সমাজ, অর্থনীতি ও রাষ্ট্রবিষয়ক লেখক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি বাংলাদেশে শোষণ, বৈষম্য, নিপীড়ন, আধিপত্যবিরোধী তত্ত্বচর্চা ও লড়াইয়ের একজন সক্রিয় ও সরব মুখ হিসেবে সুপরিচিত হয়ে ওঠেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলেছেন খবরের কাগজের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সিনিয়র সহসম্পাদক শেহনাজ পূর্ণা
খবরের কাগজ: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন কেমন হতে পারে বলে আপনি মনে করেন?
আনু মুহাম্মদ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সবাই অপেক্ষা করছে। বিশেষ করে বিনিয়োগকারী, উদ্যোক্তা এমনকি শ্রমজীবী মানুষ সবাই এখন নির্বাচনের অপেক্ষায়। নির্বাচন হলে দেশে পুরো সরকারব্যবস্থা এবং প্রশাসনব্যবস্থার মধ্যে পরিষ্কার একটা চেহারা তৈরি হবে। যারা নির্বাচন করছেন তাদের ওপরে নির্ভর করবে নির্বাচনের পর যারাই সরকার গঠন করবেন, দেশ গঠনে তারা যথেষ্ট সজাগ আছেন কি না। অর্থনীতির এ সংকটকালে তাদের নিজেদের পরিকল্পনা কতটা যথাযথভাবে তারা নিচ্ছেন সেটাও একটা বিষয়। কারণ, অর্থনীতির গতিশীলতা ব্যতীত উন্নয়ন সম্ভব নয়। আর যেসব জায়গায় সমস্যা রয়েছে সেগুলো সমাধানের ওপরই নির্ভর করবে নির্বাচন-উত্তর আমরা কত দ্রুত এ সংকটজনক অবস্থা থেকে বের হতে পারব।
খবরের কাগজ: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কতটুকু অনুকূলে আছে বলে আপনি মনে করেন?
আনু মুহাম্মদ: নির্বাচনের তিন সপ্তাহের মতো বাকি আছে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুব একটা ভালো বলা যাবে না। আমরা বিভিন্ন জায়গায় মব সন্ত্রাস দেখছি। জোর-জবরদস্তিমূলক হামলা ও ভাঙচুর দেখছি। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের যে দলিল, তাদের নিরীক্ষণ বা গবেষণায় দেখা যাচ্ছে যে, গত এক বছরে পুলিশ বা সেনাসদস্যের হেফাজতে মৃত্যু, ধর্ষণ, আগুনে পুড়ে মানুষ মারা, এসব যা কিছু ঘটেছে সেটা আগের বছরগুলোর চাইতে বহু গুণে বেড়েছে বলতে হবে। এটা স্বস্তির জায়গা নয়। আরও উদ্বেগের জায়গা হচ্ছে, সে ক্ষেত্রে সরকার বলা যায় নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় রয়েছে। সরকারের নিষ্ক্রিয়তাকে কোনো যৌক্তিকতা দেওয়ার চেষ্টা করা উচিত নয়। তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে অবস্থা এবং সরকারের যে ভূমিকা, তাতে এটা একটা উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার যদি অন্তত শেষ মাসে এসে দায়িত্বশীল হয়, একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলো যদি যথাযথ ভূমিকা পালন করে একটা সহিষ্ণুতার পরিচয় দেয়, তাহলেই কেবল নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
খবরের কাগজ: গণভোট কতটা সফল হতে পারে বলে মনে করেন?
আনু মুহাম্মদ: রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে জুলাই সনদ তৈরি হয়েছে। সেটা নিয়ে সব দল যে সবকিছুতে একমত, তা নয়। সবাই সব বিষয়ে একমত না হওয়া সত্ত্বেও সেখানে যেভাবে সব বিষয় একসঙ্গে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ করা হচ্ছে, সেটা যে খুব যথাযথ হচ্ছে আমি তা মনে করি না। কারণ, অনেক বিষয়ে একসঙ্গে ‘হ্যাঁ’ বলাটা কারও পক্ষে সম্ভব নাও হতে পারে। কিন্তু এমনভাবে উপস্থিত করা হচ্ছে যে, এটা একটা জোর-জবরদস্তির মতো হয়ে যায়। সবইকে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে কিংবা সবই ‘না’ বলবে এটা একটা বিরাট অপরাধ। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, গণভোটে হ্যাঁ অথবা না-এর পক্ষে প্রচার চালানো। এটা রাজনৈতিক দল যারা নির্বাচন করবে তাদের দায়িত্ব। কোনো রাজনৈতিক দল ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচার করতে পারে। কোনো রাজনৈতিক দল ‘না’ করতে পারে। কিন্তু সরকার এখন যেভাবে প্রচার করছে এবং রীতিমতো বাধ্যবাধকতা তৈরি করছে, বিশেষ করে সরকারি বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসনিক শাখা-প্রশাখা সব জায়গায় একটা বাধ্যবাধকতা তৈরি করা হচ্ছে। এটা ঠিক নয়। জনগণের মতামত প্রকাশের জায়গাটা রাখা হচ্ছে না। মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে যে, সে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে নাকি ‘না’ ভোট দেবে। আগের দিনে আমরা গণভোট দেখেছি জিয়াউর রহমানের সময়। এরশাদের সময় সেই গণভোটে সরকার প্রচারণা চালাত। সবসময় ‘হ্যাঁ’ দিতে হবে এটা আমরা গ্রহণযোগ্য মনে করি না। রাজনৈতিক দল যারা ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে তারা ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচার চালাবে। কিন্তু সরকার তার সব প্রশাসনিক শক্তি নিয়ে যেভাবে প্রচার করছে এটা গণভোটের যে গ্রহণযোগ্যতা কিংবা ঐতিহাসিকভাবে গণভোটের যে কার্যকারিতা সেটা নষ্ট হচ্ছে বলে আশঙ্কা করছি।
খবরের কাগজ: নির্বাচনে একটি বড় দল আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করতে পারছে না। এ বিষয়ে কী বলবেন?
আনু মুহাম্মদ: যে পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে, আওয়ামী লীগের যারা অপরাধী নেতা, তাদের একটা বিচার হলে, তার পর আওয়ামী লীগ হয়তো একসময় আবার রাজনীতিতে আসতে পারবে। বিভিন্ন জায়গায় ছড়ানো-ছিটানো নেতাদের ক্ষমা চাওয়া, অনুতপ্ত হওয়ার ব্যাপারে তাদের আচরণ ছিল অস্বস্তিকর। নানা কারণেই এবারের নির্বাচনে তাদের আসার সুযোগ নেই। স্থানীয় পর্যায়ে কোনো কোনো জায়গায় দেখা যাচ্ছে,জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের লোকজনদের খুব ভালো সম্পর্ক। কোথাও দেখা যাচ্ছে বিএনপির সঙ্গে তাদের ভালো সম্পর্ক। তবে এ নির্বাচনে একটা বড় প্রভাবক হিসেবে আওয়ামী লীগের যারা সমর্থক ভোটার, তারা আসলে কোন দিকে যাবে এটা একটা বিবেচ্য বিষয়। এখন আওয়ামী লীগের যদি কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত কোনো কিছু থাকে সেটা আমরা এখনো জানি না। কিংবা আদৌ জানা যাবে কি না সেটাও বলা যায় না।
খবরের কাগজ: নির্বাচন কমিশন কতটা দক্ষভাবে কাজ করতে পারবে বলে মনে করছেন?
আনু মুহাম্মদ: বাংলাদেশে সর্বশেষ গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয় ২০০৮ সালে। তার মানে প্রায় ২০ বছর পরে আরেকটা নির্বাচন হচ্ছে। মাঝখানে যে নির্বাচনগুলো হয়; বিশেষ করে ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪। এ নির্বাচনগুলো ছিল প্রহসনমূলক নির্বাচন। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার বা ভোট দেওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না মানুষের। সে হিসেবে ২০০৮-এর পর এটি হচ্ছে প্রথম নির্বাচন এবং এখানে অংশগ্রহণ করবে এমন নাগরিকের একটা বড় অংশই তরুণ। যারা এর আগে কখনোই নির্বাচনে অংশ নেয়নি। যারা তরুণ ভোটার তারা জানে না নির্বাচনে ভোট কীভাবে দিতে হয়। নির্বাচনের পরিবেশ সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই নেই। সেজন্য এটা একটা ঐতিহাসিক ঘটনা হবে। সবাই আশা করবে যে সুন্দর, গ্রহণযোগ্য এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে। যেখানে সবাই নির্ভয়ে, শান্তিতে ভোট দিতে পারবে। নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক পথ থাকলেও আমরা ইতিপূর্বে দেখেছি বিভিন্ন কারণে এ প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। গত সরকারের সময় তাদের একটা স্বাভাবিক বা যুক্তিসঙ্গত বা ‘এক্সট্রিম’ চেহারা আমরা দেখেছি। নির্বাচন কমিশন তাদের পরীক্ষা এখনো পুরোপুরি দেয়নি। তারা বিভিন্ন ধরনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। কাজেই নির্বাচন কমিশন কতটা দক্ষভাবে কাজ করতে পারবে, এটা নির্ভর করবে প্রশাসনের ওপরে। অর্থাৎ সিভিল প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং তার পর সেনাবাহিনীর ওপর নির্ভর করবে। তারা কতটা সহযোগিতা করবে বা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করবে সেটার ওপরেও অনেক কিছু নির্ভর করে। সে হিসেবে বলা যায় যে, নির্বাচন কমিশনের এখন যিনি প্রধান আছেন বা যারা সদস্য আছেন, তাদের চাওয়া-পাওয়া কিংবা তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছা দিয়েই সব নির্ধারিত হবে। সামগ্রিকভাবে নির্বাচন কমিশন কতটা দক্ষতার সঙ্গে ভূমিকা পালন করতে পারবে, সেটা সরকারের ওপর নির্ভর করে। সে ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ করে সবার সঙ্গে সমন্বয়ের দরকার আছে।
খবরের কাগজ: দেশে সংস্কার কার্যক্রম সম্পর্কে কিছু বলুন।
আনু মুহাম্মদ: সরকারের পক্ষ থেকে অনেক কিছু সংস্কারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আমার কাছে মনে হয়েছে ‘সংস্কার’ শব্দটা যতবার উচ্চারিত হয়েছে গত এক বছরে, ইতিহাসে আর কখনো হয়নি। এই এক বছরে সরকারের কিছু পরিবর্তন আনার যে সুযোগগুলো ছিল, সেটা প্রশাসন হোক কিংবা শিক্ষাব্যবস্থা, নির্বাচন পদ্ধতি অথবা আর্থিক খাত এসব জায়গায় যত কিছু সংস্কার আছে সেগুলো আসলে দীর্ঘমেয়াদি বিষয়। কাজেই দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের জন্য প্রস্তুতি, প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন, আইনগত ও নিয়মগত পরিবর্তন দরকার। যেহেতু অন্তর্বর্তী সরকার তাদের পক্ষে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া সম্ভব নয়, সে ক্ষেত্রে বিদেশি এবং দেশি বিনিয়োগকারীরা অপেক্ষা করেন যে, তারা আসলে একটা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা বিবেচনা করে বিনিয়োগ করতে পারবে। সে ক্ষেত্রে বলব বিনিয়োগের ঘাটতি রয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেগুলো আশা করি বাস্তবায়ন অব্যাহত থাকবে।
খবরের কাগজ: দেশে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান প্রক্রিয়ায় চ্যালেঞ্জগুলো কী?
আনু মুহাম্মদ: বিগত সময়ে বিনিয়োগ তেমন একটা ছিল না। নতুন করে কর্মসংস্থান ছিল না। ফলে বেকারত্ব অনেক বেড়েছে। প্রান্তিক মানুষের জীবনে অনেক দুঃখকষ্ট নেমে এসেছে। আমরা বিভিন্ন সময় বলেছি যে, সরকারের পুরো আর্থিক খাত ব্যবস্থাপনা কিংবা এই যে অর্থ বরাদ্দ, প্রকল্প নির্ধারণ, এগুলোর ক্ষেত্রে তারা কোনো ভিন্ন গতি পথ তৈরি করতে পেরেছে কি? পারেনি। বরঞ্চ এতদিনে যে ভয়ভীতি বা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে মিথ্যা মামলা, ধরপাকড়, মব সন্ত্রাস ইত্যাদির ফলে অর্থনৈতিক কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশে কর্মসংস্থান একটা বড় চ্যালেঞ্জের বিষয়। বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে যে ভয়ভীতি আছে সেটা দূর করা একটা বড় বিষয়। শ্রমজীবী মানুষ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে যে সামাজিক খাতগুলো রয়েছে, সেই সামাজিক খাতগুলোতে একটা গতিশীলতা তৈরি করে অবশ্যই প্রান্তিক মানুষকে হিসাবের মধ্যে নেওয়া দরকার।
খবরের কাগজ: আসন্ন নির্বাচনের গতিপথ, রূপরেখা ও চ্যালেঞ্জ কেমন দেখছেন বলে আপনি মনে করেন?
আনু মুহাম্মদ: এতদিন পর একটি কাঙ্ক্ষিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সব নাগরিক অর্থাৎ ভোটার যেন নির্ভয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে নিরাপত্তা নিয়ে ভোট দিতে পারে। যেমন- এখন যদি এরকম হয় যে, কোনো জায়গায় ভোটাভোটির সময় ভোটকেন্দ্রের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটল অথবা ভোটারদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি হলো; সেটা তার ধর্মীয় পরিচয়, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা লিঙ্গ পরিচয়ের কারণেই হোক, তারা যদি ভয়ভীতির মধ্যে থাকে, তাহলে সেটা যথাযথ ভোটের পরিবেশ হবে না। ভোটের পরিবেশ, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, কোনো ভোটার যেন কোনো ধরনের ভয়ভীতির মধ্যে না থাকে বা কোনো ধরনের চাপের মধ্যে না থাকে সেটা দেখতে হবে। যেকোনো ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি, সেটা সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, আঞ্চলিক সহিংসতা কিংবা রাজনৈতিক সহিংসতাই হোক, সেগুলোর কোনো ধরনের তৎপরতা হলেই এটা ভোট গ্রহণকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। সে ক্ষেত্রে সরকারের একটা বড় দায়িত্ব আছে। এর পরের দায়িত্ব হচ্ছে রাজনৈতিক দলের। রাজনৈতিক দলগুলো সব বিষয়ে নিজেদের সহিষ্ণুতা এবং দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়ার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করবে। এর পরের দায়িত্ব হচ্ছে মিডিয়ার। মিডিয়া কতটা সতর্ক ও সজাগ থাকবে এবং যারা শৃঙ্খলা নষ্ট করছে তাদের উন্মোচন করতে পারবে সেটার ওপরই আগামী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সফলতা, তার গতিপথ ও রূপরেখা নির্ভর করবে। সেটা দেখতে হলে আমাদের আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে।
খবরের কাগজ: আপনাকে ধন্যবাদ।
আনু মুহাম্মদ: আপনাকেও ধন্যবাদ।



.jpg)