু করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ যৌথভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর আওতায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, লার্ভা নিধন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বর্জ্য অপসারণ, জনসচেতনতামূলক প্রচার এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিবিড় নজরদারি চালানো হবে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, প্রতিটি নাগরিক যদি ডেঙ্গু প্রতিরোধকে ব্যক্তিগত দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেন, তাহলে পরিস্থিতি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

তিনি জানান, জনগণকে সচেতন করতে আগামী তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করা।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজে ইমামদের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের আগাম প্রস্তুতি, সিটি করপোরেশনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে চলতি মৌসুমে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। সূত্র: বাসস

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৮ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ১২:১৯ এএম
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) এর তথ্য অনুযায়ী ভূমিকম্পের মাত্রা মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৬।

 রবিবার (৭ জুন) রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে এই ভূমিকম্প হয়। 

ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল প্রতিবেশী দেশ ভূটানের পুনাখা শহর থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে।

মাটির ৩৫ কিলোমিটার তলদেশে হওয়া এই শক্তিশালী কম্পনের ফলে ভূটান ছাড়াও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল কেঁপে ওঠে।

প্রাথমিক রিপোর্টে জানা গেছে, এই ভূমিকম্পের ফলে কম্পন অনুভূত হওয়া দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে- বাংলাদেশ, নেপাল, ভারত, ভূটান ও চীন।

মাঝরাতের এই আকস্মিক ঝাঁকুনিতে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

তবে, এই ভূমিকম্পের কারণে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।

এসএন/

নিয়মের তোয়াক্কা নেই, সড়কে বেপরোয়া ডিএসসিসির ডাম্পট্রাক

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ১০:৩৮ পিএম
নিয়মের তোয়াক্কা নেই, সড়কে বেপরোয়া ডিএসসিসির ডাম্পট্রাক
ছবি: খবরের কাগজ

রাজধানীর ব্যস্ত সড়কে ট্রাফিক আইন ও নিরাপত্তা বিধি উপেক্ষা করে চলাচল করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ডাম্পট্রাক। এতে সড়কে ঝুঁকি বাড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন পথচারী ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা।

রবিবার (৭ জুন) রাত ১০টার দিকে বাংলামোটর এলাকায় দেখা যায়, ডিএসসিসির একটি ডাম্পট্রাক নির্ধারিত লেন ও সড়ক শৃঙ্খলা না মেনে এলোমেলোভাবে চলাচল করছে। ট্রাকটির এমন বেপরোয়া চলাচলের কারণে আশপাশের যানবাহনকে সতর্ক হয়ে চলতে হয়।

সড়ক ব্যবহারকারীদের অভিযোগ, ভারী যানবাহনের এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। বিশেষ করে রাতে ডাম্পট্রাকের বেপরোয়া গতি ও নিয়ম না মানার প্রবণতা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

নগরবাসীর দাবি, সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সিটি করপোরেশনের নিজস্ব যানবাহনকেও ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে। পাশাপাশি দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। 

জয়ন্ত/রিফাত/