চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত নেতা চেয়ারম্যান লেয়াকত আলীর কর্মী-সমর্থকেরা দুদিন ধরে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ করেছে।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) রাতে উপকূলীয় পশ্চিম বড়ঘোনা সকাল বাজার থেকে গন্ডামারা বাজার পর্যন্ত দীর্ঘ ৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভকারী নেতা-কর্মীরা দাবি করেন, চেয়ারম্যান লেয়াকত আলী দলের একজন নির্যাতিত ও ত্যাগী নেতা। তিনি বিগত ১৬ বছরে বাঁশখালীতে ৪৩টি মামলার আসামি হয়েছেন এবং অসংখ্যবার গ্রেপ্তার ও কারাবরণ করেছেন। লেয়াকত আলীকে ছাড়া অন্য কাউকে বাঁশখালী আসনে মনোনয়ন দেওয়াকে তারা কখনো মানতে পারছে না। বিক্ষোভকারীরা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছেন, বাঁশখালী আসনের প্রার্থী পরিবর্তন করে লেয়াকত আলীকে মনোনয়ন দেওয়া হোক।
আন্দোলন ও মশাল মিছিল সম্পর্কে বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান লেয়াকত আলী বলেন, ‘তাদের বিক্ষোভ বা মশাল মিছিলের ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই। এটি নেতা-কর্মীদের ক্ষোভ ও আবেগের বহিঃপ্রকাশ।’
বাঁশখালী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী (পাপা) জানান, আমরা সবাই দলের মনোনয়নের বিষয়ে আগে থেকেই ওয়াদাবদ্ধ ছিলাম। দল যাকে মনোনয়ন দেবে আমরা সবাই তা মেনে নেব। বাঁশখালীতে বিএনপি'র নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতেই পারে।
বিএনপির প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই বাঁশখালীতে লেয়াকত আলী সমর্থকদের ক্ষোভ ও বিক্ষোভ দেখা যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তাদের ক্ষোভ প্রকাশ পাচ্ছে। কেউ কেউ লেয়াকত আলীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে উৎসাহিত করতেও দেখা যাচ্ছে। তবে স্বতন্ত্র বা অন্য দলের হয়ে প্রার্থী হওয়া নিয়ে লেয়াকত আলী এখনো স্পষ্ট কিছু জানাননি।
শফকত হোসাইন/রিফাত/