ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
আবাসন বৃত্তির অর্থ পাচ্ছে জবি শিক্ষার্থীরা ‘ফাঁপা’ বাজেটে বৈষম্য বাড়বে: সিপিবি জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: ডেপুটি স্পিকার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টাইগারদের ওয়ানডে সিরিজ জয় যশোরে স্ত্রীকে বেঁধে রেখে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা ও নদী রক্ষায় ১০ হাজার কোটির বেশি টাকার মহাপরিকল্পনা আইসিটিতে লক্ষ্য জিডিপির ১০ শতাংশ, স্টার্টআপে বিশেষ গুরুত্ব ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সমর্থক বিশ্বকাপ উন্মাদনা যেন দুর্ঘটনার কারণ না হয় মূল্যস্ফীতি ও সাধারণ মানুষের বাস্তবতা প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে দুইদিন ব্যাপী ফল উৎসব দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে রাত ৯টা পর্যন্ত যাদের পাশে বসলে দুঃখ কমে, শান্তি বাড়ে বাজেটের প্রস্তাবিত অর্থবিলে স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি খরচ বাড়লে বিপাকে পড়বে সাধারণ জনগণ পরিবহন খাতের বরাদ্দে বড় কাটছাঁট, কমল ৪ বিভাগেরই বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাঁশি হাতে থাকছেন ব্রাজিলের উইল্টন সাম্পাইও টেকনাফ সীমান্তে র‌্যাবের অভিযানে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক নিউ ইয়র্কে বিশেষ সম্মাননা পেলে ও অঁরিকে নোয়াখালীতে মাদকসেবীদের হামলায় যুবক নিহত, গ্রেপ্তার ১ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাজশাহীতে ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগারে শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর বই নিয়ে ছাত্রদলের আপত্তি, অপসারণের নির্দেশ ডিসির ক্যানসার ও কিডনি রোগীদের চিকিৎসার ব্যয় কমছে মুক্তিযোদ্ধাসহ যাদের ভাতা বাড়বে বলাৎকারে ব্যর্থ হয়ে মাদরাসাশিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত আনচেলত্তির জন্মদিন আর ব্রাজিলের জন্মদিন, কিছুতেই নেই নেইমার আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির জন্য ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর
Nagad desktop

উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যুক্তরাজ্যের উন্নয়নমন্ত্রী জেনি চ্যাপম্যান

প্রকাশ: ১৩ নভেম্বর ২০২৫, ০১:২৪ পিএম
আপডেট: ১৩ নভেম্বর ২০২৫, ০১:২৭ পিএম
উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যুক্তরাজ্যের উন্নয়নমন্ত্রী জেনি চ্যাপম্যান
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিদর্শন করছেন যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়নমন্ত্রী ব্যারোনেস জেনি চ্যাপম্যান।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকালে তিনি উখিয়ার ক্যাম্প-৭ এ পৌঁছে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পরিদর্শন শুরু করেন।

সকাল সাড়ে সাতটায় ফ্লাইটে ঢাকায় থেকে কক্সবাজারে পৌঁছান জেনি চ্যাপম্যান। পরে তিনি জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে তিনি শিক্ষা, নারী উন্নয়ন, খাদ্য বিতরণ ও জীবিকা উন্নয়ন কার্যক্রম ঘুরে দেখছেন।

প্রথমেই তিনি ক্যাম্প-৭ এ অবস্থিত একটি লার্নিং সেন্টার পরিদর্শন করেন। ইউনিসেফ ও ফ্রেন্ডশিপের সহায়তায় পরিচালিত এ কেন্দ্রে রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষার পরিবেশ, পাঠদানের পদ্ধতি ও উপকরণ পর্যবেক্ষণ করেন মন্ত্রী। 

এরপর তিনি নারীবান্ধব স্থান পরিদর্শন করেন, যেখানে রোহিঙ্গা নারীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও আলোচনা করেন। নারীরা কীভাবে গৃহস্থালি বাগান, হস্তশিল্প ও ক্ষুদ্র উদ্যোগের মাধ্যমে স্বনির্ভর হচ্ছেন, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানতে চান।

নারীদের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত খাদ্য বিতরণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় খাদ্য সহায়তার প্রক্রিয়া ও উপকারভোগীদের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তিনি অবগত হন।

দুপুরে ব্যারোনেস চ্যাপম্যান মধুছড়া এলাকায় যাবেন এবং সেখানে পরিচালিত সাবান উৎপাদন ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শন করবেন। সেখানে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা এবং এলএসডিএস-এর সহায়তায় পরিচালিত এ প্রকল্পে রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ একত্রে কিভাবে কাজ করছেন তা দেখবেন।

সফরে যুক্তরাজ্যের উন্নয়নমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন- বিশেষ উপদেষ্টা অ্যামেলি গেরিকে, উপ-উচ্চকমিশনার জেমস গোল্ডম্যান, মানবিক সহায়তা দলের প্রধান এলি মুডি, মানবিক উপদেষ্টা মারিনেলা বেবোস-গলশেটি, যোগাযোগ ব্যবস্থাপক শেখ অংকন ও যোগাযোগ কর্মকর্তা সাজিদ হাসান।

দিনব্যাপী এই সফর সমন্বয় করছেন আইএসসিজি লোকাল পার্সন ও যোগাযোগ কর্মকর্তা সাইয়েদ মো. তাফহিম।

সূত্র জানায়, ব্যারোনেস চ্যাপম্যান বিকেল সাড়ে তিনটায় ঢাকায় ফিরে যাবেন। 

সফরের উদ্দেশ্য হলো রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের সহায়তায় চলমান বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যক্রম সরেজমিনে দেখা ও যুক্তরাজ্যের ভবিষ্যৎ মানবিক সহযোগিতা নিয়ে ধারণা নেওয়া।

রিদুয়ানুল হক/অমিয়/

‘ফাঁপা’ বাজেটে বৈষম্য বাড়বে: সিপিবি

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৯:২৭ পিএম
‘ফাঁপা’ বাজেটে বৈষম্য বাড়বে: সিপিবি
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘গণবিরোধী’ ও ‘ফাঁপা’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র সমালোচনা করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলছে, দেশের ইতিহাসের বৃহত্তম ৯ লক্ষ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেটে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো কিংবা কর্মসংস্থান সৃষ্টির কোনো আশাবাদ নেই; উল্টো এই বাজেট বৈষম্যকে আরও তীব্র করবে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতার পরপরই এক বিবৃতিতে দলটির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন এই প্রতিক্রিয়া জানান।

সিপিবি নেতারা বলেন, প্রায় সাড়ে ৯ লাখ কোটি টাকার এই বিশাল বাজেটের বড় একটি অংশ ব্যয় হবে শুধু ঋণের সুদ পরিশোধেই; যার পরিমাণ ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা। অথচ ঘাটতি মেটাতে সরকার নতুন করে আড়াই লাখ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। বাজেটের এই অসারতাই প্রমাণ করে যে, এটি কেবল উচ্চাকাঙ্ক্ষী সংখ্যার খেলা, যার সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাজেটে কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। সরকার বড় অঙ্কের বাজেট দেখিয়ে অর্থনীতির বাস্তব দুরবস্থা ও মানুষের কষ্ট থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা করছে। ২০১০-১১ অর্থবছরে বাজেটের আকার জিডিপির ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ থাকলেও এবার তা কমে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশে নেমেছে। অর্থাৎ, বাজেট বড় দেখালেও রাষ্ট্রের আর্থিক সক্ষমতা আসলে বাড়েনি, বরং হ্রাস পেয়েছে।

সিপিবি নেতাদের অভিযোগ, আইএমএফ-এর শর্তে বন্দি সরকার করের জাল এমনভাবে বিস্তৃত করছে, যাতে কৃষক, শ্রমিক, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত এবং ছোট ব্যবসায়ীরা নিষ্পেষিত হবে। অন্যদিকে, বড় ব্যবসায়ী ও আমদানিকারক গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তায় বরাদ্দের সমালোচনা না করলেও সরকারের বাস্তবায়নের সক্ষমতা নিয়ে গুরুতর সংশয় প্রকাশ করেছে দলটি। 

জয়ন্ত সাহা/এসএন

জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: ডেপুটি স্পিকার

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৯:১৩ পিএম
জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: ডেপুটি স্পিকার
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। ছবি: সংগৃহীত

জুন মাসের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন সফরে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

বৃহস্পতিবার(১১ জুন) চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে অনুষ্ঠিত ৭ম চায়না-সাউথ এশিয়া কোঅপারেশন ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, সরকার গঠনের পর দ্বিতীয় রাষ্ট্রীয় সফরের গন্তব্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী চীনকে বেছে নিয়েছেন। এই সফর বাংলাদেশ ও চীনের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং দুই দেশের সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বক্তব্যে তিনি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালের চীন সফরের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের দৃঢ় ভিত্তি তার হাত ধরেই প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ১৯৯১ ও ২০০২ সালের চীন সফর দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করে।

ডেপুটি স্পিকার দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) কার্যকর করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, জ্বালানি সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, ঋণের চাপ ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের অস্থিরতার মতো চ্যালেঞ্জ কোনো একক দেশের পক্ষে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এ জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সংলাপ জোরদার করা প্রয়োজন।

ফোরামের ফাঁকে বাংলাদেশের সংসদীয় প্রতিনিধি দল চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ইউনান প্রদেশের কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চল, পর্যটন, তিস্তা ব্যারেজ নির্মাণ এবং চামড়া শিল্পের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

চীনা নেতারা বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে সম্ভাব্য সব ক্ষেত্রে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় ডেপুটি স্পিকার চীনা প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালে তারা তা সাদরে গ্রহণ করেন।

এর আগে ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বাধীন সংসদীয় প্রতিনিধি দল ১০ম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোজিশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। এবারের মেলায় থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশের ৮৪টি প্যাভিলিয়ন অংশগ্রহণ করছে।

এলিস/এসএন

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা ও নদী রক্ষায় ১০ হাজার কোটির বেশি টাকার মহাপরিকল্পনা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৮:৩০ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৯ পিএম
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা ও নদী রক্ষায় ১০ হাজার কোটির বেশি টাকার মহাপরিকল্পনা
ছবি: সংগৃহীত

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকার এক বিশাল কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। টেকসই ও পরিবেশ-সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য বিপুল পরিমাণ বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সরকারের এই বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে দেশকে রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় সরকার সবুজ বিপ্লব গড়ার অঙ্গীকার করেছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে, যার মাধ্যমে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। 

এছাড়া উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বনের ৫০ শতাংশকে কার্বন ট্রেডিংয়ের আওতায় আনা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বৃত্তাকার ভবিষ্যৎ মডেল বাস্তবায়ন করা হবে। বায়ুর মান নিয়মিত পর্যবেক্ষণে ১৫টি এবং ১৬টি বিশেষ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যানবাহন দূষণ নিয়ন্ত্রণে আধুনিক যানবাহন পরিদর্শন কেন্দ্র স্থাপন এবং বৈদ্যুতিক বাস সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি হ্রাস, পুনঃব্যবহার ও পুনর্ব্যবহার- এই তিন নীতির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে প্লাস্টিক বর্জ্য ৩০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য আগামী অর্থবছরে ১০ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই খাতের প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩০৯ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ, পুনর্নির্মাণ ও মেরামত। এছাড়া দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তনের লক্ষ্যে একনেক অনুমোদিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প এবং উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১০ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। টেকসই দুর্যোগ মোকাবিলায় নেওয়া অন্যান্য পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি বা ইজিপিপি-এর আওতায় প্রায় ২০ লাখ গ্রামীণ শ্রমিকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। এছাড়া ভূমিকম্প ও অন্যান্য দুর্যোগ মোকাবিলায় ৫২১ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম এবং ১১টি আকাশপথে উদ্ধারকারী মই ক্রয় করা হবে। একইসঙ্গে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির আওতায় শতভাগ বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

সরকার বলছে, নদীগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় শুরুর মাধ্যমে একটি পরিবেশ-বান্ধব ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।

জয়ন্ত সাহা/এসএন

দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে রাত ৯টা পর্যন্ত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:১৩ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম
দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে রাত ৯টা পর্যন্ত
ছবি: খবরের কাগজ

শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট খোলা রাখার সময় নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

আগের নির্দেশনা শিথিল করে শুক্রবার (১২ জুন) থেকে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বার্তায় বলা হয়, গত ১ জুন থেকে বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকানগুলো রাত ১০টার পরিবর্তে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত বলবৎ ছিল।

শুক্রবার থেকে বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকানগুলো বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই সময়সীমা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান এবং অনুষ্ঠিতব্য মেলা/বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

তবে খাবারের দোকান, হাসপাতাল, ওষুধের দোকান ইত্যাদি-এর আওতা বহির্ভূত থাকবে।

এমতাবস্থায়, বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকানগুলো রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখা, সব বিলবোর্ডের বাতি আবশ্যিকভাবে রাত ৯টার মধ্যে বন্ধ করা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান/অনুষ্ঠিতব্য মেলা/বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রাত ৯টার মধ্যে বন্ধ করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

এসএন/

মুক্তিযোদ্ধাসহ যাদের ভাতা বাড়বে

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম
মুক্তিযোদ্ধাসহ যাদের ভাতা বাড়বে
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা পাঁচ হাজার টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে সরকার। এছাড়া জুলাই অভ্যুত্থানে ‘শহিদ’ পরিবারের জন্য মাসিক ২০ হাজার টাকা এবং আহতদের এ, বি ও সি ক্যাটাগরিতে যথাক্রমে ২০, ১৫ ও ১০ হাজার টাকা মাসিক ভাতা দেওয়ারও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২০২৭ সালের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে এসব প্রস্তাব রাখা হয়।

বয়স্ক ভাতার উপকারভোগীর সংখ্যা এক লাখ বাড়িয়ে ৬২ লাখে এবং মাসিক ভাতার হার ৭০০ টাকায় উন্নীত করার কথাও বলা হয়েছে।

অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে, প্রতিবন্ধী ভাতার উপকারভোগীর সংখ্যা সাড়ে তিন লাখ বাড়িয়ে ৩৮ লাখে এবং মাসিক ভাতার হার এক হাজার টাকায় উন্নীত করা, এক লাখ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি/মেধাবৃত্তি প্রদান, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর দুই লাখ ২৮ হাজার ৩৯০ জনকে মাসিক ৬৫০ টাকা হারে ভাতা প্রদান; ৪৫ হাজার ৩৩৮ জন অনগ্রসর শিক্ষার্থীকে বৃত্তি/মেধাবৃত্তি দেওয়া।

এছাড়া ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, হৃদরোগে আক্রান্ত ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ৬৫ হাজার রোগীকে আর্থিক সহায়তা ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এককালীন এক লাখ টাকায় উন্নীতকরণের কথা বলা হয়েছে।

১৫ হাজার কর্মহীন শ্রমিককে মাসিক ৫ হাজার টাকা হারে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত ভাতা দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে।