ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
‘কষ্টদায়ক শিক্ষা’, বললেন প্যারাগুয়ে কোচ আলফারো সফল ব্যবসায়ী হতে চাইলে এড়িয়ে চলুন ৯টি বিষয় মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬২২, আহত ১৬৫২ যুদ্ধবিরতির মাঝেই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা, নিহত ১ ভয়ই ব্রাজিলকে সতর্ক রাখবে: আনচেলত্তি বোয়ালমারীতে মাদকের বিরুদ্ধে ‘মিনি ফুটবল বিশ্বকাপ’ উদ্বোধন আসামে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত শরীয়তপুরে নারীকে চুল কেটে, আলকাতরা মেখে খুঁটিতে বেঁধে রাখল প্রতিপক্ষ নগরীর কোলাহলমুক্ত সবুজ উদ্যান রমনা চুয়াডাঙ্গায় অপহরণের ৯ দিন পর যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় ১৭ কৃষক নিহত লাইনে বিড়াল ঢুকে পড়ায় সাময়িক বন্ধ ছিল মেট্রোরেল গাজীপুর পোশাক কারখানায় আগুন কসবায় হজযাত্রীর লাগেজ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ নিখোঁজ নাটকের অবসান, ‘গুপ্ত’ ছিলেন শিবির নেতা জিসান! যুক্তরাষ্ট্রের জয়ের পর ঐক্যের গান গাইলেন পচেত্তিনো মীনা বাজারে চাকরির সুযোগ, শুক্র-শনিবার ছুটি গণমাধ্যম সংস্কারে ‘ইউনিফাইড ইনস্টিটিউশন’ গঠনের তাগিদ মদে ট্যাক্স বাড়ানোই বিরোধী দলের দুঃখ: প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার বাজেটে জনগণের স্বস্তি হলেও বিরোধী দলের অস্বস্তি: প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ইউপি কার্যালয়ে চুরি শাবিপ্রবি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ জ্বালানিপ্রতিষ্ঠানে ড. সাকিব বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কুইজ ও রিচার্জ অফার, থাকছে জামাল ভূঁইয়ার সাথে খেলা দেখার সুযোগ গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির অগ্রণী ভূমিকা ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে বিশেষ আয়োজন জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান গাড়ি ভেঙে ইংল্যান্ড দলের সরঞ্জাম চুরি, গ্রেপ্তার ২ কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিতে ব্যবস্থা নিন শুধু সংখ্যা বাড়াতে বিশ্বকাপে আসেনি হাইতি
Nagad desktop

মিত্রদের আসন ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত বিএনপির

প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:৫৭ এএম
আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:১৮ এএম
মিত্রদের আসন ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত বিএনপির
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফি

বিগত সাড়ে ১৫ বছর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে থাকা মিত্রদের আসন ছাড় দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। আসন বণ্টন বা সমঝোতার জন্য ইতোমধ্যে তাদের কাছে তালিকা চাওয়া হয়েছে। তবে বিএনপির বলয়ের বাইরে অন্য কোনো জোটে গেলে তাদের আসন ছাড় দেবে না দলটি। একই সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা মিত্রদের নিয়ে নির্বাচনি জোট গঠনের ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক আলোচনাও শুরু করতে চায় বিএনপি। গত মঙ্গলবার রাতে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে। দলটির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে এসব তথ্য।

সূত্র জানায়, শিগগিরই মিত্রদের সঙ্গে আসন ছাড় ও জোট গঠনের ব্যাপারে আলোচনায় বসবে বিএনপি। মিত্ররা কোন আসনে কারা জয়ী হয়ে আসতে পারবেন, তাদের যোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা এবং তাদের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কারা সেটিও বিবেচনায় রাখছে বিএনপির হাইকমান্ড। পাশাপাশি ওই সব আসনে দলীয় যেসব প্রার্থী রয়েছেন, তাদের ঐক্যবদ্ধভাবে মিত্রদের সঙ্গে কাজ করার জন্য বোঝানো হবে। মিত্রদের মধ্যে যাদের নির্বাচনে মনোনয়ন দিতে পারবে না, তাদের অন্যভাবে মূল্যায়ন করার প্রতিশ্রুতি দেবে বিএনপি। আবার বয়সের কারণে কেউ কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে চাইছেন না তাদের টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী করা বা উচ্চকক্ষে নেওয়া যায় কি না, সেই চিন্তা করছে বিএনপির হাইকমান্ড।

বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী খবরের কাগজকে বলেন, ‘জোট থেকে সরে আসার কোনো প্রশ্নই আসে না। যুগপৎ আন্দোলনে বিএনপির সঙ্গে প্রথমে ৪২টি দল যোগ দেয়, পরে আরও ১০টি দল আসে। সব মিলিয়ে ৫২-৫৩ দলের নেতারা আমাদের সঙ্গে রাজপথে কষ্ট করেছেন, কারাগারে গেছেন। তাদের আমরা মূল্যায়ন করব।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, বৈঠকে কেউ কেউ বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী মুখে বলছে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ও পিআর পদ্ধতি ছাড়া তারা নির্বাচনে যাবে না। অথচ ৩০০ আসনে ইতোমধ্যে প্রার্থী ঘোষণা দিয়েছে জামায়াত। আগেভাগেও নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে। জামায়াত কট্টর ডানপন্থি দল ও তাদের রেজিম ফোর্স রয়েছে। তার বিপরীতে বিএনপি একটি উদার গণতান্ত্রিক দল। প্রতিটি আসনে জামায়াত একক প্রার্থী চূড়ান্ত করলেও তাদের কোনো সমস্যা নেই। কারণ জামায়াতের জনপ্রিয় প্রার্থী নেই বললেই চলে। কিন্তু বিএনপির প্রতিটি আসনে তিন-চারজন করে 

মনোনয়নপ্রত্যাশী ও এলাকায় জনপ্রিয়তা রয়েছে। তাই সব আসনে তফসিলের আগেই প্রার্থী ঘোষণা দেওয়া সম্ভব নয়। এতে অনেক আসনে বিভেদ-গ্রুপিং বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন কোনো কোনো সদস্য।

বৈঠক সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে বিএনপি দেড় শতাধিক প্রার্থীকে নির্বাচনি আসনে কাজ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে। হেভিওয়েট নেতাদের এসব আসন অতীতেও তাদের জন্য নির্ধারিত ছিল। বাকি দেড় শতাধিক আসনে দল ও মিত্রদের কাদের দেওয়া হবে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে ঠিক করবে বিএনপি। তবে অনেককে সবুজ সংকেত দেওয়া হলেও এটিই চূড়ান্ত মনোনয়ন নয়। কারণ বিএনপি মনোনয়ন চূড়ান্ত করার জন্য পার্লামেন্টারি বোর্ড গঠন করবে। সেই বোর্ডই মনোনয়নের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। জরিপে উঠে আসা সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপারে আরও বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়ার পরামর্শ দেন বৈঠকে কেউ কেউ। তবে বিএনপি তফসিলের আগেই দল ও জোটের একক প্রার্থী চূড়ান্ত করতে চায়।

জানা গেছে, বিএনপির গঠনতন্ত্রের ১৪ অনুচ্ছেদে বলা আছে- ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য কিংবা অন্য যেকোনো নির্বাচনের জন্য দলের প্রার্থী মনোনয়নে একটি পার্লামেন্টারি বোর্ড থাকবে। স্থায়ী কমিটিই হবে দলের পার্লামেন্টারি বোর্ড। বোর্ডের সভাপতি হবেন দলের চেয়ারম্যান।

সূত্র আরও জানায়, বৈঠকে আসন্ন দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়। পূজামণ্ডপে শান্তি বজায় রাখা, যেকোনো নাশকতা ও ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে নেতা-কর্মীদের গত বছরের মতো এবারও পাহারা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টায় বৈঠক শুরু হয়ে শেষ হয় সোয়া ১১টার দিকে। এতে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বিএনপির কাছে মিত্ররা যেসব আসন চায় 

২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে যুগপৎ আন্দোলনের ঘোষণা দেয় বিএনপি। এর আগে ওই বছরের ৯ ডিসেম্বর বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোট ভেঙে দেওয়া হয়। এই ঘটনার এক দশক আগে ২০১২ সালে ২০-দলীয় জোট গঠিত হয়। জোট ভেঙে দেওয়ার পর শরিকরা ১২-দলীয় জোট এবং জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট নামে দুটি পৃথক জোট গঠন করে। তবে লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) এককভাবে কর্মসূচি পালন করলেও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিল। এই দলগুলোর পাশাপাশি যুগপৎ আন্দোলনে যোগ দেয় গণতন্ত্র মঞ্চ, গণফোরাম, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক মুভমেন্ট (এনডিএম) ও গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ও আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি আলাদাভাবে কর্মসূচি পালন করলেও যুগপৎ আন্দোলনে ছিল না। নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি ও জামায়াত দুটি দলই এবার তাদের নেতৃত্বে পৃথক জোট গঠনে তৎপর রয়েছে।

২০১৮ সালের নির্বাচনে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’কে ১৯টি আসন এবং ২০-দলীয় মিত্রদের ৩৯টি আসন ছেড়ে দিয়েছিল বিএনপি। এবারও মিত্র দলগুলো অর্ধশতাধিক আসন চায় বিএনপির কাছে। তবে বিএনপি ৩০টির মতো আসনে ছাড় দিতে পারে। 

গণতন্ত্র মঞ্চের শরিকদের মধ্যে জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব শারীরিক অসুস্থতার জন্য এবার নির্বাচনে দাঁড়াতে চাইছেন না। তবে সে ক্ষেত্রে তার স্ত্রী জেএসডির সহসভাপতি তানিয়া রবের জন্য ঢাকার উত্তরা থেকে একটি আসন চাইবেন। বগুড়া-৪ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ঢাকা-৮ আসনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, জামালপুর-৫ আসনে ভাসানী জনশক্তি পার্টির সভাপতি শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম এবং ফেনী-৩ আসনে জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বিএনপির কাছে আসন ছাড় চাইছেন। এদের মধ্যে ২০১৮ সালে আ স ম রব ও মান্নাকে আসন ছেড়ে দিয়েছিল বিএনপি। 

১২-দলীয় জোটের শরিকদের মধ্যে পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, কুষ্টিয়া-২ আসনে জাতীয় পার্টির (জাফর) মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন, মৌলভীবাজার-২ আসনে দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট নবাব আলী আব্বাস খান, যশোর-৫ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা রশীদ বিন ওয়াক্কাস বিএনপির কাছে মনোনয়ন চাইছেন। তবে মোস্তফা জামাল হায়দার বয়সের কারণে সরাসরি নির্বাচনে অংশ নিতে চাইছেন না। তাকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী বা সংসদের উচ্চকক্ষে রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। তবে ২০১৮ সালের নির্বাচনে শাহাদাত সেলিম, হাবিব লিংকন ও ওয়াক্কাসকে আসন ছেড়ে দিয়েছিল বিএনপি। 

এদের বাইরে চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে তার ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক, কুমিল্লা-৭ আসনে দলটির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, ময়মনসিংহ-১০ আসনে প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ, চট্টগ্রাম-৭ আসনে প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুল আলম তালুকদার, চট্টগ্রাম-৩ আসনে প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. জেনারেল (অব.) ড. চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী (বীর বিক্রম), চট্টগ্রাম-১২ আসনে শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক এম এয়াকুব আলী, ময়মনসিংহ-৮ আসনে প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আওরঙ্গজেব বেলাল, জয়পুরহাট-২ আসনে উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক কারিমা খাতুন, চাঁদপুর-৫ আসনে প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. নেয়ামুল বশির, চাঁদপুর-২ আসনে যুগ্ম মহাসচিব মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজি এবং ভোলা-২ আসনে ভাইস প্রেসিডেন্ট সিআইপি মোকফার উদ্দিন (মাহে আলম) বিএনপির মনোনয়ন চাইছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে কর্নেল অলি, রেদোয়ান আহমেদ, মাহবুব মোর্শেদ, নুরুল আলম বিএনপির জোটের প্রার্থী ছিলেন। 

এ ছাড়া ঢাকা-১৭ আসনে বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, ঢাকা-৫ আসনে দলটির মহাসচিব আব্দুল মতিন সাউদ; ঢাকা-৬ আসনে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, মাগুরা-১ আসনে দলটির সাধারণ সম্পাদক ডা. মিজানুর রহমান, নরসিংদী-৩ আসনে প্রেসিডিয়াম সদস্য এ কে এম জগলুল হায়দার আফ্রিক; নড়াইল-২ আসনে সমমনা জোটপ্রধান ও এনপিপি চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বগুড়া-৩ আসনে জাগপা সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান; ঢাকা-১৩ আসনে এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, রাজবাড়ী-২ আসনে এনডিএম মহাসচিব মোমিনুল আমিন; পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, ঝিনাইদহ-২ আসনে দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে সিনিয়র সহসভাপতি ফারুক হাসান ও নেত্রকোনা-২ আসনে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন এবং পিরোজপুর-২ আসনে লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান মনোনয়ন চাইছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে আন্দালিব রহমান পার্থ, ফরিদুজ্জামান ফরহাদ সুব্রত চৌধুরী এবং মোস্তাফিজুর রহমানকে আসন ছেড়ে দিয়েছিল বিএনপি। তবে মিত্রদের চাওয়া কোনো আসনই এখনো চূড়ান্ত নয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিএনপির পার্লামেন্টারি বোর্ড।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক খবরের কাগজকে বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে মঞ্চ আলোচনায় বসবে। বিএনপির নির্বাচনের ধারণা, দৃষ্টিভঙ্গি জানার চেষ্টা করব। আমরাও আমাদের চিন্তাভাবনা তাদের কাছে তুলে ধরব। মনের মিল হয়ে গেলে বাকিটা আর সমস্যা থাকবে না।’ 

কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির সংকেত নিয়েই গণসংযোগ চালাচ্ছেন ১২-দলীয় জোটের সমন্বয়ক সৈয়দ এহসানুল হুদা। তিনি খবরের কাগজকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে ৩১ দফা নিয়ে ‘ডোর টু ডোর’ যাচ্ছি। বিএনপি যদি আসনে ছেড়ে দেয়, তাহলে জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী।’

লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান খবরের কাগজকে বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও লিয়াজোঁ কমিটি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। জোট গঠনের ব্যাপারেও আলোচনা চলছে।’ তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছর বিএনপির সঙ্গে আন্দোলনে-সংগ্রামে ছিলাম। জেল-জুলুম, হামলা-মামলার শিকার হয়েছি। আশা করি বিএনপির হাইকমান্ড মূল্যায়ন করবে।’

সরকারের জনকল্যাণ-প্রযুক্তিনির্ভর বাজেটকে স্বাগত জার্মানি বিএনপির

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১১:২২ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১১:২২ এএম
সরকারের জনকল্যাণ-প্রযুক্তিনির্ভর বাজেটকে স্বাগত জার্মানি বিএনপির
ছবি: খবরের কাগজ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেটকে জনকল্যাণ, প্রযুক্তিনির্ভর, আত্মনির্ভর ও মানবিক বাংলাদেশের রূপরেখা আখ্যায়িত করে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপির জার্মানি শাখা। জার্মানির বিএনপি নেতারা বলেছেন, সরকার প্রধান হিসেবে প্রস্তাবিত এই বাজেট প্রমাণ করেছে, তারেক রহমান বাংলাদেশ ও প্রবাসীদের অকৃত্রিম দেশবন্ধু।

শুক্রবার (১২ জুন) জার্মানির মানহাইমে সরকারের প্রথম বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপির জার্মানি শাখার সাবেক সভাপতি ও বিএনপি চেয়ারম্যানের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য দেওয়ান শফিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

দেওয়ান শফিকুল ইসলাম বলেন, দেশবন্ধু তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত নতুন বাজেট কেবল একটি আর্থিক পরিকল্পনা নয়; এটি একটি আধুনিক, উন্নত, আত্মনির্ভরশীল এবং প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গঠনের সুস্পষ্ট রূপরেখা। এই বাজেটে তরুণদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ, স্টার্টআপ সহায়তা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে প্রণোদনা, বিনিয়োগ সহায়তা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। এর ফলে দেশের মেধাবী ও উদ্ভাবনী তরুণরা নতুন নতুন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

বিএনপি চেয়ারম্যানের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির এই সদস্য আরও বলেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে একটি প্রযুক্তিনির্ভর, জ্ঞানভিত্তিক এবং উদ্ভাবনসমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য এই বাজেটে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশেষভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল অবকাঠামো, গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপকে তিনি অত্যন্ত সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় উন্নয়নের এই যাত্রায় দেশের প্রতিটি নাগরিককে অংশীদার হতে হবে। ঐক্য, উদ্ভাবন, সুশাসন এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব, যা হবে জনকল্যাণমূলক, প্রযুক্তিগতভাবে অগ্রসর, অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মর্যাদাশীল।

অন্তরা/

প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে কক্সবাজার বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের ঢল

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:২১ এএম
প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে কক্সবাজার বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের ঢল
নেতাকর্মীদের ঢল। ছবি: খবরের কাগজ

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বরণ করতে কক্সবাজার বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের ব্যাপক ভিড়।

শনিবার (১৩ জুন) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা বিমানবন্দর এলাকায় এসে জড়ো হন। বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই তারা প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার অপেক্ষায় অবস্থান নেন। 

বিমানবন্দর সড়ক, আশপাশের এলাকা এবং প্রবেশপথজুড়ে দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। হাতে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা নিয়ে নানা স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কক্সবাজার সফর ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার নেতাকর্মী বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়েছেন। এটি কক্সবাজারবাসীর ভালোবাসা ও প্রত্যাশার বহিঃপ্রকাশ। আমরা বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে জেলার উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ হবে।’

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না বলেন, ‘কক্সবাজারের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এই সফরের অপেক্ষায় ছিলেন। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা কতটা গভীর। তার সফরে জেলার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন হবে, যা কক্সবাজারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।’

দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। সফরের অন্যতম আকর্ষণ পিএমখালীর ঐতিহাসিক পাতলী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন। ১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের হাতে শুরু হওয়া এই খালের পুনঃখনন সম্পন্ন হলে এলাকার অন্তত দুই লাখ মানুষ উপকৃত হবেন বলে স্থানীয়দের প্রত্যাশা।

এছাড়া ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে দেশের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, পেকুয়ায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বীর শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত, নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী উপজেলা-থানার উদ্বোধন, চকরিয়ায় বিশাল রাজনৈতিক জনসভা এবং কক্সবাজারের সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সফরকে সফল ও নিরাপদ করতে প্রয়োজনীয় নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। 

তারেকুর রহমান/অন্তরা

শিবগঞ্জে পুশইনের প্রতিবাদে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:১৪ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:৪৩ এএম
শিবগঞ্জে পুশইনের প্রতিবাদে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ
ছবি: খবরের কাগজ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পুশইনের প্রতিবাদে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১২জুন) বিকেল ৬টার দিকে শিবগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিদ্যালয় মাঠ থেকে বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমীর আবু জার গিফারী। 

প্রধান অতিথি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল পুশইনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি দেশের সার্বভৌমত্ব, স্ওবাধীনতা, সীমান্ত নিরাপত্তায় জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অন্যদের মধ্যে সমাবেশে বক্তব্য দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. কেরামত আলী, জেলা  জামায়াতে সেক্রেটারি আবু বকর, শিবগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বাবুল ইসলাম। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শিবগঞ্জ উপজেলা আমির সাদিকুল ইসলাম, নায়েবে আমির অধ্যাপক আব্দুল মান্নানসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা, কর্মী-সমর্থকরা।

আসাদুল্লাহ/তামান্না রুপা/

গণমুখী বাজেট উপস্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ফিনল্যান্ড বিএনপির অভিনন্দন

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:০৩ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:১৫ এএম
গণমুখী বাজেট উপস্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ফিনল্যান্ড বিএনপির অভিনন্দন
ফিনল্যান্ড বিএনপি

জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত গণমুখী, জনকল্যাণমুখী ও উন্নয়নধর্মী ঐতিহাসিক বাজেট ঘোষণার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছে ফিনল্যান্ড বিএনপি।

শুক্রবার (১২ মে) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে ফিনল্যান্ড বিএনপির সভাপতি কামরুল হাসান জনি, সাধারণ সম্পাদক জামান সরকার ও সাংগঠনিক সম্পাদক সামসুল গাজী বলেন, এই বাজেট দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিতকরণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তারা আশা প্রকাশ করেন, বাজেটের যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

নেতারা বলেন, দীর্ঘদিন পর জনগণের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়ে প্রণীত এই বাজেট দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে বেগবান করবে।

তারা দেশের সার্বিক উন্নয়ন, জনগণের কল্যাণ এবং জাতীয় অগ্রগতির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।

ফিনল্যান্ড বিএনপির নেতারা আশা করেন, এই বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ আরও সমৃদ্ধ, আত্মনির্ভরশীল ও উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হবে।

তামান্না রুপা/

বর্তমান বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১০:৫২ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ১০:৫৩ পিএম
বর্তমান বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। ছবি: খবরের কাগজ

প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের বর্তমান কাঠামো দেশের অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার আনতে সক্ষম হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

তিনি বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী’ ও ‘বাস্তবতাবিবর্জিত’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘এতে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার অভাব রয়েছে।’

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে ৬ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা দেশের বিদ্যমান কর ও রাজস্ব কাঠামোর বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে এত বড় অঙ্কের রাজস্ব আদায়ের নজির নেই। বর্তমান ব্যবস্থার মধ্যে থেকে এ লক্ষ্য অর্জন করা অত্যন্ত কঠিন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম বাজেটের মাধ্যমে অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংস্কারের উদ্যোগ দেখা যাবে। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেটের রূপরেখা পর্যালোচনা করে সে ধরনের কোনো কার্যকর সংস্কারের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না।’

তবে বাজেটের কিছু ইতিবাচক দিকও তুলে ধরেন এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘কয়েকটি পণ্যের ওপর কর হ্রাস, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে এসব উদ্যোগ বাস্তবে কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।’

সম্প্রতি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এত অল্প সময়ের ব্যবধানে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘটনা নজিরবিহীন। একই সঙ্গে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলছে।’

বাজেটে সুশাসন ও জবাবদিহিতার ঘাটতির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি বলেন, ‘দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে বাজেটে স্পষ্ট কোনো রূপরেখা নেই।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বড় বাজেট মানেই বড় ব্যয়ের সুযোগ; আর সেখানে জবাবদিহিতা না থাকলে দুর্নীতির ঝুঁকিও বাড়ে। বাজেটে দুর্নীতি রোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের উল্লেখ নেই, যা উদ্বেগজনক।’

রিফাত/