উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার মধ্যে তারা প্রধান উপদেষ্টার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, বিকেল ৫টা নাগাদ তারা প্রধান উপদেষ্টার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে তাদের পদত্যাগপত্র কার্যকর হবে।
শফিকুল আলম জানান, প্রধান উপদেষ্টা তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের মঙ্গল কামনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে তোমরা যেভাবে জাতিকে ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্তির পথে অবদান রেখেছ, তা জাতি মনে রাখবে। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতেও গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও বিকাশে তোমরা একইভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আজ একটি ঐতিহাসিক দিন। অন্তর্বর্তী সরকার সব সময় তোমাদের অবদান স্মরণ করবে। আমি তোমাদের সুন্দর ও শুভ ভবিষ্যৎ কামনা করি। এত অল্প সময়ে তোমরা জাতিকে যা দিয়েছ, তা জাতি কখনো ভুলবে না। এটি একটি রূপান্তরমাত্র। আমি আশা করি, আগামীতে বৃহত্তর পরিমণ্ডলে তোমরা আরও বড় অবদান রাখবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারে থেকে যে অভিজ্ঞতা তোমরা অর্জন করেছ, তা ভবিষ্যৎ জীবনে অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে।’
আসিফ মাহমুদ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন। অন্যদিকে, মাহফুজ আলম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন।
গত বছরের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সময় উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি প্রথমে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। পরে শ্রম মন্ত্রণালয় বাদ দিয়ে তাকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সময় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, মাহফুজ আলম প্রথমে উপদেষ্টার মর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হন। পরে নাহিদ ইসলাম তথ্য উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক হন। এরপর ওই মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হন মাহফুজ আলম।
এসজি/