ঢাকা ১ আষাঢ় ১৪৩১, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪

আবারও দ. কোরিয়ায় ময়লা বেলুন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৪, ০৮:৫১ এএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৪, ০৮:৫১ এএম
আবারও দ. কোরিয়ায় ময়লা বেলুন
ছবি: সংগৃহীত

উত্তর কোরিয়া আবারও দক্ষিণ কোরিয়ায় শত শত ময়লা বেলুন পাঠিয়েছে। এর আগে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জিং উনের বোন কিম ইয়ো জং সিউলকে সীমান্ত এলাকায় প্রোপাগান্ডা চালানো বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দেন। 

আল-জাজিরার খবর বলছে, পিয়ংইয়ং নতুন করে আন্তঃকোরিয়া সীমান্ত দিয়ে তিন শরও বেশি বর্জ্যবোঝাই বেলুন পাঠিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী গতকাল সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সর্বশেষ পাঠানো বেলুনগুলোয় শুধু কাগজ ও প্লাস্টিক রয়েছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী। এসব বেলুনে এর আগের বেলুনগুলোর মতো দূষিত বর্জ্য ছিল না। সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ আর কোনো বেলুন দেখা যায়নি।

এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় হাজারেরও বেশি ময়লাবোঝাই বেলুন পাঠিয়েছিল উত্তর কোরিয়া। পরে এর জেরে লাউডস্পিকার দিয়ে সীমান্ত এলাকায় প্রচারণা শুরু করে দক্ষিণ কোরিয়া। অতীতে এভাবে মাইকের মাধ্যমে সংবাদ ও কে-পপ বাজিয়ে শোনানো হয়েছিল। যে দুটিই উত্তর কোরিয়ায় নিষিদ্ধ। সূত্র: আল-জাজিরা।

জি-৭ সম্মেলনে আলোচনায় ইউক্রেন

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৫৪ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৫৪ এএম
জি-৭ সম্মেলনে আলোচনায় ইউক্রেন
ছবি: সংগৃহীত

শুরু হয়েছে গ্রুপ অব সেভেন (জি-৭) সম্মেলন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর বলছে, এতে ইউক্রেনের জন্য তহবিল বাড়ানোর চেষ্টা করতে দেখা যাবে জি-৭ নেতাদের।

একই সঙ্গে চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ থাকা নিয়েও আলাপ করবেন জি-৭ নেতারা। গতকাল বৃহস্পতিবার দক্ষিণ ইতালিতে এক দফা বৈঠক হয়েছে তাদের মধ্যে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনেস্কি জি-৭ সম্মেলনে যোগ দেবেন। এ সময় তাকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে দেখা যাবে।

এ ছাড়া জব্দ করা রুশ সম্পদের আয় থেকে ইউক্রেনের জন্য পাঁচ হাজার কোটি ডলার তহবিল দেওয়ার ঘোষণা আসতে পারে। এ বিষয়ে জি-৭ নেতাদের নীতিগতভাবে সম্মত হতে দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স

বিশ্বে প্রতি ৬৯ জনের একজন বাস্তুচ্যুত

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৫২ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৫২ এএম
বিশ্বে প্রতি ৬৯ জনের একজন বাস্তুচ্যুত
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বে প্রতি ৬৯ জনের একজন জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। বর্তমানে বিশ্বে এ রকম জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা হবে অন্তত ১১ কোটি ৭৩ লাখ। 

সংস্থাটি বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের প্রথম চার মাসে সংঘাত ও সহিংসতার জেরে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি বেড়ে গেছে। 

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্রান্ডি বলেন, ‘এভাবে সংখ্যা বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে অসংখ্য মানব বিপর্যয়। সেসব দুর্ভোগে নড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক মহলের উচিত দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ খুঁজে বের করা।’

১১ কোটি ৭৩ লাখ বাস্তুচ্যুতির মধ্যে ৬ কোটি ৮৩ লাখ কোনো সংঘাত বা অন্য কোনো সংকটের কারণে নিজ দেশের ভেতরেই অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত। যেমন- গাজার মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭৫ শতাংশ বাস্তুচ্যুত বলে ধারণা করছে জাতিসংঘ, যা সংখ্যার হিসেবে দাঁড়াবে ১৭ লাখের ওপরে। সূত্র: আল-জাজিরা

অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রতিবাদে জ্বলছে আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৩৭ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৩৭ এএম
অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রতিবাদে জ্বলছে আর্জেন্টিনা
আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আইরেসে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টিনার সিনেটে পাস হয়েছে প্রেসিডেন্ট হাভিয়ার মিলেইয়ের প্রস্তাবিত বিতর্কিত অর্থনৈতিক সংস্কার প্রস্তাব। আর এর প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে এসেছেন বিক্ষোভকারীরা।

বুধবার (১২ জুন) রাজধানী বুয়েনস আইরেসের রাজপথে হিংসাত্মক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। 

সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে বুধবার কংগ্রেসে আলোচনা চলার সময়ই ভবনের বাইরে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হন। বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় আগুন দেওয়া, পিকেটিং ও প্রতিবাদী গান দিয়ে আন্দোলন শুরু করেন। পর বিকেলে সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে কংগ্রেসে বিতর্ক আরও তীব্র হয়। বিক্ষোভকারীরা সংস্কার প্রস্তাবের কঠোরতার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছেন বলে জানান। 

নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। নিরাপত্তাকর্মীরা কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট ও জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেন।  স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, সংঘর্ষের সময় বিক্ষোভকারীদের ভিড়ে থাকা বেশ কয়েকজন বিরোধী আইনপ্রণেতার চোখ ও ত্বক আগুনে পুড়ে যায়। পরে তাদের নিকটবর্তী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বিরোধীদের প্রতিনিধিত্বকারী পেরোনিস্ট রাজনৈতিক দল ইউনিয়ন ফর দ্য হোমল্যান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বলে, আর্জেন্টিনার গণতন্ত্রের জন্য এটি একটি দুঃখজনক দিন। তারা নিরাপত্তা বাহিনীর নিপীড়নের নিন্দা জানায়।

এদিকে মিলেইয়ের সরকার বুধবার বিকেলে কিছু আন্দোলনকারীর হিংসাত্মক কৌশল ব্যবহার করেছে বলে জানিয়েছে। সরকারি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাথর নিক্ষেপ ও লাঠি নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ায় ১৮ জনকে গণমাধ্যম শনাক্ত করেছে। এ সময় রেডিও স্টেশন ক্যাডেনা-৩ এর একটি গাড়িতেও আগুন দেওয়া হয়েছে বলে জানায় সরকারি কর্মকর্তারা। বুয়েনস আইরেসের বিচার ও নিরাপত্তামন্ত্রী ওয়াল্ডো উলফ বলেছেন, ‘এক ব্যক্তিকে একটি গ্রেনেডসহ দেখা গেছে।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্থিরতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ‘ল অব বেস’ সংস্কার প্রস্তাবটি প্রেসিডেন্ট মিলেইয়ের স্বাধীনতাবাদী অ্যাজেন্ডাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য উত্থাপন করা হয়েছে। কারণ তিনি পাবলিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বেসরকারীকরণের মাধ্যমে নিজ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক গতি বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছেন, যেখানে আর্জেন্টিনার মুদ্রাস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী- বর্তমানে যার পরিমাণ প্রায় ৩০০ শতাংশ। দেশটিতে খরচ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে দারিদ্র্যও। সূত্র: আল-জাজিরা

হামাসের দর-কষাকষির সুযোগ নেই

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৩১ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ১০:০৫ এএম
হামাসের দর-কষাকষির সুযোগ নেই
ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার মুখে ফিলিস্তিনিরা রাফা ছাড়ছেন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় বেশকিছু পরিবর্তন আনার প্রস্তাব রেখেছে হামাস। তারা নিজেদের যে জবাব জমা দিয়েছে, তাতে সে বিষয়গুলো উল্লেখ করেছে। সেসব পরিবর্তন গাজায় যুদ্ধবিরতি ও জিম্মিদের মুক্তিসংক্রান্ত। গোটা বিষয়টি হতাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রকে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, ‘দরকষাকষি বন্ধের সময় এসেছে।’

দোহায় সাংবাদিকদের ব্লিঙ্কেন বলেন, কিছু পরিবর্তন প্রস্তাব নিয়ে কাজ করা গেলেও অন্যগুলো নিয়ে কাজের সুযোগ নেই, তবে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশর আলোচনার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ‘চুক্তিটি করতে চেষ্টা করে যাবে।’

হামাস গত মঙ্গলবার চুক্তিটির জবাব দেয়। সে সময় গোষ্ঠীটি জানায় যে, এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে তারা ইতিবাচক। তবে গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর পুরোপুরি প্রত্যাহার এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতির ওপর জোর দিয়েছে তারা।

ইসরায়েল সরকার এখনো এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেছেন, ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীটির প্রতিক্রিয়া গোটা বিষয়টিকে প্রত্যাখ্যানের মতোই।

এদিকে, যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এখনো প্রকাশ্যে অনুমোদন দেননি। ব্লিঙ্কেন অবশ্য গত সোমবার জেরুজালেমে জানান, নেতানিয়াহু তার ‘অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।’

যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের ওপর কূটনৈতিক চাপ তৈরি করা হয়েছে। এ চাপের পাশাপাশি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদও একটি প্রস্তাব পাস করেছে।

উপসাগরীয় দেশটিতে কূটনৈতিক সফরের মাধ্যমে ব্লিঙ্কেন আঞ্চলিক সংকট সমাধানের চেষ্টা করছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি। তিনি কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল থানির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

কাতার গাজার সংকট সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। হামাসের রাজনৈতিক শাখার কার্যালয় আছে সেখানে। আবার ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনারও একটি চ্যানেল আছে।

তবে বিবিসির প্রতিবেদন বলছে, যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ব্লিঙ্কেনকে কিছুটা উত্তেজিত দেখা গেছে। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে হামাস যেসব পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে তা নিয়ে তারা আলোচনা করেছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘হামাস যেসব প্রস্তাব গত ৬ মে দিয়েছিল, সেগুলোর সঙ্গে এবারের প্রস্তাবের মিল রয়েছে। এর পেছনে পুরো বিশ্ব আছে। ইসরায়েলও তা গ্রহণ করেছে। এখন হামাস একটিই প্রতিক্রিয়া দিতে পারে এবং তা হলো ‘হ্যাঁ’। 

ব্লিঙ্কেন আরও বলেন, ‘এর পরিবর্তে হামাস দুই সপ্তাহ অপেক্ষা করল এবং অনেক পরিবর্তনের প্রস্তাব করল। এর ফলে হামাস যে যুদ্ধ শুরু করেছে তা চলতে থাকবে এবং আরও মানুষ দুর্ভোগ পোহাবে। ফিলিস্তিনিরাও দুর্ভোগে পড়বে, ইসরায়েলিরাও দুর্ভোগে পড়বে।’

ব্লিঙ্কেন হামাসের পরিবর্তনের দাবিগুলো নিয়ে বিস্তারিত বলেননি। তবে হামাস মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে জানায়, ‘গাজায় আগ্রাসন পুরোপুরি বন্ধ’ করতে হবে এবং ইসরায়েল থেকে সেনাদের সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করে নিতে হবে। সূত্র: বিবিসি

কঙ্গোতে নৌকাডুবে ৮০ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ১২:৫১ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ০৩:৫৩ পিএম
কঙ্গোতে নৌকাডুবে ৮০ জনের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি, সংগৃহীত

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআরসি) কোয়া নদীতে নৌকা ডুবে ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১২ জুন) মাই-এনডোম্বে প্রদেশের মুশি শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে কোয়া নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেদি। তিনি এক্সে এক বিবৃতিতে ভবিষ্যতে এ ধরনের বিপর্যয় যাতে না ঘটে তার জন্য এই ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

এ সময় তিনি ভুক্তভোগীদের পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে ও ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার নির্দেশও দিয়েছেন।

মাই-এনডোম্বে প্রদেশের গভর্নর রিটা বোলা দুলা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, রাতের যাত্রার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে কঙ্গোতে নৌকা দুর্ঘটনা সাধারণ ঘটনা। সূত্র: আল-জাজিরা

ইসরাত চৈতী/অমিয়/