ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
জন্মদিনে এল লাকী আখান্দের অপ্রকাশিত গান নূরজাহান ট্র্যাজেডির সমাজতাত্ত্বিক পাঠ কিয়ামতের ময়দানে রাসুল (সা.)-এর পাশে থাকার উপায় সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবি যশোর জেলার দর্শনীয় ও ভ্রমণযোগ্য স্থান সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিসিবির পরিচালক তামিম ইকবাল রামুতে ছেলের গুলিতে বাবার মৃত্যু পঞ্চগড়ে পুকুরে ডুবে দুই মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশ্বের এই বৃহত্তম যৌথ পরিবারে দৈনিক লাগে ৯০ কেজি চাল প্রতিশ্রুতি প্রদানে মন্ত্রী-এমপিদের দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দিলেন স্পিকার ঝিনাইদহে তেলবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ৯ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক গানে আর ফিরবেন না রিংকু ওয়েমোর চালকহীন নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’ শাড়ির নিচে লুকিয়েও রক্ষা পেলেন না তৃণমূল নেতা কুষ্টিয়ায় ধর্ষককে গণধোলাই নোয়াখালীতে জেলি মিশ্রিত চিংড়ি ধ্বংস, লাখ টাকা জরিমানা টেসলার রোবোট্যাক্সি সেবায় ধীরগতি সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ এবং শত্রু-মিত্র খেলা এ যেন মাঠ ভরাট নয়, সম্প্রীতির উৎসব শেরপুরে প্রাইভেটকারে মদ, কারবারি আটক টেকনাফে সিএনজি-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষ, দুই এসআইসহ আহত ৪ নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী উদযাপন মজুরি বাড়াতে দৌলতপুরে বিড়ি শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু রোগীর বেশে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, রামুতে তিন নারী আটক ৬ নবজাতকের প্রত্যেক পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ এমপির মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব কিছু মানুষের কারণে কেন অপমানিত হবে ১৮ কোটি বাংলাদেশি? ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়ার রিটে যা নির্দেশ দিল হাইকোর্ট
Nagad desktop

ফরিদপুরের ৪ আসনের ১৫৪টি কেন্দ্র ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’

প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫৫ এএম
আপডেট: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫৯ এএম
ফরিদপুরের ৪ আসনের ১৫৪টি কেন্দ্র ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ফরিদপুরের ৪ আসনে ততই নির্বাচনের উত্তাপ বেড়ে চলেছে। এর মধ্যে পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে বলা হয়েছে, জেলার ৪টি আসনের ১৫৪টি কেন্দ্র অতি গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন থেকে বলা হয়েছে, ফরিদপুরের ৬৭টি কেন্দ্র অতি গুরুত্বপূর্ণ। এসব অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলো নিয়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে। তবে নির্বাচন কমিশন এবং পুলিশ প্রশাসন কেউই এগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র বলতে নারাজ। তারা বলছে, ভোটকেন্দ্রগুলো বিভিন্ন কারণে অতি গুরুত্বপূর্ণ, তবে ঝুঁকিপূর্ণ নয়। 

পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, যেসব কেন্দ্রকে বিভিন্নভাবে নজরে রাখা হয়েছে সেগুলোর অবস্থান থানা থেকে অনেক দূরে, চরাঞ্চলে এদের অবস্থান। কেন্দ্রে যেতে যাতায়াত সমস্যা রয়েছে। সেসব কেন্দ্রের বিদ্যুৎব্যবস্থা ভালো নয়। পারিপার্শ্বিকতার বিবেচনায় এসব ভোটকেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে। 

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৯টি উপজেলায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৬৫৭টি। সদর উপজেলায় ১৫৪টি, বোয়ালমারীতে ৭৮টি, মধুখালীতে ৭৯টি, আলফাডাঙ্গায় ৪০টি, সালথায় ৫২টি, নগরকান্দায় ৬৫টি, ভাঙ্গায় ৯৯টি, সদরপুরে ৬৮টি ও চরভদ্রাসনে ২২টি কেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে জেলা নির্বাচন অফিসের তালিকা অনুযায়ী অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৬৭টি।

তবে জেলা পুলিশ বলছে, তারা ফরিদপুর জেলার ৬৫৭টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৫৪টি ভোটকেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্রের বিষয়ে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. শামছুল আজম মোবাইল ফোনে খবরের কাগজকে বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের ৪ আসনে নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের বিষয়ে পুলিশ কাজ করছে। এসব ভোটকেন্দ্রকে বিভিন্ন দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। হয়েছে। থানা থেকে ভোটকেন্দ্রের দূরত্ব, চরাঞ্চল, যাতায়াত সমস্যা, বিদ্যুৎ না থাকা, পারিপার্শ্বিক ঝুঁকির বিষয়কে পুলিশ গুরুত্ব দিচ্ছে। এসব কারণে ওই ভোটকেন্দ্রগুলোকে অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।’ 

এ নিয়ে ফরিদপুরের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তারেক আহমেদ মোবাইল ফোনে খবরের কাগজকে বলেন, ‘আমাদের বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ কোনো কেন্দ্র নেই। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা করে পুলিশ। তবে চারটি নির্বাচনি আসনের মধ্যে ৬৭টি ভোটকেন্দ্র অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে চরাঞ্চলে রয়েছে ২৪টি ভোট কেন্দ্র। ওই কেন্দ্রগুলোর যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো নয়। কেন্দ্রগুলোতে বিদ্যুৎ নেই। থানা থেকে তাদের অবস্থানও অনেক দূরে। এসব কারণে ওই কেন্দ্রগুলোকে অতি গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।’ 

এদিকে ফরিদপুরের ৪টি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুটিতে ভোটার বেড়েছে, দুটিতে কমেছে। হিসাব মতে দুটি আসনে ভোটার ৯ হাজার ৯১৮ জন বাড়লেও বাকি দুটিতে কমেছে ২৯ হাজার ১৬৪ জন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফরিদপুর-১ আসনে আগের চেয়ে নতুন ভোটার বেড়েছে ৫ হাজার ৯১৯ জন। ফরিদপুর-২ আসনে ভোটার কমেছে ৪ হাজার ৮৭৫ জন। ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনে এবার ভোটার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি কমেছে। এ আসনে ভোটার কমেছে ৩৪ হাজার ২০৭ জন। ফরিদপুর-৪ আসনে হালনাগাদে ভোটার বেড়েছে ৩ হাজার ৯৯৯ জন। সে অনুযায়ী খসড়া তালিকা থেকে হালনাগাদ তালিকায় ভোটার কমেছে ২৯ হাজার ১৬৪ জন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে নির্বাচন কমিশন হালনাগাদ এ ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে। এর আগে ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি শুরু করা হয়। সেই তালিকা অনুযায়ী জেলার চারটি নির্বাচনি আসনে বর্তমানে ভোটার সংখ্যা ১৭ লাখ ৬৯ হাজার ৭৭৭ জন। এর মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা ৮ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৯ জন আর পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৯ লাখ ২ হাজার ৪২০ জন। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ রয়েছেন ৮ জন।

এদিকে ২০২২ সালের আদমশুমারির তথ্যমতে, জেলার জনসংখ্যা ২১ লাখ ৬৫ হাজার ২৯০ জন। সর্বশেষ এই আদমশুমারি অনুযায়ী জেলায় নারীর সংখ্যা ১১ লাখ ১৪ হাজার ৯১৩ (যদিও সনদে লেখা আছে ১১ লাখ ১২ হাজার ৩৭৭ জন) আর পুরুষ ১০ লাখ ৫০ হাজার ৩৭৭ জন। 

ফরিদপুর-১
মধুখালী, বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত। আয়তন ৬৩০ দশমিক ৪৫ বর্গকিলোমিটার। এ আসনে মোট জনসংখ্যা ৬ লাখ ১৯ হাজার ৭৭৮ জন। হালনাগাদ ভোটার তালিকায় ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৫ লাখ ১০ হাজার ৩৮০ জন। এর মধ্যে নারী ২ লাখ ৫০ হাজার ৯৩০ জন, পুরুষ ২ লাখ ৫৯ হাজার ৪৪৯ জন আর তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ ১ জন। এবার এ আসনে নতুন ভোটার সংখ্যা বেড়েছে ৫ হাজার ৯১৯ জন।

ফরিদপুর-২
নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা নিয়ে গঠিত। এর আয়তন ৩৭৮ দশমিক ৪ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ৪ লাখ ৯ হাজার ১৩৯ জন। এর মধ্যে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪২ হাজার ৪১ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৯০৯ ও নারী ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৩২ জন। খসড়া ভোটার তালিকায় এ আসনে ভোটার কমেছে ৪ হাজার ৮৭৫ জন।

ফরিদপুর-৩
আসনটি ৪০৩ দশমিক ৩৪ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। এখানে জনসংখ্যা ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৬২১ জন। হালনাগাদ ভোটার তালিকায় ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৩০ হাজার ৬২৭ জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৫ হাজার ৪১২ ও নারী ২ লাখ ১৫ হাজার ২১০ জন। খসড়া ভোটার তালিকায় এ আসনে মোট ভোটার ছিল ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৮৩৪ জন। এবার এ আসনে ভোটার কমেছে ৩৪ হাজার ২০৭ জন। এ আসনে তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৫ জন।

ফরিদপুর-৪
ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনের আয়তন ৬৩১ দশমিক ২৪৯ বর্গকিলোমিটার। এখানে জনসংখ্যা ৫ লাখ ৬৬ হাজার ২৭১ জন। হালনাগাদ তালিকায় নতুনভাবে যুক্ত অনুযায়ী আলগী, হামিরদী ইউনিয়নসহ ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৬ হাজার ৭২৯ জন। খসড়া তালিকায় এ আসনে ভোটার ছিল ৪ লাখ ৯২ হাজার ৭৩০ জন। হালনাগাদে ৩ হাজার ৯৯৯ জন ভোটার বেড়েছে। এ আসনে মাত্র ১ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন। 

এ বিষয়ে ফরিদপুরের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তারেক আহমেদ জানান, এবার দুটি সংসদীয় আসনে ভোটার বেড়েছে, দুটি আসনে ভোটার কমেছে। বেড়েছে নতুন অন্তর্ভুক্তির কারণে আর কমেছে স্থানান্তরের কারণে।

সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবি

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম
সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবি
ছবি: সংগৃহীত

সরকারের প্রথম ১০০ দিনে দেশে হত্যা-অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধ উদ্বেগজনক হারে ঘটেছে বলে দাবি করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এ সময়ে দেশে ৬০৫টি খুন এবং ১৯৬টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

রবিবার (৭ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে দেওয়া পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মার্চ ও এপ্রিল মাসে মোট ৬০৫টি খুন, ২৯৪টি ছিনতাই, ৯০টি ডাকাতি এবং ১৯৬টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে ১২৯টি এবং চুরির ঘটনা ঘটেছে ২ হাজার ২১৪টি। এ ছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ছিল ৩ হাজার ৪৯৬টি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আলোচিত সময়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৭৮ থেকে ১০২ জন, গণধর্ষণের শিকার ৩০ থেকে ৩৬ জন এবং ধর্ষণের শিকার শিশু ৪৯ থেকে ৭১ জন।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বর্তমান সরকারের ১০০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটা নাজুক ছিল। খুন, ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন, লুটপাট ও অরাজকতার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসএন/

প্রতিশ্রুতি প্রদানে মন্ত্রী-এমপিদের দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দিলেন স্পিকার

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম
প্রতিশ্রুতি প্রদানে মন্ত্রী-এমপিদের দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দিলেন স্পিকার
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেছেন, সংসদে কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো যথাযথভাবে পর্যালোচনা ও যাচাই-বাছাই করে নেওয়া প্রয়োজন, যাতে পরে তা বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি না হয়।

রবিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ সংক্রান্ত এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবকে কেন্দ্র করে স্পিকার এ মন্তব্য করেন।

অধিবেশনে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহামুদের দেওয়া পূর্বের একটি প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মন্ত্রী সংসদে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, পহেলা মে’র মধ্যে আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হওয়ার এক মাসেরও বেশি সময় অতিবাহিত হলেও এখনো সেখানে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়নি। এ অবস্থায় কবে নাগাদ কারখানাটি গ্যাস পাবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানতে চান তিনি।

জবাবে মন্ত্রী দেশে বিদ্যমান গ্যাস সংকটের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, সীমিত গ্যাস সরবরাহের কারণে বর্তমানে সার কারখানার চেয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হচ্ছে। ফলে আশুগঞ্জ সার কারখানায় গ্যাস সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আরও জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্রে খনন কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি। বর্তমান সরকার নতুন করে ড্রিলিং শুরু করেছে এবং নতুন গ্যাস পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট শিল্পকারখানায় সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

মন্ত্রীর বক্তব্যের পর স্পিকার তাকে সংসদে দেওয়া আগের প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, সংসদে বলা হয়েছিল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি।

স্পিকার আরও বলেন, সংসদে দেওয়া প্রতিশ্রুতি জনগণের কাছেও একটি অঙ্গীকার হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই ভবিষ্যতে ড্রিলিংসহ সব ধরনের আনুষঙ্গিক বিষয় বিবেচনা করে এবং বাস্তব পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেই মন্ত্রী-এমপিদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া উচিত।

এলিস/এসএন

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৮৭ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। 

রবিবার (৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে শুধু ঢাকা বিভাগেই চারজনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে হামের উপসর্গে চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগে একজন করে মোট তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে রবিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৬২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ ছাড়াও, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৬ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার ২২১ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে রবিবার পর্যন্ত মোট ৭৯ হাজার ১২ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ৯ হাজার ৬৮৬ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে রবিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৬৪ হাজার ২৬৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৬০ হাজার ৮৪ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

রিফাত/

৬ নবজাতকের প্রত্যেক পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
৬ নবজাতকের প্রত্যেক পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় প্রত্যেক শিশুর পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) ভুক্তভোগী পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, আগের ঘোষিত সুযোগ-সুবিধাগুলি বহাল থাকবে। এর সঙ্গে প্রত্যেক শিশুর পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেওয়ার যৌথ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এর আগে শনিবার রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে মারা যাওয়া নবজাতকদের পরিবারকে আজীবন বিনা মূল্যে চিকিৎসাসহ ক্ষতিপূরণ, শিক্ষাসহায়তা এবং চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দীর্ঘমেয়াদে থাকার এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

এসএন/

তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ এমপির মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ এমপির মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব
ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ভোলা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ জন সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, হুইপ ও সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে জাতীয় সংসদে শোকপ্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের (২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন) প্রথম দিনের কার্যক্রম শুরু হলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) শোকপ্রস্তাব উত্থাপন করেন। এ সময় প্রয়াত সংসদ সদস্যদের কর্মময় জীবন, দেশের রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ এবং জনকল্যাণে তাদের অবদানের কথা স্মরণ করা হয়।

শোকপ্রস্তাবে যাদের স্মরণ করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন- জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. কায়সার, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক এম এ মান্নান, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য জি এম ফজলুল হক, মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম আনোয়ারুল হক, সাবেক টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ এবং সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সামসুদ্দোহা।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান শামসুল আবেদীন, জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক উপমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলন, ময়মনসিংহ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোসলেম উদ্দিন, চট্টগ্রাম-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা এবং ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. দবিরুল ইসলামকে স্মরণ করা হয়।

শোকপ্রস্তাবে আরও অন্তর্ভুক্ত করা হয় ভোলা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বর্ষীয়ান রাজনীতিক বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ, মৌলভীবাজার-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মতিন এবং ঢাকা-১১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম রহমত উল্লাহর নাম।

শোকপ্রস্তাব উত্থাপনের পর প্রয়াতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং তাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সংসদে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর অধিবেশনের অন্যান্য কার্যক্রম শুরু হয়।

এলিস/সালমান/