ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মোস্তফা কামালের বিষাদ বসুধা স্বাধীনতার অবিনাশী ছাত্র ও যুব নেতৃত্ব চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: জীবনযাত্রা হবে আরও ব্যয়বহুল বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নেইমারকে ছাড়াই খেলবে ব্রাজিল সুন্দর পুরুষ টিভিতে আজকের খেলা কেমন হবে মুমিনের হজ-পরবর্তী জীবন জীবন একদিন শেষ হয়ে যায়! ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩ বিষাদ-বেদনার আঙুলে চুমো খাও নির্বাচনের খরা কাটল মাসুদুজ্জামানের শান্তি নিদ্রা আব্বার সেই ম্লান হাসিটা আমাকে তাড়া করে বেড়িয়েছে বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ পানির বোতল চুয়াডাঙ্গায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত যে বই কেউ ছাপতে চায়নি সেই বইয়ের বুকার জয় কেরানীগঞ্জে শ্রমিকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে ভর্তি আরও ১৯ শিশু বেড়েছে মুরগি, কাঁচা মরিচ-কাঁচা পেঁপের দাম বাতাসে যেন আগুনের হলকা, কষ্টে প্রাণিকুল তিন ক্যাটাগরিতে রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস পেল এপেক্স ফুটওয়্যার গোপালগঞ্জে ইজিবাইকচাপায় স্কুলছাত্র নিহত দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে চুয়াডাঙ্গায় পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার খুলনায় হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড় শাহরাস্তিতে ১৮ মামলার আসামি ‘সাদা আনোয়ার’ গ্রেপ্তার গোপালগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, নিহত ২ ৬ ঘণ্টা পরে ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম-সিলেটের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
Nagad desktop

শোকজের জবাব দিলেন ফজলুর রহমান

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৫, ০৬:৪৭ পিএম
আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৫, ০৭:০৬ পিএম
শোকজের জবাব দিলেন ফজলুর রহমান
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) দেওয়া শোকজের জবাব দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বরাবর লিখিত জবাব দেন ফজলুর রহমান।

এতে তিনি বলেন, আমার সালাম ও শুভেচ্ছা নিবেন। বিগত ২৪-০৮-২০২৫ ইং রাত ৯.০০ ঘটিকায় আপনার স্বাক্ষরিত একটি ‘‘কারণ দর্শানোর নোটি’’ আমি হাতে পেয়েছি এবং যথাসময়ে নোটিশের জবাবের সময় বৃদ্ধি করার জন্য আমি আবেদন করি এবং আপনি আমাকে ২৪ ঘণ্টা সময় বৃদ্ধি করেছেন সে জন্য ধন্যবাদ।

যেহেতু আপনার শোকজ নোটিশে আমার নিকট থেকে একত্রে সবকিছু জানতে চেয়েছেন তাই অভিযোগের উত্তরগুলো আমি একত্রেই দিচ্ছি।

(ক) আপনি জানতে চেয়েছেন জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে কেন আমি ক্রমাগত কুরুচিপূর্ণ এবং বিব্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছি। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে এই অভিযোগটি অস্বীকার করে আমি বলতে চাই আমি কোনোদিন কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেই নাই যা আমার স্বভাব ও চরিত্রের বিপরীতে। আমিই প্রথম ২০২৪ইং সনের ১৬ই জুলাই রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ আবু সাইদকে পুলিশ সরাসরি বুকে গুলি করে হত্যা করার পর বলেছিলাম সে এই একুশ শতাব্দির প্রথম "বীরশ্রেষ্ঠ"। আমার বক্তব্যে জুলাই-আগস্ট শহিদদের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা জানিয়ে আসছি।

(খ) আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে আমি নাকি জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে কথা বলেছি যা আমার দৃঢ় ধর্ম বিশ্বাসের প্রতি অবিচার। আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই, আমি ইসলাম ধর্ম এবং আল্লাহ-রাসূলে বিশ্বাসী ব্যক্তি। তবে রাজনৈতিকভাবে ধর্ম ব্যবসায়ীদের (যেমন জামাতে ইসলামী) বিরুদ্ধে চিরদিন কথা বলেছি, আগামীতেও বলব।

দলের নেতৃবৃন্দের সু-বিবেচনার স্বার্থে আমি নিম্নলিখিত বক্তব্যগুলো পেশ করতে চাই।

১) কোটাবিরোধী আন্দোলন যখন ছাত্রদের নেতৃত্বে প্রথম শুরু হয়েছিল তা ছিল নির্দলীয় চরিত্রের এবং রাজনৈতিক দাবি বিবর্জিত। আমিই প্রথম তাদেরকে ইউটিউবের মাধ্যমে উৎসাহ দিয়ে বক্তব্য দিয়েছিলাম, ‘‘বাবারা তোমরা শুধু চাকরি চাও, গণতন্ত্র চাও না? তোমরা গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করো’’।

২) জুলাই আন্দোলনের পরতে পরতে সমস্ত কিছুর সঙ্গে জীবনের শঙ্কা নিয়েও যুক্ত ছিলাম যা আমার দল এবং এ দেশের সমস্ত মানুষ জানে।

৩) ২০২৩ই সনের ২৮শে অক্টোবরে বিএনপির আহুত লাখ লাখ জনতার মহা সমাবেশকে স্বৈরাচারী সরকার এক ঘণ্টার আক্রমণে ভেঙে দিয়েছিল। পঁচিশ হাজারেরও বেশি নেতা-কর্মী যখন জেলে ছিল, লাখ লাখ নেতাকর্মী যখন মিথ্যা মামলার আবর্তে পড়ে জীবন বাচাঁনোর জন্য প্রাণপন চেষ্টা করছিল, জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আমি তখন প্রতিদিন অনলাইন এবং টেলিভিশন টকশোর মাধ্যমে নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত করেছি এবং জাতির সামনে আশার আলো জাগিয়ে রেখেছি।

8) ৫ আগস্ট আন্দোলনের বিজয়ের মাধ্যমে শেখ হাসিনাসহ ফ্যাসিস্ট শক্তি পালিয়ে গেল এবং জনগণ বিজয়ী হলো, আমি সেই সময়ে সবচেয়ে বেশী খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু এর কিছু দিন পরই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা সারজিস আলম ‘‘ইসলামী ছাত্র শিবিরের’’ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সম্মেলনে দাঁড়িয়ে দৃপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা করল ‘‘জামাত শিবিরই ছিল জুলাই আন্দোলনের মূল ভ্যানগার্ড’’। আমি সেদিনই প্রমাদ গুনলাম এবং আন্দোলনের সমস্ত বিজয়কে তারা নিজেদের মধ্যে কুক্ষিগত করল।

৫) আমি জামাত শিবির ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের এই অনৈতিক দাবির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে শতবার বলেছি। বিগত ১৫ বছরের আন্দোলনে জমিটি তৈরি করেছিল বিএনপি, বীজ এবং চারা রোপন করেছিল বিএনপি, তৈল-মবিল-পানি দিয়ে ধান ফলিয়েছিল বিএনপি কিন্তু ধান কাটার লগ্নে ছাত্র আন্দোলনের নেতারা সেই তৈরি ধানটি কেটে দিয়েছিল। তারা ছিল আমার ভাষায় ‘দাওয়াল’, কাজেই আন্দোলনের সমস্ত ফসল পাওয়ার দাবিটি অনুচিত।

কিন্তু পরবর্তী সময়ে অবাক বিস্ময়ে সবাই দেখল ৭১ এর পরাজিত শক্তি জামাত শিবির স্বদর্পে মাঠে হাজির হয়েছে এবং দাবি করছে সমস্ত আন্দোলনের ভ্যানগার্ড তারাই এবং শুধু একটা নির্বাচনের জন্যই তারা আন্দোলন করেনি বরং ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকারের মতো দুঃসাহস তারা প্রদর্শন করতে লাগল। জামাত শিবিরের পত্রিকার আহব্বান জানানো হলে ‘‘৭১ এ যারা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছিল তারা আল্লাহর কাছে মাফ চাও’’ (সূত্র: বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা)। সেদিন থেকে বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে 'মুক্তিযোদ্ধা' হিসেবে তাদেরকে সাবধান করার চেষ্টা করেছি।

৭) এর পর থেকে জামাত শিবির এবং এনসিপি একসাথে বলতে শুরু করল ১৯৪৭ হলো প্রথম স্বাধীনতা এবং ২০২৪ হলো দ্বিতীয় স্বাধীনতা, আর ১৯৭১ হলো ভাইয়ে ভাইয়ে ঝগড়া (সূত্র: বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা)। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মনে হলো এসব অশ্রাব্য এবং মিথ্যা তথ্য শোনার আগে আমার মৃত্যু হওয়া উচিত ছিল। তাই জীবন-মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধের সত্য কথাগুলো বলতে শুরু করলাম এবং জামাত শিবিরকে 'কালো শক্তি' চিহ্নিত করে এনসিপিকে তাদের সহযোগী বলতে শুরু করলাম। তারাই এখন দেশের সমস্ত প্রশাসন, অর্থ এবং বিশ্ববিদ্যালয় দখল করেছে।

৮) আমি সবশেষে বলতে চাই, মানুষ এখন বুঝতে শুরু করেছে জুলাই আন্দোলনের দু’টি রূপ ছিল। প্রথমতো ‘বিএনপি-সহ জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতৃত্বে গণ-আন্দোলন’ যার লক্ষ্য ছিল ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকারকে পরাজিত করে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত করা। যার প্রধান স্লোগান ছিল 'এক দফা 'এক দাবি হাসিনা তুই কবে যাবি'। কিন্তু আমি যাদেরকে অন্ধকারের 'কালো শক্তি' বলেছি তারা হলো জামাত শিবির যারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে গণ আন্দোলনের ফসলকে কুক্ষিগত করে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে নতুন ষড়যন্ত্র এবং শক্তি সৃষ্টি করছে। জাতীয় নির্বাচন তাদের নিকট গৌন ব্যাপার।

৯) আমার প্রিয় দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযুদ্ধের মহান ঘোষক ‘মেজর জিয়া’ পরবর্তী সময়ে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দেশের সবচাইতে বৃহৎ রাজনৈতিক দল। তার মহান স্মৃতিকে শ্রদ্ধা এবং স্মরণ করেই আমি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এই অপশক্তির বিরুদ্ধে নিরন্তর কথা বলা এবং প্রতিবাদ করাকে আমার পবিত্র দায়িত্ব বলে মনে করি। গত ৬ মাস ধরে এ ব্যাপারে আমি শত শত বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছি, এর মধ্যে দু’একটা বক্তব্যে আমার কিছু ভুল ত্রুটিও থাকতে পারে কারণ আমি তো মানুষ। আমি আরও দাবি করতে চাই, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার অন্যায়ভাবে কারাগারে নিক্ষেপ করার পরে আমি স্বৈরাচারী সরকারের রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে আমি আমার নেত্রীর মুক্তির জন্য সমগ্র বাংলাদেশে শত শত সভা ও জনসভায় বক্তব্য রেখেছি। এমনকি ইদানিংকালে একটি দুর্ভাগ্যজনক হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে আমাদের প্রিয় নেতা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এমন জঘন্যতম কুৎসিত স্লোগান দিয়ে তাকে রাজনৈতিকভাবে অপমান করা হচ্ছিল, যার উদাহরণ "গাছের ডালে কাউয়া"। তখন আমিই প্রথম ইউটিউব চ্যানেল পুর্নিয়াতে কঠিনভাবে এর বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য দিয়েছিলাম।

১০) আমার সার্বিক বক্তব্য উপস্থাপনায়, যদি প্রমাণিত হয় আমি কোনো ভুল বক্তব্য দিয়েছি তবে আমি দুঃখ প্রকাশ করব।

১১) আমার প্রিয় দল বিএনপির কোনো ক্ষতি হয় এমন কোনো কথা ও কাজ আমি করিনি এবং করবও না। জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বের বিচার বিবেচনার প্রতি আমার সর্বোচ্চ আস্থা আছে, আশা করি আমি সুবিচার পাব এবং দলের বৃহত্তর স্বার্থে যেকোনো সিদ্ধান্তের প্রতি সর্বদাই অনুগত থাকব।

মেহেদী/

তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: নজরুল ইসলাম

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:৫০ পিএম
তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: নজরুল ইসলাম
ছবি: খবরের কাগজ

তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকালে দফায় দফায় তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের উত্তর গেইটে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। 

সভাপতির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম বলেন, জাতীয় সংসদ বা সংসদীয় কমিটিতে কোনো আলোচনা ছাড়াই বাজেট ঘোষণার পূর্বে সরকার দফায় দফায় জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে একটি খারাপ নজির স্থাপন করেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে জনদুর্ভোগ বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশেরও বেশি। ভোক্তা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম প্রায় ১৬.৭ শতাংশ, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ১২ কেজি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য প্রায় ১ হাজার ৯০০ টাকায় পৌঁছানোয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় বাজারে মোটা চাল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং সরু চাল ৭৫ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট ও ডালের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। মাছ, মাংস, ডিম ও আলু ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজি এবং অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে কৃষিতে উৎপাদন খরচ এবং গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে শিল্প ও কৃষি উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়বে, যা ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষি খাতে স্থবিরতা সৃষ্টি করবে। এর প্রভাব হিসেবে চাল, ডাল, তেলসহ সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আরও বৃদ্ধি পাবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যুৎ খাতের সীমাহীন দুর্নীতি, অপচয় এবং কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ক্যাপাসিটি চার্জের নামে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের খেসারত দিতেই বারবার জনগণের ওপর মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপানো হচ্ছে। জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা থাকলে এমন অমানবিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হতো না।

সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জামাল খান প্রেস ক্লাবে এসে শেষ হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান, নগর কর্মপরিষদ সদস্য হামেদ হাসান এলাহী, আমির হোসাইন, ড. আ ম ম মসরুর হোসাইন, সদরঘাট থানা আমীর এম এ গফুর, চকবাজার থানা আমীর আহমেদ খালেদুল আনোয়ার, পাঁচলাইশ থানা আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমি, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরীর সহ-সভাপতি মকবুল আহমেদ প্রমুখ। 

এসএন/

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে: জি এম কাদের

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:২০ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে: জি এম কাদের
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ একটি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর গুলশানে একটি কনভেনশন হলে জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তর নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভা ও ঈদ পুনর্মিলনীর অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

জিএম কাদের বলেন, ‘জাতি আজ এক চরম বিপদের দিকে ধাবিত হচ্ছে। বর্তমান সরকার এটি কতটুকু বুঝতে পারছে জানি না, তবে তারা সঠিকভাবে অনুমান করতে পারছে না। দেশ এখন সুস্পষ্টভাবে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে এবং দুই পক্ষ এখন মুখোমুখি সংঘর্ষের দিকে যাচ্ছে।’

জুলাই আন্দোলনের পরবর্তী পরিস্থিতি ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘একটি পক্ষ স্বাধীনতাবিরোধী ধ্যান-ধারণা প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। তারা ৭১ ও ২৪-এর ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। দেশের তরুণ সমাজকে অর্থ দিয়ে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। আমরা কোনো অবস্থাতেই এই অপরাজনীতি সফল হতে দেব না।’

জাতীয় পার্টির ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে জি এম কাদের বলেন, ‘জাতীয় পার্টি আর কোনো সুবিধাবাদী বা আপসের রাজনীতি করবে না। ৮-১০টি সিট বা মন্ত্রী হওয়ার রাজনীতি করার দিন শেষ। এখন থেকে আমরা দেশের ৩০০ আসনেই লড়াই করার প্রস্তুতি নেব। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে মাঠে দাঁড়াতে হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি নিয়ে নিজের এক বিশ্লেষণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে। ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ মানুষ এই নির্বাচন বর্জন করেছে। জনগণ বর্তমান সরকার বা কোনো দলের ওপরই আস্থা রাখেনি।’

জাপাকে ‘ফিনিক্স পাখি’র সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘৯১ সাল থেকে প্রতিটি নির্বাচনের আগে বলা হয়েছে জাতীয় পার্টি শেষ। কিন্তু জাপা ধ্বংসস্তূপ থেকে বারবার পুনর্জন্ম নিয়ে ফিরে এসেছে। এবারও আমাদের শেষ করার চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু জাতীয় পার্টি শেষ হয়নি।’

ঢাকা মহানগর উত্তর জাপার আহ্বায়ক এ এন এম রফিকুল ইসলাম সেলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আবদুস সবুর আসুদ, শেরীফা কাদের ও নুরুন নাহার বেগম।

জয়ন্ত/সালমান/

দীপেন দেওয়ানকে পুনর্বহালের দাবি সাবেক প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০২:৪৮ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
দীপেন দেওয়ানকে পুনর্বহালের দাবি সাবেক প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর
ছবি: খবরের কাগজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ভোটের লড়াইয়ের বিভেদ ভুলে, পদত্যাগ করা পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে  পুনর্বহাল দাবি করেছেন তার সাবেক দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী।

প্রার্থী পহেল চাকমা ও আবুল বাশার অভিযোগ করেন, দলীয় কোন্দলের কারণেই দীপেন দেওয়ানকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে রাঙামাটি শহরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন ডেকে এই দাবি জানান পহেল চাকমা ও আবুল বাশার।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতজন প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে পহেল চাকমা পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন ইউপডিএফ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং আবুল বাশার গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে পহেল চাকমা বলেন, ‘দীপেন দেওয়ান রেকর্ড সংখ্যক ভোট পেয়ে পার্বত্য মন্ত্রী হয়েছিলেন। ওনাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা চাই সসম্মানে উনাকে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়া হোক।’

আবুল বাশার বলেন, ‘আমাদের আবেদন থাকবে দীপেন দেওয়ানকে পুনরায় তার মন্ত্রীত্ব ফিরিয়ে দিক। সুষম বণ্টনের মাধ্যমে পাহাড়ি-বাঙালি সবার মাঝে উন্নয়নের জোয়ার হিসেবে আমরা রাঙামাটিবাসী তাকে ফিরে পেতে চাই।’

জিয়াউর রহমান/খাদিজা রুমি/

শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫০

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৪২ পিএম
শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫০
ছবি: খবরের কাগজ

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংর্ঘষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে সাত জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদরকে ফরিদপুর ও কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের ইউপি সদস্য কফিল উদ্দিন ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এর জেরে সকালে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেধে যায়।

এসময় দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্র, ইটপাটকেল ও লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির মোল্লা জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন আছে এবং এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

মাহফুজুর/আমান

যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা, পদ পেলেন যারা

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:২৬ পিএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৫২ পিএম
যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা, পদ পেলেন যারা
জাতীয়তাবাদী যুবদল

বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কমিটির মোট সদস্য ১৫১ জন। নতুন কমিটিতে আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে ২০২৪ সালে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং নুরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে যুবদলের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল।

পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে যারা স্থান পেয়েছেন-

সভাপতি

আবদুল মোনায়েম মুন্না

সিনিয়র সহসভাপতি

রেজাউল কবীর পল

সহসভাপতি

জিয়াউর রহমান জিয়া
কামাল আনোয়ার আহাম্মদ
মাহফুজুর রহমান মাহফুজ
জাহাঙ্গীর আলম দুলাল
শাহ আলম চৌধুরী
সাইদুর রহমান
সাব্বির আহমেদ দিপু
আবদুল জব্বার খান
খন্দকার এনামুল হক এনাম
শরীফ উদ্দীন জুয়েল
ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ
রফিক আহমেদ ডলার
সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু
মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ
মাহমুদুস সালেহীন
আতিকুর রহমান আতিক
জাকির হোসেন উজ্জল
এইচএম তসলিম উদ্দিন
নাজমুল আলম নাজু
মো. আনোয়ারুল হক
আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র)
রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য)
ফেরদৌস আহমেদ মুন্না
তরিকুল ইসলাম টিটু
ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
মঞ্জুরুল আজিম সুমন
আজিজুর রহমান আকন্দ
নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে)

সাধারণ সম্পাদক

মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন

১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক

বিল্লাল হোসেন তারেক

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক

মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মনিরুল ইসলাম সোহাগ
আবু আতিক আল হাসান মিন্টু
শাহ নাসির উদ্দিন রুমন
কফিল উদ্দিন ভূইয়া
মঈনুদ্দীন রুবেল
আজহারুল ইসলাম মিলন
এজমল হোসেন পাইলট
ইখতিয়ার রহমান কবির
রবিউল ইসলাম নয়ন
সাজ্জাদুল মিরাজ
মিঞা মোহাম্মদ রাসেল
আবদুল করিম সরকার
শফিকুল ইসলাম শফিক
গোলাম মোস্তফা
আবুল মনসুর খান দীপক
খন্দকার আল আশরাফ মামুন
আইয়ুব খান
শামসুজ্জোহা সুমন
তারেক উজ জামান তারেক
শোয়াইব খন্দকার
আশরাফুর রহমান বাবু
আসাদুজ্জামান আসাদ
মো. আবদুল ওয়াহাব
হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব)
এম তমাল আহমেদ
সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম
মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে)

সহ সাধারণ সম্পাদক

হাসান আল মামুন লিমন
মাসুদ খান পারভেজ
এন এম আব্দুল্লাহ উজ্জল
মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ
গিয়াসউদ্দিন মামুন
মামুন হোসেন ভূইয়া
রাহাদুল আলম খান
রুহুল ইসলাম মনি
জাহিদ হাসান
আবু বকর সিদ্দিক পাভেল
খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন
সাখাওয়াত হোসেন চয়ন
মাহবুবুর রহমান পলাশ
আরিফুল হক আরিফ
প্রকৌ. কামরুল হাসান খান সাইফুল
মাহবুবুর রহমান
আলমগীর কবির সেলিম
মজিবর রহমান ভূইয়া সবুজ
অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান জুয়েল
মো. মাসুদুল হক
সাহাবুদ্দিন মুন্না
সামসুল আলম রানা
আবুল বাসার সিদ্দিকী

সাংগঠনিক সম্পাদক

মো. কামরুজ্জামান জুয়েল

সহ সাংগঠনিক সম্পাদক

এম এ গাফফার
আশরাফ ফারুকী হীরা
মিজানুর রহমান সুমন
হাবিবুর রহমান হাবিব
সোহেল আলম
মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন সরকার শাওন
সাইদুর রহমান শামীম
রবিউল ইসলাম রবি
আরিফুর রহমান সোহেল
মাইনুল ইসলাম
খন্দকার রিয়াজ
মো. রাশেদুল ইসলাম রিপন

প্রচার সম্পাদক

আল মেহেদী তালুকদার

সহ প্রচার সম্পাদক 

তারেকুর রহমান

সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক

আশরাফ জালাল খান মনন

সহ সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক 

সাইদুর রহমান সোহেল

তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক 

আমিনুর রহমান আমিন

কোষাধ্যক্ষ 

রোকনুজ্জামান রোকন

আইন বিষয়ক সম্পাদক 

অ্যাডভোকেট মুর্তজা কামাল মোস্তাক
অ্যাডভোকেট ইউনুস আলী রবি
অ্যাডভোকেট নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ
অ্যাডভোকেট তানভীর হাসান সোহেল
অ্যাডভোকেট গাজী মো. মাসকুরুল আলম সৌরভ

কৃষি বিষয়ক সম্পাদক

কৃষিবিদ সানোয়ার আলম

সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক

আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন

শ্রম বিষয়ক সম্পাদক

পার্থ দেব মন্ডল

শিল্প বিষয়ক সম্পাদক 

কারীমুল হাই নাঈম

যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক

সাজিদ হাসান বাবু

ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক

আনোয়ার হোসেন জনি

সহ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক 

মো. মেজবাহউদ্দিন মেজু

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক 

মাজেদুল ইসলাম রুমন

গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক 

মহিন উদ্দিন রাজু

সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক 

সাইদুর রহমান রয়েল

বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক

মাহমুদুল হাসান বাপ্পী

সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক

খোরশেদ আলম

ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক 

মোস্তাফিজুর রহমান

ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক 

কামরুজ্জামান নান্নু

ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক 

সৈয়দ মাহমুদ

সহ ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক

আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার

সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক

খন্দকার মাহবুবুর রহমান মাহী

সহ জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক 

মো. বেলাল হোসেন

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক 

কেএস এম মুসাব্বির শাফী

তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক 

ইমরান আহমেদ প্রিন্স

মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক 

শাহজাহান রনি

স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক 

ডা. গালিব হাসান

স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক

ডা. বেলাল হোসেন নাজিম

সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক 

ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন
ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল

সহ কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক

মো. জাহিদ হাসান

আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক 

খায়রুজ্জামান লিঙ্কন (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা)
এ আর মামুন খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)
মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)

মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক 

অ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম আকতার

প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক 

আরাফাত বিল্লাহ খান

পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক 

হেদায়েত হোসেন ভূইয়া

সহ পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক 

রাশেদ আল আমিন শুভ

সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)

আমিনুল ইসলাম খান
মাহবুব শিকদার
মহসীন বিশ্বাস
জহিরুল ইসলাম বিপ্লব
রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু

সদস্য

আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ
নাজিম উদ্দিন মিঠু
মাহমুদুল করিম সজল
সালাহউদ্দিন আহমেদ শাহীন
মো. এমরান হোসেন শাহীন
ফখরুল বিন খালেক

অমিয়/