ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
৭ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি বাজেট অধিবেশন বসছে আজ দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী দৌলতদিয়া ফেরিতে বাস দুর্ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মধুখালীতে জাল সনদে মাদরাসায় চাকরির অভিযোগ তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর গাইবান্ধায় ট্রেন থেকে পড়ে পা বিচ্ছিন্ন হওয়া সেই যুবকের মৃত্যু দৈনিক খবরের কাগজের শাকিলা ববিসহ সিলেটের ৬ সাংবাদিকে প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড প্রদান নড়াইলে বাস উল্টে আহত ১৫ দক্ষিণ এশিয়ার মুকুট হারাল বাংলাদেশ নড়াইলে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নিহত ২ সরু একটি আইলই এখন তাদের আশ্রয়স্থল ১২০০ ফুট লম্বা পতাকা নিয়ে ব্রাজিল সমর্থকদের র‍্যালি কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত শহিদ জিয়ার প্রস্তাবে যুদ্ধের নাম হয় ‘মুক্তিযুদ্ধ’: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অথচ বাজেট বরাদ্দ তলানিতে ঢাকায় শুরু হচ্ছে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অধস্তনকে চড় মারায় সিলেটের এক নির্বাচন কর্মকর্তাকে লঘু দণ্ড তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করবে সরকার আরেকবার সাফের ফাইনালে ঋতুপর্ণার গোল দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে মাটির নিচ থেকে উঠছে ধোঁয়া, এলাকায় চাঞ্চল্য চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ সংগঠনের ১৩ জন গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৩ এক টুকরো হৃদয়ের নাম বাংলাদেশ রামিসার  মামলার  দ্রুত রায় মা হচ্ছেন সোহিনী গাজায় ৪৮ ঘণ্টায় নিহত পাঁচজন
Nagad desktop

ঢাকা-৮ ও ৯ আসন আ.লীগের প্রার্থীরা প্রস্তুতিতে, জেলে-আত্মগোপনে বিএনপি নেতারা

প্রকাশ: ১৭ নভেম্বর ২০২৩, ১২:৪০ পিএম
আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:০১ পিএম
আ.লীগের প্রার্থীরা প্রস্তুতিতে, জেলে-আত্মগোপনে বিএনপি নেতারা
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

তফসিল ঘোষণার পর রাজনীতির অঙ্গনে শুরু হয়েছে নির্বাচনী আলোচনা। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা নেমে পড়েছেন মাঠে। ঢাকা-৮ ও ৯ আসনে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। মনোনয়ন পেতে চালাচ্ছেন তদবির-লবিং। নিজ এলাকায় সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আভাস দিচ্ছেন মনোনয়নপ্রত্যাশীরা।

অন্যদিকে, রাজপথের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের কেউ কেউ রয়েছেন কারাগারে। বেশির ভাগই আছেন আত্মগোপনে। সরকার পতনের এক দফা দাবি আদায়ের আন্দোলনের পাশাপাশি তাদেরও রয়েছে নির্বাচনের প্রস্তুতি। যদিও তারা বলছেন, ‘নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবেন না।’ নির্দলীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করেই তারা ‘ধানের শীষে’র মনোনয়ন চাইবেন।

ঢাকা-৮: নতুন করে বিন্যাস হওয়ার পর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৯, ২০ ও ২১ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা ৮। রাজধানীর কেন্দ্র মতিঝিল, রমনা ও পল্টন এলাকা নিয়ে ঢাকা-৮ আসন সব দলের কাছেই অতি গুরুত্বপূর্ণ। এ আসনটিতে স্বাধীনতার পর থেকে অধিকাংশ সময়ই আওয়ামী লীগের বাইরে অন্য রাজনৈতিক দল থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। ২০০৮ সাল থেকে আসনটিতে টানা তৃতীয় মেয়াদে মহাজোটের শরিক হিসেবে মনোনয়ন পান ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। এর মধ্যে বিরোধী দলগুলো ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচন বর্জন করে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে। এতে মেনন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচিত হন।

এবার যদি মহাজোটকে ছাড় না দেওয়া হয়, তাহলে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন চাইবেন। তাদের মধ্যে আলোচনায় আছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে যুক্ত নজরুল ইসলাম বর্তমানে হলিফ্যামিলি রেডক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের প্রধান। তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ মনোনীত প্যানেল থেকে পরপর তিনবার বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) নির্বাচনে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য হন। তিনি বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএমপিএ) বিগত নির্বাচনে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। ওয়ার্ডগুলোতে নিয়মিত জনসংযোগ করছেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। তবে তিনি এলাকায় বেশি পরিচিতি লাভ করেন করোনা মহামারির সময় মানুষকে সেবা দিয়ে। সে সময়ে তিনি রোগীদের চিকিৎসা, বিনামূল্যে ওষুধ পৌঁছানো, মোবাইল ফোনে চিকিৎসা-পরামর্শ দিয়ে মানুষের পাশে ছিলেন।

রাশেদ খান মেনন খবরের কাগজকে বলেন, এখানে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কিছু সমস্যা রয়েছে। তবে নির্বাচনে কাজ করতে সমস্যা হবে না। মনোনয়ন চাইব, সেটাই সিদ্ধান্ত।

নজরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক কাঠামোকে ঢেলে সাজানোর এখনই সময়। উন্নয়নকে টেকসই করতে এখন রাজনৈতিক অঙ্গীকারকে বাস্তবে রূপ দেয়ার খুব প্রয়োজন। আমার রাজনৈতিক গবেষণা ও বিশ্লেষণ আমাকে বাংলাদেশের আপামর জনতার ‘মৌলিক চাহিদার একটা আয়নার’ সামনে দাঁড় করিয়েছে। আমি এখানে দেখতে পাই জনগণ এখন সামাজিক উন্নয়ন চায়। যা ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন। আমি সেই অভিজ্ঞতার আলোকে প্রধানমন্ত্রীর সামাজিক উন্নয়নে কাজ করার জন্য মানসিক ও তাত্ত্বিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

মনোনয়নপ্রত্যাশী আওয়ামী লীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন বলেন, এত গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে বিএনপি নেতারা আন্দোলন করছেন। কিন্তু আমাদের দলীয় নেতা-কর্মীরা সেভাবে করতে পারছেন না। কারণ এ আসনে দলীয় এমপির অভাব রয়েছে। বর্তমান এমপি এলাকার জনগণের জন্য কাজ করেছেন, এমন কোনো নজির দেখাতে পারবেন না। সরকারি সুযোগ-সুবিধা তার দলের নেতা-কর্মীরা সব পাচ্ছেন, কিন্তু আওয়ামী লীগের কেউ কিছুই পাচ্ছেন না। আগামীতে যদি মানুষের কাছে ভোট চাইতে যান- তাহলে কি বলে ভোট চাইবেন তিনি? প্রধানমন্ত্রীর নাম বলেই ভোট চাইতে হবে। কারণ এমপির কোনো অর্জন নেই। করোনাকালে তিনি মানুষের নাগালের বাইরে ছিলেন। এলাকার জনগণ এখন পরিবর্তন চান।

অপরদিকে, ঢাকা-৮ আসনটিতে মোটা দাগে বিএনপির একক প্রার্থী হতে পারেন দলের অন্যতম নীতি-নির্ধারক মির্জা আব্বাস। ২০১৮ সালের সবশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন সাবেক এই মন্ত্রী। বহুল আলোচিত ওই নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের কাছে হেরে যান তিনি। ২০১৪ সালে বিএনপি ভোট বর্জন করে। বর্তমানে কারাগারে আছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

আসছে নির্বাচনে মির্জা আব্বাসের প্রার্থিতা সম্পর্কে তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস খবরের কাগজকে বলেন, ‘প্রথমেই বলে নিচ্ছি এখন নির্বাচন নিয়ে কথা বলার সময়‌ না। কারণ অবৈধ সরকার এবং তাদের তাঁবেদার অবৈধ নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো নির্বাচনে বিএনপি যাবে না। অতএব কে সম্ভাব্য প্রার্থী, কে সম্ভাব্য প্রার্থী নয়, এটি এখন কোনো আলোচ্য বিষয়‌ই নয়।’
 
জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের এই সভাপতি আরও বলেন, ‘বর্তমান অবৈধ সরকার বিএনপির প্রত্যেকটি সম্ভাব্য প্রার্থীকেই নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার জন্য বেআইনিভাবে মিথ্যা বিচার করে মিথ্যা সাজা দিচ্ছে। আর এদিকে আরেকটি পাতানো নির্বাচনের পাঁয়তারা করছে, এগুলোই হচ্ছে আলোচনা ও প্রতিবাদের বিষয়।’

এর আগে ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই সংসদীয় এলাকা থেকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল। রংপুরে জন্ম হলেও এখন ঢাকার বাসিন্দা সোহেল। বিশেষ কোনো কারণে মির্জা আব্বাস নির্বাচন না করলে সেক্ষেত্রে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক এই সভাপতিকে এই আসনে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে আত্মগোপনে থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি সাবেক এই ছাত্রনেতার। বিএনপি নেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলা তার বিরুদ্ধে। এই সংখ্যা ৪৫১।
 
২০০১ সালে এই আসনের এমপি হয়েছিলেন প্রয়াত বিএনপি নেতা ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু। রাজনৈতিক গুরু হিসেবে পরিচিত হাজী সেলিমকে পরাজিত করেন তিনি। 

ঢাকা-৯: রাজধানীর মুগদা-সবুজবাগ থানা নিয়ে ঢাকা ৯ আসন। পুরো এলাকায় একচেটিয়া আধিপত্য নৌকার প্রার্থী বর্তমান এমপি সাবের হোসেন চৌধুরীর। স্থানীয় দুই কাউন্সিলরের সঙ্গে কথা বলে এমনটিই জানা গেছে। তবে বক্তব্য নেওয়ার জন্য সাবের হোসেনকে ফোন করলে তিনি রিসিভ করেননি। মেসেজ পাঠালে তার উত্তরও দেননি। 

বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে মূলত দুজন হেভিওয়েট প্রার্থী। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিব। এ ছাড়াও মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শিরীন সুলতানার নামও আলোচনায় রয়েছে। ২০০৮ সালে তিনি বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। ২০১৮ সালে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন আফরোজা আব্বাস। তবে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা। এসব মামলার বিচারকাজও এগোচ্ছে দ্রুতগতিতে। তাই আইনি জটিলতা এড়াতে বিকল্প প্রার্থীও দেখা যেতে পারে বলে বিএনপি সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দলীয় সরকারের অধীনে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না। শীর্ষ নেতাদের কারাগারে রেখে ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাওয়ার কোনো চিন্তাভাবনা আপাতত তাদের নেই। আগে এক দফা দাবি আদায়, এরপর নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও নির্বাচনের আসন নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে। তবে কেউ কেউ বলছেন, ঢাকা-৮ ও ঢাকা-৯-এ ‘মির্জা আব্বাস এবং আফরোজা আব্বাসের বিকল্প কোনো প্রার্থী নেই।’ দল যদি নির্বাচনে যায়, তাহলে দুজনই মনোনয়ন পাবেন।

মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস খবরের কাগজকে বলেন, ‘সর্বপ্রথম এই অবৈধ সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। এ ছাড়া অন্য কোনো কথা নেই।’ 
তিনি আরও বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ গৃহবন্দি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। অতএব নির্বাচন নিয়ে কথা বলা কিংবা কে সম্ভাব্য প্রার্থী এসব প্রশ্ন এই মুহূর্তে একেবারেই অবান্তর।’ বিএনপির অন্য প্রার্থীদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

ঢাকা-৯ আসনে আওয়ামী লীগ চারবার জয়লাভ করেছে। বিএনপি তিনবার। ১৯৯১ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বিজয়ী হন। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে ধানের শীষ প্রতীকে জয়ী হন খন্দকার মাহবুবউদ্দিন আহমাদ। ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হন সাবের হোসেন চৌধুরী। আর ২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করেছিল বিএনপি।

সালমান/

শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:৪৬ পিএম
শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল
ছবি: সংগৃহীত

শরীয়তপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী অঙ্গসংগঠনগুলোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দলটির নেতা-কর্মীরা।

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের প্রেমতলা এলাকায় এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এসময় পুরো মিছিলটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে দেখানো হয়। ইতোমধ্যে ভিডিওটি বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন লোক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী অঙ্গসংগঠনগুলোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন। জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলটি করা হয়। মিছিলের সামনে একজন জাতীয় পতাকা বহন করছেন এবং তার পেছনে ব্যানার হাতে নেতা-কর্মীরা সড়ক প্রদক্ষিণ করছেন। এ সময় তারা শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। 

পাশাপাশি শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুর পক্ষেও স্লোগান দিতে শোনা যায়। পুরো মিছিলটি জেলা মোটরশ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পালং ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য শেখ সেলিমের ফেসবুক আইডি থেকে সরাসরি দেখানো হয়। ইতোমধ্যে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম বলেন, বিষয়টি আমিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি। দুপুরের দিকে প্রেমতলা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

বিধান মজুমদার/রিফাত/

তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম
তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের
জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

দেশে চলমান চরম অর্থনৈতিক মন্দা, কর্মসংস্থানহীন বাজেট এবং জ্বালানি সংকটের কারণে তীব্র খাদ্য সংকট ও দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ এবং জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে দলীয় নেতা-কর্মীদের সাধারণ মানুষের পাশে ‘সৈনিক’ হিসেবে সংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। 

শনিবার (৬ জুন) দলের এক প্রয়াত নেতার স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

কৃষি খাতের সংকটের কথা উল্লেখ করে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিশ্ববাজারে সংকটের কারণে দেশে সার আমদানিতে জটিলতা দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎ, তেল ও সারের অভাবে শীতকালীন সেচ ও উৎপাদন ব্যাহত হলে দেশে তীব্র খাদ্য সংকট এবং দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে। অর্থনৈতিক মন্দা ও সামাজিক অনিশ্চয়তার কারণে দেশ চরম নৈরাজ্যের দিকে যাচ্ছে।’

দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতের চরম অবনতির চিত্র তুলে ধরে জি এম কাদের বলেন, ‘মানুষ চাকরি হারাচ্ছে, মিল-কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির এবং সাধারণ মানুষের আয় সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ ও তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে, যা সামনে আরও বাড়বে। নতুন বাজেটে কর্মসংস্থানের কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। মানুষ যদি খেতে না পারে, কথা বলতে না পারে, তবে তারা কীভাবে বাঁচবে?’

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয় পার্টির অতীত সুশাসনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতীয় পার্টির আমলে দেশে শান্তি ও সুশাসন ছিল, মানুষের জীবনযাত্রায় কোনো ভয়ভীতি বা অনিশ্চয়তা ছিল না। জনগণ আজ আবারও জাতীয় পার্টির সেই স্থিতিশীল শাসনের কথা মনে করছে।’

রাজনৈতিক অঙ্গনে চলমান অস্থিরতার মধ্যে দলীয় সাংগঠনিক অবস্থান জোরদার করার তাগিদ দিতে গিয়ে জাপা চেয়ারম্যান দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। জি এম কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন পরিষ্কারভাবে দুটি খণ্ডে বিভক্ত হয়ে গেছে। এক পক্ষ সাধারণ মানুষের ওপর পাকিস্তান আমলের মতো সাম্প্রদায়িক রাজনীতি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে, ভিন্ন মতাবলম্বীদের দোসর বা দালাল আখ্যা দিয়ে নাজেহাল করছে। তারা সাধারণ জীবনযাপনে বাধা সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে, নির্যাতিত মজলুম মানুষও এর বিরুদ্ধে আস্তে আস্তে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।’

দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ সমস্ত ওয়ার্ড ও থানার কমিটিগুলো পুনর্গঠন করতে হবে এবং সেখানে তরুণ ও ত্যাগী নেতৃত্বকে প্রাধান্য দিতে হবে।

মাঠপর্যায়ে সাতটি টিম কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনীতি সামনের দিকে অনিশ্চিত ও অস্থির। এই পরিস্থিতিতে জনগণ জাতীয় পার্টির দিকে তাকিয়ে আছে। কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে আমাদের সুসংগঠিত সৈনিক প্রয়োজন। দেশের স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের সংগ্রামে শামিল হতে হবে।’

জয়ন্ত সাহা/রিফাত/

লালমনিরহাটে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পর রাতেই গ্রেপ্তার ১৫

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম
লালমনিরহাটে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পর রাতেই গ্রেপ্তার ১৫
ছবি: খবরের কাগজ

লালমনিরহাটে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১৫ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোতালেব হোসেন এবং একটি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষও রয়েছেন। 

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার জুমার নামাজের পর জেলা শহরে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হঠাৎ একটি ঝটিকা মিছিল বের করেন। মিছিলের পরপরই পুলিশ জেলার বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। অভিযানে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন সহিংস ঘটনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নাম উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া কয়েকটি মামলায় তারা অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবেও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

লালমনিরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহাদাত হোসেন সুমন বলেন, ‘জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জনস্বার্থে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

বকুল/রিফাত/

জনস্বার্থে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল করুন: বাংলাদেশ ন্যাপ

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম
জনস্বার্থে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল করুন: বাংলাদেশ ন্যাপ
ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে গণবিরোধী আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ন্যাপ) বলেছে, ২০ শতাংশ বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনদুর্ভোগকে আরও তীব্র করে তুলবে। একই সঙ্গে জনস্বার্থে এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছে দলটি।

শনিবার (৬ জুন) বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানান।

তারা বলেন, ‘সরকারের বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অন্যায্য ও গণবিরোধী। ভোক্তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, বিদ্যুতের মূল্যহ্রাসের জন্য গণশুনানির আয়োজন করা হোক। বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বিদ্যুতের মূল্য কমানোর বিকল্প পথের সন্ধান করা যেতে পারে। যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে কোনো যৌক্তিক কারণে মূল্য সমন্বয়ের প্রয়োজন হলে তা বিবেচনা করা যেতে পারে। কিন্তু বিইআরসি ও সরকার সে পথে না হেঁটে মূল্যবৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষের পকেট কাটার অনৈতিক, অযৌক্তিক ও গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘সম্প্রতি বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণায় দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। এমন এক সময়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কর্মসংস্থানের সংকট এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের কারণে মানুষ নানামুখী চাপের মধ্যে রয়েছে। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি শুধু গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা সৃষ্টি করবে না, বরং এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও জনজীবনের ওপরও পড়বে।’

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সমালোচনা করে তারা বলেন, ‘চলতি বছরই সরকারের বিদ্যুৎমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করা হবে না। কিন্তু মাত্র তিন মাস পার হতে না হতেই সিলিন্ডার গ্যাসের মূল্য ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা বৃদ্ধি করা হলো এবং বিদ্যুতের দামও প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ানো হলো। এতে প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বে। বিদ্যুৎ খাতে সিস্টেম লস ও ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও দুর্নীতি বন্ধ না করে সাধারণ মানুষের পকেট কেটে সেই ঘাটতি পূরণের চেষ্টা চলছে।’

আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের শর্ত পূরণের জন্য এই মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে উল্লেখ করে নেতৃদ্বয় বলেন, ‘আমরা আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংকের গোলাম নই। তাদের কথায় বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করে জনগণের দুঃখ-কষ্ট বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। জনমত উপেক্ষা করে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি দেশবাসীকে হতবাক ও উদ্বিগ্ন করেছে। এরই মধ্যে সরকার দুবার জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করেছে। এখন আবার বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করা হলো। এর ফলে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার মূল্যও বেড়ে যাবে, যার চাপ সাধারণ মানুষের ঘাড়েই এসে পড়বে।’

দলটির নেতারা অবিলম্বে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার অথবা পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে বলেন, ‘জনগণের কল্যাণ ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকারকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তোলে- এমন কোনো পদক্ষেপ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিরত থাকতে হবে।’

অমিয়/

বিএনপি তিন মাসে অজনপ্রিয় সরকারে পরিণত হয়েছে: আসিফ মাহমুদ

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৫৬ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
বিএনপি তিন মাসে অজনপ্রিয় সরকারে পরিণত হয়েছে: আসিফ মাহমুদ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া। ছবি: খবরের কাগজ

বিএনপি তিন মাসে তাদের সাংগঠনিক অদক্ষতা ও রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে একটি অজনপ্রিয় সরকারে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া।

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে কুমিল্লার একটি কনভেনশন হলরুমে কুমিল্লা এনসিপির উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া আরও বলেন, ‘নির্বাচনের পূর্বে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত হত্যা, ধর্ষণ, আন্দোলন বা অন্য কোনো ঘটনা ঘটলেই বলা হতো নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু নির্বাচিত সরকারের আমলে এসব ঘটনা দিন দিন আরও বেড়ে চলেছে। তারা বলেছিল, ক্ষমতায় গেলে দুই বছর বিদ্যুতের দাম বাড়াবে না। কিন্তু ক্ষমতায় আসার দুই মাসের মধ্যেই বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়লে দ্রব্যমূল্যও বাড়বে। গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ যে পরিমাণ দাম বাড়ায়নি, তারা মাত্র তিন মাসে ক্ষমতায় এসে তার চেয়েও বেশি দাম বাড়িয়েছে।’

যোগদান অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী তারিকুল ইসলাম, জাতীয় ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত রশিদ এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

পরে কুমিল্লা নগরী, বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন থেকে আসা অন্তত ১০০ জন নেতা-কর্মী এনসিপিতে যোগদান করেন।

জহির শান্ত/রিফাত/