ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
লুকিচের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে বসনিয়া কানাডার বিশ্বকাপ বরণ অনুষ্ঠান মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয় ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ, ভাঙা হৃদয়ে অবসর ঘোষণা মৃত্যুকে হারিয়ে বিশ্বকাপ হিরো গিমেনেজ আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুসংবাদ হঠাৎই অবসরে উইলিয়ামসন সিলেটের মাজারে দানের টাকার ‘বেহিসেবী’ ঘোচাতে চান ডিসি সারওয়ার বেলকুচিতে উদ্ভাবননির্ভর দেশ গঠনে বিজ্ঞান মেলা টাঙ্গাইলে এলএসডি ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চলে গেলেন আধুনিক শিল্পের আইকন ডেভিড হকনি সনকে নিয়ে অস্বস্তিতে দক্ষিণ কোরিয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি এখন শেষ পর্যায়ে? পাকিস্তানের নতুন দাবি নাটকীয় সমাপ্তিতে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান মন্তব্য ঘিরে আইনি জটিলতা, মমতার বিরুদ্ধে মামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে ইরান: আরাঘচি সিলেটে ফাহিমা হত্যার ১ মাস পর চার্জশিট দিল পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়, ছয় লেন সড়ক, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন; প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারবাসীর যত প্রত্যাশা হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৬৪৩ আক্রান্ত ৮৪২৬৬ স্থায়ী নিয়োগসহ ছয় দফা দাবিতে রাজশাহীতে কর্মচারীদের সমাবেশ সোনারগাঁওয়ে আইফোনসহ ১৪৬ মোবাইল চুরি, প্রায় কোটি টাকা ক্ষতি শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৬৪৭ কার্টুন সিগারেট জব্দ প্রথম ম্যাচে খেলা হচ্ছে না ডেভিসের নওগাঁয় দুইদিন মাইকিং করেও মেলেনি ব্রাজিল সমর্থক বর্তমান বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন শেষ ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের ছয় হাসপাতালকে আদ্‌-দ্বীনের রোগী ভর্তি নিতে নির্দেশ হজ পালন শেষে দেশে ফিরলেন ৫২, ৪৯১ হাজি সরকার ব্যাংকমুখী নয় গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘণ্টাব্যাপী বিভ্রাটের পর স্বাভাবিক ফেসবুক
Nagad desktop

ফিলিস্তিনিরা ভূখণ্ড ছাড়বে না: মাহমুদ আব্বাস

প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:২৪ পিএম
আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
ফিলিস্তিনিরা ভূখণ্ড ছাড়বে না: মাহমুদ আব্বাস
অধিকৃত পশ্চিম তীর ও প্রতিবেশী জর্ডানের মধ্যে একমাত্র ক্রসিং ইসরায়েল বন্ধ করে দিয়েছে । সংগৃহীত

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, ‘আমরা আমাদের ভূ-খণ্ড ছাড়ব না। ফিলিস্তিনিরা তাদের মাটি ছেড়ে কোথাও যাবে না। তাদের জনগণ নিজেদের শেকড় আঁকড়ে ধরে রাখবে।’

বৃহস্পতিবার (২৫ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভার্চুয়ালি দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন। তিনি গাজা ও পশ্চিম তীরে দখলদারত্বের অবসান ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা কামনা করেন। ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসন, অব্যাহত গণহত্যা, পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ ও দখলদারত্বের তীব্র নিন্দা জানান।
 
এদিকে বিশ্ব নেতাদের চাপে অবশেষে পশ্চিম তীর দখলের পরিকল্পনা থেকে ধীরে ধীরে সরে আসছে ইসরায়েল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদন সার স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রিত কোনো অঞ্চল সংযুক্ত করার বা দখল করার পরিকল্পনা নেই ইসরায়েলের। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ফ্রান্স, সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপেই এই অবস্থান বদলেছে নেতানিয়াহুর প্রশাসন।

জাতিসংঘে ভাষণে আব্বাস বলেন, ‘চরমপন্থি ইসরায়েলি সরকার পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ ও দখলদারত্ব চালিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ ‘ই-ওয়ান’ বসতি পরিকল্পনা পশ্চিম তীরকে দ্বিখণ্ডিত করবে, জেরুজালেমকে বিচ্ছিন্ন করবে এবং দুই রাষ্ট্র সমাধানের পথ বন্ধ করে দেবে। তিনি এটিকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলেও উল্লেখ করেন।

 ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ পরিকল্পনা ও কাতারের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে আব্বাস বলেন, ‘আমরা এসব বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করি। এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর ভয়াবহ আঘাত এবং আন্তর্জাতিক আইনের ঘোরতর লঙ্ঘন।’
বক্তব্যের শেষে প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেন, ‘আমরা আমাদের ভূমি ছাড়ব না, ফিলিস্তিনিরা এই মাটি ছেড়ে কোথাও যাবে না।

প্রায় দুই বছর ধরে গাজা উপত্যকায় গণহত্যা, ধ্বংসযজ্ঞ, অনাহার ও বাস্তুচ্যুতির ভয়াবহ পরিস্থিতি চললেও ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা দমিয়ে রাখা যাবে না। আমাদের ক্ষত যতই গভীর হোক, যতই এই দুঃসহ সময় দীর্ঘ হোক, তা আমাদের বাঁচার ও টিকে থাকার ইচ্ছা ভাঙতে পারবে না। স্বাধীনতার ভোর আসবেই। ফিলিস্তিনের পতাকা আমাদের আকাশে উড়বে। জেরুজালেম আমাদের হৃদয়ের রত্ন এবং আমাদের চিরন্তন রাজধানী। আমরা আমাদের পবিত্র ভূমি ত্যাগ করব না, আমাদের মানুষ অলিভ গাছের মতো শেকড় গেঁথে থাকবে।’

এদিকে সম্প্রতি ইতালির দৈনিক ‘কোরিয়েরে দেলা সেরা’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গিদন সার বলেন, ‘ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রিত কোনো এলাকা দখলের আলোচনা আমাদের মধ্যে নেই। আমরা ফিলিস্তিনিদের নিয়ন্ত্রণ করতে চাই না।’ তবে তিনি জানান, যেসব ইসরায়েলি বসতি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অধীনে নেই, সেখানে ইসরায়েলি আইন প্রয়োগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন। তিনি দেশে ফেরার পর এই বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

ইসরায়েলকে পশ্চিম তীর দখল করতে দেওয়া হবে না: ট্রাম্প 
এদিকে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েলকে পশ্চিম তীর দখল করতে দেওয়া হবে না। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সৌদি আরব, মিসর, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, জর্ডান ও পাকিস্তানের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ, গাজা দখল ও জেরুজালেমের পবিত্র স্থানগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা হয়। ট্রাম্প সব বিষয়ে ‘ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া’ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন উপস্থিত এক কর্মকর্তা।

ইসরায়েলের পশ্চিম তীর অধিগ্রহণ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে: মাখোঁ
ইসরায়েল পশ্চিম তীরের কোনো অংশকে নিজেদের সঙ্গে জুড়ে নিতে চাইলে তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্যই কাল হয়ে দাঁড়াবে। এটি আরব-ইসরায়েল কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের অবসান ঘটাবে। গত বুধবার এ মন্তব্যগুলো করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। তিনি আরও জানিয়েছেন, এ রকম হবে না বলে তাকে আশ্বস্ত করেছেন ট্রাম্প।

মাখোঁ জানান, তিনি ফিলিস্তিনের ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত তিন পাতার পরিকল্পনা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নেতাকে। ওই পরিকল্পনা নিউইয়র্ক ঘোষণার ভিত্তিতে করা, যাতে বিশ্বের ১৪৩টি দেশের সমর্থন রয়েছে। প্রস্তাবে গাজা ও পশ্চিম তীরের শাসনব্যবস্থা থেকে হামাসকে বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ফ্রান্স ২৪-এ মাখোঁ বলেন, আমেরিকা, ইউরোপ ও আরব রাষ্ট্রগুলোকে এক সমঝোতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে ট্রাম্পের সঙ্গে তার গত মঙ্গলবার বৈঠক হয়েছে। ইসরায়েলের পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপন বাড়ানোর আকাঙ্ক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই বিষয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট শর্তেই ইউরোপীয় ও আমেরিকানরা একমত।

প্রসঙ্গত, ইসরায়েল পশ্চিম তীরে আরও বসতি বাড়াতে চাইছে। এর মধ্যে ই১ নামে একটি করিডর তৈরি করতে চাইছে তারা। সেটির অধীনে ৩ হাজার ৪০০টি নতুন বাড়ি থাকবে। মূলত ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের দ্বিরাষ্ট্র সমাধানে বাগড়া দিতেই ওই পরিকল্পনা করেছে তারা। ইসরায়েল আদৌ এটি করতে সক্ষম হলে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

মাখোঁ আরও বলেন, পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের নিজেদের সঙ্গে জুড়ে নেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা আব্রাহাম চুক্তিরও অবসান ঘটাবে। ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে ওই চুক্তিটি করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে ইসরায়েল পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপন বাড়ালে যে ওই চুক্তি আর থাকবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি মনে করি এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য শেষ সীমা।’
গাজার যুদ্ধ অবসানের পর ফিলিস্তিনিদের ভাগ্যে কী অপেক্ষা করছে বা দরজার ওপাশে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাই বা কী চলছে, সেগুলোর একটি স্পষ্ট ধারণা মিলেছে মাখোঁর এসব বক্তব্যের মধ্য দিয়ে।

২০২০ সালে আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে ইসরায়েল ও বেশ কয়েকটি আরব রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়েছিল। ওই আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতও ছিল। ট্রাম্প প্রশাসন সে সময় বেশ ফলাও করে নিজেদের সফলতার গল্প প্রচার করেছিল। এটি ব্যর্থ হয়ে গেলে তা আখেরে যুক্তরাষ্ট্রের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। 

পশ্চিম তীর নিয়ে ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি ফ্রান্স ও সৌদি আরবের
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈশ্বিক সম্মেলনে ফ্রান্স, সৌদি আরবসহ ১৫৬টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। গত সোমবার আয়োজিত সম্মেলনের যৌথ ঘোষণায় ফ্রান্স ও সৌদি আরব হুঁশিয়ারি দেয় পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের যেকোনো সম্প্রসারণ হবে ‘রেড লাইন’। তারা বলেছে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের যেকোনো সম্প্রসারণ কার্যক্রম গ্রহণযোগ্য নয় এবং তা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তিচুক্তি ও স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে। একই সঙ্গে তারা গাজায় যুদ্ধবিরতি, মানবিক সহায়তা প্রবেশ নিশ্চিতকরণ এবং ইসরায়েলি কারাগারে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির আহ্বান জানিয়েছে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাখোঁ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা চাই গাজা ও পশ্চিম তীরে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ে উঠুক, যেখানে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করবে।’

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ইসরায়েল ও আরব দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত আব্রাহাম চুক্তির মধ্য দিয়ে দীর্ঘ বিরোধ নিরসনের সূচনা হয়েছিল। ট্রাম্প প্রশাসন ওই সময় চুক্তিটিকে নিজেদের বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছিল। কিন্তু পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের সম্প্রসারণ পরিকল্পনা যদি বাস্তবায়ন হয়, তবে সেই চুক্তির ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে পড়বে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

ফিলিস্তিনের পক্ষে বিশ্বব্যাপী এই সমর্থন এবং ইসরায়েলের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্তর্জাতিক অবস্থান একটি নতুন কূটনৈতিক চিত্রের জন্ম দিয়েছে। বর্তমানে গাজায় চলমান সহিংসতা, পশ্চিম তীরে বসতি নির্মাণ এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র স্বীকৃতির প্রশ্নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আরও সক্রিয় হয়ে উঠছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই চাপ অব্যাহত থাকলে ইসরায়েল হয়তো পশ্চিম তীর দখলের পরিকল্পনা পুরোপুরি বাতিল করতে বাধ্য হবে।

চলে গেলেন আধুনিক শিল্পের আইকন ডেভিড হকনি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১১:৪১ পিএম
চলে গেলেন আধুনিক শিল্পের আইকন ডেভিড হকনি
ডেভিড হকনি। ছবি: এআই

কিংবদন্তি ব্রিটিশ চিত্রশিল্পী ডেভিড হকনি মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

শুক্রবার (১২ জুন) তার প্রচার কর্মকর্তা জানান, বৃহস্পতিবার লন্ডনে নিজ বাড়িতে শান্তিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই শিল্পী।

১৯৩৭ সালে ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারে জন্ম নেওয়া হকনির সাত দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ার ছিল বৈচিত্র্যে ভরপুর। তিনি ১৯৬০-এর দশকে বিশ্ব কাঁপানো 'পপ আর্ট' আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সারথী ছিলেন।

ব্রাডফোর্ড স্কুল অব আর্ট ও রয়্যাল কলেজ অব আর্ট থেকে স্বর্ণপদকসহ শিক্ষা শেষ করা হকনি তরুণ বয়সেই চেনা সামাজিক নিয়ম ভেঙে নিজের সমকামী পরিচয় প্রকাশ করেন এবং চিত্রশিল্পে মনোনিবেশ করেন।

১৯৬৪ সালে হকনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় চলে যান। সেখানকার প্রাণোচ্ছল জীবন, বিশেষ করে সুইমিং পুলের পটভূমিতে আঁকা চিত্রকর্মের জন্য তিনি বিশ্বজোড়া খ্যাতি পান।

পানির ওপর আলোর খেলা এবং ম্যাট অ্যাক্রিলিক পেইন্টের জাদুকরী ব্যবহারে তিনি ক্যানভাসে এক স্বপ্নময় জগৎ তৈরি করেছিলেন।
২০১৮ সালে নিউ ইয়র্কের এক নিলামে তার বিখ্যাত পেইন্টিং 'পোর্ট্রেট অব অ্যান আর্টিস্ট (পুল উইথ টু ফিগারস)' প্রায় ৭ কোটি পাউন্ডে বিক্রি হয়, যা সে সময় কোনও জীবিত শিল্পীর ক্ষেত্রে রেকর্ড গড়েছিল।

চিত্রাঙ্কন ছাড়াও ফটোগ্রাফি ও স্টেজ ডিজাইনে দক্ষ হকনি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে অগ্রগামী ছিলেন। ২০১০ সালে আইপ্যাড বাজারে আসার পর থেকেই তিনি ডিজিটাল মাধ্যমে ছবি আঁকা শুরু করেন এবং অ্যাপ প্রস্তুতকারীদের সাথে মিলে বিশেষ অ্যাপ তৈরি করেন।

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিয়মিত ছবি আঁকা ও প্রদর্শনী চালিয়ে যাওয়া এই শিল্পী দীর্ঘদিনের সঙ্গী জঁ-পিয়ের গনকালভেস দে লিমা, দুই ভাই এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

এসএন/

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি এখন শেষ পর্যায়ে? পাকিস্তানের নতুন দাবি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১১:৩২ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ১১:৩২ পিএম
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি এখন শেষ পর্যায়ে? পাকিস্তানের নতুন দাবি
শাহবাজ শরিফ। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে একটি ‘চূড়ান্ত ও সর্বসম্মত’ যুদ্ধবিরতি চুক্তির খসড়া প্রস্তুত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

দীর্ঘদিনের সংঘাতের পর এই প্রথম শান্তি প্রতিষ্ঠার এত কাছাকাছি পৌঁছালো দুই দেশ। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ লিখেছেন, পরবর্তী পদক্ষেপগুলো চূড়ান্ত করতে পাকিস্তান এখন উভয় পক্ষের সঙ্গেই নিবিড়ভাবে কাজ করছে। শান্তি প্রতিষ্ঠার সুযোগ এর আগে কখনও এতটা কাছাকাছি আসেনি, যা এখন এসেছে।

উভয় দেশের কর্মকর্তারা চুক্তির বিবরণ নিয়ে গণমাধ্যমের জল্পনা-কল্পনার বিষয়ে সতর্ক করার পরই শাহবাজ শরিফ এই ঘোষণা দেন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও চুক্তিটি ‘খুবই কাছাকাছি’ বলে উল্লেখ করেছেন। তবে চুক্তির সুনির্দিষ্ট শর্তাবলি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি।


কী আছে ইরান চুক্তিতে, যা সই করতে প্রস্তুত ট্রাম্প
গণমাধ্যমের জল্পনা নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক বার্তায় বলেন, চুক্তির বিষয়বস্তু নিয়ে গণমাধ্যমের যেকোনও ধরনের অনুমান করা থেকে বিরত থাকা উচিত।

অন্যদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কোনও ইরানি অবরুদ্ধ সম্পদ অবিলম্বে অবমুক্ত করার বিষয়টি অস্বীকার করে লিখেছেন, এই চুক্তিটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যা নিশ্চিত করে যে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের উদ্বেগগুলো অগ্রাধিকার পাবে। ইরান যদি তাদের বাধ্যবাধকতাগুলো পূরণ করে, তবেই অর্থনৈতিক সুবিধা তাদের এবং সমগ্র অঞ্চলে প্রবাহিত হবে। এই চুক্তির মাধ্যমে পুরো অঞ্চলের চিত্র বদলে দেওয়ার এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বার্তাটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ পুনরায় পোস্ট করেছেন। এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা চুক্তির সাতটি সম্ভাব্য মূল পয়েন্টের একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়েছিল, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণে কোনও নতুন ছাড় দেওয়া হয়নি এবং ইরানের কিছু সম্পদ অবিলম্বে অবমুক্ত করা হবে।

এসএন/

মন্তব্য ঘিরে আইনি জটিলতা, মমতার বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১১:২৯ পিএম
মন্তব্য ঘিরে আইনি জটিলতা, মমতার বিরুদ্ধে মামলা
মমতা ব্যানার্জি। ছবি: সংগৃহীত

ফের আইনি জটিলতার মধ্যে পড়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

গত ২ জুন বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চ-এর আহ্বায়ক ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্যের জেরে তার বিরুদ্ধে আগেই একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছিল।

এবার ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার চলাকালীন করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে কলকাতায় তার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে।

অভিযোগ, নির্বাচনী প্রচারের সময় কলকাতার ধর্মতলার সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন কিছু মন্তব্য করেছিলেন, যা উস্কানিমূলক এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে।

মমতার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করেছেন তুষার কান্তি দাস নামে এক ব্যক্তি। তিনি পুলিশে অভিযোগ জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন। অভিযোগপত্রে ধর্মতলার ওই সভায় মমতার করা বিতর্কিত মন্তব্যও উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৯ মার্চ কলকাতার ধর্মতলায় দলীয় সমাবেশে মুসলিম সম্প্রদায়ের নাম উহ্য রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন—

“আমরা আছি বলে আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না থাকি, তখন এক সেকেন্ড লাগবে। একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে, তখন ঘিরে ফেললে এক সেকেন্ডে ১২টা বাজিয়ে দেবে। যদি নিজেদের ১৩টা বাজাতে না চান তাহলে বিজেপির অপ্রচারে ভুল বুঝবেন না।”

এই মন্তব্যের ভিডিও ভোটের আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তখন বিরোধীরা অভিযোগ তোলে, মুখ্যমন্ত্রীর মতো সাংবিধানিক পদে থাকা একজন ব্যক্তির কাছ থেকে এমন বক্তব্য অনভিপ্রেত।

ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এই ঘটনার ভিত্তিতে নেতাজি নগর থানায় মামলাটি করা হলেও শুক্রবার(১২ জুন) কলকাতার মামলাটি হেয়ার স্ট্রিট থানা-এ স্থানান্তর করা হয়েছে।

পুলিশের কাছে করা অভিযোগে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩-এর অধীনে ১৯৬(১), ৩৫১(২) এবং ৩৫২ ধারায় মামলা করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে— বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্বেষ বা শত্রুতা তৈরির চেষ্টা, ভীতি প্রদর্শন এবং শান্তিভঙ্গের উদ্দেশ্যে প্ররোচনার মতো বিষয়।

অভিযোগকারীর দাবি, ওই বক্তব্যের ফলে রাজ্যের শান্তি-শৃঙ্খলা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তার আরও দাবি, ভোট-পরবর্তী সময়ে কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় যে অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তার সঙ্গে এই ধরনের বক্তব্যের যোগ রয়েছে।

এই অভিযোগের ভিত্তিতেই হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর নথিভুক্ত হয়েছে। এখন নজর থাকবে, তদন্তের স্বার্থে পুলিশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠায় কি না। তবে এই ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

এসএন/

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে ইরান: আরাঘচি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১১:২৫ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে ইরান: আরাঘচি
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার বিষয়টি ‘এতটা কাছে আর কখনো আসেনি’ বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তেহরান চুক্তির শর্তগুলো গণমাধ্যমে ফাঁস করে দিয়েছে-মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন অভিযোগের পরপরই এই মন্তব্য করলেন তিনি। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া এক পোস্টে আরাঘচি বলেন, ‘চুক্তিটি চূড়ান্ত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। এটি চূড়ান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত গণমাধ্যমের উচিত এর বিষয়বস্তু নিয়ে যেকোনো ধরনের জল্পনা থেকে বিরত থাকা।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে তাদের দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গির অংশ হিসেবে চুক্তির সব বিস্তারিত তথ্য যথাসময়ে জনগণের সামনে প্রকাশ করা হবে। এর আগে ট্রাম্প ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত চুক্তির শর্তগুলোকে ‘মিথ্যা’ ও ‘সত্যের সঙ্গে সম্পর্কহীন’ বলে অভিহিত করেছিলেন। তবে আরাঘচির এই বক্তব্য দুই দেশের মধ্যে একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির এমন বক্তব্য নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, ট্রাম্প এই পোস্টটি শেয়ার করে পরোক্ষভাবে আরাঘচির সেই আহ্বানের সঙ্গেই সংহতি প্রকাশ করেছেন। এর আগে ট্রাম্প নিজে ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত চুক্তির কিছু শর্তকে ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। এখন দুপক্ষই চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার আগে গোপনীয়তা বজায় রাখার ওপর জোর দিচ্ছে।

এসএন/

ড্রোন অনুপ্রবেশ মামলায় ইউন সুক-ইওলকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:২০ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
ড্রোন অনুপ্রবেশ মামলায় ইউন সুক-ইওলকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট Yoon Suk Yeol-কে উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে সামরিক ড্রোন পাঠানোর ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত।

শুক্রবার (১২জুন) সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট রায়ে বলেন, ২০২৪ সালের অক্টোবরে পিয়ংইয়ংয়ে ড্রোন অনুপ্রবেশের পরিকল্পনায় ইউন শুরু থেকেই জড়িত ছিলেন। আদালত তাকে ক্ষমতার অপব্যবহার ও শত্রুপক্ষকে সহায়তার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেন।

তবে ইউন সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার আইনজীবীরা দাবি করেন, তিনি ওই অভিযানের নির্দেশ দেননি বা পরে অনুমোদনও দেননি। তাদের মতে, এটি ছিল উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত পেরিয়ে আবর্জনাভর্তি বেলুন পাঠানোর জবাব, যার সঙ্গে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের সামরিক আইন জারির প্রচেষ্টার কোনো সম্পর্ক নেই।

এর আগে ফেব্রুয়ারিতে সামরিক আইন জারির চেষ্টার ঘটনায় বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়ে ইউনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে অভিশংসন বহাল রেখে তাকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করে আদালত। এরপর অনুষ্ঠিত আগাম নির্বাচনে জয়ী হন বর্তমান প্রেসিডেন্ট Lee Jae Myung।

বর্তমানে হেফাজতে থাকা ইউন এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। সূত্র: সিএনএন

তামান্না রুপা/