ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
অতিরিক্ত এআই-নির্ভরতা মানবসভ্যতার জন্য বড় ঝুঁকি স্পিলবার্গের নতুন সিনেমা স্টার সিনেপ্লেক্সে প্রেমে পড়েছেন প্রভা! শাহরুখ খানের শুটিং সেটে সুমাইয়া শিমুর ক্যারিয়ারের শুরু দর্শকদের প্রতি শুভকামনা থাকল ‘মালিক’ নিয়ে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন আরিফিন শুভ চুয়াডাঙ্গায় অপরিচ্ছন্নতা ও অবৈধ লোগো ব্যবহারে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা হবিগঞ্জ ডিসি অফিস চত্বরে হামলার শিকার সেই সমন্বয়ক মাহাদী ইউসিবির মূলধন দ্বিগুণ, ৪৩তম এজিএম সম্পন্ন কাশিয়ানীতে মোড়ের নাম রাখা হলো ‘ব্রাজিল মোড়’ গোল্ডেন টিউলিপ দ্য গ্র্যান্ডমার্ক ঢাকায় শিশুদের জন্য সাঁতার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পদত্যাগ করলেন রাবি ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক আমীরুল ইসলাম সংসদে বাজেট উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু ভাঙ্গায় পরীক্ষাকেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মারধর, এনসিপি নেতা আটক জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের যে তিন ব্যক্তি আল্লাহর নিকট ঘৃণিত ফিফার আপত্তির মুখে হাইতির বিশ্বকাপ জার্সিতে পরিবর্তন নতুন অর্থবছরে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন শার্শায় সরকারি বাওড় জবরদখল, বিশুদ্ধ পানির সংকটে ৩ গ্রামের মানুষ ঠাকুরগাঁওয়ে বছরে ১৯১ আত্মহত্যা, তরুণ-তরুণীদের মধ্যে প্রবণতা বেশি আবেগে রাঙা বিশ্বকাপ, জার্সিতে উচ্ছ্বাস দাউদকান্দিতে মাদক ও কিশোর অপরাধকে লাল কার্ড প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীদের শপথ দিনাজপুরে ব্রাজিল সমর্থকদের আনন্দ র‍্যালি মুন্সীগঞ্জে পদ্মার ভাঙনরোধ ও সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন নারায়ণগঞ্জ বন্দরে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৫ চৌদ্দগ্রামে বাবাকে হত্যার ২০ বছর পর একইভাবে ছেলেকে হত্যা কুমিল্লার সাবেক এমপি বাহারকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার দাবি মাভাবিপ্রবিতে বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখা হবে এলইডি স্কিনে পলাশবাড়িতে বিএনপি-জামায়াতের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া
Nagad desktop

এবারের নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর নারী ও তারুণ্য

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৪৬ এএম
আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৪৬ এএম
এবারের নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর নারী ও তারুণ্য
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফিকস

নির্বাচনে নারী ও তরুণ ভোটার–দুই শক্তির মিলিত অবস্থান নির্বাচনের গতিপথ নির্ধারণে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। একদিকে নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্নে দৃঢ় নারী ভোটার; অন্যদিকে কর্মসংস্থান ও স্থিতিশীলতার প্রত্যাশায় সচেতন তরুণ প্রজন্ম। তাদের কণ্ঠে মিলেছে একটি অভিন্ন সুর, ভোট কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি জবাবদিহির মাধ্যম।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন, মোট ভোটারের প্রায় ৪৯ শতাংশ। অন্যদিকে ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তরুণ ভোটারের সংখ্যা সাড়ে চার কোটির বেশি। 

বিশ্লেষকদের মতে, এই দুই অংশের সংগঠিত ও সচেতন অবস্থান নির্বাচনের ফলাফলের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

নারী ভোটার: নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ন্যায়ের প্রশ্ন

দ্রব্যমূল্য, কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্য ব্যয়–এই তিনটি বিষয় নারী ভোটারদের আলোচনায় সবচেয়ে বেশি। কুড়িগ্রামের এক চরাঞ্চলের নারী বলেন, ‘চাল-ডাল কিনতে কষ্ট হয়। ভোট দিলে যদি সংসার চালানো সহজ হয়, সেই ভোটই দেব।’

সংখ্যায় প্রায় সমান শক্তি হয়েও রাজনৈতিক বাস্তবতায় নারী ভোটারদের বড় অংশ এখনো নিরাপত্তাহীনতা, সামাজিক চাপ ও নানা ধরনের হুমকির মুখে। নির্বাচনের আগে কয়েকটি জেলায় নারী কর্মী ও ভোটারদের ওপর হামলা, হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। প্রান্তিক অঞ্চলে ধর্মীয় ভাষ্য ব্যবহার করে ‘নির্দিষ্ট পছন্দে’ ভোট দেওয়ার চাপের কথাও শোনা গেছে।

রাজশাহীর এক পোশাককর্মী সুলতানা আক্তার বলেন, ‘ভোট দিতে যাব, কিন্তু ফেরার পথে নিরাপদ থাকব–এই নিশ্চয়তা কে দেবে? আমাদের ভোটের অধিকার আছে, কিন্তু নিরাপত্তা নেই।’

স্থানীয় মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, গ্রামাঞ্চলে সামাজিক প্রভাবশালীদের চাপ এখনো বড় বাধা। অনেক নারী খোলাখুলি মতপ্রকাশ করতে ভয় পান। নারী অধিকারকর্মীদের মতে, ফতোয়া বা সামাজিক চাপে ভোটের স্বাধীনতা খর্ব হওয়া কেবল নির্বাচনি অনিয়ম নয়; এটি সংবিধানসম্মত অধিকারের লঙ্ঘন।

প্রতিশ্রুতি নয়, কার্যকর নীতির দাবি

সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান বলেন, ‘নারীর ক্ষমতায়নের কথা বারবার শুনি। কিন্তু রাস্তায় হয়রানি, কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য, বিচার পেতে দীর্ঘসূত্রতা–এসব তো বদলায়নি।’

নারী ভোটারদের বড় অংশের প্রত্যাশা স্পষ্ট। তাদের দাবি, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার দ্রুত বিচার কর্মক্ষেত্রে সমান মজুরি ও নিরাপত্তা; স্বাস্থ্যসেবা ও মাতৃত্বকালীন সহায়তা বৃদ্ধি; রাজনৈতিক দলে নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ এবং সরাসরি নির্বাচনে আরও বেশি নারী প্রার্থী।

প্রবীণ ভোটার আয়েশা খাতুনের ভাষায়, ‘নারীর কথা পুরুষরা বলবেন, এই সময় শেষ। আমাদের প্রতিনিধি আমরা নিজেরাই চাই।’

আসন্ন গণভোট নিয়ে নারী ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল ও সংশয় দুটিই রয়েছে। চট্টগ্রামের এক স্কুলশিক্ষিকা শারমিন আক্তার বলেন, ‘গণভোট মানে সচেতন সিদ্ধান্ত। ভয়ভীতি বা ভুল তথ্য ছড়িয়ে দিলে সেটি জনগণের মতামত থাকবে না। নারীরা চাইছেন, গণভোটের আগে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রচার ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক, যাতে প্রান্তিক ভোটাররা বিভ্রান্ত না হন।’

দিন বদলের স্বপ্ন তরুণদের, মনে সংশয়ের ছায়া

উত্তপ্ত নির্বাচনি পরিবেশে প্রথমবার ভোট দিতে যাচ্ছে তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ। তাদের কাছে ভোট কেবল সাংবিধানিক অধিকার নয়; এটি ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের দিকনির্দেশ নির্ধারণে সরাসরি অংশগ্রহণ।

ইসির তথ্য বলছে, গত এক বছরে ভোটার তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছেন প্রায় ৩৯ লাখ ৭৯ হাজার ৭১১ জন। মোট ভোটারের মধ্যে সাড়ে চার কোটির বেশি ১৮-৩৫ বছর বয়সী।

ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানভীর হাসান বলেন, ‘প্রথমবার ভোট দিতে যাচ্ছি, ভাবতেই শিহরণ লাগে। তবে চাই ভোটকেন্দ্রে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি না ঘটুক। আমরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ চাই।’ কিশোরগঞ্জের রাকিবুল ইসলাম, সদ্য স্নাতকোত্তর শেষ করে চাকরি খুঁজছেন। তার ভাষায়, ‘দেশের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি আমাকে সরাসরি প্রভাবিত করছে। তাই ভোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

নরসিংদী-৪ আসনের প্রযুক্তিবিদ সায়েম আহমেদ বলেন, ‘একটি স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ দেশের জন্য জরুরি।’
প্রান্তিক জনপদের ক্ষোভ

খাগড়াছড়ির মিলন ত্রিপুরা বলেন, ‘পাহাড়ে শান্তি ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বহুবার শুনেছি। বাস্তবে তেমন পরিবর্তন আসেনি। এবার কথার বরখেলাপের জবাব ব্যালটে দিতে চাই।’ চুনারুঘাটের চা-বাগান এলাকার তরুণ নেতা লক্ষণ মুন্ডার অভিযোগ, ‘ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি আসে, সঙ্গে ভয়ভীতি। কিন্তু স্কুল নেই, বিশুদ্ধ পানি নেই, চিকিৎসা নেই। আমাদের প্রতিনিধি চাই, কিন্তু সেই সুযোগ কোথায়?’

গণভোট নিয়েও তরুণদের মধ্যে আলোচনা তীব্র। অনেকেই বলছেন, দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে চান। তবে অপতথ্য ও গুজবের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগও কম নয়।

সংসদে বাজেট উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
সংসদে বাজেট উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রস্তাব উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রস্তাব উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে প্রস্তাবিত এই বাজেট উত্থাপন করছেন তিনি।

এর আগে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে সাথে নিয়ে সংসদ কক্ষে প্রবেশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ সময় অর্থমন্ত্রীর হাতে ছিল কালো রঙের ব্রিফকেস। এই ব্রিফকেসে রয়েছে বিএনপি সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের কাগজপত্র ও অর্থ বিল।

বিকেল ৩টার কয়েক মিনিট আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সংসদ অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় অর্থমন্ত্রীকে টেবিল চাপড়িয়ে স্বাগত জানান সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়েছে। রীতি অনুযায়ী জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের আগে মন্ত্রিপরিষদের এই বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জাতীয় বাজেটের অনুমোদন দেয়া হয়।

আমান/

নতুন অর্থবছরে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম
নতুন অর্থবছরে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়। ছবি: পিএমও

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়। সকাল ১০টায় বৈঠক শুরু হয়।

দুপুর ১টার দিকে বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বাজেট প্রস্তাব মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে।’ অর্থ বিলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্বাক্ষরের পর আজ বিকেল ৩টায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করবেন।

তারেক রহমান সরকারের এটি সংসদে প্রথম বাজেট।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সংসদ না থাকায় উপদেষ্টা পরিষদের মাধ্যমে সরকারের ব্যয় এবং সংশোধিত অর্থ অধ্যাদেশ অনুমোদন করা হয়েছিল। পরে রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর নির্দিষ্টকরণ অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয় এবং জারি করার পর তা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত বাংলাদেশের ভিন্ন বাস্তবতায় তখন সংসদের বাইরে ভিন্ন আঙ্গিকে বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছিল।

গত ২ জুন অন্তবর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। সংসদ না থাকায় তার বাজেট বক্তৃতা বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সম্প্রচার করা হয়।

নতুন পে-স্কেলে থাকছে না আলাদা বরাদ্দ

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:২৮ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:২৯ পিএম
নতুন পে-স্কেলে থাকছে না আলাদা বরাদ্দ
ছবি: সংগৃহীত

নতুন পে-স্কেল আংশিকভাবে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থাকলেও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এ খাতে আলাদা কোনো অতিরিক্ত বরাদ্দ থাকছে না। 

তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান অন্য খাতের থেকে বরাদ্দ ও অপ্রত্যাশিত ব্যয় বাবদ সংরক্ষিত অর্থ থেকে করা হবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ৮৯ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ক্যাডার কর্মকর্তাদের বেতনের জন্য ১৩ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকা, কর্মচারীদের বেতনের জন্য ৩০ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা এবং বিভিন্ন ধরনের ভাতা বাবদ ৪৪ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। 

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে বেতন-ভাতা খাতে বরাদ্দ ছিল ৮৪ হাজার ১১৪ কোটি টাকা, যা সংশোধিত বাজেটে বেড়ে ৮৪ হাজার ৭৩৯ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আগামী অর্থবছরের শুরু অর্থাৎ জুলাই থেকেই নতুন বেতন কাঠামো আংশিকভাবে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে মূল বেতন বৃদ্ধির প্রায় অর্ধেক সুবিধা কার্যকর করা হতে পারে। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গঠিত পে কমিশন যে সুপারিশ করেছিল, তা সরাসরি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা কম।

পে কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনার জন্য সরকার একটি সচিব কমিটি গঠন করেছে। কমিটি এখনও তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সচিব কমিটি বেতন বৃদ্ধির হার কিছুটা কমিয়ে সংশোধিত প্রস্তাব দিতে পারে।

তবে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অর্থসংকট বড় বাধা হবে না বলে মনে করছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাজেটে বিভিন্ন খাতে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া অপ্রত্যাশিত ব্যয়ের জন্য সংরক্ষিত অর্থও রয়েছে। প্রয়োজন হলে এসব উৎস থেকেই নতুন পে-স্কেলের ব্যয় নির্বাহ করা হবে।

ফলে বাজেটে আলাদা বরাদ্দ না থাকলেও সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়ন আগামী জুলাই থেকেই শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

নাঈম/

বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে যেসব বিষয়

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে যেসব বিষয়
ছবি: সংগৃহীত

উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগে স্থবিরতা, কর্মসংস্থানের সীমিত সুযোগ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছে সরকার। 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সংসদে বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত এ বাজেটে অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা, উৎপাদন ও বিনিয়োগ বাড়ানো, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সম্প্রসারণ, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, শিক্ষা-স্বাস্থ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলাকেও অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এবারের বাজেটের মূল দর্শন হচ্ছে উৎপাদনমুখী ও কর্মসংস্থানবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তোলা। সে লক্ষ্য সামনে রেখে বেশ কয়েকটি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও খাদ্য নিরাপত্তা: নতুন বাজেটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে। গত কয়েক বছর ধরে খাদ্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর বড় চাপ তৈরি করেছে। তাই চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ, রসুন, আলু, মাছ ও মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের করহার কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি খাদ্য মজুত বৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে বাজার স্থিতিশীল রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা।

কৃষি ও কৃষি-প্রক্রিয়াজাত শিল্প: খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষকের আয় বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে কৃষি খাতকে অন্যতম অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সারে প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি অব্যাহত রাখা হচ্ছে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি কৃষি-প্রক্রিয়াজাত শিল্পে কর ছাড়, সহজ শর্তে ঋণ এবং রপ্তানি সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকারের ধারণা, কৃষিভিত্তিক শিল্পের সম্প্রসারণ গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন: দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়তে থাকায় নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবারের বাজেটের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হতে পারে। যুব উদ্যোক্তাদের জন্য প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। একই সঙ্গে নতুন ব্যবসা শুরু এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠান সম্প্রসারণে ঋণপ্রাপ্তি সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন: দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে শিক্ষা খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কারিগরি শিক্ষা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচিতে জোর দেওয়া হচ্ছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। মানবসম্পদ উন্নয়নকে ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছে সরকার।

স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা ব্যয় হ্রাস: সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে স্বাস্থ্য খাতে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে কর-সুবিধা, জীবনরক্ষাকারী ওষুধে ভ্যাট রেয়াত এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর কর কমানোর প্রস্তাব রয়েছে। ক্যানসার, কিডনি ও লিভারের মতো জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সহায়তার বরাদ্দও বাড়ানো হতে পারে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন ও সেবার বিস্তৃতি ঘটানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী: দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের সুরক্ষায় সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় লাখো পরিবারকে মাসিক আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতার উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি ভাতার পরিমাণও বৃদ্ধি করা হতে পারে। সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ এক লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

শিল্পায়ন ও উৎপাদন খাত: দেশীয় শিল্পের বিকাশে এবারের বাজেটে বড় ধরনের কর-প্রণোদনা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল ও উৎপাদনমুখী শিল্প খাতকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হতে পারে। দেশে উৎপাদিত টেলিভিশন, ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার, ওয়াশিং মেশিনসহ বিভিন্ন পণ্যে ভ্যাট কমানোর আলোচনা রয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দিতে কিছু আমদানিনির্ভর পণ্যের ওপর কর ও শুল্ক বাড়ানো হতে পারে।

তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতি: ডিজিটাল অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে তথ্যপ্রযুক্তি খাতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মনিটর ও মোবাইল ফোন উৎপাদনে কর-সুবিধা অব্যাহত থাকতে পারে। ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতা, ফ্রিল্যান্সার এবং অনলাইনভিত্তিক সৃজনশীল পেশাজীবীদের জন্যও কর-স্বস্তির প্রস্তাব আলোচনায় রয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প বিকাশ এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করাই এ খাতের মূল লক্ষ্য।

জ্বালানি নিরাপত্তা ও নবায়নযোগ্য শক্তি: বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি খাতকে কৌশলগত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা এবং এলএনজি খাতে কয়েক হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি কর-সুবিধা অব্যাহত রাখা হতে পারে। নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার।

অবকাঠামো, পরিবহন ও যোগাযোগ: অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল করতে অবকাঠামো উন্নয়ন খাতেও বড় বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। সড়ক, মহাসড়ক, সেতু, বন্দর এবং যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে লজিস্টিক ব্যয় কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকারও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সরকারি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা: বাংলাদেশের জন্য জলবায়ু পরিবর্তন অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হওয়ায় এ খাতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ, নদীভাঙন রোধ, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণে বরাদ্দ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও সবুজ অর্থনীতিকে উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আর্থিক খাত সংস্কার: ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, কর আহরণ বাড়ানো এবং রাজস্ব ব্যবস্থাকে আধুনিক করার উদ্যোগও নতুন বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানো, কর ফাঁকি কমানো, করদাতাবান্ধব সেবা চালু এবং আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, নতুন বাজেটে উৎপাদন, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক সুরক্ষার মধ্যে ভারসাম্য আনার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং বাজেট বাস্তবায়নের সক্ষমতা নিশ্চিত করা না গেলে এসব উদ্যোগের কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া কঠিন হবে। তাই বাজেটের আকারের চেয়ে এর কার্যকর বাস্তবায়নই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

অন্তরা/

বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম
বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন
বিশ্বকাপ ফুটবল-২০২৬ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফুটবল-২০২৬ উপলক্ষে ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে তিনি এ স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেন।

এ ছাড়া ৫০ টাকা মূল্যমানের খাম-সম্বলিত স্যুভেনির শিট ও ৫ টাকা মূল্যমানের ডাটা কার্ডও প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এতে বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সেক্রেটারি আতিকুর রহমান রুমন এবং ডাক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এস এম হারুনুর রশীদ।

ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪৮ দল নিয়ে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাওয়া ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে যাচ্ছে আজ। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার মাটিতে হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। তিনটি দেশ একসঙ্গে বিশ্বকাপ আয়োজনের ঘটনাও এবারই প্রথম।

নাঈম/