ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে বিশেষ আয়োজন জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান গাড়ি ভেঙ্গে ইংল্যান্ড দলের সরঞ্জাম চুরি, গ্রেপ্তার ২ কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিতে ব্যবস্থা নিন শুধু সংখ্যা বাড়াতে বিশ্বকাপে আসেনি হাইতি যদি এই ছবিগুলো আপনি না দেখে থাকেন কেমন ছিল প্রিয় রাসুল (সা.)-এর চুল মোবারক? সরকারের জনকল্যাণ-প্রযুক্তিনির্ভর বাজেটকে স্বাগত জার্মানি বিএনপির পরমাণু সুড়ঙ্গে মাইন পুঁতেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের দাবি কক্সবাজারের ‘পাতলী খাল’ পুনর্খনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৩য় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট দুর্ঘটনার তদন্তে আরও সময় লাগবে দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা যুক্তরাষ্ট্রের দুপুরের মধ্যে ১১ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা ইরানের অবরুদ্ধ তহবিল ছাড়ে সম্মত হয়েছে আরব আমিরাত! ময়মনসিংহে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে কক্সবাজার বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের ঢল বরগুনায় প্যানেল চেয়ারম্যানের ওপর হামলা, গণপিটুনিতে যুবক নিহত শান্তিচুক্তির ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের, বিজয় দাবি তেহরানের কক্সবাজার পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বৃষ্টিতে ভিজে প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় কক্সবাজারবাসী কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার যাচ্ছেন আজ মেক্সিকোতে বিশ্বকাপ উদ্বোধনীর মুগ্ধতা ছড়ানো ৭ ছবি সুস্বাস্থ্যের বার্তা নিয়ে সাইকেলে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ায় শাহেদ রোকনপুর সীমান্তে নদীপথে পুশইনের চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি মানামায় বাংলাদেশ দূতাবাসে গণশুনানি অনুষ্ঠিত পাবনায় ছেলের সামনে বাবাকে হত্যা, আরও একজন গ্রেপ্তার শিবগঞ্জে পুশইনের প্রতিবাদে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ
Nagad desktop

যুদ্ধবিরতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন যারা

প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৫, ১০:৪৬ এএম
যুদ্ধবিরতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন যারা
হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ফিলিস্তিনের পক্ষে রাস্তায় সমাবেশ করেছে বহু মানুষ। ছবি: সংগৃহীত

গাজায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বন্ধ হয়েছে ইসরায়েলি বাহিনীর বোমাবর্ষণ। সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে জিম্মি মুক্তিরও। কিন্তু এই চুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা কারা পালন করেছেন? কাদের জন্য বা সম্ভব হয়েছে এই চুক্তি? ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনের আলোকে জেনে নেওয়া যাক নামগুলো-

ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট
যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় সামরিক ও রাজনৈতিক সমর্থনদাতা। যুদ্ধের দুই বছরের পুরোটাজুড়েই তারা সে সমর্থন দিয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার পূর্বসূরি সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলে যে পরিমাণ বিস্ফোরক পাঠিয়েছেন, তা অন্য আর কোনো রাষ্ট্র ইসরায়েলিদের দেয়নি।

বর্তমান যুদ্ধের শান্তি প্রস্তাবও তাদের দিক থেকেই এসেছে। ট্রাম্প ২০ দফা শান্তি প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। সেটিতেই পরবর্তী সময় একমত হয় হামাস ও ইসরায়েল। যদিও হামাসের এর কিছু অংশ নিয়ে আপত্তি রয়েছে। সেগুলো নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে।

স্টিভ উইটকফ, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত
মিসরে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার যে চূড়ান্ত আলোচনা হয়েছে, তাতে হামাস ও ইসরায়েল মুখোমুখি হয়নি। পুরোটাই হয়েছে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে। ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফকে সে আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য পাঠিয়েছিলেন। তিনি পরে ইসরায়েলে গিয়ে অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জ্যারেড কুশনার
ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার মিসরে স্টিভ উইটকফের সঙ্গে চূড়ান্ত পর্বের আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদেও কুশনার মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন। গালফ অঞ্চলে কুশনারের ব্যবসায়িক স্বার্থ রয়েছে।

রন ডেরমের, ইসরায়েলের কৌশলগত সম্পর্কবিষয়ক মন্ত্রী
রন ডেরমেরকে ধরা হয় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে। তিনি মিসরে চলতি সপ্তাহে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত পর্বের আলোচনায় অংশ নেওয়া ইসরায়েলি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।

শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রাহমান আল থানি, কাতারের প্রধানমন্ত্রী
আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রাহমান আল থানি। তিনি কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও। মিসরে কাতারের পক্ষ হয়ে তিনি আলোচনায় অংশ নেন। হামাসকে রাজি করাতে কাতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

 

এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট দুর্ঘটনার তদন্তে আরও সময় লাগবে

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট দুর্ঘটনার তদন্তে আরও সময় লাগবে
ছবি: সংগৃহীত

২০২৫ সালের ১২ জুন আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত শেষ করতে আরও সময় প্রয়োজন বলে জানিয়েছে ভারতের বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো (এএইবি)।

আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারটি উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই বিধ্বস্ত হয়। বিমানবন্দর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে একটি মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকদের আবাসিক ভবনে বিমানটি আছড়ে পড়ে।

দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ২৪১ জনসহ মোট ২৬০ জন প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে ১৬৯ জন ভারতীয় ও ৫৩ জন ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন। একমাত্র জীবিত উদ্ধার হন যুক্তরাজ্যের লেস্টার শহরের বাসিন্দা বিশ্বাস কুমার রমেশ।

দুর্ঘটনার প্রথম বার্ষিকীতে এএইবি জানায়, তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। বিমানটির বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা, ফ্লাইট রেকর্ডারের তথ্য, ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ, রক্ষণাবেক্ষণ নথি এবং পরিচালনাগত তথ্য খতিয়ে দেখা হয়েছে। তবে সংগৃহীত তথ্য ও প্রমাণের বিশ্লেষণ এখনো চলমান থাকায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

গত বছরের জুলাইয়ে প্রকাশিত প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, উড্ডয়নের কয়েক সেকেন্ড পর বিমানের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ সুইচ হঠাৎ ‘কাট-অফ’ অবস্থায় চলে যায়। ফলে ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে বিমানটি শক্তি হারায়।

ককপিটের অডিও রেকর্ডিংয়ে  শোনা যায় এক পাইলটকে অন্যজনকে জিজ্ঞেস করতে ‘তুমি এটা কেন করলে?’ জবাবে অন্য পাইলট বলেন, ‘আমি করিনি’। তবে তদন্তকারীরা কার কণ্ঠ ছিল তা প্রকাশ করেননি।

পরে কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে সিনিয়র পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত সাবারওয়ালের দিকে সন্দেহের ইঙ্গিত দেওয়া হলে তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।

এ বিষয়ে তার বাবা পুষ্কর রাজ বলেন, প্রমাণ ছাড়া তার ছেলেকে দায়ী করা হচ্ছে। তিনি ছেলের সুনাম রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন।

এএইবি জানায়, দুর্ঘটনার কারণ নির্ধারণে সব তথ্য সতর্কতার সঙ্গে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যালোচনা শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। সূত্র: বিবিসি 

খাদিজা রুমি/অমিয়/

ইরানের অবরুদ্ধ তহবিল ছাড়ে সম্মত হয়েছে আরব আমিরাত!

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৪৫ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১১:৫১ এএম
ইরানের অবরুদ্ধ তহবিল ছাড়ে সম্মত হয়েছে আরব আমিরাত!
ছবি: প্রতীকী

ইরানের ধারাবাহিক হামলা থেকে বাঁচতে এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের প্রায় ১০ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলারের অবরুদ্ধ তহবিল ছেড়ে দিতে সম্মত হয়েছে। ইতোমধ্যে তিন বিলিয়ন ডলার হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির চূড়ান্ত আলোচনার মাঝেই নতুন এক নাটকীয় মোড় নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি। 

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিপুল অর্থ ছাড়ের বিনিময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ড্রোন ও মিসাইল হামলা বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইরান।

গত সপ্তাহে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কর্মকর্তারা আবুধাবিতে গিয়ে আমিরাতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন বৈঠক করার পরই এই প্রক্রিয়ায় গতি আসে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের তীব্র প্রতিবাদ

তবে রয়টার্সের এই রিপোর্ট প্রকাশের পর তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তারা জানায়, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ইরানের তহবিল ছেড়ে দেওয়া বা তিন বিলিয়ন ডলার স্থানান্তরের যে দাবি করা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত তা স্পষ্টভাবে অস্বীকার করছে। আমিরাতের মাধ্যমে কোনো ইরানি তহবিল স্থানান্তর বা মুক্ত করা হয়নি।

তারা গণমাধ্যমগুলোকে এই ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে গুজব না ছড়িয়ে অফিসিয়াল সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করার অনুরোধ জানায়।

কৌশলগত অবস্থান

বিশ্লেষকরা বলেন, একদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান- শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কোনো টাকা ছাড়বে না। অন্যদিকে ইরান যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দাবি করছে।

যদি রয়টার্সের দাবি সত্যি হয়, তবে এটি হতে পারে দুই পক্ষের জন্য একটি ‘মাঝামাঝি প‘’- যেখানে যুক্তরাষ্ট্র বলতে পারবে, তারা কোনো টাকা দেয়নি, আর ইরান দাবি করতে পারবে তারা যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ আদায় করেছে। আর এর মাধ্যমে দুবাই ও আবুধাবি নিজেদের বাণিজ্যিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে। সূত্র: আল জাজিরা

তামান্না রুপা/অমিয়/

শান্তিচুক্তির ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের, বিজয় দাবি তেহরানের

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:১৭ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৩৬ এএম
শান্তিচুক্তির ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের, বিজয় দাবি তেহরানের
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পতাকা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে ইরান বিজয়ী হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই যুদ্ধে ইরানই বিজয়ী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।’ 

শুক্রবার (১২জুন) ওয়াশিংটন ও তেহরান, উভয় পক্ষই ইঙ্গিত দিয়েছে যে- যুদ্ধ থামানোর একটি খসড়া চুক্তিতে তারা একমত হয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই প্রাথমিক স্বাক্ষর হতে পারে।

একদিকে হরমুজ প্রণালীতে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের যুদ্ধ শেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের জোর গুঞ্জন- দুই মিলিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে এখন চরম নাটকীয়তা চলছে।

ইরান বলছে ‘আমরাই বিজয়ী’, অন্যদিকে আমেরিকার দাবি ভিন্ন।

চুক্তিটিতে এখনো কিছু পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, এই যুদ্ধের ফলে ইরান আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।

তবে এই মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের সুরক্ষায় বেশ কয়েকটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। 

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী রবিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এই চুক্তিতে সই করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স

তামান্না রুপা/

রাষ্ট্রীয় ব্যয় ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইন্দোনেশিয়ায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম
রাষ্ট্রীয় ব্যয় ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইন্দোনেশিয়ায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
ছবি: ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় গতকাল শুক্রবার সরকারবিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীরা (সংগৃহীত )

ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় গতকাল শুক্রবার শত শত শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমে সরকারের বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন। তাদের অভিযোগ, সরকারের এসব পদক্ষেপ দেশকে ‘দেউলিয়াত্বের দিকে’ ঠেলে দিচ্ছে।

বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর প্রতি রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় বন্ধের দাবি জানান। পাশাপাশি তারা তার অন্যতম প্রধান কর্মসূচি বিনামূল্যের খাবার বিতরণ প্রকল্প বাতিলেরও আহ্বান জানান। সাম্প্রতিক সময়ে এই কর্মসূচিকে ঘিরে ব্যাপক খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঘটনা এবং দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে।

শিক্ষার্থীরা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানান। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণির ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে। কয়েক মাস ধরে সরকারের কথিত অব্যবস্থাপনা নিয়ে জনঅসন্তোষ বাড়তে থাকায় এই বিক্ষোভ হয়। দেশটির মুদ্রা রুপিয়ার মানও সম্প্রতি নতুন সর্বনিম্ন স্তরে নেমে গেছে। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জাকি পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে চিৎকার করে বলেন, ‘জ্বালানির দাম বাড়ছে, আর আমাদের জীবন আরও কঠিন হয়ে উঠছে। শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বরকে কেন ভয় পাচ্ছেন? বলা হয়, সংবিধান বিক্ষোভের অধিকার নিশ্চিত করেছে। কিন্তু আজ আমরা তা দেখতে পাচ্ছি না।’

বিক্ষোভের ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা জাকার্তার বিখ্যাত হোটেল ইন্দোনেশিয়া মোড়ের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ ঢাল নিয়ে তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের ভিডিওতে দেখা যায়, পরে কিছু বিক্ষোভকারী পুলিশি ব্যারিকেড ভেঙে সামনে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ধাক্কাধাক্কি ও লাথি মারার ঘটনাও ঘটে। কিছু বস্তু আকাশে ছুড়ে মারতেও দেখা যায়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্ষোভকারীরা ‘মেনুজু ইন্দোনেশিয়া বাংক্রুট’ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেন, যার অর্থ ‘দেউলিয়া ইন্দোনেশিয়ার পথে’।

গত বছরের আগস্টে সরকারবিরোধী সহিংস বিক্ষোভেরও এক বছরের কম সময়ের মধ্যে এই নতুন আন্দোলন শুরু হলো। সে সময় এক পণ্যবাহী মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শাসকগোষ্ঠীর আধিপত্য ও রাষ্ট্রীয় অব্যবস্থাপনার অভিযোগে জনরোষ ছড়িয়ে পড়েছিল। সূত্র: বিবিসি

রাশিয়ার দখলকৃত ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারের দাবি ইউক্রেনের

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৪২ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৪৩ এএম
রাশিয়ার দখলকৃত ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারের দাবি ইউক্রেনের
ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার কাছে মে মাসে ইউক্রেন যতটুকু ভূখণ্ড হারিয়েছে তার চেয়ে বেশি এলাকা পুনর্দখল করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি কিয়েভের। কয়েক মাস ধরে চলমান রাশিয়ার ধারাবাহিক নেট অগ্রগতির প্রবণতাও উল্টে গেছে।

ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ওলেক্সান্ডার সিরস্কি টেলিগ্রামে বলেন, ‘মুক্ত করা এবং হারানো ভূখণ্ডের অনুপাত প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার আমাদের পক্ষে রয়েছে।’ ইউক্রেনের প্রতিরক্ষাবিষয়ক সংবাদমাধ্যম মিলিতারনি সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, প্রকৃত নেট অর্জনের পরিমাণ আরও বেশি, প্রায় ১২০ বর্গকিলোমিটার। তাদের হিসাব অনুযায়ী, মে মাসে রাশিয়া প্রায় ১৩০ বর্গকিলোমিটার এলাকা দখল করলেও ২৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকা হারিয়েছে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার উন্মুক্ত উৎস থেকে পাওয়া ভূ-অবস্থানভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ করে আরও বড় অঙ্কের ইউক্রেনীয় অগ্রগতির কথা জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মূল্যায়ন অনুযায়ী, মে মাসে রাশিয়া প্রায় ৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকা দখল করতে সক্ষম হলেও প্রায় ২৮০ বর্গকিলোমিটার এলাকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির মতে, ইউক্রেন এপ্রিল মাসেও রাশিয়ার অগ্রগতি উল্টে দিতে সক্ষম হয়েছিল। তাদের হিসাব অনুযায়ী, ওই মাসে রাশিয়া ২৮ বর্গকিলোমিটার ইউক্রেনীয় ভূখণ্ড দখল করলেও ১১৬ বর্গকিলোমিটার এলাকা হারায়। এই মূল্যায়নগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনের পাল্টা অগ্রগতি ক্রমেই বাড়ছে।

সিরস্কি জানান, ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে ইউক্রেন মোট ৬০০ বর্গকিলোমিটার ভূখণ্ড পুনর্দখল করেছে। তবে একটি ফ্রন্টে অগ্রসর হচ্ছে রাশিয়া। এদিকে যুদ্ধক্ষেত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে রাশিয়া অগ্রগতি অর্জন করেছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় সামরিক বিশ্লেষক কোস্তিয়ানতিন মাশোভেটস।

তিনি গত বুধবার (১০জুন) জানান, রুশ বাহিনী পূর্বাঞ্চলীয় কোস্তিয়ানতিনিভকা শহরের পূর্ব অংশে আরও এগিয়ে গেছে। শহরটি দোনেৎস্ক অঞ্চলের চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক শহর নিয়ে গঠিত তথাকথিত ‘দুর্গ বেল্ট’-এর দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত। রুশ বাহিনী প্রথম গত বছরের অক্টোবর মাসে শহরটির কিছু অংশে অনুপ্রবেশ করেছিল। বর্তমানে তারা শহরের প্রায় ১৩ শতাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দোনেৎস্ক অঞ্চলের অবশিষ্ট অংশ দখলকে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছেন। বর্তমানে অঞ্চলটির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এখনো রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে। তবে এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা কয়েকবার পেরিয়ে গেলেও তা পূরণ করা সম্ভব হয়নি। সূত্র: আল-জাজিরা