ঢাকা ১ আষাঢ় ১৪৩১, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪

মোদির মন্ত্রিসভায় বাড়ল শরিকদের সংখ্যা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৪, ০১:২৬ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৪, ০১:২৬ পিএম
মোদির মন্ত্রিসভায় বাড়ল শরিকদের সংখ্যা
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

তৃতীয়বারের মতো ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পদে শপথ গ্রহণ করলেন নরেন্দ্র মোদি। তবে এবারের চিত্র ভিন্ন। বিজেপির আগের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় শরিকনির্ভর সরকার গড়েছেন তিনি। মন্ত্রিসভাতেও সে ছাপ দেখা গেছে স্পষ্টভাবেই।

প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও রবিবারের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে শপথ পাঠ করেন ৩০ জন পূর্ণমন্ত্রী, পাঁচজন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এবং ৩৬ জন প্রতিমন্ত্রী। 

বিবিসির প্রতিবেদন বলছে, মোদির মন্ত্রিসভার ৭২ জনের মধ্যে ১১ জনই শরিক দলের। ওই ১১ মন্ত্রীকে বেছে নেওয়া হয়েছে, তেলেগু দেশম পার্টি, জনতা দল ইউনাইটেড, শিবসেনা (শিন্ডে গোষ্ঠী), লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস), জনতা দল সেকুলার, রাষ্ট্রীয় লোক দল, হিন্দুস্তানি আওয়ামী মোর্চা (এইচএএম) এবং রিপাবলিকান পার্টি অব ইন্ডিয়া থেকে। তৃতীয় দফার মোদি সরকারের মন্ত্রিসভায় পূর্ণমন্ত্রীদের মধ্যে ২৫ জন বিজেপির।

২০১৪ সালে মোদির সঙ্গে শপথ নিয়েছিলেন শরিক দলের চার পূর্ণমন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী। ২০১৯ সালে শপথ নেন তিন পূর্ণমন্ত্রী এবং একজন প্রতিমন্ত্রী। ঘটনাচক্রে, প্রথম দু-বারই লোকসভায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল বিজেপির। যা এবার অনুপস্থিত। এই পরিসংখ্যান দেখে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ বলছে বিজেপি এককভাবে লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ২৭২ আসন না পাওয়াতেই এবার এনডিএ জোটের শরিক বিভিন্ন দলের নেতাদের চাপে মন্ত্রিসভার কলেবর বেড়ে ৭২ হলো।

এদিকে ২০১৯ সালের ৩০ নভেম্বর দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন মোদি। সে সময় তার সঙ্গে শপথ নেন ৫৭ জন। এদের মধ্যে ২৪ জন পূর্ণমন্ত্রী, ৯ জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। 

আর ২০১৪ সালে ২৬ মে প্রথমবার মোদি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সময় তার সঙ্গে শপথ নেন ৪২ জন। এদের মধ্যে ২১ জন পূর্ণমন্ত্রী, পাঁচজন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং ১৮ জন প্রতিমন্ত্রী।

নতুন মন্ত্রিসভায় পুরোনোদের ওপরই আস্থা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গতকাল ছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক। এই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় গতবারের মতো এবারও অমিত শাহর হাতেই থাকবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব এবারও দেওয়া হয় রাজনাথ সিংকে। নীতিন গডকড়ি হলেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রী। এই পদেই গত মন্ত্রিসভায় তিনি দায়িত্ব সামাল দিয়েছেন।‌ অর্থমন্ত্রী করা হলো নির্মলা সীতারামণকেই। নতুন মন্ত্রিসভায় ফের এস জয়শঙ্করের হাতেই দেওয়া হলো বিদেশ মন্ত্রকের দায়িত্ব। 

বিদ্যুৎ ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী মনহরলাল-খট্টর‌। অজয় টামটা ও হর্ষ মালহোত্রা হয়েছেন কেন্দ্রীয় সড়ক-পরিবহন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পমন্ত্রী হয়েছেন জিতনরাম মাঝি, রেলমন্ত্রী হয়েছেন অশ্বিনী বৈষ্ণব, জেপি নাড্ডা হয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। জলশক্তি মন্ত্রকের দায়িত্বে এসেছেন সিআর পাতিল, কৃষি ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের দায়িত্বে এসেছেন শিবরাজ সিং চৌহান, ক্রীড়ামন্ত্রী হয়েছেন চিরাগ পাসোয়ান, সংসদীয় মন্ত্রী হয়েছেন কিরন রিজেজু, শিক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্বে এসেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। সূত্র: বিবিসি

জি-৭ সম্মেলনে আলোচনায় ইউক্রেন

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৫৪ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৫৪ এএম
জি-৭ সম্মেলনে আলোচনায় ইউক্রেন
ছবি: সংগৃহীত

শুরু হয়েছে গ্রুপ অব সেভেন (জি-৭) সম্মেলন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর বলছে, এতে ইউক্রেনের জন্য তহবিল বাড়ানোর চেষ্টা করতে দেখা যাবে জি-৭ নেতাদের।

একই সঙ্গে চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ থাকা নিয়েও আলাপ করবেন জি-৭ নেতারা। গতকাল বৃহস্পতিবার দক্ষিণ ইতালিতে এক দফা বৈঠক হয়েছে তাদের মধ্যে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনেস্কি জি-৭ সম্মেলনে যোগ দেবেন। এ সময় তাকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে দেখা যাবে।

এ ছাড়া জব্দ করা রুশ সম্পদের আয় থেকে ইউক্রেনের জন্য পাঁচ হাজার কোটি ডলার তহবিল দেওয়ার ঘোষণা আসতে পারে। এ বিষয়ে জি-৭ নেতাদের নীতিগতভাবে সম্মত হতে দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স

বিশ্বে প্রতি ৬৯ জনের একজন বাস্তুচ্যুত

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৫২ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৫২ এএম
বিশ্বে প্রতি ৬৯ জনের একজন বাস্তুচ্যুত
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বে প্রতি ৬৯ জনের একজন জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। বর্তমানে বিশ্বে এ রকম জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা হবে অন্তত ১১ কোটি ৭৩ লাখ। 

সংস্থাটি বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের প্রথম চার মাসে সংঘাত ও সহিংসতার জেরে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি বেড়ে গেছে। 

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্রান্ডি বলেন, ‘এভাবে সংখ্যা বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে অসংখ্য মানব বিপর্যয়। সেসব দুর্ভোগে নড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক মহলের উচিত দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ খুঁজে বের করা।’

১১ কোটি ৭৩ লাখ বাস্তুচ্যুতির মধ্যে ৬ কোটি ৮৩ লাখ কোনো সংঘাত বা অন্য কোনো সংকটের কারণে নিজ দেশের ভেতরেই অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত। যেমন- গাজার মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭৫ শতাংশ বাস্তুচ্যুত বলে ধারণা করছে জাতিসংঘ, যা সংখ্যার হিসেবে দাঁড়াবে ১৭ লাখের ওপরে। সূত্র: আল-জাজিরা

অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রতিবাদে জ্বলছে আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৩৭ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৩৭ এএম
অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রতিবাদে জ্বলছে আর্জেন্টিনা
আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আইরেসে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টিনার সিনেটে পাস হয়েছে প্রেসিডেন্ট হাভিয়ার মিলেইয়ের প্রস্তাবিত বিতর্কিত অর্থনৈতিক সংস্কার প্রস্তাব। আর এর প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে এসেছেন বিক্ষোভকারীরা।

বুধবার (১২ জুন) রাজধানী বুয়েনস আইরেসের রাজপথে হিংসাত্মক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। 

সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে বুধবার কংগ্রেসে আলোচনা চলার সময়ই ভবনের বাইরে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হন। বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় আগুন দেওয়া, পিকেটিং ও প্রতিবাদী গান দিয়ে আন্দোলন শুরু করেন। পর বিকেলে সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে কংগ্রেসে বিতর্ক আরও তীব্র হয়। বিক্ষোভকারীরা সংস্কার প্রস্তাবের কঠোরতার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছেন বলে জানান। 

নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। নিরাপত্তাকর্মীরা কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট ও জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেন।  স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, সংঘর্ষের সময় বিক্ষোভকারীদের ভিড়ে থাকা বেশ কয়েকজন বিরোধী আইনপ্রণেতার চোখ ও ত্বক আগুনে পুড়ে যায়। পরে তাদের নিকটবর্তী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বিরোধীদের প্রতিনিধিত্বকারী পেরোনিস্ট রাজনৈতিক দল ইউনিয়ন ফর দ্য হোমল্যান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বলে, আর্জেন্টিনার গণতন্ত্রের জন্য এটি একটি দুঃখজনক দিন। তারা নিরাপত্তা বাহিনীর নিপীড়নের নিন্দা জানায়।

এদিকে মিলেইয়ের সরকার বুধবার বিকেলে কিছু আন্দোলনকারীর হিংসাত্মক কৌশল ব্যবহার করেছে বলে জানিয়েছে। সরকারি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাথর নিক্ষেপ ও লাঠি নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ায় ১৮ জনকে গণমাধ্যম শনাক্ত করেছে। এ সময় রেডিও স্টেশন ক্যাডেনা-৩ এর একটি গাড়িতেও আগুন দেওয়া হয়েছে বলে জানায় সরকারি কর্মকর্তারা। বুয়েনস আইরেসের বিচার ও নিরাপত্তামন্ত্রী ওয়াল্ডো উলফ বলেছেন, ‘এক ব্যক্তিকে একটি গ্রেনেডসহ দেখা গেছে।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্থিরতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ‘ল অব বেস’ সংস্কার প্রস্তাবটি প্রেসিডেন্ট মিলেইয়ের স্বাধীনতাবাদী অ্যাজেন্ডাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য উত্থাপন করা হয়েছে। কারণ তিনি পাবলিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বেসরকারীকরণের মাধ্যমে নিজ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক গতি বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছেন, যেখানে আর্জেন্টিনার মুদ্রাস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী- বর্তমানে যার পরিমাণ প্রায় ৩০০ শতাংশ। দেশটিতে খরচ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে দারিদ্র্যও। সূত্র: আল-জাজিরা

হামাসের দর-কষাকষির সুযোগ নেই

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৩১ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৪, ১০:০৫ এএম
হামাসের দর-কষাকষির সুযোগ নেই
ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার মুখে ফিলিস্তিনিরা রাফা ছাড়ছেন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় বেশকিছু পরিবর্তন আনার প্রস্তাব রেখেছে হামাস। তারা নিজেদের যে জবাব জমা দিয়েছে, তাতে সে বিষয়গুলো উল্লেখ করেছে। সেসব পরিবর্তন গাজায় যুদ্ধবিরতি ও জিম্মিদের মুক্তিসংক্রান্ত। গোটা বিষয়টি হতাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রকে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, ‘দরকষাকষি বন্ধের সময় এসেছে।’

দোহায় সাংবাদিকদের ব্লিঙ্কেন বলেন, কিছু পরিবর্তন প্রস্তাব নিয়ে কাজ করা গেলেও অন্যগুলো নিয়ে কাজের সুযোগ নেই, তবে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশর আলোচনার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ‘চুক্তিটি করতে চেষ্টা করে যাবে।’

হামাস গত মঙ্গলবার চুক্তিটির জবাব দেয়। সে সময় গোষ্ঠীটি জানায় যে, এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে তারা ইতিবাচক। তবে গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর পুরোপুরি প্রত্যাহার এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতির ওপর জোর দিয়েছে তারা।

ইসরায়েল সরকার এখনো এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেছেন, ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীটির প্রতিক্রিয়া গোটা বিষয়টিকে প্রত্যাখ্যানের মতোই।

এদিকে, যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এখনো প্রকাশ্যে অনুমোদন দেননি। ব্লিঙ্কেন অবশ্য গত সোমবার জেরুজালেমে জানান, নেতানিয়াহু তার ‘অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।’

যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের ওপর কূটনৈতিক চাপ তৈরি করা হয়েছে। এ চাপের পাশাপাশি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদও একটি প্রস্তাব পাস করেছে।

উপসাগরীয় দেশটিতে কূটনৈতিক সফরের মাধ্যমে ব্লিঙ্কেন আঞ্চলিক সংকট সমাধানের চেষ্টা করছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি। তিনি কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল থানির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

কাতার গাজার সংকট সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। হামাসের রাজনৈতিক শাখার কার্যালয় আছে সেখানে। আবার ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনারও একটি চ্যানেল আছে।

তবে বিবিসির প্রতিবেদন বলছে, যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ব্লিঙ্কেনকে কিছুটা উত্তেজিত দেখা গেছে। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে হামাস যেসব পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে তা নিয়ে তারা আলোচনা করেছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘হামাস যেসব প্রস্তাব গত ৬ মে দিয়েছিল, সেগুলোর সঙ্গে এবারের প্রস্তাবের মিল রয়েছে। এর পেছনে পুরো বিশ্ব আছে। ইসরায়েলও তা গ্রহণ করেছে। এখন হামাস একটিই প্রতিক্রিয়া দিতে পারে এবং তা হলো ‘হ্যাঁ’। 

ব্লিঙ্কেন আরও বলেন, ‘এর পরিবর্তে হামাস দুই সপ্তাহ অপেক্ষা করল এবং অনেক পরিবর্তনের প্রস্তাব করল। এর ফলে হামাস যে যুদ্ধ শুরু করেছে তা চলতে থাকবে এবং আরও মানুষ দুর্ভোগ পোহাবে। ফিলিস্তিনিরাও দুর্ভোগে পড়বে, ইসরায়েলিরাও দুর্ভোগে পড়বে।’

ব্লিঙ্কেন হামাসের পরিবর্তনের দাবিগুলো নিয়ে বিস্তারিত বলেননি। তবে হামাস মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে জানায়, ‘গাজায় আগ্রাসন পুরোপুরি বন্ধ’ করতে হবে এবং ইসরায়েল থেকে সেনাদের সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করে নিতে হবে। সূত্র: বিবিসি

কঙ্গোতে নৌকাডুবে ৮০ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ১২:৫১ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ০৩:৫৩ পিএম
কঙ্গোতে নৌকাডুবে ৮০ জনের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি, সংগৃহীত

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআরসি) কোয়া নদীতে নৌকা ডুবে ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১২ জুন) মাই-এনডোম্বে প্রদেশের মুশি শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে কোয়া নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেদি। তিনি এক্সে এক বিবৃতিতে ভবিষ্যতে এ ধরনের বিপর্যয় যাতে না ঘটে তার জন্য এই ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

এ সময় তিনি ভুক্তভোগীদের পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে ও ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার নির্দেশও দিয়েছেন।

মাই-এনডোম্বে প্রদেশের গভর্নর রিটা বোলা দুলা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, রাতের যাত্রার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে কঙ্গোতে নৌকা দুর্ঘটনা সাধারণ ঘটনা। সূত্র: আল-জাজিরা

ইসরাত চৈতী/অমিয়/