ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
হেলিকপ্টার হারিয়ে ইরানে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি তেহরানের আজকের মুদ্রার বাজার: ১০ জুন, ২০২৬ বগি লাইনচ্যুত, জামালপুর- ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ভারতে সাজাভোগের পর তামাবিল দিয়ে ফিরলেন ৭ বাংলাদেশি কেমন ছিল নবিজি (সা.)-এর গায়ের বর্ণ? আবারও কমল সোনার দাম, নতুন দর কত? ক্লিন ইমেজের আলী রেজাও দুদকের জালে দেশে ৫০ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে: চট্টগ্রামের ডিসি বাবাকে খাবার দিতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেল শিশু গজারিয়ায় আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশত গাছ উপড়ে পড়েছে, মহাসড়কে তীব্র যানজট প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে এসে আত্মহত্যা প্রেমিকার শাবিপ্রবিতে ৩২৫ গবেষকের অংশগ্রহণে ওশেনোগ্রাফি বিভাগের সিম্পোজিয়াম আর্জেন্টিনার উত্তাপে গলে গেল আইসল্যান্ড ক্যাম্প থেকে পালিয়ে সীমান্তে মাছ ধরায় ১৯ রোহিঙ্গা আটক বাড়ছে না বিড়ির দাম সারাদেশে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোতে অংশ নেবে বিসিসিসিআই ইসলামী ব্যাংকের সিআরআরে বড় ধরনের ঘাটতি আক্কেলপুরে একদিনে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার একদিনেই বদলে গেল চবির দুই উপ-উপাচার্য কক্সবাজারে মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬ রাজশাহীতে বর্ষার আগেই ডেঙ্গুর অশনিসংকেত বিদেশি কোচদের চোখে নতুন ইতিহাস ল্যাবএইডে ডেঙ্গুবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আবেগের বিয়েতে ঝুঁকিতে পড়ছে মেয়েরা শখ থেকে স্বাবলম্বী গৃহবধূ, ঘরের ছাদ যেন ক্যাকটাস রাজ্য ইসরায়েলের সামরিক অভিযান: লেবাননে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত ইসরায়েলি কারাগারে বন্দিদের ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন বরিশাল বিভাগে ৫ বছরে নদীগর্ভে বিলীন ১২০ বর্গ কিমি ভুট্টা চাষে বিপর্যয়, চাষিদের স্বপ্ন এখন পচে-গলে পড়ে আছে মাঠে
Nagad desktop

৭২১ কোটি টাকায় নির্মান ‘ওয়াসার’ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
৭২১ কোটি টাকায় নির্মান ‘ওয়াসার’ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফ

ভবনের নকশা ও নিমার্ণ সংক্রান্ত কাজ পর্যবেক্ষণে ব্যয় হবে ৪০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। যা মোট খরচের প্রায় ৬ শতাংশ। ৯ বিঘা নিজস্ব জমি অধিগ্রহণে খরচ করা হবে ৬০ কোটি টাকা। প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সেন্টার নির্মাণে খরচ করা হবে ৩৩২ কোটি টাকা। দুটি যানবহন ব্যবহারে খরচ করা হবে ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এভাবে ‘ঢাকা ওয়াসা ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ একাডেমি’ নামে ১০ তলা বিল্ডিং নির্মাণ প্রকল্পে বিভিন্ন খাতে খরচ করা হবে ৭২১ কোটি টাকা।

এর মধ্যে কোরিয়ার ঋণ হচ্ছে ৫৭১ কোটি টাকা, বাকি ১৫০ কোটি টাকা সরকারি কোষাগার থেকে খরচ করা হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হলে সম্প্রতি সরকার তাতে অনুমোদন দিয়েছে। অত্যাধুনিক এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ঢাকা ওয়াসা।
 
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আসাদগেটে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। কিন্তু সেটা স্থানীয় কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য। তাই পানি ও পয়ঃব্যবস্থাপনাসংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানে একটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি স্থাপনের উদ্যোগ নেয় ঢাকা ওয়াসা। এরই অংশবিশেষ এই প্রকল্পটি তৈরি করা হয়। তাতে খরচ ধরা হয়েছে ৭২১ কোটি ৪২ লাখ টাকা। বাস্তবায়নকাল ধরা হয় ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০৩১ সালের জুন পর্যন্ত। এর অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্পটি পাঠানো হলে তা যাচাই করতে গত ১০ মার্চ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কিছু ব্যাপারে আপত্তি করে সংশোধন করতে বলা হয়। সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (আরডিপিপি) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়। এর পর ৫০ কোটি টাকার বেশি হওয়ায় ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) এম এ আকমল হোসেন আজাদ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করেন। তার পর সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
 
প্রকল্পের প্রধান কাজ হচ্ছে- ১০ তলা একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও গবেষণা সেন্টার। এতে খরচ ধরা হয়েছে ৩৩১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। যা মোট খরচের প্রায় ৪৬ শতাংশ। এই ভবন নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণ করতে হবে ২ দশমিক ৮ একর বা প্রায় ৯ বিঘা। নিজস্ব জমিতে এই ভবন নির্মাণ করা হবে। তার পরও খরচ ধরা হয়েছে ৬০ কোটি টাকা। যা মোট খরচের ৮ শতাংশের বেশি। এই ভবনের আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ও কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন করতে পরামর্শক সেবা খাতে খরচ করা হবে ৪০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। যা মোট খরচের ৫ দশমিক ৬০ শতাংশ। প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও একাডেমি কাজের জন্য ৫৬ কোটি টাকার বিভিন্ন যন্ত্রপাতিও কেনা হবে। প্রায় ৪৪ কোটি টাকা খরচ করে গবেষণার যন্ত্রপাতিও কেনা হবে। এসব দেখভাল তথা প্রশিক্ষণ ও গবেষণাবিষয়ক পরামর্শক সেবা (কারিগরি পরামর্শক) খাতে খরচ ধরা হয়েছে ৩২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। এ ছাড়া কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা, সম্মানী, যাতায়াত খরচ, যানবাহন ব্যবহারের খরচ রয়েছে। এভাবে বিভিন্ন খাতে খরচ ধরা হয়েছে ৭২১ কোটি টাকা।  

প্রকল্পটি গ্রহণের যৌক্তিকতা
প্রকল্পটি গ্রহণের ব্যাপারে বলা হয়েছে- ঢাকা ওয়াসা ওয়াটার মাস্টার প্ল্যান এবং সুয়ারেজ মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করেছে। এই মাস্টার প্ল্যান অনুসারে বর্তমানে ২টি পানি শোধনাগার ও একটি পয়ঃশোধনাগার নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। সিস্টেম লস কমানো এবং প্রেসারাইজড পদ্ধতিতে নিরবচ্ছিন্নভাবে সুপেয় পানি সরবরাহের লক্ষ্যে সমগ্র ঢাকা শহরকে ১৪৫টি ডিস্ট্রিক মিটারেড এরিয়াতে (ডিএমএ) বিভক্ত করা হয়েছে। যার ৮৯টি ডিএমএ নির্মাণ করা হয়েছে। বাকিগুলো নির্মাণাধীন রয়েছে। এ ছাড়া সেন্টার মনিটরিং ও ডাটা অ্যাকুইজিশনের জন্য স্মার্ট মিটার এবং বড় করে সুপারভাইজারি কন্ট্রোল ডাটা অ্যাকুইজেশন ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমানে এই বিষয়গুলোর ওপর ঢাকা ওয়াসার কর্মকর্তাদের জ্ঞান না থাকায় এসব কাজ বিদেশি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হচ্ছে। যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। বর্তমান ঢাকা ওয়াসার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটিতে অবকাঠামো এবং মানবসম্পদ অপ্রতুলতার কারণে সংশ্লিস্ট আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞান অর্জন এবং দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ খুবই কম। এ ছাড়াও মাইক্রোবায়োলজি ও কেমিক্যাল বিভাগ থেকে শুধু পানির কোয়ালিটি পরিমাপ করা হয়। কিন্তু মান বৃদ্ধিসংক্রান্ত গবেষণা অপ্রতুল।
 
এমন অবস্থায় টেকসই পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য পানি ও পয়ঃশোধনাগারের নির্মাণকাজে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম খরচে পানি ও পয়ঃশোধনাগার নির্মাণ, ডিএমএ স্থাপন, স্মার্ট মিটার, এসসিএডিএ ব্যবহারসংক্রান্ত বিষয় নতুন হওয়ায় সে সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনে ঢাকা ওয়াসার আন্তর্জাতিক মানের একটি প্রশিক্ষণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপন করা প্রয়োজন। যেখানে ঢাকা ওয়সার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় পানি ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ধ্যান-ধারণা ও দক্ষতা উন্নয়নের কাজ করা হবে। সে লক্ষ্যে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এটি হবে খুবই অত্যাধুনিক ও রাজকীয় ভবন। এজন্য বিভিন্ন খাতে টেকনিক্যাল ব্যাপার যোগ করা হয়েছে।
  
প্রকল্প এলাকা নির্বাচনের যৌক্তিকতা
প্রকল্পটি রাজধানীর কেন্দ্রস্থল মিরপুর-১০-এ ঢাকা ওয়াসার নিজস্ব জমিতে স্থাপন করা হবে। যা শাহজালাল আন্তর্জঅতিক বিমানবন্দর থেকে ৫ কিলোমিটার এবং তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে ২ কিলোমিটারে দূরে অবস্থিত। এখানে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা অফিস, গভীর নলকূপ, আউটডোর ট্রান্সফরমার ও অন্যান্য অবকাঠামো বিদ্যমান রয়েছে। ঢাকা ওয়াসার নিজস্ব জমিতে প্রশিক্ষণ একাডেমি স্থাপন করা হলে নতুন করে ভূমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না। প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীদের যাতায়াতে কোনো অসুবিধা হবে না। এসব বিবেচনা করে প্রকল্প এলাকা নির্মাণ করা হয়েছে। বিদেশি ঋণে হচ্ছে প্রকল্পটি। 

২০২৩ সালের মে মাসে বাংলাদেশ সরকার ও কোরিয়া সরকারের মধ্যে একটি ঋণচুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী এ প্রকল্পের ঋণের নিশ্চয়তা রয়েছে। কোরিয়া এক্সিম ব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতায় কে-ওয়াটার, হ্যানওয়াং ইউনিভার্সি এবং ইলি কনস্ট্রাকশন প্রকল্পটির ফিজিবিলিটি স্টাডি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করে।

প্রকল্পটির ব্যাপারে জানতে প্রকল্প পরিচালক মিহির কুমার দত্তের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি খবরের কাগজকে বলেন, কেবল সরকার প্রকল্পটির অনুমোদন দিয়েছে। এখনো সরকারি আদেশের (জিও) কাগজ হাতে পাইনি। কাজেই এ মুহুর্তে কিছু বলার নেই।’

দেশে ৫০ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে: চট্টগ্রামের ডিসি

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১০:১৭ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫ এএম
দেশে ৫০ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে: চট্টগ্রামের ডিসি
ছবি: খবরের কাগজ

দেশের উচ্চ ও নিম্ন আদালতে প্রায় ৫০ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে নগরীর পিটিআই সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি ও করণীয়’ শীর্ষক জেলা পর্যায়ের অর্ধবার্ষিক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

গ্রাম আদালতের গুরুত্ব তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘উচ্চ ও নিম্ন আদালত মিলিয়ে দেশে প্রায় ৫০ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অনেক মামলা বছরের পর বছর ঝুলে থাকে। স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি করা গেলে আদালতের ওপর চাপ কমবে এবং সাধারণ মানুষ দ্রুত
ন্যায়বিচার পাবে। এ ক্ষেত্রে গ্রাম আদালত অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে সহজ, দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে বিচারসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রাম আদালত একটি সফল উদ্যোগ। এই কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে প্রয়োজন অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জনবল বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক অংশগ্রহণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতি বুধবার গণশুনানিতে বিপুলসংখ্যক মানুষ তাদের অভিযোগ ও সমস্যার কথা নিয়ে আসেন। এর মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়, অনেক সমস্যা স্থানীয় পর্যায়েই সমাধান করা সম্ভব ছিল। যদি আমরা নিজ নিজ দায়িত্ব আরও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করতাম, তাহলে মানুষের ভোগান্তি
অনেকাংশে কমে যেত।’

জেলা প্রশাসক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা বছরের পর বছর সভা-সেমিনারে অংশ নিই, নানা পরিকল্পনা ও পরিসংখ্যান উপস্থাপন করি। কিন্তু আমাদের নিজেদের প্রশ্ন করতে হবে- বাস্তবে আমরা কতটুকু পরিবর্তন আনতে পেরেছি? জনগণ কি আমাদের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে? আপনার কাছে যে নাগরিকটি সেবা নিতে আসে, সে যেন কাঙ্ক্ষিত সেবা নিয়ে ফিরে যেতে পারে। আপনার কর্মস্থলকে সেবার সুবাসে ও মানবিকতার সৌরভে ভরিয়ে তুলুন। মানুষ যেন আপনাকে আস্থার প্রতীক হিসেবে দেখতে পারে। আমরা এমন একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে সবাই নিরাপদ থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি সুন্দর সমাজ পাবে। সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে, কিন্তু কোনো নাগরিক যেন সেবাবঞ্চিত না হয়- সেটি নিশ্চিত করতে হবে।’

সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্প বাস্তবায়ন সহযোগী সংস্থা ইপসা’র পরিচালক (সামাজিক উন্নয়ন) নাছিম বানু শ্যামলী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের চট্টগ্রাম জেলা ব্যবস্থাপক সাজেদুল ইসলাম আনোয়ার ভূঁইয়া।

স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে বাস্তবায়নাধীন ‘বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্প’-এর আওতায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) গোলাম মোহাম্মদ মইনুদ্দিন। এতে চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্ত (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি), ১৯১টি ইউনিয়নের ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্টকর্মকর্তারা অংশ নেন।

সভাপতির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক গোলাম মোহাম্মদ মইনুদ্দিন বলেন, গ্রাম আদালতের সেবামানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ইতিবাচক ও সেবামুখী মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে গ্রাম আদালত সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম আদালত কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। যেসব ইউনিয়নে মামলার সংখ্যা শূন্য বা অত্যন্ত কম, বিশেষ করে মিরসরাইয়ের কয়েকটি ইউনিয়নের উদাহরণ তুলে ধরে সেখানে জনসচেতনতা বৃদ্ধি,আস্থা সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ এবং গ্রাম আদালতের
কার্যক্রম আরও সক্রিয় করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এছাড়া ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মামলার নথি,রেজিস্টার ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিজ দায়িত্বে সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তারেক মাহমুদ/খাদিজা রুমি/

সারাদেশে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৯:২৭ এএম
সারাদেশে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা
ছবি: খবরের কাগজ

সারাদেশে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বুধবার (১০ জুন) আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে জানানো হয়, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। এটি আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে বাংলাদেশের বাকি অংশে বিস্তার লাভের জন্য অনুকূল অবস্থায় রয়েছে।

অনার্স কোর্স থেকে বাংলা ও ইতিহাস বাদ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:১৯ পিএম
অনার্স কোর্স থেকে বাংলা ও ইতিহাস বাদ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত

অনার্স কোর্স থেকে বাংলা, দর্শন ও ইতিহাসের মতো মৌলিক বিষয়গুলো বাদ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে একনেক সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ সংক্রান্ত ছড়ানো গুজবের বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘উচ্চশিক্ষায় অনার্স কোর্স থেকে বাংলা, দর্শন ও ইতিহাস বাদ দেওয়ার মতো কোনো আলোচনা আমাদের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে কোথাও হয়নি। এমনকি আমার জানামতে এমন কোনো প্রস্তাবও নেই। এগুলো পুরোপুরি ভিত্তিহীন তথ্য।’

শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের বর্তমান সংস্কার ও অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা মূলত কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার ওপর জোর দিচ্ছি। যুগের চাহিদা এবং বৈশ্বিক বাজারের যে চাহিদা, সেই অনুযায়ী নতুন নতুন সাবজেক্ট ও কোর্স কারিকুলামে যুক্ত করা হচ্ছে। ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমির মধ্যে সংযোগ কীভাবে বাড়ানো যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, বাজার চাহিদার আলোকে নতুন কোর্স অন্তর্ভুক্ত করা বা কারিকুলামের আধুনিকায়নের সাথে ঐতিহ্যবাহী ও মৌলিক বিষয়গুলো বাদ দেওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব একাডেমিক কাউন্সিলে নিয়মতান্ত্রিকভাবেই কারিকুলাম পরিমার্জন ও শিক্ষক সংকট দূরীকরণের কাজ চলমান রয়েছে।

ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।

নাঈম/

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াত ইসলামও ইসলাম নয়

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৯:৩৬ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:০৬ পিএম
ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াত ইসলামও ইসলাম নয়
জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

ইসলামের দোহাই দেওয়া সব বিষয়ে মোটেও সমীচীন নয় উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়।

কারও নাম উল্লেখ না করে ইসলামী ব্যাংক প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একবার দখল করা ব্যাংক বেদখল হয়ে যাবে, তার যে যাতনা হচ্ছে সেটা তারা বুঝতে পারছেন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে ‘ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার প্রকৃত মালিকদের কাছে প্রত্যর্পণ এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপ বন্ধে’ আনা একটি নোটিশের ওপর আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৬৮ বিধি অনুযায়ী এই নোটিশ দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এখন বলা হচ্ছে আপনারা ব্যাংকের মালিক না। জামায়াতে ইসলাম ব্যাংকের মালিক না। আবার বলছে ইসলামের ওপর হাত দেবেন না।’ এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়। আমাদের জনাব ফখরুল ইসলাম ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামও ইসলাম নয়।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘একবার যেই ব্যাংক আজান দিয়ে, তকবরে লিল্লাহ দিয়ে দখল করা হলো, সেই ব্যাংকের দখলটা বেদখল হয়ে যাবে। এই যাতনা তো আমরা বুঝি মাননীয় স্পিকার।’

এ প্রসঙ্গে আলোচনায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ইসলামী ব্যাংকে কী কী অনিয়ম হয়েছে, তার তালিকা তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, আরডিএস ইসলামী ব্যাংকের একটা ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প আছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ২২ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আগে ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। ৫ আগস্টের পর নির্বাচনী বৈতরণি পার হওয়ার জন্য আরও ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।<p>

৫ আগস্টের পর ইসলামী ব্যাংক থেকে নাবিল গ্রুপকে ৭০০ কোটি টাকা এলসির বিপরীতে ঋণ দেওয়া হয়েছে এবং পরে মালামাল বিক্রি করে ব্যাংকের টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, দুষ্টু লোকেরা বলে, সেটা কোনো এক দলের নির্বাচনী তহবিলে গেছে।

নাবিল গ্রুপকে ইঙ্গিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তার ব্যাংক লাইবিলিটি (দেনা) হচ্ছে ১৬ হাজার কোটি টাকা। এর বিরুদ্ধে তদন্ত কেন হচ্ছে না? সে জন্য তদন্ত হবে।

ইসলামী ব্যাংকের হেড অফিসের (প্রধান কার্যালয়) অনুমোদন ছাড়া নির্বাচনের আগে একটি গ্রুপকে ৪০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সোশ্যাল করপোরেট রেসপন্সিবিলিটির (সিএসআর) নাম দিয়ে যারা ঢাকা থেকে কক্সবাজার বিমানের টিকিট পর্যন্ত ব্যাংক থেকে করিয়েছে, সেগুলোরও তদন্ত হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, তকবির দিয়ে ব্যাংক দখল করার পর যাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে তাঁদের সংখ্যা হচ্ছে ৯ হাজার। কোনো আইন–কানুন না দেখিয়ে তাদের নিয়মবহির্ভূতভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। ছয় হাজার নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের সবাই একটি রাজনৈতিক মতাবলম্বী। ১৩ হাজার পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, যারা যেই ক্যাটাগরি থেকে প্রমোশন পেয়ে যে ক্যাটাগরিতে যাওয়ার কথা নয়, তিনটা করে প্রমোশন দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই অনিয়মগুলো তো হয়েছে মাননীয় স্পিকার। ইসলামের নামেই তো হয়েছে বলে মনে হয়। সুতরাং এগুলো তদন্ত হলে হয়তোবা আমাদের কারও কারও নাম ওখানে চলে আসতে পারে।’

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারধারীদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শেয়ারহোল্ডাররা তারা কীভাবে খরিদ করেছে দ্যাট ইজ ডিফারেন্ট ডিবেট (সেটা আলাদা বিতর্ক)। সেটা দুদকের তদন্ত হতে পারে, মামলা হতে পারে। বাট শেয়ারহোল্ডার ইজ শেয়ারহোল্ডার (তবে শেয়ারধারীরা শেয়ারধারী)।

এসএন/

পদ্মা সেতুতে সৌরবিদ্যুতের ইতিবাচক প্রভাব, এক মাসেই সাড়ে ৪ লাখ টাকা সাশ্রয়

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৮:৪১ পিএম
পদ্মা সেতুতে সৌরবিদ্যুতের ইতিবাচক প্রভাব, এক মাসেই সাড়ে ৪ লাখ টাকা সাশ্রয়
ছবি: সংগৃহীত

পদ্মা সেতুর সার্ভিস এরিয়া-২-এ ২ দশমিক ৪৯ মেগাওয়াট পিক (MWp) ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ (সোলার) সিস্টেম চালুর পর এক মাসের ব্যবধানে বিদ্যুৎ বিল প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা কমেছে। গত মে মাসের সাড়ে ৫ লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল চলতি জুন মাসে নেমে এসেছে মাত্র ৭৫ হাজার টাকায়।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, পদ্মা সেতুর সার্ভিস এরিয়া-২-এ উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ ‘নেট মিটারিং’ পদ্ধতিতে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এই পদ্ধতিতে দিনের বেলায় সোলার প্যানেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সার্ভিস এরিয়ার নিজস্ব চাহিদা পূরণ করার পর অতিরিক্ত অংশ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। রাতে বা মেঘলা দিনে গ্রিড থেকে নেওয়া বিদ্যুতের সঙ্গে দিনের বেলায় সরবরাহকৃত বিদ্যুতের হিসাব সমন্বয় করা হয়।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সার্ভিস এরিয়া-২-এ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ফলে চলতি জুন (২০২৬) মাসে মূল বিদ্যুৎ বিল শূন্য টাকা এসেছে। শুধুমাত্র ডিমান্ড চার্জ বাবদ ৭৫ হাজার ৭১৪ টাকা বিল পরিশোধ করতে হয়েছে। অথচ এর আগের মাস মে-তে বিদ্যুৎ বিল ছিল ৫ লাখ ২১ হাজার ৬৪ টাকা।

মে মাসে শরীয়তপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি থেকে ৩৪ হাজার কিলোওয়াট ঘণ্টা (ইউনিট) বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হলেও জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়েছে ৫৪ হাজার ইউনিট। ফলে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অনুকূলে ২০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত রয়েছে।

সেতু বিভাগ জানিয়েছে, পদ্মা সেতুর সার্ভিস এরিয়া-১, সার্ভিস এরিয়া-২ এবং সার্ভিস এরিয়া-৩ মিলিয়ে মোট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৬ দশমিক ০৩ মেগাওয়াট। বর্তমানে সার্ভিস এরিয়া-১ এবং সার্ভিস এরিয়া-৩-এ নেট মিটারিং কার্যক্রম চালুর প্রক্রিয়া চলছে।

সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, পদ্মা সেতুর মতো জাতীয় স্থাপনায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির এই প্রয়োগ কেবল বিদ্যুৎ বিলের খরচই কমাচ্ছে না, বরং কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে পরিবেশ রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখছে।

জয়ন্ত সাহা/রিফাত/