ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সালিশকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ২০ আগ্রাসী যমুনায় বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি ও জমিজমা অ্যাপলের ধীরস্থির এআই কৌশল কেন সফল সিলেটে ১০০ বোতল এস্কফ সিরাপসহ গ্রেপ্তার ২ চমেক হাসপাতালকে দালালমুক্ত করার ঘোষণা কাশিয়ানীতে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধা নিহত নিয়োগ দেবে যমুনা ব্যাংক, আজ থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু চুয়াডাঙ্গায় অভি ফুড প্রোডাক্টসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু জেনেভায় আইএলও এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের সভাপতিত্ব করলেন শ্রমমন্ত্রী সোমালিয়ান রেফারি সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের সন্দেহজনক যোগসূত্র ছিল: মার্কিন কর্মকর্তা ভারতের নতুন হাইকমিশনার আসছেন ১২ জুন রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি পুনরুদ্ধার ও মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা করা হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী জয়পুরহাটে বিজিবির ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ বকশীগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে একজনকে পুশইনের চেষ্টা ট্রেলারে তুষির চমক সামাজিক জীবনে শান্তিতে থাকার  ১০ উপায় ম্যাচের আগের দিন যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারবেন ইরানের ফুটবলাররা কথা বলতে পারছেন না ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নির্মাতা ডেঙ্গু রুখতে প্রয়োজনে অতিরিক্ত চিকিৎসক নিয়োগ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রাথমিকে নতুন বই ও ৬০ হাজার চাকরির ঘোষণা গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর ৫৫ বছর পেরিয়ে নূতন মাগুরায় জার্মানির সাড়ে ৭ কিলোমিটার পতাকা ঈশ্বরদী স্বাস্থ্যে কমপ্লেক্সে মে মাসের বেতন পাননি কর্মচারীরা আসছে শ্রদ্ধার বায়োপিক ‘ইথা’ ইন্টারনেটে ঝড় তুলেছেন ৭৪ বছরের চীনা ‘তরুণী দাদি’ রাজশাহীতে মাহিন্দ্রা-ট্রাক সংঘর্ষে ব্যাংক কর্মকর্তাসহ নিহত ২ আর্টেমিস-৩ মিশনের চার নভোচারীর নাম ঘোষণা নড়াইলে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু ভোলায় স্ত্রী-সন্তানদের ফিরে পেতে ‘জ্বিনের বাদশা’র বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
Nagad desktop

ঢাকার বাতাস আজও অস্বাস্থ্যকর

প্রকাশ: ২০ মার্চ ২০২৫, ১০:১৪ এএম
আপডেট: ২০ মার্চ ২০২৫, ১০:১৯ এএম
ঢাকার বাতাস আজও অস্বাস্থ্যকর
ছবি: খবরের কাগজ

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (একিউআই) স্কোরে দূষিত বাতাসের শহরে সারা বিশ্বের মধ্যে ঢাকা আজ চতুর্থ স্থানে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) সকাল ১০টায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ১৫৮। তাই ঢাকার বাতাস আজও অস্বাস্থ্যকর।

একই সময়ে ভারতের দিল্লি ২২৪ একিউআই স্কোর নিয়ে প্রথম এবং আলজেরিয়ার আলজিয়ার্স ২২০ একিউআই স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় এবং নেপালের কাঠমান্ডু ১৭৪ একিউআই স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থান দখল করেছে।

যখন কণাদূষণের একিউআই মান ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকে, তখন বায়ুর গুণমানকে ‘মাঝারি’ বলে বিবেচনা করা হয়। একিউআই সূচক ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ সময় সাধারণত সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘসময় ধরে বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

একিউআই মান ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যে হলে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়, ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়। এ ছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই সূচক পাঁচটি দূষণের ওপর নির্ভরশীল। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন।

সুমন/

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধতিবার (১০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ‍বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে গত ১৫ মার্চ থেকে সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৫৪৭ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে একজনেরও মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ‍নিশ্চিত হামে মৃতের সংখ্যা ৯২ জন।

এতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৯৪৫ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৮২ হাজার ২৯ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৯৪ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৯২৭ জন।

রিফাত/

ভারতের নতুন হাইকমিশনার আসছেন ১২ জুন

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
ভারতের নতুন হাইকমিশনার আসছেন ১২ জুন
ভারতের নতুন হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ছবি: সংগৃহীত

আগামী শুক্রবার (১২জুন) ঢাকায় আসছেন ভারতের নতুন হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। 

তার আসার এ তথ্য খবরের কাগজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক নেতাকে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠানো দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনার প্রেক্ষাপটে দীনেশ ত্রিবেদীর মতো অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদের নিয়োগ এবং আগমন উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্ককে নতুন গতি দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গেল এপ্রিলে ভারত সরকার দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে নতুন হাই কমিশনার হিসেবে নিয়োগের ঘোষণা করে। তিনি ক্যারিয়ার ডিপ্লোম্যাট প্রণয় কুমার ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। এটি একটি ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক নিয়োগ। সাধারণত কূটনৈতিক পদে ক্যারিয়ার ডিপ্লোম্যাটদের পাঠানো হয়, কিন্তু বর্তমান স্পর্শকাতর পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদকে বেছে নিয়েছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, ত্রিবেদী যেহেতু বাংলা ভাষায় সাবলীল এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি ও সংস্কৃতির গভীর জ্ঞান রাখেন। তাই বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মোদী সরকার দীনেশকেই ঢাকায় পাঠাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র খবরের কাগজকে জানায়, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের কয়েকটি মূল চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি নবায়ন, তিস্তা নদীর পানি বণ্টন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা, জ্বালানি সহযোগিতা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের জন্য এমন একজন ‘পলিটিক্যাল এনভয়’ প্রয়োজন ছিল যিনি উভয় দেশের রাজনৈতিক মহলে সহজে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবেন।

ত্রিবেদীর পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং বাংলা ভাষার দক্ষতা এখানে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নিয়োগের মাধ্যমে ভারত বাংলাদেশকে স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছে যে, দু দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং বাস্তবসম্মত করতে চায় ভারত। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক শুধু দুই সরকারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটির মূল ভিত্তি দুই দেশের জনগণের মধ্যে। এই নিয়োগ একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। দীনেশ ত্রিবেদী শুধু একজন কূটনীতিক নন, তিনি একজন রাজনৈতিক যোগাযোগকারী। তার মাধ্যমে দিল্লি এবং ঢাকার মধ্যে সরাসরি রাজনৈতিক স্তরের আলোচনা সহজ হবে। দীনেশ ত্রিবেদী যদি এই মানুষে মানুষে যোগাযোগকে শক্তিশালী করতে পারেন, তাহলে তার মিশন সফল বলে বিবেচিত হবে।

দীনেশ ত্রিবেদী ১৯৫০ সালের ৪ জুন নয়াদিল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তার বয়স ৭৬ বছর। তিনি গুজরাটি বংশোদ্ভূত হলেও কলকাতায় বেড়ে উঠেছেন এবং বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ, কলকাতা থেকে বাণিজ্যে স্নাতক এবং যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়, অস্টিন থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন। তার রাজনৈতিক জীবন অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। কংগ্রেস দিয়ে শুরু করে জনতা দল, তৃণমূল কংগ্রেস হয়ে ২০২১ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন রাজ্যসভায় দুবার (১৯৯০-৯৬ এবং ২০০২-০৮) এবং লোকসভায় ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে ২০০৯ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত। মনমোহন সিংয়ের মন্ত্রিসভায় তিনি রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৬-১৭ সালে তিনি ‘অসামান্য সংসদ সদস্য’ পুরস্কার লাভ করেন।

রিফাত/

রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি পুনরুদ্ধার ও মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা করা হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৩:২৬ পিএম
রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি পুনরুদ্ধার ও মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা করা হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী
ছবি: খবরের কাগজ

মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সম্পত্তি পুনরুদ্ধার ও মুক্তিযোদ্ধা তালিকা যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

বুধবার (১০ জুন) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক বিশেষ কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে করা বিভিন্ন রিট, চাকরি সংক্রান্ত মামলা, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল মামলা এবং আদালত অবমাননা সংক্রান্ত মামলা দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে এ বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

এই কর্মশালা উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, অতীতে বিভিন্ন কারণে সরকারি মামলাগুলোতে রাষ্ট্রের স্বার্থ যথাযথভাবে সংরক্ষিত হয়নি। তবে বর্তমানে পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে। অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের দক্ষ আইন কর্মকর্তারা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সমন্বিতভাবে রাষ্ট্রের স্বার্থ ও মর্যাদা রক্ষায় নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন।

তিনি বলেন, এই কর্মশালার মাধ্যমে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়, সলিসিটর উইং এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত হবে। ফলে বিদ্যমান আইনি জটিলতাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের পথ সুগম হবে।

মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম এবং বিভিন্ন মহলের যোগসাজশে রাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য সম্পদ বেহাত হয়েছে। বর্তমান সরকার ও মন্ত্রণালয় এসব সম্পদ পুনরুদ্ধারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি সম্পদ জনগণের সম্পদ। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বেহাত হওয়া সব সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করা হবে এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই।

মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদদের তালিকা প্রণয়নের বিষয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়গুলোকে তথ্যনির্ভর ও নির্ভুলভাবে সংরক্ষণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

তিনি বলেন, অতীতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও প্রক্রিয়া নিয়ে যে বিতর্ক রয়েছে, তা গবেষণা, তথ্য-উপাত্ত ও আইনি কাঠামোর ভিত্তিতে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

‌যারা মুক্তিযোদ্ধা নয় তাদের শনাক্তকরণ প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক অযোগ্য ব্যক্তি মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মন্ত্রণালয় যাচাই-বাছাই কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন, যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নন, অথচ তালিকাভুক্ত হয়ে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে একদিকে যেমন সরকারি অর্থের অপচয় রোধ হবে, অন্যদিকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান আরও সুদৃঢ় হবে।

দেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রসঙ্গে আহমেদ আযম খান বলেন, বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকারের উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রের বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীলতা, সততা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে। আইনের শাসন, সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেই আমরা একটি উন্নত ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।

কর্মশালায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সলিসিটর, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের আইন কর্মকর্তাসহ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা অংশগ্রহণ করেন।

খাদিজা রুমি/অমিয়/

ডেঙ্গু রুখতে প্রয়োজনে অতিরিক্ত চিকিৎসক নিয়োগ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০২:৩১ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম
ডেঙ্গু রুখতে প্রয়োজনে অতিরিক্ত চিকিৎসক নিয়োগ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ছবি: খবরের কাগজ

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে মানুষের জীবন বাঁচাতে যেকোনো উপায়ে অতিরিক্ত চিকিৎসকের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

প্রয়োজনে চিকিৎসকদের ভাগ করে দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

বুধবার (১০ জুন) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এই সভার আয়োজন করে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমার একটাই কথা, আমরা সবাই মিলে একটি বিষয় মোকাবিলা করছি। আমরা অনেকটা এগিয়েছি, সামনে আরেকটি চ্যালেঞ্জ আসছে। আপনারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবেন এবং ডেঙ্গুর প্রটোকল মেনে চলবেন।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কড়া নির্দেশনা দিয়ে বলেন, আপনাদের বড় একটি নেটওয়ার্ক সারা বাংলাদেশে রয়েছে। সবাইকে বলবেন, বড় চিকিৎসকরা যে বিষয়গুলো বলেছেন অপ্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক না দেওয়া এবং রোগীর প্লাজমা লিক শুরু হলে প্রতিটি রোগীর প্রতি বিশেষ নজর রাখা। প্লাজমা লিক হলে দ্রুত ফ্লুইড দিতে হবে, যাতে রোগী শকে চলে না যায়।

তিনি আরও যোগ করেন, আপনারা এসব বিষয় আপনাদের সহকর্মী ও পরিচিতদের জানাবেন। যদি পরিস্থিতির অবনতি হয় বা রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়, আমাদের জানাবেন। আমরা যেভাবে সম্ভব চিকিৎসকের ব্যবস্থা করব। প্রয়োজনে চিকিৎসকদের ভাগ করে দায়িত্ব দেওয়া হবে। তবুও আমাদের মানুষকে বাঁচাতে হবে।

একই অনুষ্ঠানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক অবদানের কথা স্মরণ করে  বলেন, সিপাহী বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণ জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে ক্ষমতায় বসিয়েছিলেন। তিনি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং সবার জন্য রাজনীতির পথ উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন।

বক্তব্যে তিনি জিয়াউর রহমান ও তার সন্তান আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দেশের জন্য তার নেতৃত্বের সফলতা কামনা করেন।

ড্যাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কেনানের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিলের তত্ত্বাবধানে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এবং ড্যাবের সাবেক মহাসচিব ডা. মো. আব্দুস সালাম।

সচিবালয়ে ৪ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর

আজ বুধবার সকালে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর কক্ষে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে কানাডার স্বনামধন্য ইমিগ্রেশন প্রতিষ্ঠান 'স্কশিয়া কনসালট্যান্টস'-এর পক্ষ থেকে হামের চিকিৎসা ও প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় অত্যাধুনিক ভেন্টিলেটরসহ জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ডা. মো. জামিলুর রহিম প্রায় চার কোটি টাকা মূল্যের এই জীবন রক্ষাকারী সামগ্রী স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন। 

সরঞ্জাম হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এবং এমপরি এ্যাংশো মেডিকেয়ার লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক শাহেদ কামাল।

 জয়ন্ত সাহা/খাদিজা রুমি/

প্রাথমিকে নতুন বই ও ৬০ হাজার চাকরির ঘোষণা গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০২:২৪ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০২:৪১ পিএম
প্রাথমিকে নতুন বই ও ৬০ হাজার চাকরির ঘোষণা গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর
২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী নতুন এ কারিকুলাম নিয়ে আলোচনা করছেন। ছবি: খবরের কাগজ

সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহশিক্ষা কার্যক্রমের পরিবর্তে এবার সরাসরি ‘শিল্প ও সংস্কৃতি’ পাঠ্যবই চালুর বড় উদ্যোগ নিচ্ছে, এর ফলে প্রায় ৫০-৬০ হাজার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেন, ‘নতুন কারিকুলামের এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আগামী পাঁচ বছরে প্রাথমিক শিক্ষা খাতে সংগীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা ও চারুকলা বিষয়ে শিক্ষিত প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।’ 

বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে দেশের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত শিক্ষা-দর্শন অনুযায়ী দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক নাগরিক (গ্লোবাল সিটিজেন) হিসেবে বিকশিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাও অর্জন করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘সংগীত, নৃত্য ও নাট্যকলাকে আর সাধারণ সহশিক্ষা বা অতিরিক্ত পাঠ্যক্রমভিত্তিক কার্যক্রম হিসেবে না দেখে শিশুর সামগ্রিক বিকাশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে বিপুলসংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে, যা দেশের শিক্ষিত বেকার তরুণদের জন্য একটি টেকসই ক্যারিয়ার গঠনের সুযোগ তৈরি করবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সহযোগিতা কামনা করে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘আমরা চাই আপনাদের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাক। সে লক্ষ্যে কীভাবে তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়, কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের সঙ্গে শিক্ষকতা-সম্পর্কিত প্রস্তুতি যুক্ত করা যায় এবং কীভাবে যৌথভাবে দক্ষ শিক্ষক তৈরি করা যায়-সেসব বিষয়ে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই।’

কবে থেকে চালু হবে?
২০২৭ সালে চতুর্থ শ্রেণির জন্য ‘শিল্প ও সংস্কৃতি’ পাঠ্যবই চালু হবে। বইটিতে চারটি পৃথক অধ্যায় থাকবে চারু ও কারুকলা, সংগীত, নৃত্যকলা এবং নাট্যকলা। ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলামের আওতায় বিষয়গুলো পূর্ণাঙ্গভাবে প্রাথমিক শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং আমন্ত্রিত বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। নতুন শিক্ষাক্রম চালুর লক্ষ্যে কারিকুলাম উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষ শিক্ষক তৈরির মাস্টারপ্ল্যান এখন থেকেই শুরু করা হচ্ছে বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

জয়ন্ত সাহা/আজহার/