গাজায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বন্ধ হয়েছে ইসরায়েলি বাহিনীর বোমাবর্ষণ। সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে জিম্মি মুক্তিরও। কিন্তু এই চুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা কারা পালন করেছেন? কাদের জন্য বা সম্ভব হয়েছে এই চুক্তি? ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনের আলোকে জেনে নেওয়া যাক নামগুলো-
ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট
যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় সামরিক ও রাজনৈতিক সমর্থনদাতা। যুদ্ধের দুই বছরের পুরোটাজুড়েই তারা সে সমর্থন দিয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার পূর্বসূরি সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলে যে পরিমাণ বিস্ফোরক পাঠিয়েছেন, তা অন্য আর কোনো রাষ্ট্র ইসরায়েলিদের দেয়নি।
বর্তমান যুদ্ধের শান্তি প্রস্তাবও তাদের দিক থেকেই এসেছে। ট্রাম্প ২০ দফা শান্তি প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। সেটিতেই পরবর্তী সময় একমত হয় হামাস ও ইসরায়েল। যদিও হামাসের এর কিছু অংশ নিয়ে আপত্তি রয়েছে। সেগুলো নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে।
স্টিভ উইটকফ, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত
মিসরে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার যে চূড়ান্ত আলোচনা হয়েছে, তাতে হামাস ও ইসরায়েল মুখোমুখি হয়নি। পুরোটাই হয়েছে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে। ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফকে সে আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য পাঠিয়েছিলেন। তিনি পরে ইসরায়েলে গিয়ে অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জ্যারেড কুশনার
ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার মিসরে স্টিভ উইটকফের সঙ্গে চূড়ান্ত পর্বের আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদেও কুশনার মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন। গালফ অঞ্চলে কুশনারের ব্যবসায়িক স্বার্থ রয়েছে।
রন ডেরমের, ইসরায়েলের কৌশলগত সম্পর্কবিষয়ক মন্ত্রী
রন ডেরমেরকে ধরা হয় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে। তিনি মিসরে চলতি সপ্তাহে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত পর্বের আলোচনায় অংশ নেওয়া ইসরায়েলি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।
শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রাহমান আল থানি, কাতারের প্রধানমন্ত্রী
আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রাহমান আল থানি। তিনি কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও। মিসরে কাতারের পক্ষ হয়ে তিনি আলোচনায় অংশ নেন। হামাসকে রাজি করাতে কাতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান