ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
যাদের পাশে বসলে দুঃখ কমে, শান্তি বাড়ে বাজেটের প্রস্তাবিত অর্থবিলে স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি খরচ বাড়লে বিপাকে পড়বে সাধারণ জনগণ পরিবহন খাতের বরাদ্দে বড় কাটছাঁট, কমল ৪ বিভাগেরই বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাঁশি হাতে থাকছেন ব্রাজিলের উইল্টন সাম্পাইও টেকনাফ সীমান্তে র‌্যাবের অভিযানে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক নিউ ইয়র্কে বিশেষ সম্মাননা পেলে ও অঁরিকে নোয়াখালীতে মাদকসেবীদের হামলায় যুবক নিহত, গ্রেপ্তার ১ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাজশাহীতে ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগারে শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর বই নিয়ে ছাত্রদলের আপত্তি, অপসারণের নির্দেশ ডিসির ক্যানসার ও কিডনি রোগীদের চিকিৎসার ব্যয় কমছে মুক্তিযোদ্ধাসহ যাদের ভাতা বাড়বে বলাৎকারে ব্যর্থ হয়ে মাদরাসাশিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত আনচেলত্তির জন্মদিন আর ব্রাজিলের জন্মদিন, কিছুতেই নেই নেইমার আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির জন্য ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর শেরপুরে ব্রাজিল সমর্থকদের মিলনমেলা ও আনন্দ র‍্যালি আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের ৬০ নিত্যপণ্যে করছাড় অতিরিক্ত এআই-নির্ভরতা মানবসভ্যতার জন্য বড় ঝুঁকি স্পিলবার্গের নতুন সিনেমা স্টার সিনেপ্লেক্সে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা প্রেমে পড়েছেন প্রভা! শাহরুখ খানের শুটিং সেটে সুমাইয়া শিমুর ক্যারিয়ারের শুরু দর্শকদের প্রতি শুভকামনা থাকল ‘মালিক’ নিয়ে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন আরিফিন শুভ চুয়াডাঙ্গায় অপরিচ্ছন্নতা ও অবৈধ লোগো ব্যবহারে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা হবিগঞ্জ ডিসি অফিস চত্বরে হামলার শিকার সেই সমন্বয়ক মাহাদী
Nagad desktop

‘প্রতিবন্ধী নাগরিক অধিকার সুরক্ষা প্ল্যাটফর্ম’-এর বিবৃতি

প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:৪৫ পিএম
আপডেট: ০৫ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:৫৯ পিএম
‘প্রতিবন্ধী নাগরিক অধিকার সুরক্ষা প্ল্যাটফর্ম’-এর বিবৃতি

বাংলাদেশের প্রতিবন্ধীদের অধিকার বিষয়ে ‘প্রতিবন্ধী নাগরিক অধিকার সুরক্ষা প্ল্যাটফর্ম’ বিবৃতি দিয়েছে।  

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ তার জন্মলগ্নে যে ঘোষণাপত্র তৈরি করেছিল তার তিনটি মূলনীতি হলো- সাম্য, ব্যক্তিমর্যাদা ও ন্যায়বিচার। কিন্তু স্বাধীনতার এত বছর পরেও একটি বৈষম্যহীন দেশ গঠনের স্বপ্নপূরণ হয়নি। ৭২-এর সংবিধানে অনেক কিছুর স্বীকৃতি দেওয়ার পরও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দলিলে স্বাক্ষর দেশের সংখ্যালঘু প্রান্তিক মানুষের জন্য বিশেষ কার্যক্রম ও সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এগুলোর মধ্যে সবচেয় অনুচ্চারিতটি হলো জাতিসংঘ প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার সনদ (ইউএনসিআরপিডি)। এই সনদ প্রণয়নে বাংলাদেশ অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছে। শুধু তাই নয়, পুরোনো ‘প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন ২০০১’ বাতিল করে ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩’ প্রণয়ন সরকারের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ। তাই সমাজে প্রতিবন্ধী মানুষের প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হয়ে এখন এক ইতিবাচক মনোভাব ধারণ করতে শুরু করেছে। তবে স্বীকার করতে হচ্ছে যে, এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।

প্রতিবন্ধী মানুষের মধ্যে শিক্ষার বীজ আগেই বপন হওয়ায় তারা সমাজ ও রাষ্ট্রের সব ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, সম সুযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবারের সিদ্ধান্তের বাইরে ব্যক্তিস্বত্বা ও ব্যক্তি মর্যাদার দাবি করতে থাকে। বিশেষত ইউরোপ-আমেরিকায় নাগরিক অধিকার আন্দোলনের ঢেউ এসে পড়ে প্রতিবন্ধী মানুষের মাঝে। উন্নত দেশগুলো একের পর এক ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে থাকে প্রতিবন্ধী মানুষকে ঘিরে। এরই মাঝে হাজির হয় প্রতিবন্ধী মানুষের স্লোগান ‘প্রতিবন্ধী মানুষকে ছাড়া, প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য কোনো কিছুই নয়’ (Nothing about us, without us) এই চ্যালেঞ্জের পথকে গতিশীলতা দান করে। নারীদের জন্য সিডও, শিশুদের জন্য সিআরসি গৃহীত হয় জাতিসংঘ থেকে। এমনকি সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করে প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য কোনো লক্ষ্য স্থির না করেই। ফলে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিবন্ধীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে এবং দীর্ঘ ৪ বছরের প্রক্রিয়ার পর ২০০৬ সালে আলোর মুখ দেখে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি অধিকার সনদ (ইউএনসিআরপিডি)। এই ইউএনসিআরপিডি-এর মাধ্যমে সূচনা হয় অধিকার ভিত্তিক জীবরধারার কাল, যেখানে প্রতিবন্ধী মানুষ নাগরিক ও ব্যক্তি হিসেবে সমসুযোগ ও সম-অধিকার উপভোগ করবে।

সরকারের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও পদক্ষেপ, আন্তর্জাতিক দাতাদের প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট প্রকল্প, দেশের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ইতিবাচক অংশগ্রহণ, বাণিজ্যিক সংস্থার অনুদান এবং সর্বোপরি দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সংগঠনসমূহের অক্লান্ত প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে পুরাতন জড়াকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে চলেছে।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা এ সমাজেরই অংশ। উপযুক্ত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে তাদেরকে সমাজের মূলস্রোতে অন্তর্ভুক্ত করা সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বাংলাদেশে বর্তমানে সহস্রাধিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে দীর্ঘদিন যাবৎ বেকার জীবনযাপন করছেন। তাদেরকে যথোপযুক্ত কর্মে নিয়োগ করার বিষয়ে কথা বলার জন্য প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ করতে চাইলে আজ পর্যন্ত সাক্ষাৎ সম্ভব হয়নি। এই দাবিকে সামনে রেখে বিগত ১৯ অক্টোবর ২০২৫ হতে উচ্চশিক্ষিত বেকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য চত্বরে অবস্থান করে ধারাবাহিকভাবে প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাতের নিমিত্তে তার যমুনা বাসভবনের দিকে গমনের চেষ্টা করে এবং পুলিশের নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছে। ইতোমধ্যে জানা গেছে, কয়েকজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তি পুলিশের লাঠিপেটায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত ৭৬টি সমন্বিত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষা কার্যক্রমের রিসোর্স শিক্ষক এবং হাউজপ্যারেন্ট কাম শিক্ষকের প্রায় ১৪০টি পদ এবং ৫ বিভাগে পরিচালিত ৫টি সরকারি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে শিক্ষকের প্রায় ২০টি পদ শূন্য রয়েছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জনবলের এ সব পদ শূন্য থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষাদান কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে একদিকে যেমন প্রতিবন্ধী শিশুরা উপযুক্ত শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অন্যদিকে এ সব শূন্য পদে দক্ষ জনবল নিয়োগের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় নানা চড়াই উতরাই পেরিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা বেকারত্বের কষাঘাতে নিষ্পেষিত হচ্ছে। এ কারণে যে সব পরিবারে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশু রয়েছে তারা তাদের সন্তানদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতির আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। আরও উল্লেখ্য যে, ২০১৯ সনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের লিখিত ও ভাইবা পরিক্ষায় ৪ শতাধিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও তাদেরকে চাকুরিতে নিয়োগ করা হয়নি। পরে চাকুরি প্রত্যাশীরা মামলা করেন। মামলার রায় তাদের পক্ষে আসা সন্ধে ও প্রতিবন্ধিতার কারণে তাদেরকে নিয়োগ না করে মামলার রায়ের বিরুদ্ধে সরকার আপিল করে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ সব কারণে পরিবারে যেমন প্রতিবন্ধী শিশুরা উপেক্ষিত ও অবহেলিত হচ্ছে, তেমনি উচ্চশিক্ষিত বেকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে সমাজে অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছে।

যে দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষা আইন রয়েছে, যে দেশ জাতিসংঘ প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার সনদ স্বাক্ষর করেছে, যে দেশে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে কাজ করছে, যে দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নের বিষয়টি রাষ্ট্রের একটি অগ্রাধিকার বিষয় হিসেবে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ফোরামে উল্লেখ করা হয়। সে দেশে উচ্চশিক্ষিত বেকার চাকুরি প্রত্যাশী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি এহেন অমানবিক আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তাই অনতিবিলম্বে প্রধান উপদেষ্টার নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্য পদগুলোতে উচ্চশিক্ষিত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়োগ এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদের নিয়োগের মামলার আপিল প্রত্যাহার করে জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগের কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানাচ্ছি। বাংলাদেশের প্রতিবন্ধী নাগরিকরা চূড়ান্ত হতাশার সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, প্রতিবন্ধী ভাই-বোনদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে স্তব্ধ করার জন্য ধারাবাহিকভাবে দমন-পীড়নের পথ বেছে নেওয়া হচ্ছে। বিগত সপ্তাহব্যাপী পুলিশি লাঠিচার্জ এবং বর্বরোচিত বাধা এই অমানবিক নীতির প্রমাণ।

প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকার ধারাবাহিকভাবে দূর হয়ে আসছে।

সংগঠনটি বিবৃতিতে বলে, ‘ আমরা এ বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি এই কারণে যে, দুর্বল ও সুবিধাবঞ্চিত নাগরিকদের ওপর বলপ্রয়োগের নীতিতে পূর্বের সরকারের সঙ্গে বর্তমান সরকারের কোনো মৌলিক তফাত খুঁজে পাচ্ছি না। দেশের বর্তমান সরকার প্রধান ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের নেতৃত্ব দানকারী সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আন্দোলনকারী প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা এ দেশেরই সন্তান। বিগত ১৭ বছরের বঞ্চনা ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে জুলাই ৩৬ গঠিত হয়েছে এবং তার মধ্য দিয়েও হাজার হাজার যুবক প্রতিবন্ধী হয়েছে, তাদের প্রতি এই দমন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সামাজিক সাম্য ন্যায়বিচার মৌলিক ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা সৃষ্টির লক্ষ্যে অগণিত যুবক তাদের জীবন উৎসর্গ করেছে এবং অগণিত মানুষ তাদের অঙ্গহানির কারণে প্রতিবন্ধীদের তালিকাভুক্ত হয়েছে। মনে রাখতে হবে, এই তালিকায় দেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনে কর্মরত ব্যক্তিদের সন্তানরাও রয়েছে। নিজেদের সন্তানদের ওপরে দমন-পীড়ন বন্ধ করে আলোচনায় বসুন শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করুন। বিগত এক বছরে সরকার প্রধান জনসাধারণের প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগণিত নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন, বহু জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছেন। অতএব, প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিলে রাষ্ট্রীয় কোষাগার খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আমরা প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী বিশ্বাস করি না।’

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন- অ্যাডভোকেট মোশারফ হোসেন, অ্যাডভোকেট আল আমিন, সাইদুল হক চুন্নু, জাহাঙ্গীর আলম, আশিকুর রাহমান অমিত, নাসরিন জাহান, রোজিনা বেগম, রোকেয়া বেগম ও অ্যাডভোকেট মোসলেহ উদ্দিন প্রমুখ।

সুমন/

মুক্তিযোদ্ধাসহ যাদের ভাতা বাড়বে

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম
মুক্তিযোদ্ধাসহ যাদের ভাতা বাড়বে
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা পাঁচ হাজার টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে সরকার। এছাড়া জুলাই অভ্যুত্থানে ‘শহিদ’ পরিবারের জন্য মাসিক ২০ হাজার টাকা এবং আহতদের এ, বি ও সি ক্যাটাগরিতে যথাক্রমে ২০, ১৫ ও ১০ হাজার টাকা মাসিক ভাতা দেওয়ারও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২০২৭ সালের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে এসব প্রস্তাব রাখা হয়।

বয়স্ক ভাতার উপকারভোগীর সংখ্যা এক লাখ বাড়িয়ে ৬২ লাখে এবং মাসিক ভাতার হার ৭০০ টাকায় উন্নীত করার কথাও বলা হয়েছে।

অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে, প্রতিবন্ধী ভাতার উপকারভোগীর সংখ্যা সাড়ে তিন লাখ বাড়িয়ে ৩৮ লাখে এবং মাসিক ভাতার হার এক হাজার টাকায় উন্নীত করা, এক লাখ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি/মেধাবৃত্তি প্রদান, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর দুই লাখ ২৮ হাজার ৩৯০ জনকে মাসিক ৬৫০ টাকা হারে ভাতা প্রদান; ৪৫ হাজার ৩৩৮ জন অনগ্রসর শিক্ষার্থীকে বৃত্তি/মেধাবৃত্তি দেওয়া।

এছাড়া ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, হৃদরোগে আক্রান্ত ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ৬৫ হাজার রোগীকে আর্থিক সহায়তা ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এককালীন এক লাখ টাকায় উন্নীতকরণের কথা বলা হয়েছে।

১৫ হাজার কর্মহীন শ্রমিককে মাসিক ৫ হাজার টাকা হারে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত ভাতা দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির জন্য ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৪:৫২ পিএম
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির জন্য ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
ছবি: খবরের কাগজ

দেশের ৫৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ব্যয় নির্বাহের জন্য ১২ হাজার ৩০০ কোটি ৪ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করেছে ইউজিসি। এ বাজেটে দেশের ৫৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১২ হাজার ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা এবং ইউজিসির জন্য ২৯৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মোট বাজেটের মধ্যে ৭ হাজার ৪২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা পরিচালন ব্যয় এবং ৪৩টি প্রকল্পের অনুকূলে ৪ হাজার ৫৭৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা উন্নয়ন ব্যয় হিসেবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ১৭৮তম পূর্ণ কমিশন সভায় এ বাজেট অনুমোদন করা হয়। সভার কার্যপত্র উপস্থাপন করেন ইউজিসি সচিব ড. ফখরুল ইসলাম। সভায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মূল বাজেটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ইউজিসির অর্থ ও হিসাব বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুকূলে সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ৮০২ কোটি ২১ লাখ টাকা। সে হিসাবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য বরাদ্দ বেড়েছে ১ হাজার ৪৯৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রাজস্ব বাজেট পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যার পরিমাণ ৯৪৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। 

উচ্চশিক্ষায় গবেষণা ও বৈদেশিক স্কলারশিপ খাতের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ইউজিসি’র মূল বাজেটে ২৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে গবেষণা ও বৈদেশিক স্কলারশিপ খাতে মোট ২২৯ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের বাজেটে ১৯৪ কোটি টাকা এবং ইউজিসির বাজেটে গবেষণা ও বৈদেশিক স্কলারশিপ খাতের জন্য ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। সে হিসাবে আগামী অর্থবছরে এ খাতে মোট বরাদ্দ ৯ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ইউজিসির জন্য বরাদ্দকৃত মোট বাজেটের প্রায় ৮০ শতাংশ গবেষণা ও বৈদেশিক স্কলারশিপ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো (২০২৬-২৭ থেকে ২০২৮-২৯) বিষয়ক ত্রিপক্ষীয় সভায় গবেষণা খাতে দ্বৈততা পরিহারের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের গবেষণা খাত একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের গবেষণা খাতের ২০০ কোটি টাকা কমিশনের বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে ইউজিসির গবেষণা খাতে বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে ২২৬ কোটি টাকা। এর সঙ্গে বৈদেশিক স্কলারশিপ খাতে ১২ কোটি টাকা যোগ হয়ে মোট বরাদ্দ হয়েছে ২৩৮ কোটি টাকা। 

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে পরামর্শক্রমে শিগগিরই একটি নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে গবেষণা খাতের এ বরাদ্দ আরও কার্যকরভাবে ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে সভাকে জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, গবেষণার অর্থ কেন্দ্রীয়ভাবে বরাদ্দ করা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। বরং গবেষণার সম্ভাব্য প্রভাব, গুণগত মান এবং প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় অর্থ আরও কার্যকরভাবে বণ্টনের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চাহিদার তুলনায় এ বরাদ্দ অপ্রতুল। তবুও সমাজের প্রয়োজন এবং অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতগুলো চিহ্নিত করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে অর্থ ব্যয় করা গেলে দেশের উচ্চশিক্ষা খাত উল্লেখযোগ্যভাবে উপকৃত হবে। ইউজিসির মূল লক্ষ্য দেশে গুণগত উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করা এবং গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তোলা। দেশের টেকসই উন্নয়ন ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি বিনির্মাণে মানসম্পন্ন গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম সম্প্রসারণে উৎসাহিত করতে ইউজিসি গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এ খাতে বরাদ্দ আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সভায় ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মোঃ সাইদুর রহমান, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম ও প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন; পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) নাসরীন জাহান; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন; চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. পেয়ার আহম্মেদ; খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুল আহসান; বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ডিন ক্যাটাগরি) প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী; সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ডিন (প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ) প্রফেসর ড. মোঃ নিজাম উদ্দিন এবং সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ডিন ক্যাটাগরি) প্রফেসর ডাঃ মোঃ জিয়াউর রহমান চৌধুরী; এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) আলিফ রুদাবা পূর্ণ কমিশনের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

জয়ন্ত সাহা/এসএন

বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর
ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজ থেকে

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো নতুন অর্থবছরের শুরু থেকে ‘ধাপে ধাপে’ বাস্তবায়ন করার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় তিনি এ ঘোষণা দেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘প্রায় ১১ বছর ধরে একই বেতন কাঠামোতে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন সরকারি কর্মচারীরা। ইতোমধ্যে মূল্যস্ফীতিজনিত কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো আগামী ১ জুলাই ২০২৬ হতে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার ঘোষণা দিচ্ছি।’

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে এ প্রস্তাবিত বাজেটের অনুমোদন দেওয়া হয়। 

এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অর্থ বিলে স্বাক্ষরের পর বিকেল ৩টায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্পিকারের অনুমতি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদে বাজেট বক্তৃতা শুরু করেন।

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৪:২০ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল
আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত ২৭ মে হাসপাতালে ছয় নবজাতকের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

ডা. শেখ মহিউদ্দিনের মালিকানাধীন আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সংঘটিত ওই ঘটনার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে গত ৪ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় এবং ৭ জুন বিকেল ৫টার মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেয়। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সময় বাড়ানোর আবেদন করলে ৯ জুন বিকেল ৫টা পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আদেশে বলা হয়, ৯ জুন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যে জবাব ও ব্যাখ্যা জমা দেয়, তা কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক বিবেচিত হয়নি। ফলে আইন অনুযায়ি হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশের ১২ ধারা অনুযায়ী লাইসেন্স বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে সরকারের কাছে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিষয়টি অবহিত করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, র‍্যাব সদর দপ্তর ও রমনা থানাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৭ মে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই হাসপাতালটির বিরুদ্ধে সর্বশেষ এ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হলো।

অমিয়/

আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

সংসদে বাজেট উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
সংসদে বাজেট উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রস্তাব উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রস্তাব উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে প্রস্তাবিত এই বাজেট উত্থাপন করছেন তিনি।

এর আগে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে সাথে নিয়ে সংসদ কক্ষে প্রবেশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ সময় অর্থমন্ত্রীর হাতে ছিল কালো রঙের ব্রিফকেস। এই ব্রিফকেসে রয়েছে বিএনপি সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের কাগজপত্র ও অর্থ বিল।

বিকেল ৩টার কয়েক মিনিট আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সংসদ অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় অর্থমন্ত্রীকে টেবিল চাপড়িয়ে স্বাগত জানান সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়েছে। রীতি অনুযায়ী জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের আগে মন্ত্রিপরিষদের এই বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জাতীয় বাজেটের অনুমোদন দেয়া হয়।

আমান/