ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
আলিয়ঁসে শুরু  হচ্ছে তিন শিল্পীর ‘ত্রিবন্ধন’ জাকসু ভিপি ও জিএসের ছাত্রত্ব শেষ: পদে বহাল থাকা নিয়ে নতুন সংকট ঢাকাসহ ১২ জেলায় রাত ১টার মধ্যে বজ্রবৃষ্টির আভাস ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন সময়টা কি তবে শেষ! রাসুল (সা.)-এর বর্ণনায় আজকের সমাজ বড় বাজেটের বড় প্রশ্ন সুর-ছন্দের আন্তর্জাতিক মেলবন্ধনে মেতে উঠছে ঢাকা ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে সনি-স্মার্টের ‘গোল্ডেন গোল অফার’ শুরু প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলতে বলতেই রাবি শিক্ষার্থীর গলায় ফাঁস চতুর্থবারের মতো সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন রতন শেখ নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার গণতন্ত্রমুখী বাজেট ও প্রত্যাশার সমীকরণ পশ্চিমবঙ্গে নতুন মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন আদ্-দ্বীন হাসপাতালের জবাব সন্তোষজনক নয়, বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ হাতে টর্চ-লাঠি ও বাঁশি নিয়ে রাতভর পাহারায় পঞ্চগড় সীমান্তের মানুষ ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় নতুন পথ বের হলো চীনা মহাকাশ স্টেশনে চীনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পর্যটনের গল্প পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সবাই নিহত ছয় দফা দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দারিদ্র‍্য থেকে মুক্তি–পথের সন্ধানে পরিবেশ স্টার্টআপ তহবিল গঠনের প্রস্তাব জোবাইদা রহমানের আম উৎসব আয়োজন করল স্বপ্ন, সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে মৌসুমি আনন্দের ছোঁয়া সিলেট সীমান্তে সতর্কতায়ও থেমে নেই চোরাচালান, ৬৬ লাখ টাকার পণ্য জব্দ তিন ঘণ্টা পর জামালপুর-ঢাকা ট্রেন চলাচল শুরু শিল্পকলায় নতুন নাটকের উৎসব গোপালগঞ্জে দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনায় যোগ দিলেন ব্রাজিল সমর্থক শেষ বিশ্বকাপের আগে শিশুর মতো উচ্ছ্বসিত নেইমার বান্ধবীকে ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খাইয়ে ‘উসুল’ করতে চেয়েছিলেন তরুণ কুমিল্লায় পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আটক ১৯
Nagad desktop

সামরিক শক্তিতে কতটুকু এগিয়ে রাশিয়া! ভবিষ্যত পরিকল্পনাই বা কী

প্রকাশ: ২৩ নভেম্বর ২০২৪, ০৩:৫৭ পিএম
আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০২৪, ০২:৫৩ পিএম
সামরিক শক্তিতে কতটুকু এগিয়ে রাশিয়া! ভবিষ্যত পরিকল্পনাই বা কী
রাশিয়ার সামরিক শক্তি। ছবি: সংগৃহীত

সমসাময়িক ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশগুলোর তালিকায় নজর দিলে একটা বিষয় লক্ষ্য করা যায়, তা হলো প্রায় প্রত্যেকটি দেশেরই সামরিক শক্তি অভাবনীয়। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে অথবা কথিত সেই দুঃস্বপ্নের মাঝে দাঁড়িয়ে দেখতে পাওয়া যায়, বিশ্বমোড়লরা কীভাবে তাদের সামরিক শক্তির ঝুলি দিনদিন আরও ভারী করছে। তৃতীয় বিশ্বের প্রায় অদৃশ্য এক কোণে বসে বৃহত্তর বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের দিকে কিছুটা অর্থপূর্ণ দৃষ্টি রাখার প্রচেষ্টাই ‘সামরিক শক্তির আদ্যোপান্ত’ সিরিজ। এই সিরিজের প্রথম লেখা রাশিয়ার সামরিক শক্তি নিয়ে। 

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:
রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর গোড়াপত্তন করেন পিটার দ্য গ্রেট আলেক্সিয়েভিচ। ’১৮ শতকের সাম্রাজ্যবাদী রাশিয়ায় বসে দেশের প্রতিরক্ষা খাতকে শক্তিশালী করে সীমানা বাড়ানোর লক্ষ্যেই তিনি সামরিক শক্তির আধুনিকায়নের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তার এই দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফসল কয়েক শতক ধরে পেয়ে আসছে রাশিয়া। ১৮১২ সালে নেপোলিয়নকে হারানোর পাশাপাশি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরাজয় কাটিয়ে ওঠার পেছনে এক দৃঢ় সামরিক মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়।

১৯১৭ সালের বলশেভিক বিপ্লবের মাধ্যমে ‘রেড আর্মি’ নামক শক্তিশালী গণবাহিনী গঠন করে দেশটি। বিপ্লবের স্পৃহা টিকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে এই বাহিনীতে মূলত সাধারণ মানুষ, কৃষক, কর্মচারীরা যোগ দেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারের নাৎসি বাহিনীকে হারানোর পেছনে রেড আর্মির আত্মত্যাগের কথা এখনো দেশটিতে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙার পর নবগঠিত রাশিয়ার সামরিক বাহিনী বেশ কিছু বাধার সম্মুখীন হয়। অর্থ বরাদ্দের ঘাটতি, প্রায় অকেজো হয়ে পড়া অস্ত্রের পাশাপাশি আত্মপরিচয়ের সংকটে পড়ে যখন দেশটির সামরিকক্ষেত্র পর্যুদস্ত ঠিক তখন হাল ধরেন ভ্লাদিমির পুতিন। 

২০০০ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে রাশিয়ার সামরিক শক্তির এক আশ্চর্য পুনরুত্থান দেখেছে বিশ্ব। ২০০৮ সালে জর্জিয়ার সঙ্গে দ্বন্দ্ব, হালের সিরিয়া ও ইউক্রেনে সামরিক অভিযান - এসব ঘটনা থেকে রাশিয়ার সামরিক পেশাদারিত্ব, অস্ত্রের বহরে আধুনিকায়ন এবং বুদ্ধিদীপ্ত পরিকল্পনার পরিচয় পাওয়া যায়। 

সামরিক গঠন ও মানবশক্তি:
রাশিয়ার সামরিক গঠন বেশ সুসংগত। সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, নৌ বাহিনীর পাশাপাশি তাদের রয়েছে স্ট্র্যাটেজিক মিসাইল ট্রুপসের মতো ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপে দক্ষ বাহিনী। এ ছাড়া ন্যাশনাল গার্ডের মতো আধাসামরিক বাহিনীও রয়েছে। 

বর্তমানে দেশটির সামরিক বাহিনীগুলোতে মোট ৩ দশমিক ৫৭ মিলিয়ন বা ৩৫ লাখ ৭০ হাজার সদস্য কর্মরত। এর মধ্যে প্রায় ১৩ লাখ সেনাসদস্য সরাসরি দায়িত্বে আছেন। বাকিদের সংকটাপন্ন অবস্থার জন্য রাখা হয়েছে। 

রাশিয়ার সামরিকবাহিনীর অস্ত্রবহর বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। ১২ হাজারেরও বেশি ট্যাঙ্কের পাশাপাশি তাদের রয়েছে প্রায় চার হাজার ২৫৫টি যুদ্ধবিমান। নৌবাবাহিনীতে সাধারণ জাহাজের পাশাপাশি কিছু জাহাজ পারমাণবিক শক্তিচালিত হওয়ায় নৌপথেও বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশ রাশিয়া। 

পারমাণবিক শক্তি:
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ পারমাণবিক কাঁচামালের মজুদ রাশিয়ার দখলে। মোট পাঁচ হাজার ৮৮৯টি পারমাণিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করে রেখেছে দেশটি। এর মধ্যে এক হাজার ৬৭৪টি তাক করা আছে বিভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের দিকে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত পারমাণবিক অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে- ল্যান্ড-বেইজড আইসিবিএমএস, সাবমেরিন-লঞ্চড ব্যালিস্টিক মিসাইল (এসএলবিএমএস) এবং স্ট্র্যাটেজিক বম্বার্স। প্রত্যেকটি ক্ষেপণাস্ত্রই ব্যাপক শক্তিশালী। 

যুদ্ধ-পরস্থিতিতে সীমানা বাড়ানোর লক্ষ্যে ক্রমাগত ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পারমাণবিক নীতিতে বিশ্বাস করে ক্রেমলিন। সম্প্রতি ইউক্রেনে নিক্ষেপিত দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উদাহরণ থেকেই রাশিয়ার যুদ্ধনীতি আন্দাজ করা সম্ভব।

প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও আধুনিকায়ন:
২০০৮ সালে প্রতিরক্ষা খাত সংস্কারের সময় থেকেই সামরিক শক্তির আধুনিকায়নে জোর দিচ্ছে মস্কো। সোভিয়েত যুগের ট্যাঙ্কগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তি প্রতিস্থাপনের পাশাপাশি সমসাময়িক আরমাটা টি-১৪ ট্যাঙ্কও রয়েছে রাশিয়ার অস্ত্রবহরে।

এ ছাড়া প্রতিবছর প্রায় দেড় হাজার ট্যাঙ্ক এবং তিন হাজার সাঁজোয়া যান তৈরি করে দেশটি। 

তবে বেশিরভাগ সময় পুরোনো ধাঁচের ট্যাঙ্কগুলো সারাতে প্রচুর ব্যয় হওয়ায় আরও আধুনিক অস্ত্রের দিকে আগাতে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে তারা। একই চিত্র ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনকেন্দ্রগুলোতেও। বিপুল পরিমানে বার্ষিক উৎপাদন সম্ভব হলেও আনুসাঙ্গিক জিনিসপত্রের আমদানীব্যয়ের চাপে কিছুটা পিছিয়ে যাচ্ছে।

চলমান সামরিক বিপত্তি:
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা ও দুর্বলতা উভয়ই প্রকাশ পায়। দীর্ঘমেয়াদি আক্রমণের ক্ষেত্রে রাশিয়ার সংগঠিত আক্রমণ কার্যকর বিবেচিত হচ্ছে। তবে নির্দেশনার সমন্বয়ের বিষয়ে দেশটি কিছুটা দুর্বল প্রতিপন্ন হয়েছে বলা যায়। এই যুদ্ধে রাশিয়া কয়েক হাজার ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া যান হারানোয় পুরোনো মজুদ অস্ত্র দিয়েই যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া নতুন করে সামরিক সদস্যগ্রহণের চেষ্টা চললেও সব মিলিয়ে রাশিয়ার বর্তমান সামরিক মনোবল তুলনামুলক কম বললে ভুল হবে না। 

এদিকে প্রতিরক্ষা খাতে রাশিয়া উল্লেখযোগ্য উন্নতি করলেও গোলাবারুদ ও আধুনিক অস্ত্রসংকটের মুখে মস্কো। রাশিয়া যে ধারায় সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে তার বিপরীতে অস্ত্রের যথেষ্ট যোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। 

ভূরাজনৈতিক পরিকল্পনা এবং তার বাস্তবায়ন:
বাধা সত্ত্বেও ইউরোপ, মধ্য-এশিয়া এবং আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া নিজের প্রতিপত্তি বজায় রেখেছে। গতানুগতিক দুর্বলতা যে খামতি সৃষ্টি করছে, বিভিন্ন ‘গুপ্ত কৌশল’ কাজে লাগিয়ে সেটা পূরণ করে ফেলছে তারা। সাইবার যুদ্ধ, গুজব ছড়িয়ে দেওয়ার মতো পদ্ধতিতে দেশটি নিজের ক্ষমতায় নূন্যতম ফাটলও তৎক্ষণাৎ সারিয়ে ফেলে। 

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ফলে রাশিয়ার অস্ত্রের বহরে সংকট দেখা দিয়েছে। ফলস্বরূপ এই মুহুর্তে তৃতীয় কোনো দেশ সরাসরি যুদ্ধক্ষত্রে রাশিয়াকে আক্রমণ করলে বেশ বিপাকেই পড়তে হবে তাদের। তবুও পারমাণবিক ক্ষেত্রে বিপুল বরাদ্দ ও বিশাল সামরিক বাহিনীর ওপর ভর করে বিশ্বমোড়লের তালিকায় নিজেদের শক্ত অবস্থান টিকিয়ে রাখতে তাদের বেগ পেতে হচ্ছে না। 

ভবিষ্যত:
যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর অস্ত্র সরবরাহের পাশাপাশি আধুনিক যুদ্ধনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার দ্বিমুখী বাধার মুখে দাঁড়িয়ে রাশিয়া। ভবিষ্যতে দেশটির সামরিক নীতি কী হবে এ বিষয়ে আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে আছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। চলমান যুদ্ধ ও ভূরাজনৈতিক স্নায়ু যুদ্ধে নিজের অবস্থান টিকিয়ে রাখতে হলে রাশিয়াকে সামরিক খাত আরও সমৃদ্ধ করতে হবে। এ বিষয়ে দেশটির জনগণের মধ্যে পুতিন কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টি করতে পারেন এটাই দেখার বিষয়।  সূত্র: কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিস, বিবিসি ও আল-জাজিরা

নাইমুর/পপি/অমিয়/

বান্ধবীকে ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খাইয়ে ‘উসুল’ করতে চেয়েছিলেন তরুণ

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৫:০৩ পিএম
বান্ধবীকে ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খাইয়ে ‘উসুল’ করতে চেয়েছিলেন তরুণ
প্রতীকী ছবি

ডেটে গিয়ে এক তরুণীকে ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খাওয়ানোর পর সেই খরচ ‘উসুল’ করার জন্য যৌন সুবিধা চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ভারতের গুরুগ্রামের বাসিন্দা হিমাংশু জাংরা। 

একটি স্ট্যান্ড-আপ কমেডি শোতে দেওয়া তার সেই মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর চাকরি হারাতে হয়েছে তাকে।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হিমাংশু কৌতুকশিল্পী প্রণীত মোরের একটি অনুষ্ঠানে দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। শো চলাকালে প্রণীতের সঙ্গে কথোপকথনের সময় তিনি নিজের একটি ডেটের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

হিমাংশুর দাবি, তিনি এক তরুণীকে নিয়ে ডেটে গিয়েছিলেন এবং দুজনে প্রায় ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খেয়েছিলেন। রাতের খাবারের পর ওই তরুণী যখন তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেন, তখন তিনি নাকি বলেন যে খাবারের জন্য খরচ হওয়া ৩৭০ টাকা ‘উসুল’ করতে চান।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি বললাম, যে ৩৭০ টাকা খরচ হয়েছে, সেটা তো উসুল করবই।’

এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন হিমাংশু। অনেকেই তার মন্তব্যকে নারীর প্রতি অসম্মানজনক ও আপত্তিকর বলে আখ্যা দেন।

জানা গেছে, হিমাংশু ‘স্টারভিক ডিজাইন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

হিমাংশুর বিতর্কিত মন্তব্যের ভিডিওটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি দেখে অনেকেই বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একাংশ তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানান।

এ ঘটনার পর স্টারভিক ডিজাইনের প্রতিষ্ঠাতা বিবেক বিশ্বকর্মা একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা হিমাংশুকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছি। ভুলের পরিণতি ভোগ করতেই হয়। তবে আমরা আশা করি, এই ধরনের ঘটনা আত্মসমালোচনা, শিক্ষা এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করবে। পরিস্থিতি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

অন্যদিকে, হিমাংশু তার মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন এবং নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টগুলো নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছেন।

ঘটনাটি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন কৌতুকশিল্পী প্রণীত মোরও। পরে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

অমিয়/

ইন্টারনেটে ঝড় তুলেছেন ৭৪ বছরের চীনা ‘তরুণী দাদি’

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০১:৫৯ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
ইন্টারনেটে ঝড় তুলেছেন ৭৪ বছরের চীনা ‘তরুণী দাদি’
ইংজি। ছবি: সংগৃহীত

চীনের সাংহাইয়ের বাসিন্দা ৭৪ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা তার ভিন্ন ফ্যাশন সচেতনতা, তারুণ্যদীপ্ত মনোভাব এবং দৃঢ় আত্মবিশ্বাসের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।

সাদা চুল এবং চমৎকার শারীরিক গঠনের অধিকারী এই প্রবীণ নারীর নাম ইংজি (Yingzi)। নেটিজেনরা তাকে ভালোবেসে 'তরুণী দাদী' (গার্লিস গ্রেন্ডমা) বলে ডাকছেন।

হাই হিল পরে শহরের রাস্তায় তার নাচ ও ক্যাটওয়াকের ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় ২০ লাখ ফলোয়ার অর্জন করেছে এবং এগুলোর ভিউ ১০ কোটি ছাড়িয়ে গেছে।

ইংজি জানান, তার চিরসবুজ অবয়বের মূল রহস্য হলো নিজের স্টাইল ধরে রাখা। তিনি তরুণদের পছন্দের রঙচঙে পোশাক থেকে শুরু করে পপ, পাংক এবং গার্ল-গ্রুপ ফ্যাশনের পোশাকও দারুণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরেন।

শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে তিনি প্রতিদিন সকালে এক ঘণ্টা যোগব্যায়াম করেন এবং বিকেল ৫টার পর আর কোনো খাবার খান না।

আশির দশকে স্বামী ও সন্তানের সঙ্গে জাপানে থাকার সময় তিনি একটি রেস্তোরাঁ চালাতেন, যেখানে তার সৌন্দর্যের কারণে একটি সুপরিচিত জাপানি ম্যাগাজিনেও তার ছবি ছাপা হয়েছিল।

পরবর্তীতে চীনে ফিরে 'রিয়েল এস্টেট' ব্যবসায় সফল হয়ে তিনি নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করেন এবং দাতব্য সংস্থায় লাখ লাখ ইউয়ান দান করেন।

৭০ বছর বয়সে তিনি প্রবীণ নারীদের একটি ফ্যাশন গ্রুপে যোগ দেন। এই গ্রুপটি নারীদের মনে সাহস জোগাতে, বয়সকে জয় করার পরামর্শ দিতে এবং পারিবারিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে কাজ করে।

সম্প্রতি তিনি সাংহাই ডিজনিল্যান্ডের একটি ফ্যাশন শোতে হেঁটে তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করেছেন।

ইংজির মতে, বয়স কোনো বাধা নয়, বরং একটি সম্পদ। তিনি ১২০ বছর বয়স পর্যন্ত এভাবেই সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

তার এই ভিন্ন ধারার জীবনযাত্রা প্রবীণদের নিয়ে প্রচলিত সমাজিক ধারণা ভেঙে নতুন প্রজন্মকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করছে। সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

আজহার/অমিয়/

পরীক্ষার আগে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ও উদ্বেগ কমাতে অক্সিজেন থেরাপি নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১২:২৪ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০১:০৭ পিএম
পরীক্ষার আগে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ও উদ্বেগ কমাতে অক্সিজেন থেরাপি নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা
ছবি: এআই

চীনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় পরীক্ষা ‘গাওকাও’ সামনে রেখে বহু শিক্ষার্থী হাসপাতালমুখী হচ্ছেন। তাদের বিশ্বাস, অক্সিজেন থেরাপি মস্তিষ্ককে ‘পুনরুজ্জীবিত’ করে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং পরীক্ষাজনিত উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে।

গাওকাও হলো চীনের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা, যা প্রতি বছর ৬ থেকে ৮ জুনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। 

দেশটিতে এই পরীক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়, কারণ এর ফলাফলই মূলত নির্ধারণ করে দেয় একজন শিক্ষার্থী কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং কোন বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাবে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গাওকাও পরীক্ষার্থীদের জন্য অক্সিজেন থেরাপির উপকারিতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। এসব পোস্টে দাবি করা হয়, এই থেরাপি ঘুমের মান উন্নত করে, স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, সাধারণত হাসপাতালের হাইপারবারিক অক্সিজেন চেম্বারে পরিচালিত এই চিকিৎসা পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

পূর্ব চীনের জিয়াংসি প্রদেশের ইয়ংফেং কাউন্টি পিপলস হাসপাতাল গত ২৩ মে পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে এই সেবা চালু করে। হাসপাতালটির তথ্য অনুযায়ী, চালুর এক সপ্তাহের মধ্যেই ৩০ জনের বেশি শিক্ষার্থী এই সেবা নিয়েছেন।

৯০ মিনিটের একটি সেশনের জন্য খরচ পড়ে ৯৬ ইউয়ান (প্রায় ১৫ মার্কিন ডলার)। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, সেবাটির প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ তাদেরও বিস্মিত করেছে।

হাসপাতালের হাইপারবারিক চেম্বার মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক দাই ফানবিং বলেন, উচ্চ ঘনত্বের অক্সিজেন গ্রহণের ফলে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ে, যা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গকে কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার বা মেরামতে সহায়তা করতে পারে। সাধারণত রক্ত সঞ্চালন বা অক্সিজেনের ঘাটতিজনিত রোগের চিকিৎসায় এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

চীনের সিচুয়ান প্রদেশের চেংদু শহরের হুয়াক্সি নং-৪ হাসপাতালও কয়েক বছর ধরে গাওকাও পরীক্ষার্থীদের জন্য এই সেবা দিয়ে আসছে।

এক শিক্ষার্থী জানায়, অক্সিজেন থেরাপি নেওয়ার পর তার ঘুম ভালো হচ্ছে এবং দিনের বেলায় মনোযোগও বেড়েছে।

এক অভিভাবক বলেন, তার সন্তান চার বার এই থেরাপি নিয়েছে এবং এর ফলাফলে সন্তুষ্ট।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ব্যবহারকারী হাইপারবারিক চেম্বারে নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে লিখেছেন, ‘চেম্বারের ভেতর ছিল একদম শান্ত। শুধু নিজের শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। কিছুক্ষণ পর ঘুমিয়ে পড়ি। বের হওয়ার পর মনে হয়েছে, যেন আমার মস্তিষ্ক নতুন করে চালু হয়েছে এবং চিন্তাভাবনা আরও পরিষ্কার হয়েছে।’

তবে চিকিৎসক দাই ফানবিং সতর্ক করে বলেছেন, হাইপারবারিক অক্সিজেন থেরাপি সবার জন্য উপযোগী নয় এবং এটি গ্রহণের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

তিনি জানান, এমফাইসিমা, টিম্পানাইটিস এবং গুরুতর উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য এই থেরাপি উপযুক্ত নয়।

দাই আরও বলেন, ‘এই প্রবণতার বিষয়ে আমি সতর্ক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করি। অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক গাওকাও প্রস্তুতির ক্ষেত্রে অক্সিজেন থেরাপিকে এক ধরনের জাদুকরী সমাধান হিসেবে দেখছেন, যা বাস্তবসম্মত নয়।’

জিয়াংসি প্রদেশের মনোবিজ্ঞানী উ পেইশুয়ে বলেন, পরীক্ষার চাপ কমানোর জন্য আরও সহজ ও বৈজ্ঞানিক উপায় রয়েছে। এর মধ্যে পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শরীরচর্চা, রোদে সময় কাটানো এবং ব্যক্তিগত শখ চর্চা উল্লেখযোগ্য।

তিনি বলেন, ‘গাওকাও পরীক্ষার প্রস্তুতিতে তথাকথিত অলৌকিক সমাধানের প্রতি অন্ধ বিশ্বাস না রাখাই ভালো। এসব বিষয় অনেক সময় কেবল প্ল্যাসিবো প্রভাব সৃষ্টি করে। বাহ্যিক উপায়ের ওপর নির্ভর না করে নিজের দৈনন্দিন জীবনযাপন ও অভ্যাসে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা অধিক কার্যকর।’ সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

অমিয়/

এইচআইভি চিকিৎসায় বড় সাফল্য

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:১৩ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০২:০১ পিএম
এইচআইভি চিকিৎসায় বড় সাফল্য
ছবি: প্রতীকী

বিখ্যাত ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গিলিয়াড সায়েন্সেস এবং মের্ক-এর তৈরি এইচআইভির নতুন ওষুধ তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে।

এই চিকিৎসাপদ্ধতির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো- এটি প্রতিদিন সেবন করতে হবে না; সপ্তাহে মাত্র এক বার খেলেই চলবে।

ওষুধটি কীভাবে কাজ করে?

নতুন ট্যাবলেটটিতে মের্কের তৈরি আইসল্যাট্রাভির এবং গিলিয়াডের তৈরি লেনাক্যাপাভিরের উপাদানকে সমন্বয় রয়েছে। এটি এইচআইভি ভাইরাসের বংশবৃদ্ধির বিভিন্ন ধাপকে একযোগে লক্ষ্যবস্তু করে। ফলে শরীরে ভাইরাসের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘ভাইরোলজিক্যালি সাপ্রেসড’ হিসেবে পরিচিত।

পরীক্ষায় দেখা গেছে, টানা ৪৮ সপ্তাহ ধরে সপ্তাহে এক বার সেবনযোগ্য এই ট্যাবলেট রোগীদের শরীরে এইচআইভি ভাইরাসকে সফলভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে। বর্তমানে বাজারে থাকা প্রতিদিন সেবনযোগ্য জনপ্রিয় ওষুধগুলো শরীরকে যতটুকু সুরক্ষা দেয়, সপ্তাহে মাত্র একটি ট্যাবলেটও ঠিক ততটুকুই কার্যকর ও শক্তিশালী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতিদিন নিয়ম করে ওষুধ সেবন করতে হয়। অনেক সময় ওষুধ খাওয়ার কথা ভুলে যাওয়া বা প্রতিদিন ওষুধ সেবনের কারণে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

গিলিয়াড সায়েন্সেসের কর্মকর্তা ড. জ্যারেড বেটেন বলেন, সপ্তাহে মাত্র এক বার ওষুধ সেবনের এই সুবিধা এইচআইভি আক্রান্ত মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। এটি তাদের জীবনযাত্রায় আরও বেশি স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

ওষুধটি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ট্রায়ালের সব তথ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হবে। অনুমোদন পেলে এটিই হবে এইচআইভি চিকিৎসায় বিশ্বের প্রথম সপ্তাহে এক বার সেবনযোগ্য ওষুধ। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/অমিয়/

ওজন কমানোর অনুমোদনহীন ওষুধের নতুন ক্রেজ

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:০১ পিএম
ওজন কমানোর অনুমোদনহীন ওষুধের নতুন ক্রেজ
প্রতীকী ছবি

নতুন পরীক্ষামূলক ওজন কমানোর ওষুধ ‘রেটাট্রুটাইড’ এখনও যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) অনুমোদন পায়নি। নিয়ম অনুযায়ী, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের বাইরে এটি বিক্রি করা অবৈধ। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের অনেক লাইসেন্সপ্রাপ্ত চিকিৎসক ও ক্লিনিক আইন অমান্য করেই রোগীদের এই ওষুধ দিতে শুরু করেন।

রেটাট্রুটাইড এলি লিলি কোম্পানির তৈরি একটি ওষুধ। ট্রায়ালে দেখা গেছে, এটি ওজেম্পিক বা মাউঞ্জারোর চেয়েও দ্রুত এবং বেশি (প্রায় ২৮ শতাংশ) ওজন কমাতে সাহায্য করে।

সমস্যা হলো, এফডিএ এখনও যাচাই করে দেখেনি যে, ওষুধটি মানবদেহের জন্য কতটা নিরাপদ ও কার্যকর। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সামাজিক প্ল্যাটফর্মে এই ওষুধের ফলাফল নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষকে এটি ব্যবহারে উৎসাহিত করছে।

চিকিৎসকদের মতে, ওষুধটি অনুমোদন পাবেই। তাই রোগীদের দ্রুত উপকার করার উদ্দেশ্যে তারা এখনই এটির পরামর্শ দিচ্ছেন।

অনেক ওষুধের দোকান ও ক্লিনিক এটিকে ‘গবেষণার কাজে ব্যবহারের জন্য’ বলে লেবেল লাগিয়ে বিক্রি করছে, যাতে আইন এড়িয়ে যাওয়া যায়। সঠিক নিয়ম ও তদারকি ছাড়া ইন্টারনেট বা অননুমোদিত ক্লিনিক থেকে এই ওষুধ কিনে ব্যবহার করায় মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। বিষক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলোতে এই ওষুধ-সংক্রান্ত অভিযোগের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। 

ভুক্তভোগীদের মধ্যে অনেকেই মারাত্মক বমি, তীব্র ডায়রিয়া, পেটে শক্ত চাকা তৈরি হওয়া এবং হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা নিয়ে জরুরি বিভাগে ভর্তি হয়েছেন।

এফডিএ এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের মেডিকেল বোর্ড ইতোমধ্যে এই অবৈধ বিক্রির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে।

নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এলি লিলি জানায়, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের বাইরে এই ওষুধ বিক্রি করা বেআইনি। সূত্র: সিবিএস নিউজ

তামান্না রুপা/অমিয়/