সিরাজগঞ্জ-২ আসনের কামারখন্দ উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর চার নেতাকর্মীকে কিছু টাকাসহ আটক করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরে তাদের প্রশাসন ছেড়ে দেয়।
এদিকে জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলছেন, কেন্দ্র খরচের জন্য ওই টাকা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই টাকা বিএনপির লোকজন ছিনতাই করে নিয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার রায়দৌলতপুর ইউনিয়নের চৌবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক হওয়া ওই দুই ব্যক্তি হলেন, কামারখন্দ উপজেলার রায়দৌলতপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল মমিন ও একই ইউনিয়নের যুব বিভাগের সভাপতি ইমদাদুল হক। এসংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছড়িয়ে রয়েছে ও প্রতিবেদকের সংগ্রহে রয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ভোট কেনার জন্য এসেছে, এমন দাবি করে একটি সিএনজি থেকে কয়েকজনকে নামিয়ে তাদের কাছ থেকে ৭১ হাজার টাকা ও একটি ব্যাগ উদ্ধার করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় আশপাশের বেশ কিছু লোকজন এসে ভিড় করে।
এ ঘটনার খবর পেয়ে নির্বাচনি আচরণবিধি প্রতিপালনের দায়িত্বে নিয়োজিত সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি বলেন, সিএনজিযোগে যাওয়ার সময় জামায়াতের সমর্থক চার জনকে আটক করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।সেখানে কামারখন্দ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য আমির হামজা মৃদুল উপস্থিতি ছিলেন। তারা দাবি করেন, ভোট কেনার জন্য সংগ্রহে থাকা ৭১ হাজার টাকা তারা উদ্ধার করেছেন। উদ্ধার হওয়া ব্যাগে জামায়াতে ইসলামীর নামসংবলিত টি-শার্ট ও বেশ কিছু ব্যাজ ছিল।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন আরো বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা দাবি করেছেন, তাদের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। যা তারা পোলিং এজেন্টদের খরচ দেওয়ার জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন। আর টি-শার্ট ও ব্যাচ তাদের স্বেচ্ছাসেবকরা ব্যবহার করবে। এসময় তাদের কাছে বেশকিছু পোলিং এজেন্টের ফরমও পাওয়া গেছে। এছাড়া টাকার অংশে গরমিল এবং উভয়ের কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হওয়ায় বিষয়টি তদন্তের জন্য জুডিশিয়াল কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সিরাজুল ইসলাম শিশির/এসএন