খুলনা-৩ আসনে মৃত শিল্পনগরীকে পুনরুজ্জীবিত করা, কর্মসংস্থান, মাদক নির্মূল, বন্ধ শিল্প-কারখানা চালুর প্রতিশ্রুতি ভোটের মাঠে নতুন মেরূকরণ তৈরি করছে। নির্বাচিত হলে প্রত্যাশা পূরণের আশ্বাস দিচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। খুলনার শিল্পাঞ্চলের খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানা এলাকা নিয়ে গঠিত খুলনা-৩ আসনটি জাতীয় সংসদের ১০০ নম্বর আসন। এর আয়তন ৫৯ দশমিক ০৪ বর্গকিলোমিটার। শ্রমিক অধ্যুষিত এ এলাকায় ভোটের মাঠে শ্রমিকরাই বড় ফ্যাক্টর। জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আগামী ত্রয়োদশ নির্বাচনে যোগ্য ব্যক্তিরা জনপ্রতিনিধি হোক- এমনটাই প্রত্যাশা ভোটারদের।
ভৈরব নদের তীরে খুলনা একসময় ছিল সমৃদ্ধ শিল্পনগরী। রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল, নিউজপ্রিন্ট মিল, হার্ডবোর্ড মিল, বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ ছিল বিভিন্ন শিল্প কারখানা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষজন চাকরির খোঁজে খুলনায় আসত। কিন্তু এসব কিছুই আজ ইতিহাস।
স্বাধীনতার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সরকার গঠন করলেও ভাগ্যের চাকা ঘোরেনি বন্ধ কারখানার শ্রমিকদের। বেকারত্ব আর হতাশায় যুবসমাজ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে।
বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল জানান, ভোটে নির্বাচিত হলে জনগণের সমস্যার সমাধান করা হবে। মিলগুলো চালু হবে, চাকরি বাড়বে, চিকিৎসা ও শিক্ষার উন্নতি হবে। নির্বাচিত হলে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, মাদক নির্মূল, বন্ধ শিল্প-কারখানা চালু করতে পদক্ষেপ নেবেন। সেই সঙ্গে তিনি এলাকায় মাদক নির্মূলে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছেন।
জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, বৈষম্যহীন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, মাদক এবং দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইসলামি আদর্শের ব্যক্তিদের নির্বাচিত করতে হবে। আর এ জন্য আগামী নির্বাচনে জামায়াত ইসলামীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমূলক আদর্শ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এদিকে পিছিয়ে পড়া অবহেলিত এ জনপদে এবার শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, কথার বাস্তবায়ন চান ভোটাররা।