ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ঘরেই মিলবে কৃত্রিম দিনের আলো চকরিয়া থেকে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির যাত্রা শুরু রাজশাহীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন ভূমিমন্ত্রী বিদেশি ঋণনির্ভর ও লুটপাটের বাজেট জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবে না: গোলাম পরওয়ার শহিদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত ও পরিবারকে সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর রংপুরে অভিনব উপায়ে দল পরিবর্তন করলেন ব্রাজিল সমর্থক সহধর্মিণীকে সঙ্গে নিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে তারেক রহমান আইভিএফে যমজ সন্তানের জন্ম, ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল না বাবা-মায়ের পরিচয় ১০ জেলা হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে রবিবার মানুষকে রোগ সম্পর্কে সচেতন করছে তথ্যপ্রযুক্তি তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে যুবদল অগ্রণী ভূমিকা রাখবে: মির্জা ফখরুল গ্রামীণ কাঁচা সড়ক পাকাকরণ জরুরি‎ আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা এবং রাজস্ব ব্যবস্থায় সংস্কার কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রিকশাচালককে গণপিটুনি রাজবাড়ীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল সৌদি কারাগারে মৃত্যু, ২৮ দিন পর দেশে মরদেহ ইতিহাস গড়ার পথে হন্ডুরাসের রেফারি সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র মরক্কো ‘আন্ডারডগ’ নয়, ট্রফি জিততেই মাঠে নামবে: ওয়াহবি তামাকের বিকল্প হিসেবে মলোখিয়া ব্যবহার করছেন গাজার ধূমপায়ীরা চুয়েট জব ফেয়ার-২০২৬: চাকরিপ্রত্যাশীদের পদচারণায় মুখর ক্যাম্পাস জনআকাঙ্ক্ষার বাজেট এবং নানামুখী চ্যালেঞ্জ হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে প্রাণ বন্ধের সনে ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা, পুলিশের এক সোর্স আটক রমেকে রোগীর মৃত্যু ঘিরে চিকিৎসক-স্বজনদের হাতাহাতি গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা, বিচার দাবি বাবার খুলনায় উপকূলীয় নারীদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী যে অঙ্গের কারণে মানুষ জান্নাত অথবা জাহান্নামে যাবে জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের ২১ পরিবারে আর্থিক সহায়তা
Nagad desktop

পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণ কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না: পার্বত্য মন্ত্রী

প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম
পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণ কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না: পার্বত্য মন্ত্রী
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান। ছবি: সংগৃহীত

'পরিবেশ ধ্বংস করে বা পাহাড় কেটে কোনো ধরনের রিসোর্ট বা পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ বরদাস্ত করা হবে না'- বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

তিনি বলেন-'পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করে পর্যটন শিল্পের বিকাশ সরকার সমর্থন করে না; বরং পাহাড়ের পরিবেশ রক্ষা করে পরিবেশবান্ধব বা ‘ইকো-ট্যুরিজম’ গড়ে তোলাই লক্ষ্য হওয়া উচিত'।

 মঙ্গলবার( (৩ মার্চ) দুপুরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে পরিষদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, 'উন্নয়নের নামে কেবল প্রজেক্ট তৈরি করে অর্থ অপচয় করার সুযোগ আর থাকবে না। যেখানে প্রয়োজন নেই সেখানে প্রকল্প নেওয়া যাবে না। প্রতিটি কাজের যথাযথ তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। জেলা পরিষদের কাজের মাধ্যমেই জেলার উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে, তাই সেবার নামে কোনো প্রকার অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না'।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হলো স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত। অবকাঠামো উন্নয়ন যতটুকু প্রয়োজন তা ইতোমধ্যে হয়েছে। তবে যেখানে একান্ত জরুরি সেখানে কাজ চলবে। তিনি সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'অনেক ক্ষেত্রে দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা দেখা যায়, যা কাজের গতি কমিয়ে দেয়। তাই প্রতিটি উন্নয়ন কাজে পার্বত্য জেলা পরিষদের সাথে সমন্বয় বজায় রাখা এবং নিয়মিত মনিটরিং করা আবশ্যক।'।

সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা পাহাড়ি অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি ও দুর্গমতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তারা জানান, সমতলের তুলনায় পাহাড়ে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ অনেক বেশি, তাই দরপত্রের (টেন্ডার) শিডিউল রেট সমতলের মতো হওয়া যৌক্তিক নয়। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ এবং কাপ্তাই লেকের মৎস্য সম্পদ উন্নয়নসহ ইকো-ট্যুরিজম, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে মন্ত্রীর বিশেষ সহযোগিতা কামনা করা হয়।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, রাঙামাটি জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্যরা।

জিয়াউর রহমান জুয়েল/এসএন 

চকরিয়া থেকে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির যাত্রা শুরু

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:৫৫ পিএম
চকরিয়া থেকে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির যাত্রা শুরু
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: খবরের কাগজ

বিএনপির নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে কক্সবাজারের মালুমঘাট সংরক্ষিত বনাঞ্চলে নিজ হাতে একটি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে তিনি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “আমাদের ইচ্ছে প্রতি বছর অন্তত পাঁচ কোটি গাছ লাগানো। আপনার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে, আগামী প্রজন্ম যেন একটি সুন্দর পৃথিবীতে বসবাস করতে পারে, সে লক্ষ্যেই আজ থেকে সবাই যার যেখানে সম্ভব অন্তত একটি করে গাছ লাগান। আমরা যদি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সফল করতে পারি, তাহলে আগামী প্রজন্ম দূষণমুক্ত পরিবেশ ও বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ পাবে। আমরা এমন একটি পরিবেশ উপহার দিতে চাই, যেখানে মানুষ নির্মল বাতাসে জীবনযাপন করতে পারবে।”

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পার্কের বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন। এ সময় সরকারের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তার প্রথম কক্সবাজার সফর। শনিবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিএনপির নেতারা তাকে স্বাগত জানান।

দিনব্যাপী প্রায় ১২ ঘণ্টার এ সফরে প্রধানমন্ত্রী ১১টি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। তার আগমনকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

সফরসূচি অনুযায়ী, পাতলী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, “বিএনপির রাজনীতিই মানুষের জন্য। ভোটের কালি শুকানোর আগেই আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।”

জাতীয় বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাজেট ঘোষণার পর এখন পর্যন্ত কোনো পণ্যের দাম বাড়েনি। তবে মদ ও সিগারেটের ওপর কর বৃদ্ধি পাওয়ায় বিরোধীদল দুঃখ প্রকাশ করছে।”

পরে তিনি পেকুয়ায় গিয়ে জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রামের প্রথম শহিদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করবেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। একই সফরে পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী উপজেলা প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনেরও কথা রয়েছে।

বিকেলে চকরিয়া বাস টার্মিনাল এলাকায় স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এ জনসভাকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

জনসভা শেষে তিনি কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্রসৈকত এলাকা পরিদর্শন করবেন। সফরের শেষ পর্যায়ে হোটেল লং বীচের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন তিনি।

সব কর্মসূচি শেষে রাত প্রায় ১০টার দিকে আকাশপথে ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারজুড়ে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। দীর্ঘদিন পর এমন উচ্চপর্যায়ের রাষ্ট্রীয় সফরে নতুন প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর হয়ে উঠেছে দেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজার।

তারেকুর রহমান/এসএন

রাজশাহীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন ভূমিমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম
রাজশাহীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন ভূমিমন্ত্রী
ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু এমপি। ছবি: খবরের কাগজ

পরিবেশ রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকারের ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহীতে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু এমপি।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে নিম গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী।

এর আগে একই দিনে কক্সবাজারের ডুলাহাজারায় দেশব্যাপী এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সারাদেশের মতো রাজশাহীতেও একযোগে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু হয়।

রাজশাহী জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ কদম চারা, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন জাম চারা, রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির কাঁঠাল চারা, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম কাঠবাদাম চারা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান আম চারা, সামাজিক বন বিভাগ বগুড়ার বন সংরক্ষক মুহাম্মদ সুবেদার ইসলাম জলপাই চারা এবং সামাজিক বন বিভাগ রাজশাহীর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম আমলকী চারা রোপণ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন এবং দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন শিবলী, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলু, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, মহানগর কৃষক দলের সভাপতি শরফুজ্জামান শামীম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর তারেক, সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি, মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিন রায়হান রবিন, সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমনসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

কর্মসূচির আওতায় নিম, কদম, কাঠবাদাম, জাম, চালতা, আম, পেয়ারা, কাঁঠাল, জলপাই ও আমলকীসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়।

আয়োজকরা জানান, সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য বাস্তবায়নে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। রাজশাহীতেও পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর, সড়কের পাশ এবং খাসজমিতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

রিফাত/

শহিদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত ও পরিবারকে সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:৪৪ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:৪৪ পিএম
শহিদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত ও পরিবারকে সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর
শহিদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: খবরের কাগজ

জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রামের প্রথম শহিদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) দিনব্যাপী কক্সবাজার সফরের অংশ হিসেবে পেকুয়ায় গিয়ে তিনি শহিদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

কবর জিয়ারতের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ, সংসদ সদস্য, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং শহিদ ওয়াসিম আকরামের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জিয়ারত শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান শহিদ ওয়াসিম আকরামের মা জোসনা বেগমের হাতে ২০ লাখ টাকার পরিবার সঞ্চয়পত্র তুলে দেন। এ সময় শহিদ ওয়াসিমের বাবা শফিউল আলমসহ পরিবারের অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং শহিদ ওয়াসিম আকরামের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহিদদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাদের ত্যাগ দেশের ইতিহাসে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

এ সময় পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি শহিদ ওয়াসিম আকরামের স্মৃতি সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন তারা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার দিনব্যাপী কক্সবাজার সফরে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সফরের অংশ হিসেবে তিনি পাতলী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন, ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন, দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন এবং জনসভায় অংশগ্রহণসহ গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছেন।

তারেকুর রহমান/এসএন

সহধর্মিণীকে সঙ্গে নিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে তারেক রহমান

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
সহধর্মিণীকে সঙ্গে নিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে তারেক রহমান
ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে সাফারি পার্কে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী পার্কের মূল ফটকের সামনে একটি নাগলিঙ্গম গাছের চারা রোপণ করেন। পরে তিনি সাফারি পার্কের স্মারক বইয়ে স্বাক্ষর করেন। একই সঙ্গে স্মারক বইয়ে স্বাক্ষর করেন ডা. জুবাইদা রহমানও।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। এ সময় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বন বিভাগের কর্মকর্তাসহ স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে এক দিনের সফরে কক্সবাজারে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে তিনি নিজেই গাড়ি চালিয়ে সদর উপজেলার পিএমখালী এলাকায় পাতলী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধনস্থলে যান। গাড়ির সামনের আসনে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

গাড়িতে আরও ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহধর্মিণী হাসিনা আহমেদ। পাতলী খালের কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী পুনরায় নিজেই গাড়ি চালিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে পৌঁছান।

প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথজুড়ে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ, দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন। তারা ফুল ছিটিয়ে, হাত নেড়ে এবং শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী পরবর্তী কর্মসূচিতে যোগ দিতে সেখান থেকে রওনা হন।

তারেকুর রহমান/এসএন

১০ জেলা হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে রবিবার

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:২১ পিএম
১০ জেলা হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে রবিবার
ছবি: সংগৃহীত

দেশের ১০টি জেলা সদর হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে। 

রবিবার (১৪ জুন) সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই সেবার উদ্বোধন করবেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রবিবার সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাকি ৯টি জেলা সদর হাসপাতাল এই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থাকবে।

মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মাহমুদুল হাসান জানান, ইআরপিপি (ERPP) প্রকল্পের আওতায় এই আইসিইউগুলো নির্মাণ করা হয়েছে।

যে ১০টি হাসপাতালে এই সেবা চালু হচ্ছে, সেগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতাল, মুন্সীগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতাল, সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যার জেলা সদর হাসপাতাল, গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, চুয়াডাঙ্গা জেলা হাসপাতাল, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, শেরপুর ২৫০ শয্যার জেলা সদর হাসপাতাল, মাদারীপুর জেলা হাসপাতাল এবং বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা প্রতিটি আইসিইউতে পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর ও অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর সরবরাহ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আইসিইউ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবলও পদায়ন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জেলা পর্যায়ে এই আইসিইউগুলো পুরোদমে চালু হলে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক জটিল রোগীদের উন্নত ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার’ সেবার জন্য আর রাজধানী বা বড় শহরের দিকে ছুটতে হবে না। স্থানীয় পর্যায়েই এখন থেকে জরুরি ও উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

জয়ন্ত সাহা/রিফাত/