ঢাকা ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, রোববার, ২৬ মে ২০২৪

ঈদুল আজহার ছুটির আগেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের সিদ্ধান্ত

প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৪, ০৮:৩২ পিএম
ঈদুল আজহার ছুটির আগেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের সিদ্ধান্ত
ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহার সরকারি ছুটি শুরু হওয়ার আগেই গার্মেন্টসহ সব সেক্টরের শ্রমিকদের উৎসব ভাতাসহ বেতন পরিশোধ করা হবে। 

বুধবার (১৫ মে) শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে শ্রম ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের ঈদের ছুটি যাতে দীর্ঘ ও স্বস্তিদায়ক হয়, এ বিষয়ে মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে আলোচনা-সম্মতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ঈদের আগে কোনো শ্রমিক ছাঁটাই বা কারখানা লে-অফ করতে পারবে না। 

তিনি বলেন, সরকার, শ্রমিক ও মালিকপক্ষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শ্রমিকদের নানা সংকট নিরসন সম্ভব হয়েছে। রেশনিংব্যবস্থা চালুর ব্যাপারেও প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। 

সভায় অংশ নেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব হোসেন, অতিরিক্ত সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন, শ্রম অধিদপ্তরে মহাপরিচালক তরিকুল আলম, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক আবদুর রহিম খান, বিজিএমইএর প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম, বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি নূর কুতুব আলম মান্নান, সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার এবং বাংলাদেশ জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম রনিসহ মালিক ও শ্রমিকপক্ষের অন্য নেতারা। 

সাংবাদিক যাতে হেনস্তার শিকার না হয় সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক : কাদের

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৪, ০৩:৪৯ পিএম
সাংবাদিক যাতে হেনস্তার শিকার না হয় সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক : কাদের
ডিআরইউয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন ওবায়দুল কাদের

ডিজিটাল অ্যাক্টের নামে কোনো সাংবাদিক যাতে করে হয়রানির শিকার না হয় সে ব্যাপারে সরকার সতর্ক আছে এবং থাকবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক  এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রবিবার (২৬ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কোনো সাংবাদিক যাতে হেনস্তার শিকার না হয় সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক আছি। আর সাংবাদিকতার নামে অপসাংবাদিকতা ও ভুয়া লোক যাতে মহান এ পেশাকে অসম্মান করতে না পারে সে জন্য সাংবাদিকদেরও সতর্ক থাকতে হবে।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সাংবাদিকতার নামে সাংবাদিকের লেখা নেই, পড়া নেই, সংবাদ বোঝে না, এর ধারে কাছেও নেই। এমন অনেককেই দেখি সরকারি অফিসে গিয়ে বসে থাকে। এরা সত্যিকারের সাংবাদিক নয়। এই ভুয়া সাংবাদিকের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’

আওয়ামী লীগ সরকার সমালোচনার বিরোধী নয় জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সমালোচনা শুদ্ধ করে। সমালোচনা আমরাও করি, তবে তা গঠনমূলক হওয়া প্রয়োজন।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভ ও সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম প্রমুখ।

বাসস/সালমান/

প্রধানমন্ত্রী রেমাল মোকাবিলা কার্যক্রম মনিটরিং করছেন: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৪, ০৩:৪২ পিএম
প্রধানমন্ত্রী রেমাল মোকাবিলা কার্যক্রম মনিটরিং করছেন: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মুহিববুর রহমান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় যাবতীয় কার্যক্রম সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মুহিববুর রহমান। 

রবিবার (২৬ মে) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় আন্তঃমন্ত্রণালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির সভা শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব কামরুল হাসানসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মুহিববুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল আজ সন্ধ্যা নাগাদ আঘাত হানতে পারে। তবে মূল ঝড় আজ মধ্যরাতে বাংলাদেশ অতিক্রম করতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রে বাতাসের গতিবেগ ১২০ কিলোমিটার হতে পারে। তবে তা আরও বেড়ে ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের সময় সাগরের পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে ১০ থেকে ১২ ফুট পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। জোয়ারের সময় তা আরও বাড়তে পারে।

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খুলনা, বাগেরহাট ও ভোলাসহ উপকূলবর্তী জেলাসহ সারাদেশে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হতে পারে। সারাদেশে ৩০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। ফলে দেশের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস হতে পারে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। 

তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে যে কোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সকল মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একইসঙ্গে বঙ্গবন্ধু টানেল আজ সন্ধ্যা থেকে পরের দিন সকাল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। সকল ধরনের লঞ্চ চলাচলও বন্ধ থাকবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় সরকার সার্বিকভাবে প্রস্তুত রয়েছে। ইতোমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় খাবার পৌঁছে গেছে। আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার সব লোককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনতে সক্ষম হব।

দুর্যোগ মোকাবেলার প্রস্তুতি হিসেবে তিনি বলেন, আমরা সামরিক ও বেসামরিক সকল যানবাহনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের মেডিকেল টিমগুলো প্রস্তুত রয়েছে। সামরিক বাহিনী ও নৌবাহিনীসহ প্রয়োজনীয় সকল বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের সময় সৃষ্ট ভূমিধস থেকে লোকজনকে রক্ষা করতে ফায়ার সার্ভিসকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা অতীতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আরও সক্ষমতার সঙ্গে এই ঘূর্ণিঝড়ের যে কোনো ধরণের ধ্বংসলীলা মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। আমরা আশা করি, সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসে এই ঝড়কে ভালভাবে মোকাবেলা করতে পারব।

অতিদ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য উপকূলবর্তী এলাকার লোকজনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা এখনই নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিন। ৭ থেকে ৮ হাজার আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। খাবারসহ প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ৮ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। যেহেতু ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘোষনা করা হয়েছে, সেহেতু আমাদের লক্ষ্য হলো সকল মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে আনা।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আশ্রয়কেন্দ্রের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের সময় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকলে আশ্রয় সংক্রান্ত কার্যক্রম চালু থাকবে। এ ছাড়াও সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় কবলিত এলাকায় যাতে আনঅ্যাফেকটেড এলাকার সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কাজ করতে পারে, সেজন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এর আগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সূত্র: বাসস

ইসরাত চৈতী/অমিয়/  

ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব গত বছরের চেয়ে বেশি: নিপসম

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৪, ০২:২২ পিএম
ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব গত বছরের চেয়ে বেশি: নিপসম
ছবি : খবরের কাগজ

দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ইতোমধ্যেই গত বছরের তুলনায় ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান (নিপসম)। 

নিপসম জানায়, গত বছর প্রথম পাঁচ মাসের তুলনায় এ বছর জানুয়ারি থেকে গতকাল (২৫ মে) পর্যন্ত আক্রান্ত ও মৃত্যু দুটোই বেশি।

রবিবার (২৬ মে) রাজধানীর মহাখালীতে নিপসমের সাইন্টিফিক সেমিনারে এ তথ্য উপস্থাপন করা হয়। 

সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন নিপসমের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সামিউল ইসলাম সাদী।

অমিয়/

সুবিধা বহাল থাকছে সরকারি চাকরিজীবীদের

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৪, ০২:১৬ পিএম
সুবিধা বহাল থাকছে সরকারি চাকরিজীবীদের

আগামী অর্থবছরেও সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৫ শতাংশ হারে সাধারণ ইনক্রিমেন্টের পাশাপাশি মূল বেতনের অতিরিক্ত ৫ শতাংশ (ন্যূনতম ১ হাজার টাকা) প্রণোদনাও বহাল থাকছে। এ সুবিধা সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি পেনশনভোগী ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও পাবেন।

আগামী বাজেট প্রস্তাব প্রণয়নের সময়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট প্রস্তুত কমিটির কর্মকর্তারা চলতি বাজেটে দেওয়া সুবিধা আগামী অর্থবছরে স্থগিত রাখার প্রস্তাব করেন। তবে এ প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত সরকারের ওপরের মহলের নির্দেশে আমলে আনা হয়নি। 

সাবেক তত্ত্বধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এ বি মো. মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, ‘সরকার আর্থিক সংকটে রয়েছে। অনেক খাতের খরচ কাটছাঁট করা হচ্ছে। অর্থ সংগ্রহে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ নিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার আগামী অর্থবছরের জন্য এই চাকরিজীবীদের সুবিধা স্থগিত করলে ভালো হবে। তবে সরকার কোনো সুবিধা দিয়ে তা প্রত্যাহার করলে বা স্থগিত করলে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়।’

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই ডলারসংকট দেখা দেয়। আর এতে বছর দুয়েক ধরে দেশের বাজারে পণ্যসংকট দেখা দেয়। বাজারে প্রায় সবকিছুর দাম বাড়তে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি দিতেই সরকারি চাকরিজীবীদের সুবিধা দেওয়া হয়। 
রপ্তানি প্রণোদনাসহ বিভিন্ন খাতের প্রণোদনার হার প্রতিবছরের বাজেটে নতুন করে নির্ধারণ করা হয়। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ঘোষিত সরকারি চাকরিজীবীদের এই প্রণোদনা সরকার বাতিল না করা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। 

চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৫ শতাংশ হারে সাধারণ ইনক্রিমেন্টের সঙ্গে প্রণোদনা দেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে যাচাই-বাছাই করে মূল বেতনের অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা প্রণোদনা দেওয়া হয়। 

সূত্র জানায়, আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতায় বরাদ্দ থাকতে পারে ৮৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বেতন-ভাতায় বরাদ্দের তুলনায় প্রায় ৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ বা ৬ হাজার কোটি টাকা বেশি। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ আছে ৭৭ হাজার ৪৮৯ কোটি টাকা। বেতন-ভাতার পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত করপোরেশন ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুবিধা ও গ্রাচ্যুইটিতে বরাদ্দের অর্থ যোগ করলে আগামী অর্থবছরে এ খাতে ব্যয় ১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের মূল বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতায় বরাদ্দ ছিল ৮০ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা। তবে সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ কমিয়ে ৭৭ হাজার ৪৮৯ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতায় প্রকৃত ব্যয় ছিল ৬৩ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা। এর আগের অর্থবছরে (২০২১-২২) এ খাতে প্রকৃত ব্যয় ছিল ৬২ হাজার ৮৫৬ কোটি টাকা। আর ২০২০-২১ অর্থবছরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতায় প্রকৃত ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৬১ হাজার ৬৭২ কোটি টাকা।

সরকারি কর্মচারীরা ২০১৫ সালের বেতন কমিশন অনুযায়ী বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী এ বেতন কমিশন প্রণীত হয়েছিল। 

এ কমিশনের সুপারিশে বলা হয়েছিল, আর নতুন বেতন কমিশন গঠন করা হবে না। প্রতিবছর ৫ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট বা বেতন বাড়ানো হবে। এ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী চললেও চলতি বছর দ্রব্যমূল্য অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার সুবিধা বাড়ানো হয়। 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি হিসাব অনুযায়ী, দেশে সরকারি কর্মচারী ১৪ লাখ। বিভিন্ন করপোরেশন এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নিয়ে হিসাব করলে প্রায় ২২ লাখ। সরকারি চাকরিতে ২০টি ধাপ (গ্রেড) রয়েছে। প্রথম ধাপে বেতন-ভাতা পান সচিবরা।

এমপি আজীম হত্যাকাণ্ড কলকাতায় পৌঁছেছে ডিবির প্রতিনিধি দল

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৪, ০১:৫১ পিএম
কলকাতায় পৌঁছেছে ডিবির প্রতিনিধি দল
নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার ঘটনা তদন্তে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল কলকাতায় পৌঁছেছে।

রবিবার (২৬ মে) বেলা ১১টায় দলটি কলকাতার নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। 

দলে অন্য দুই সদস্য হলেন, ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আব্দুল আহাদ ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) শাহীদুর রহমান। 

জানা যায়, ডিবির এই প্রতিনিধি দলটি নিউটাউনের সঞ্জীবা গার্ডেন, ভাঙ্গরে কৃষ্ণমাটি এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে যেতে পারেন। তাছাড়া কলকাতা পুলিশের কাছে থেকে এ ব্যাপারে সহযোগিতা চাইবেন।

অমিয়/