ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাজেট অধিবেশন বসছে আজ দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী দৌলতদিয়া ফেরিতে বাস দুর্ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল মধুখালীতে জাল সনদে মাদরাসায় চাকরির অভিযোগ তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর গাইবান্ধায় ট্রেন থেকে পড়ে পা বিচ্ছিন্ন হওয়া সেই যুবকের মৃত্যু দৈনিক খবরের কাগজের শাকিলা ববিসহ সিলেটের ৬ সাংবাদিকে প্রেস লিগেসি অ্যাওয়ার্ড প্রদান নড়াইলে বাস উল্টে আহত ১৫ দক্ষিণ এশিয়ার মুকুট হারাল বাংলাদেশ নড়াইলে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নিহত ২ সরু একটি আইলই এখন তাদের আশ্রয়স্থল ১২০০ ফুট লম্বা পতাকা নিয়ে ব্রাজিল সমর্থকদের র‍্যালি কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত শহিদ জিয়ার প্রস্তাবে যুদ্ধের নাম হয় ‘মুক্তিযুদ্ধ’: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অথচ বাজেট বরাদ্দ তলানিতে ঢাকায় শুরু হচ্ছে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অধস্তনকে চড় মারায় সিলেটের এক নির্বাচন কর্মকর্তাকে লঘু দণ্ড তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের দেশীয় প্রযুক্তিতে অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করবে সরকার আরেকবার সাফের ফাইনালে ঋতুপর্ণার গোল দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরে মাটির নিচ থেকে উঠছে ধোঁয়া, এলাকায় চাঞ্চল্য চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ সংগঠনের ১৩ জন গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৩ এক টুকরো হৃদয়ের নাম বাংলাদেশ রামিসার  মামলার  দ্রুত রায় মা হচ্ছেন সোহিনী গাজায় ৪৮ ঘণ্টায় নিহত পাঁচজন চামড়া নিয়ে দুর্ভোগ আর দুর্গতির শেষ কোথায়
Nagad desktop

সাক্ষাৎকারে আমিনুল হক মাশরাফি-সাকিবের ব্র্যান্ডভ্যালু ব্যবহার করেছিল স্বৈরাচার

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৫, ১১:১৭ এএম
মাশরাফি-সাকিবের ব্র্যান্ডভ্যালু ব্যবহার করেছিল স্বৈরাচার
আমিনুল হক

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক ছিলেন গোলপোস্টের নিচে অতন্দ্র প্রহরী। ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছেন ২০১০ সালে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হাত ধরে ২০১৪ সালে দলে যোগ দেন। বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক তিনি। মহানগর উত্তরের আগের দুই কমিটিতে সদস্যসচিব ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়ে জেল খেটেছেন চারবার। দেশের চলমান রাজনীতি ও খেলাধুলা এবং বিএনপির ভবিষ্যৎ ভাবনা নিয়ে খবরের কাগজের সঙ্গে কথা বলেছেন আমিনুল হক। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নিজস্ব প্রতিবেদক মো. শফিকুল ইসলাম

খবরের কাগজ: খেলাধুলা নিয়ে বিএনপির ভবিষ্যৎ ভাবনা কী?
আমিনুল: সৃজনশীলতার নামে আমাদের সন্তানদের ওপর আওয়ামী সরকার একটা জুলুম চাপিয়ে দিয়েছিল। মনে হতো, বইয়ের ব্যাগের চাপে পিষ্ট হচ্ছে ছোট বাচ্চারা। আমরা নতুন শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করতে চাই। প্রতিটি স্কুলে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করব। অলিম্পিক ও সাউথইস্ট গেমসে যে ইভেন্টগুলো রয়েছে। বিশেষ করে ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, ব্যাডমিন্টনসহ ৮ থেকে ১০টি খেলা স্কুলে বাধ্যতামূলক করা হবে। বাংলা, ইংরেজি, অঙ্কে যেমন মার্কস পেতে হয়, তেমনি প্রত্যেকটি ইভেন্টের জন্য আলাদা করে মার্কস পেতে হবে। প্রত্যেকটি খেলার জন্য আলাদা শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এই শিক্ষকরা হবেন স্ব-স্ব খেলার ক্ষেত্রে এক্সপার্ট ও জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়। আমরা এমন কাউকে নিয়োগ দেব না, যিনি কখনো সেই খেলা খেলেননি। আগামী দিনে বিএনপির একটা স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই ইউনিভার্সিটির মাধ্যমে স্কুল, মাদ্রাসার খেলাধুলাবিষয়ক শিক্ষক বা প্রশিক্ষকের কোয়ালিটি মেইনটেন করা হবে। মাদ্রাসা ও স্কুলগুলোতে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করলে একদিকে যেমন সুস্থ জাতি গড়ে তোলা যাবে, তেমনি ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অনেক খেলোয়াড় বের হয়ে আসবে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বদ্ধপরিকর। এখানে নতুন করে অনেকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। খেলোয়াড়দের অবসরে যাওয়ার পর কোনো ভবিষ্যৎ নেই। স্পোর্টস ইউনিভার্সিটির মাধ্যমে এখানে আমরা এই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই। ক্রীড়াঙ্গন এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে দলমত নির্বিশেষে জাতিকে একটি জায়গায় নিয়ে আসা যায়। বিএনপির ৩১ দফা রূপরেখায় আমরা আংশিক পরিকল্পনা তুলে ধরেছি।

খবরের কাগজ: আপনি খেলা থেকে অবসর নিয়ে রাজনীতিতে এসেছেন। অনেকে খেলা চলাকালে রাজনীতিতে আসছেন- এ বিষয়টা কীভাবে দেখছেন?
আমিনুল: ফুটবল খেলা থেকে অবসর নিয়েই আমি রাজনীতিতে এসেছি। দলের একজন কর্মী হিসেবে আমার রাজনীতি শুরু। কিন্তু মাশরাফি ও সাকিব রাজনীতি করে নয়, একেবারে ‘রেডিমেড’ হিসেবে এসেছেন। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা তাদের ইমেজ বা ব্র্যান্ডভ্যালু ব্যবহার করেছে। জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলো যখন নির্বাচন বর্জন করল, তখন মাশরাফি-সাকিব বা চলচ্চিত্রের অনেককে এনে হাসিনা বলেছেন, দেখ আমার সঙ্গে এরা আছে। তারা এসেছে অবৈধ সংসদের ৩০০ জনের একজন হয়ে। মাশরাফি-সাকিব শুধু আওয়ামী-বিএনপির না, তারা সারা বাংলাদেশের। চলচ্চিত্র জগতের সবাই কিন্তু সারা বাংলাদেশের। তাদের মাথায় রাখা উচিত ছিল- স্বৈরাচার সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। তারা যেখানে যাচ্ছে সেখানে জনগণের ভোটের কোনো অংশগ্রহণ নেই। ফলে তারা নিজেদের অনেক ছোট করে ফেলেছে। ২০০৯ সালে এমপি হওয়ার সুযোগ আমার কাছেও এসেছিল। আরিফ খান জয় আমার সঙ্গে খেলেছেন, তিনি সুযোগটা লুফে নিয়েছিলেন। কিন্তু আমি খেলোয়াড় থাকায় তখন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাান করেছিলাম।

খবরের কাগজ: ৫ আগস্টের পর মাশরাফি-সাকিবের নামে হত্যা মামলা হয়েছে বিষয়টি কীভাবে দেখছেন?
আমিনুল: ৫ আগস্টের পর যে হত্যা মামলা হয়েছে, সেটা অবশ্যই যৌক্তিক। গত ১৬ বছর বিএনপির হাজার হাজার নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষকে হত্যা, দেশের সম্পদ লুটপাট করেছে আওয়ামী লীগ। জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতা হত্যার দায় তো মাশরাফি-সাকিবের ওপরও অবশ্যই পড়ে। এখন অনেকে তাদের খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করার চেষ্টা করছেন। আমিও চাই না কোনো ক্রীড়াবিদের ওপর নির্যাতন হোক, যেটা আমার ওপর হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, তারা অবৈধ সংসদের ৩০০ জনের একজন ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেবেন রাষ্ট্র ও জনগণ। জুলাই আন্দোলনসহ সব হত্যার বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবে। 

খবরের কাগজ: ঢাকা শহরে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ‘কিশোর গ্যাং’ বৃদ্ধি পাচ্ছে এমন কথা শোনা যাচ্ছে- এ বিষয়ে আপনি কী ভাবছেন?
আমিনুল: কিশোর গ্যাংয়ের ইস্যু জুলাই আন্দোলনে সামনে এসেছে। গত ১৬ বছর ধরে স্বৈরাচারের কমিশনাররা (জনপ্রতিনিধি) এই কিশোর গ্যাং লালনপালন করেছেন। তাদের হাত ধরেই গ্যাংয়ের উৎপত্তি। ৫ আগস্টের পর এই কিশোর গ্যাং অনেক অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু বিএনপি জিরো টলারেন্স দেখিয়ে এটাকে দমনের চেষ্টা করছে। আমরা হাসিনামুক্ত হতে পেরেছি। কিন্তু সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো স্বৈরাচারের দোসরমুক্ত হয়নি। তারা বিভিন্ন জায়গায় বসে আছেন। দোসরদের কারণে কিশোর গ্যাং বলেন বা অন্য অপরাধ বলেন সেগুলো মোকাবিলা করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হচ্ছি। সেনাবাহিনী ও পুলিশ ইতোমধ্যে কিশোর গ্যাংয়ের অনেক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। জনগণের ভোটে আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে ঢাকাসহ সারা দেশে কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করা হবে। 

খবরের কাগজ: আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের শেল্টার দিচ্ছে বিএনপি- এমন অভিযোগ উঠছে। এ বিষয়ে আপনার মতামত কী? 
আমিনুল: এটা সত্য নয়। আওয়ামী লীগ ও তার দোসরদের বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স। আওয়ামী লীগকে শেল্টার দেওয়া বা পুনর্বাসনের কোনো সুযোগ নেই। 

খবরের কাগজ: বিএনপির অনেক নেতা-কর্মী চাঁদাবাজি-দখলের সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে, এমন অপকর্ম এড়ানো যাচ্ছে না কেন?
আমিনুল: চাঁদাবাজি ও দখলের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের অবস্থান জিরো টলারেন্স। আমি আমার জায়গা থেকে জিরো টলারেন্স দেখাচ্ছি। আমার এখানে যত অভিযোগ আসে, তার ১০ শতাংশ সত্যতা পেলেও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিচ্ছি, বহিষ্কার করে দিচ্ছি। শুধু বহিষ্কার নয়, আইনগত ব্যবস্থাও নিচ্ছি। তবে বিএনপির নাম ব্যবহার করেও অনেকে অপকর্ম করছেন। আবার কোথাও বিএনপির কমিটি নেই। কিন্তু কমিটির নামে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে- এমন ঘটনাও অনেক আছে। 

খবরের কাগজ: উত্তর বিএনপি তিন দফায় (২০১৪ সাল থেকে) আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে চলছে, পূর্ণাঙ্গ করতে বাধা কোথায়? 
আমিনুল হক: বিগত সময়ে বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে আমরা ওয়ার্ড কাউন্সিল করেছি। কাউন্সিল করতে গিয়ে মামলা-হামলার শিকার হয়েছি। কিন্তু নেতা-কর্মীদের বাঁচাতে সবার আগে থেকেছি। থানা কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা বাকি আছে। ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার পর বৃহত্তর পরিসরে কাউন্সিল করার মতো পরিবেশ তৈরি হয়েছে। নির্বাচন ও কাউন্সিল সামনে রেখে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

খবরের কাগজ: ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি শক্তিশালী করতে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? 
আমিনুল হক: তৃণমূলকে সুসংগঠিত করতে ৭১টি ওয়ার্ডে কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি নারীদের নিয়ে আলাদা কমিটি গঠন করা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে কমিটির আকার হবে ৫০ জন। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, মসজিদের ইমামদের নিয়ে উপদেষ্টা কমিটি করা হবে। তাদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ কী চান, তরুণরা কী চায় বা স্থানীয় সমস্যাগুলো জানা সম্ভব। ফলে আগামীতে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে চিহ্নিত সমস্যাগুলো সমাধান করা সহজ হবে।

শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১০:৪৬ পিএম
শরীয়তপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল
ছবি: সংগৃহীত

শরীয়তপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী অঙ্গসংগঠনগুলোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দলটির নেতা-কর্মীরা।

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের প্রেমতলা এলাকায় এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এসময় পুরো মিছিলটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে দেখানো হয়। ইতোমধ্যে ভিডিওটি বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন লোক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী অঙ্গসংগঠনগুলোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন। জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলটি করা হয়। মিছিলের সামনে একজন জাতীয় পতাকা বহন করছেন এবং তার পেছনে ব্যানার হাতে নেতা-কর্মীরা সড়ক প্রদক্ষিণ করছেন। এ সময় তারা শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। 

পাশাপাশি শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুর পক্ষেও স্লোগান দিতে শোনা যায়। পুরো মিছিলটি জেলা মোটরশ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পালং ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য শেখ সেলিমের ফেসবুক আইডি থেকে সরাসরি দেখানো হয়। ইতোমধ্যে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম বলেন, বিষয়টি আমিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি। দুপুরের দিকে প্রেমতলা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

বিধান মজুমদার/রিফাত/

তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম
তীব্র অর্থনৈতিক মন্দায় দেশ, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা জাপা চেয়ারম্যানের
জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

দেশে চলমান চরম অর্থনৈতিক মন্দা, কর্মসংস্থানহীন বাজেট এবং জ্বালানি সংকটের কারণে তীব্র খাদ্য সংকট ও দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ এবং জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে দলীয় নেতা-কর্মীদের সাধারণ মানুষের পাশে ‘সৈনিক’ হিসেবে সংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। 

শনিবার (৬ জুন) দলের এক প্রয়াত নেতার স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

কৃষি খাতের সংকটের কথা উল্লেখ করে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিশ্ববাজারে সংকটের কারণে দেশে সার আমদানিতে জটিলতা দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎ, তেল ও সারের অভাবে শীতকালীন সেচ ও উৎপাদন ব্যাহত হলে দেশে তীব্র খাদ্য সংকট এবং দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে। অর্থনৈতিক মন্দা ও সামাজিক অনিশ্চয়তার কারণে দেশ চরম নৈরাজ্যের দিকে যাচ্ছে।’

দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতের চরম অবনতির চিত্র তুলে ধরে জি এম কাদের বলেন, ‘মানুষ চাকরি হারাচ্ছে, মিল-কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির এবং সাধারণ মানুষের আয় সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ ও তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে, যা সামনে আরও বাড়বে। নতুন বাজেটে কর্মসংস্থানের কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। মানুষ যদি খেতে না পারে, কথা বলতে না পারে, তবে তারা কীভাবে বাঁচবে?’

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয় পার্টির অতীত সুশাসনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতীয় পার্টির আমলে দেশে শান্তি ও সুশাসন ছিল, মানুষের জীবনযাত্রায় কোনো ভয়ভীতি বা অনিশ্চয়তা ছিল না। জনগণ আজ আবারও জাতীয় পার্টির সেই স্থিতিশীল শাসনের কথা মনে করছে।’

রাজনৈতিক অঙ্গনে চলমান অস্থিরতার মধ্যে দলীয় সাংগঠনিক অবস্থান জোরদার করার তাগিদ দিতে গিয়ে জাপা চেয়ারম্যান দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। জি এম কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন পরিষ্কারভাবে দুটি খণ্ডে বিভক্ত হয়ে গেছে। এক পক্ষ সাধারণ মানুষের ওপর পাকিস্তান আমলের মতো সাম্প্রদায়িক রাজনীতি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে, ভিন্ন মতাবলম্বীদের দোসর বা দালাল আখ্যা দিয়ে নাজেহাল করছে। তারা সাধারণ জীবনযাপনে বাধা সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে, নির্যাতিত মজলুম মানুষও এর বিরুদ্ধে আস্তে আস্তে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।’

দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ সমস্ত ওয়ার্ড ও থানার কমিটিগুলো পুনর্গঠন করতে হবে এবং সেখানে তরুণ ও ত্যাগী নেতৃত্বকে প্রাধান্য দিতে হবে।

মাঠপর্যায়ে সাতটি টিম কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনীতি সামনের দিকে অনিশ্চিত ও অস্থির। এই পরিস্থিতিতে জনগণ জাতীয় পার্টির দিকে তাকিয়ে আছে। কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে আমাদের সুসংগঠিত সৈনিক প্রয়োজন। দেশের স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের সংগ্রামে শামিল হতে হবে।’

জয়ন্ত সাহা/রিফাত/

লালমনিরহাটে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পর রাতেই গ্রেপ্তার ১৫

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম
লালমনিরহাটে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পর রাতেই গ্রেপ্তার ১৫
ছবি: খবরের কাগজ

লালমনিরহাটে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১৫ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোতালেব হোসেন এবং একটি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষও রয়েছেন। 

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার জুমার নামাজের পর জেলা শহরে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হঠাৎ একটি ঝটিকা মিছিল বের করেন। মিছিলের পরপরই পুলিশ জেলার বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। অভিযানে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন সহিংস ঘটনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নাম উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া কয়েকটি মামলায় তারা অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবেও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

লালমনিরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহাদাত হোসেন সুমন বলেন, ‘জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জনস্বার্থে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

বকুল/রিফাত/

জনস্বার্থে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল করুন: বাংলাদেশ ন্যাপ

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম
জনস্বার্থে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল করুন: বাংলাদেশ ন্যাপ
ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে গণবিরোধী আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ন্যাপ) বলেছে, ২০ শতাংশ বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনদুর্ভোগকে আরও তীব্র করে তুলবে। একই সঙ্গে জনস্বার্থে এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছে দলটি।

শনিবার (৬ জুন) বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানান।

তারা বলেন, ‘সরকারের বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অন্যায্য ও গণবিরোধী। ভোক্তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, বিদ্যুতের মূল্যহ্রাসের জন্য গণশুনানির আয়োজন করা হোক। বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বিদ্যুতের মূল্য কমানোর বিকল্প পথের সন্ধান করা যেতে পারে। যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে কোনো যৌক্তিক কারণে মূল্য সমন্বয়ের প্রয়োজন হলে তা বিবেচনা করা যেতে পারে। কিন্তু বিইআরসি ও সরকার সে পথে না হেঁটে মূল্যবৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষের পকেট কাটার অনৈতিক, অযৌক্তিক ও গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘সম্প্রতি বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণায় দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। এমন এক সময়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কর্মসংস্থানের সংকট এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের কারণে মানুষ নানামুখী চাপের মধ্যে রয়েছে। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি শুধু গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা সৃষ্টি করবে না, বরং এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও জনজীবনের ওপরও পড়বে।’

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সমালোচনা করে তারা বলেন, ‘চলতি বছরই সরকারের বিদ্যুৎমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করা হবে না। কিন্তু মাত্র তিন মাস পার হতে না হতেই সিলিন্ডার গ্যাসের মূল্য ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা বৃদ্ধি করা হলো এবং বিদ্যুতের দামও প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ানো হলো। এতে প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বে। বিদ্যুৎ খাতে সিস্টেম লস ও ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও দুর্নীতি বন্ধ না করে সাধারণ মানুষের পকেট কেটে সেই ঘাটতি পূরণের চেষ্টা চলছে।’

আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের শর্ত পূরণের জন্য এই মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে উল্লেখ করে নেতৃদ্বয় বলেন, ‘আমরা আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংকের গোলাম নই। তাদের কথায় বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করে জনগণের দুঃখ-কষ্ট বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। জনমত উপেক্ষা করে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি দেশবাসীকে হতবাক ও উদ্বিগ্ন করেছে। এরই মধ্যে সরকার দুবার জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করেছে। এখন আবার বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করা হলো। এর ফলে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার মূল্যও বেড়ে যাবে, যার চাপ সাধারণ মানুষের ঘাড়েই এসে পড়বে।’

দলটির নেতারা অবিলম্বে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার অথবা পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে বলেন, ‘জনগণের কল্যাণ ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকারকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তোলে- এমন কোনো পদক্ষেপ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিরত থাকতে হবে।’

অমিয়/

বিএনপি তিন মাসে অজনপ্রিয় সরকারে পরিণত হয়েছে: আসিফ মাহমুদ

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৫৬ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
বিএনপি তিন মাসে অজনপ্রিয় সরকারে পরিণত হয়েছে: আসিফ মাহমুদ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া। ছবি: খবরের কাগজ

বিএনপি তিন মাসে তাদের সাংগঠনিক অদক্ষতা ও রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে একটি অজনপ্রিয় সরকারে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া।

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে কুমিল্লার একটি কনভেনশন হলরুমে কুমিল্লা এনসিপির উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া আরও বলেন, ‘নির্বাচনের পূর্বে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত হত্যা, ধর্ষণ, আন্দোলন বা অন্য কোনো ঘটনা ঘটলেই বলা হতো নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু নির্বাচিত সরকারের আমলে এসব ঘটনা দিন দিন আরও বেড়ে চলেছে। তারা বলেছিল, ক্ষমতায় গেলে দুই বছর বিদ্যুতের দাম বাড়াবে না। কিন্তু ক্ষমতায় আসার দুই মাসের মধ্যেই বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়লে দ্রব্যমূল্যও বাড়বে। গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ যে পরিমাণ দাম বাড়ায়নি, তারা মাত্র তিন মাসে ক্ষমতায় এসে তার চেয়েও বেশি দাম বাড়িয়েছে।’

যোগদান অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী তারিকুল ইসলাম, জাতীয় ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত রশিদ এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

পরে কুমিল্লা নগরী, বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন থেকে আসা অন্তত ১০০ জন নেতা-কর্মী এনসিপিতে যোগদান করেন।

জহির শান্ত/রিফাত/