ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কিয়ামতের ময়দানে রাসুল (সা.)-এর পাশে থাকার উপায় সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবি যশোর জেলার দর্শনীয় ও ভ্রমণযোগ্য স্থান সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিসিবির পরিচালক তামিম ইকবাল রামুতে ছেলের গুলিতে বাবার মৃত্যু পঞ্চগড়ে পুকুরে ডুবে দুই মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশ্বের এই বৃহত্তম যৌথ পরিবারে দৈনিক লাগে ৯০ কেজি চাল প্রতিশ্রুতি প্রদানে মন্ত্রী-এমপিদের দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দিলেন স্পিকার ঝিনাইদহে তেলবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ৯ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক গানে আর ফিরবেন না রিংকু ওয়েমোর চালকহীন নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’ শাড়ির নিচে লুকিয়েও রক্ষা পেলেন না তৃণমূল নেতা কুষ্টিয়ায় ধর্ষককে গণধোলাই নোয়াখালীতে জেলি মিশ্রিত চিংড়ি ধ্বংস, লাখ টাকা জরিমানা টেসলার রোবোট্যাক্সি সেবায় ধীরগতি সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ এবং শত্রু-মিত্র খেলা এ যেন মাঠ ভরাট নয়, সম্প্রীতির উৎসব শেরপুরে প্রাইভেটকারে মদ, কারবারি আটক টেকনাফে সিএনজি-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষ, দুই এসআইসহ আহত ৪ নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী উদযাপন মজুরি বাড়াতে দৌলতপুরে বিড়ি শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু রোগীর বেশে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, রামুতে তিন নারী আটক ৬ নবজাতকের প্রত্যেক পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ এমপির মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব কিছু মানুষের কারণে কেন অপমানিত হবে ১৮ কোটি বাংলাদেশি? ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়ার রিটে যা নির্দেশ দিল হাইকোর্ট মনোযোগ বাড়াতে চাইলে কী খেতে হবে রাঙামাটিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ৬ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি
Nagad desktop

নতুন সড়ক নির্মাণের চেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী রক্ষা জরুরি: রিজওয়ানা হাসান

প্রকাশ: ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৫২ পিএম
আপডেট: ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:০৬ পিএম
নতুন সড়ক নির্মাণের চেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী রক্ষা জরুরি: রিজওয়ানা হাসান
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। ছবি: খবরের কাগজ

নতুন সড়ক নির্মাণের চেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী রক্ষায় বিনিয়োগ অর্থনৈতিকভাবে অনেক বেশি ফলপ্রসূ বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন ও পানি সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
 
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের জাতীয় জলবায়ু অর্থায়ন কৌশল প্রণয়ণ’ শীর্ষক পরামর্শ কর্মশালার প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালায় সরকারি উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী এবং জলবায়ু অর্থায়ন বিশেষজ্ঞরাও অংশ নেন।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘নদীভাঙন এলাকা, লবণাক্ত অঞ্চল এবং খরাপ্রবণ এলাকা থেকে শত শত আবেদন আসে, কিন্তু অল্প কিছু সমর্থন সম্ভব হয়। জলবায়ু অর্থায়ন সংস্কারে স্থানীয় জনগণের চাহিদা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও স্বচ্ছতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেন।’ 

তিনি বলেন, ‘দ্রুত তহবিল বিতরণ, সঠিক পরিকল্পনা, আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী সুরক্ষায় সক্ষম তহবিল কাঠামোই এখন জরুরি। জলবায়ু বাজেটের আকারও হতাশা জনক। দেশীয় পরিস্থিতিতে তিনি অসম বাজেট বরাদ্দের বিষয়টিও তুলে ধরেন।’  

তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সর্বনিম্ন বাজেট বরাদ্দ পায়, অথচ বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়। অভিযোজন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং স্থানীয় পর্যায়ের স্থিতিস্থাপকতা পর্যাপ্ত অর্থায়ন পায় না।’

তিনি বলেন, ‘অপ্রাসঙ্গিক খাতে, বিশেষ করে প্রতিরক্ষা খরচকে জলবায়ু অর্থায়ন হিসেবে দেখানো হলে দায়বদ্ধতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন হয়। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও কার্যকর জাতীয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকার বিষয়েও তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।’

তিনি বলেন, ‘শুধু অর্থ দিলেই হবে না, সংস্থাগুলোর পরিকল্পনাগত দক্ষতা, কর্মী সক্ষমতা এবং দ্রুত বাস্তবায়ন ব্যবস্থা থাকতে হবে। সচেতনতামূলক সামগ্রী প্রকাশ করতেও দীর্ঘ সময় লেগে যায়। প্রক্রিয়াই যদি লক্ষ্য হয়ে যায়, তবে ফলাফল ক্ষতিগ্রস্ত হবেই।’
তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়কে প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। কয়েকটি দেশ প্রতিশ্রুতি পালন করলেও অনেকে জলবায়ু আলোচনাকে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। 

রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি মূলত নতুন ও অতিরিক্ত সহায়তার নীতির ভিত্তিতে গঠিত হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রতিশ্রুতি শিথিল হয়েছে। জলবায়ু সংকটে দায়ী অনেক উন্নত দেশ এখনও বৈজ্ঞানিক সত্য অস্বীকার করে। এই অস্বীকার জলবায়ু অর্থায়নকে জটিল ও অন্যায্য করে তোলে। নতুন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর প্রসঙ্গে তিনি বাংলাদেশ জলবায়ু উন্নয়ন অংশীদারত্বের (বিসিডিপি) কথাও বলেন।’ 

তিনি বলেন, ‘বিসিডিপিকে কেন্দ্রীয় সমন্বয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। দেশীয় অর্থায়ন, আন্তর্জাতিক অর্থায়ন, প্রকল্প উন্নয়ন এবং তদারকি, এই চার ওয়ার্কিং গ্রুপের মধ্য দিয়ে কৌশলগত দিকনির্দেশনা তৈরি হওয়া উচিত। 

তিনি জানান, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডে প্রবেশাধিকার প্রক্রিয়া পুনর্গঠিত হয়েছে। এখন বেসরকারি সংস্থাগুলো প্রাসঙ্গিক মন্ত্রণালয় বা দপ্তরের সঙ্গে যৌথভাবে আবেদন করতে পারবে। এতে একদিকে সরকারি সংস্থা মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা পাবে, অন্যদিকে নাগরিক সমাজ সিদ্ধান্ত গ্রহণে অর্থবহ ভূমিকা রাখতে পারবে। 

সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে অনুষ্ঠিত ফ্রেন্ডস অব দ্য আর্থ ইন্টারন্যাশনালের দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায়ও প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ উপদেষ্টা। 

ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘বন সংরক্ষণে দুটি যুগান্তকারী আইন ইতোমধ্যে পাস হয়েছে। এসব আইন প্রাকৃতিক বনে নতুন করে হস্তক্ষেপ নিষিদ্ধ করেছে এবং বন নির্ভর জনগোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দিয়েছে। শিগগিরই জলাভূমি সংরক্ষণ আইনও পাস হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বর্তমান বাস্তবতার দিকে ইঙ্গিত করে উপদেষ্টা বলেন, ‘সভাস্থল সাভারকে ইতোমধ্যে পরিবেশগতভাবে অক্ষয়িত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।’ 

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বহু বছর ধরে বায়ুদূষণে শীর্ষে রয়েছে। এটি এক বছরে বদলানো সম্ভব নয়, তবে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ শুরু হয়েছে৷ এ ধরনের অবনমিত অঞ্চলগুলো চিহ্নিত করে পুনর্বাসনের কার্যক্রম নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘এলাকায় দূষণকারী ইটভাটা ও অন্যান্য ইউনিট আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে স্থানান্তর করা হচ্ছে। শ্রমিকরা কর্মহীন হবেন না, তারা নতুন নির্ধারিত স্থানে কৃষি-সম্পৃক্ত কাজে যুক্ত হবেন।’

১১ দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ৬২ দেশের ৮৫ জন প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।

একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়া এখন কঠিন
মানবাধিকার দিবস ২০২৫ উপলক্ষ্যে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত “সবার জন্য ন্যায়বিচার ও অধিকার নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের অঙ্গীকার” শীর্ষক অনুষ্ঠানেও যোগ দিয়েছিলেন উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান।

তিনি বলেন, ‘আমরা পুলিশের ক্ষেত্রে কিছু কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে পেরেছি। বন ও পরিবেশ অধিকার রক্ষাতেও অগ্রগতি হয়েছে। ভবিষ্যতের নেতৃত্ব দেশকে কীভাবে পরিচালনা করবে তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করবে। তবে অন্তত মত প্রকাশের যে পরিসর তৈরি হয়েছে, তাতে একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়া আগের মতো সহজ থাকবে না। এখন বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও আইনি কাঠামোতে সংস্কার চলছে। তবে বাস্তব পরিবর্তন আনতে সময়, ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।’

তিনি বলেন, ‘একটি অর্থবহ নির্বাচন এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে। আমরা বিশ্বাস করি সমাজের সব স্তরের মানুষ এতে অংশ নেবেন।’

জয়ন্ত/নাঈম

সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবি

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম
সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবি
ছবি: সংগৃহীত

সরকারের প্রথম ১০০ দিনে দেশে হত্যা-অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধ উদ্বেগজনক হারে ঘটেছে বলে দাবি করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এ সময়ে দেশে ৬০৫টি খুন এবং ১৯৬টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

রবিবার (৭ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে দেওয়া পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মার্চ ও এপ্রিল মাসে মোট ৬০৫টি খুন, ২৯৪টি ছিনতাই, ৯০টি ডাকাতি এবং ১৯৬টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে ১২৯টি এবং চুরির ঘটনা ঘটেছে ২ হাজার ২১৪টি। এ ছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ছিল ৩ হাজার ৪৯৬টি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আলোচিত সময়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৭৮ থেকে ১০২ জন, গণধর্ষণের শিকার ৩০ থেকে ৩৬ জন এবং ধর্ষণের শিকার শিশু ৪৯ থেকে ৭১ জন।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বর্তমান সরকারের ১০০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটা নাজুক ছিল। খুন, ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন, লুটপাট ও অরাজকতার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসএন/

প্রতিশ্রুতি প্রদানে মন্ত্রী-এমপিদের দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দিলেন স্পিকার

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম
প্রতিশ্রুতি প্রদানে মন্ত্রী-এমপিদের দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দিলেন স্পিকার
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেছেন, সংসদে কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো যথাযথভাবে পর্যালোচনা ও যাচাই-বাছাই করে নেওয়া প্রয়োজন, যাতে পরে তা বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি না হয়।

রবিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ সংক্রান্ত এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবকে কেন্দ্র করে স্পিকার এ মন্তব্য করেন।

অধিবেশনে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহামুদের দেওয়া পূর্বের একটি প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মন্ত্রী সংসদে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, পহেলা মে’র মধ্যে আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হওয়ার এক মাসেরও বেশি সময় অতিবাহিত হলেও এখনো সেখানে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়নি। এ অবস্থায় কবে নাগাদ কারখানাটি গ্যাস পাবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানতে চান তিনি।

জবাবে মন্ত্রী দেশে বিদ্যমান গ্যাস সংকটের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, সীমিত গ্যাস সরবরাহের কারণে বর্তমানে সার কারখানার চেয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হচ্ছে। ফলে আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আরও জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্রে খনন কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি। বর্তমান সরকার নতুন করে ড্রিলিং শুরু করেছে এবং নতুন গ্যাস পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট শিল্পকারখানায় সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

মন্ত্রীর বক্তব্যের পর স্পিকার তাকে সংসদে দেওয়া আগের প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, সংসদে বলা হয়েছিল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি।

স্পিকার আরও বলেন, সংসদে দেওয়া প্রতিশ্রুতি জনগণের কাছেও একটি অঙ্গীকার হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই ভবিষ্যতে ড্রিলিংসহ সব ধরনের আনুষঙ্গিক বিষয় বিবেচনা করে এবং বাস্তব পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেই মন্ত্রী-এমপিদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া উচিত।

এলিস/এসএন

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৮৭ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। 

রবিবার (৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে শুধু ঢাকা বিভাগেই চারজনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে হামের উপসর্গে চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগে একজন করে মোট তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে রবিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৬২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ ছাড়াও, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৬ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার ২২১ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে রবিবার পর্যন্ত মোট ৭৯ হাজার ১২ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ৯ হাজার ৬৮৬ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে রবিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৬৪ হাজার ২৬৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৬০ হাজার ৮৪ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

রিফাত/

৬ নবজাতকের প্রত্যেক পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
৬ নবজাতকের প্রত্যেক পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় প্রত্যেক শিশুর পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) ভুক্তভোগী পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, আগের ঘোষিত সুযোগ-সুবিধাগুলি বহাল থাকবে। এর সঙ্গে প্রত্যেক শিশুর পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেওয়ার যৌথ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এর আগে শনিবার রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে মারা যাওয়া নবজাতকদের পরিবারকে আজীবন বিনা মূল্যে চিকিৎসাসহ ক্ষতিপূরণ, শিক্ষাসহায়তা এবং চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দীর্ঘমেয়াদে থাকার এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

এসএন/

তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ এমপির মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ এমপির মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব
ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ভোলা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ জন সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, হুইপ ও সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে জাতীয় সংসদে শোকপ্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের (২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন) প্রথম দিনের কার্যক্রম শুরু হলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) শোকপ্রস্তাব উত্থাপন করেন। এ সময় প্রয়াত সংসদ সদস্যদের কর্মময় জীবন, দেশের রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ এবং জনকল্যাণে তাদের অবদানের কথা স্মরণ করা হয়।

শোকপ্রস্তাবে যাদের স্মরণ করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন- জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. কায়সার, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক এম এ মান্নান, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য জি এম ফজলুল হক, মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম আনোয়ারুল হক, সাবেক টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ এবং সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সামসুদ্দোহা।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান শামসুল আবেদীন, জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক উপমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলন, ময়মনসিংহ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোসলেম উদ্দিন, চট্টগ্রাম-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা এবং ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. দবিরুল ইসলামকে স্মরণ করা হয়।

শোকপ্রস্তাবে আরও অন্তর্ভুক্ত করা হয় ভোলা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বর্ষীয়ান রাজনীতিক বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ, মৌলভীবাজার-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মতিন এবং ঢাকা-১১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম রহমত উল্লাহর নাম।

শোকপ্রস্তাব উত্থাপনের পর প্রয়াতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং তাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সংসদে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর অধিবেশনের অন্যান্য কার্যক্রম শুরু হয়।

এলিস/সালমান/