ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ গাজীপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে জনতার হাতে যুবদল নেতা আটক বাউফলে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর নকলের অভিযোগ চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতি সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে সাপাহারে মতবিনিময় সভা বছরে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ রুমিন ফারহানার উচ্চশিক্ষা নয়, নৈতিক শিক্ষায় বড় হও জবানের যে ছোট্ট কথায় অফুরন্ত সওয়াব মেলে সমুদ্র বাঁচলে পৃথিবী বাঁচবে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বরগুনায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ট্রেড ফাইন্যান্স অ্যানালিটিক্স সফটওয়্যার উদ্বোধন শাওমি নিয়ে এল ৯.৭ ইঞ্চির নতুন রেডমি প্যাড ২ ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারী ঈদের আগে বেতন না পাওয়ায় সংসদে ক্ষোভ চীন-মঙ্গোলিয়া যৌথ মহড়ায় নজর কাড়লো রোবটিক উলফ চকরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় নীতিমালা আধুনিকায়ন করছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী দেশে প্রতিবছর অপচয় হয় ৩৫ লাখ টন খাদ্য: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী গৃহকর্মী রোবট! দেশের সম্মান রক্ষায় জীবন বাজি রাখছেন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রামিসার মৃত্যু, অপরাধীর শাস্তি এবং সমাজের দায় বিশ্বকাপের উন্মাদনা এবার রঙ বাংলাদেশে নাচোলে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে মৎস্য সমবায় সমিতির নিবন্ধন জাতিসংঘ: উন্নয়ন অংশীদার নাকি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নদী-খাল কিছু নেই তবুও নির্মাণ হচ্ছে ব্রিজ শাহরাস্তিতে সরকারি গাছ কেটে নিলেন পৌর বিএনপির নেতা বানিয়াচংয়ে দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ, আহত ৫০ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু ২ প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র নর্ডিক দেশসমূহ: প্রকৃতি, সমৃদ্ধি ও মানবিক উন্নয়নের অনন্য দৃষ্টান্ত
Nagad desktop

বিচারিক কার্যক্রম আরও সহজ করা হচ্ছে: প্রধান বিচারপতি

প্রকাশ: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৭:২১ পিএম
আপডেট: ০৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৭:২২ পিএম
বিচারিক কার্যক্রম আরও সহজ করা হচ্ছে: প্রধান বিচারপতি
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার ও পদ্ধতিগত সংস্কারের মাধ্যমে আইনি সহায়তায় বিচারিক কার্যক্রম আরও সহজ করা হচ্ছে।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত ‘বিচারিক স্বাধীনতা ও দক্ষতা’ শীর্ষক এক কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা ও নিম্ন আদালতের বিচারকরা এ কনফারেন্সে অংশ নেন।

১৯৭১ সালের শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘যাদের আত্মত্যাগ আমাদের স্বাধীন জাতির ভিত্তিস্থাপন করেছিল। 

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর তাদের অতুলনীয় সাহস এবং উৎসর্গের একটি শক্তিশালী অনুস্মারক হিসেবে কাজ করে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র নেতৃত্বাধীন বিপ্লবের দৃঢ় চেতনাকেও স্মরণ করে তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব নিপীড়নকে উৎখাত এবং ন্যায়বিচার, সাম্য ও মানবতা পুনরুদ্ধারের লড়াই।

বিচারপতি রেফাত আহমেদ বলেন, ‘আমাদের ইতিহাসের এই সংজ্ঞায়িত মুহূর্তগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, ন্যায়বিচারের সন্ধান একটি ক্ষণস্থায়ী প্রচেষ্টা নয় বরং একটি আজীবন প্রতিশ্রুতি যা আমাদের বিচারিক মিশনের ভিত্তি তৈরি করে। বিচারে বিলম্ব হ্রাস করা নিছক প্রশাসনিক লক্ষ্য নয়, বরং এটি নৈতিক বাধ্যতামূলক। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে, ন্যায়বিচার যাতে বিলম্বিত না হয়।’

দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়ে নিজের কাঁধে অর্পিত বিশাল দায়িত্ব সম্পর্কে তীব্রভাবে সচেতন ছিলেন বলে উল্লেখ করেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ। প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে শক্তিশালী করার জন্য আমার দৃঢ় প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে, ক্ষমতার সত্যিকারের পৃথকীকরণের ভিত্তিস্থাপনের জন্য সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নিয়েছি। আমি বিচার বিভাগের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় তৈরির প্রক্রিয়া ঘোষণা করেছি এবং শুরু করেছি, যা বিচার বিভাগের প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং যোগ্যতা প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের জন্য একটি বিচার বিভাগীয় নিয়োগ কাউন্সিল গঠনে সরকারের কাছে প্রস্তাব করেছি।’

বিচারপতি আরও বলেন, আইনি সহায়তা পরিষেবার জন্য একটি ক্যাপাসিটি টেস্ট চালু করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রিকে ১২ দফা নির্দেশনা মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একটি হেল্পলাইন প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে সিস্টেমে নাগরিকদের নিরবচ্ছিন্ন আইনি তথ্যসেবা প্রাপ্তি সহজতর হয়। যেন স্বচ্ছতা এবং দক্ষতা নিশ্চিত হয়।

রেফাত আহমেদ বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অবশ্যই দক্ষতার পরিপূরক হতে হবে। আমরা কেস ব্যাকলগ, বিলম্ব এবং পদ্ধতিগত অদক্ষতার দ্বারা সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে গভীরভাবে সচেতন। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করার জন্য একটি বহুমুখী পদ্ধতির প্রয়োজন, যা উদ্ভাবন, পরিশ্রম এবং দূরদর্শিতাকে একত্রিত করে। তিনি বলেন, ‘কেস ম্যানেজমেন্ট প্রসেসকে স্ট্রিমলাইন করার জন্য কাজ করছি। আদালতের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ ও স্বচ্ছ করতে প্রযুক্তি ব্যবহার করছি। ডিজিটালাইজেশন আর বিলাসিতা নয়; এটি একটি প্রয়োজনীয়তা। আধুনিক সরঞ্জাম এবং প্রযুক্তিকে একীভূত করার মাধ্যমে বিলম্ব কমাতে, স্বচ্ছতা বাড়াতে এবং মামলাকারীদের আরও নির্বিঘ্ন সেবা প্রদানে আমরা বদ্ধ পরিকর। এক্ষেত্র ইউএনডিপি অনুঘটক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সক্ষমতা-নির্মাণ কর্মসূচি, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং বিচার বিভাগের অনন্য প্রয়োজন অনুসারে নীতিগত উন্নয়নে আরও সহায়তা করতে পারে ইউএনডিপি।’ 

বছরে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ রুমিন ফারহানার

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
বছরে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ রুমিন ফারহানার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।ছবি: সংগৃহীত

আমদানি-রপ্তানির আড়ালে বছরে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার অর্থ পাচারের অভিযোগ তুলেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

সোমবার (৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনে সম্পূরক প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘দীর্ঘ এক ঘণ্টা হাত উঁচিয়ে ছিলাম, এরপর সংসদে কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমার প্রশ্ন হলো, টাকা পাচারের বিরুদ্ধে বাণিজ্যমন্ত্রী কোনো পদক্ষেপ নেবেন কি না।’ 

জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘আমদানি-রপ্তানির আড়ালে বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তবে অর্থ পাচারের বিষয়টি প্রমাণ করা সহজ নয়।’ 

তিনি বলেন, ‘১৩০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হচ্ছে। কিন্তু নির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন, কোন পণ্যের মাধ্যমে কত অর্থ পাচার হচ্ছে। এটি গবেষণা ও যাচাইয়ের বিষয়।’ 

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রপ্তানির আড়ালে অর্থ পাচারের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে সরকার।’ 

রিফাত/

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল। ছবি: মাসুদ মিলন

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম এবং উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১৮৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।
 
সোমবার (৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা  এক হাজার ৯২ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৮০ হাজার ১০৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৯৩ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা নয় হাজার ৭৭৯ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৫ হাজার ২৩৭ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬১ হাজার ২৭৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে সাত জনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৫৩৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রিফাত/

ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারী ঈদের আগে বেতন না পাওয়ায় সংসদে ক্ষোভ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারী ঈদের আগে বেতন না পাওয়ায় সংসদে ক্ষোভ
ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল আজহার আগে দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারী মে মাসের বেতন-ভাতা না পাওয়ায় জাতীয় সংসদে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ৭১ বিধিতে দেওয়া এক নোটিশের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের মাধ্যমে তিনি বলেন, ‘জুন মাসের ৮ তারিখ পার হয়ে গেলেও শিক্ষক-কর্মচারীরা এখনো মে মাসের বেতন পাননি। ফলে ঈদুল আজহার মতো বড় ধর্মীয় উৎসবের সময় তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষকদের ঈদের আগে বেতন না পাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।’

সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন, সরকারকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ গোষ্ঠী শিক্ষকদের বেতন প্রদানে বাধা সৃষ্টি করছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সক্রিয় ওই গোষ্ঠীর সদস্যদের চিহ্নিত করে দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

বক্তব্যে তিনি শিক্ষকদের অধিকার ও কল্যাণে অতীতের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরে বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের আওতায় আনা এবং পরবর্তীতে উৎসব ভাতা ও বেতন বৃদ্ধির মতো পদক্ষেপ শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।’

একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘প্রযুক্তি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার উন্নয়ন সত্ত্বেও প্রতি মাসে সময়মতো বেতন পরিশোধে কেন জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। সরকারের সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মাঠপর্যায়ে প্রশাসনিক গাফিলতি বা সমন্বয়হীনতার কারণে শিক্ষকদের বেতন আটকে থাকা দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি।’

অবিলম্বে জটিলতা নিরসন করে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের মে মাসের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস দ্রুত পরিশোধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন সংসদ সদস্য।

এলিস/রিফাত/

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় নীতিমালা আধুনিকায়ন করছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় নীতিমালা আধুনিকায়ন করছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। ছবি: সংগৃহীত

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবেলায় বিদ্যমান জাতীয় নীতিমালা আধুনিকায়ন করছে সরকার। একইসঙ্গে বজ্রপাতে প্রাণহানি কমাতে প্রযুক্তিনির্ভর নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

সোমবার (৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।

সংরক্ষিত নারী আসন-১০ এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়, কালবৈশাখী, টর্নেডো, বন্যা, খরা ও নদীভাঙনের মতো দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সরকার ইতোমধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন-২০১২, জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০১৫, জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (২০২১-২০২৫) এবং ‘স্ট্যান্ডিং অর্ডারস অন ডিজাস্টার (এসওডি)’ প্রণয়ন করেছে।’

তিনি জানান, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় এসব পরিকল্পনাকে আরও সময়োপযোগী ও কার্যকর করতে কাজ চলছে। এর অংশ হিসেবে এসওডি সংশোধন এবং ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের নতুন জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গবেষণা কার্যক্রম জোরদারে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছেন।

অন্যদিকে, সংরক্ষিত নারী আসন-২ এর সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানার প্রশ্নের জবাবে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ‘বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় প্রাণহানি কমাতে সরকার সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং স্থানীয় প্রশাসন যৌথভাবে আধুনিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে বজ্রপাতের পূর্বাভাস তৈরি করছে। গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং আইভিআর প্রযুক্তির মাধ্যমে এসব সতর্কবার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।’

এ ছাড়া জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে লিফলেট বিতরণ, পোস্টার প্রচার ও মহড়ার আয়োজনের পাশাপাশি বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় কৃষক ছাউনি-কাম বজ্রনিরোধক দণ্ড স্থাপন এবং ব্যাপক হারে তালগাছ রোপণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এলিস/রিফাত/

দেশে প্রতিবছর অপচয় হয় ৩৫ লাখ টন খাদ্য: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
দেশে প্রতিবছর অপচয় হয় ৩৫ লাখ টন খাদ্য: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী
ছবি: সংগৃহীত

দেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয় বলে জানিয়েছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা ইউনেপের (UNEP) ২০২৪ সালের ‘ফুড ওয়েস্ট ইনডেক্স’ প্রতিবেদনে বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয়ের তথ্য উঠে এসেছে। তবে প্রতিবেদনে উল্লেখিত এ সংখ্যা দেশের সামগ্রিক খাদ্য অপচয়ের চিত্র তুলে ধরে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সভাপতিত্ব করেন।

লিখিত প্রশ্নে দেশে খাদ্য উৎপাদনের একটি বড় অংশ ময়লার ঝুড়িতে চলে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে খাদ্যের অপচয় রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়।

জবাবে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্যশস্য সংগ্রহ করে গুদাম ও সাইলোতে সংরক্ষণ করা হয় এবং বিভিন্ন খাতে বিতরণ করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় কিছু খাদ্যশস্য নষ্ট হলেও আধুনিক সাইলো ও খাদ্য গুদাম নির্মাণ, সংরক্ষণ ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য অপচয় ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খাদ্যশস্যের মোট ঘাটতি বা অপচয়ের পরিমাণ ছিল ১৮ হাজার ৮৮৭ দশমিক ৩৪৭ মেট্রিক টন, যা মোট খাদ্যশস্যের মাত্র শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ। এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ২১ হাজার ৩২৯ দশমিক ৮৮ মেট্রিক টন বা শূন্য দশমিক ৩১৬ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে খাদ্যশস্যের অপচয় কমেছে বলে সংসদকে জানান তিনি।

খাদ্য নিরাপত্তা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি উৎপাদিত খাদ্যের ক্ষতি ও অপচয় রোধে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সচেতনতামূলক ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলেও উল্লেখ করেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী।

এলিস/নাঈম