ঢাকা ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
‘নতুন পুরাতন মিলিয়ে ভালোই বোর্ড হবে’ শাহজালালের কার্গো শেডে আগুন শূন্যরেখায় মানবেতর জীবন শিকলবাহায় হত‍্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মরদেহ নিয়ে মহাসড়কে বিক্ষোভ অ্যালামনাই প্ল্যাটফর্ম ০২০৪ ব্যাচের বন্ধুদের ঈদ পরবর্তী পুনর্মিলনী মায়ানমারে পাচারকালে দেড় হাজার বস্তা সিমেন্ট আটক ৫২ মরুভূমিতে বিকল ট্রাক, পানির অভাবে ৪৯ জনের মৃত্যু মেধা ও ক্রীড়াবান্ধব জাতি গঠনে সরকার বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ভক্তদের শোডাউন সরকারকে ৭ দিনের আলটিমেটাম ইনকিলাব মঞ্চের প্রথমবার এআই তৈরি করল ‘সুপার-ভ্যাকসিন’ হাদি হত্যা মামলার বাদীকে নিয়ে বোনের প্রশ্ন? জয়পুরহাট সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির টহল জোরদার রাজনীতি এক ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হচ্ছে: মির্জা ফখরুল হজ শেষে দেশে ফিরলেন ২৯,৬৯৪ হাজি নারায়ণগঞ্জে ১৭ বন্যপাখি উদ্ধার ও অবমুক্ত হান্নানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির তথ্য ফাঁস, ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ নায়িকা মিমির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট, শেষ দেখে নেওয়ার হুমকি! দোয়া গুরুত্বপূর্ণ এক ইবাদত সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ মিছিল-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা কটাক্ষের শিকার আনুশকা কলকাতার মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ হাকিম চট্টগ্রামে কাফনের কাপড় পরে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল হরোস্কোপের গোলকধাঁধায় ভবিষ্যৎ ভাবনা বিয়ে করলেন উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা সরকারের নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী দিনে দিনেই ঘুরে আসুন মৈনট ঘাট থেকে পাবনায় ২০০ একর জমির ওপর বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
Nagad desktop

ফাইনাল মানেই নিউজিল্যান্ডের হারের বেদনা!

প্রকাশ: ১২ মার্চ ২০২৫, ১০:৪৫ এএম
আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৫, ১০:৪৮ এএম
ফাইনাল মানেই নিউজিল্যান্ডের হারের বেদনা!
ছবি : সংগৃহীত

যেকোনা টুর্নামেন্টে শিরোপা জেতা একটি দলের জন্য আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়ার মতো। কিন্তু সব টুর্নামেন্টে সব দলের পক্ষে এই আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া সম্ভব হয় না। চেষ্টা আর ভাগ্যের সমন্বয় ঘটিয়ে শিরোপা জিতে একটি দল। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে তখন সেই দলের খেলোয়াড়দের মাঝে বিরাজ করে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। আবার কোনো কোনো দল তীরে এসে তরী ডুবিয়ে হতাশায় নিমজ্জিত হয়। কখনো কখনো একাধিকবার তাদের এ রকম হতাশার সাগরে ডুবতে হয়। এটাই খেলা। এটাই খেলার নিয়ম। সেরা দলটিই জিতে নেয় শিরোপা। তাই বলে হেরে যাওয়া দলটিকেও হালকা করে দেখার অবকাশ থাকে না। এ রকম একটি দল নিউজিল্যান্ড, যারা আইসিসির সব ইভেন্ট মিলিয়ে সাতবার ফাইনাল খেলে মাত্র দুই বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

ক্রিকেটে বিশ্বে আইসিসির এখন চারটি বৈশ্বিক আসর অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। কোনোটি চার বছর পর, আবার কোনেটি দুই বছর পর পর। যে কারণে প্রতিবছরই আইসিসির কোনো না কোনো টুর্নামেন্ট থাকেই। আবার কোনো কোনো বছর দুটি টুর্নামেন্টও অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। করোনার পর থেকে যদি পরিসংখ্যান গণনা করা হয়ে থাকে, তাহলে দেখা যায় প্রতিবছরই আইসিসির কোনো না কোনো ইভেন্ট আছে। আবার কোনো বছর দুটিও। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতি দুই বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে ফাইনাল। ফলে সে বছর আইসিসির দুটি ইভেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। যেমন ২০২১ সাল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল, ২০২২ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল, ২০২৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ও বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল (১১ থেকে ২৫ জুন) লর্ডসে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।

আইসিসির এতগুলো আসর থাকার পরও এমন অনেক দল আছে যারা এখন পর্যন্ত শিরোপা জিততে পারেনি, এমনকি ফাইনালও খেলতে পারেনি। আবার এমন অনেক দল আছে যারা ফাইনাল খেলে ঠিকই, কিন্তু সাফল্য ধরা দেয় কম। এমনই একদলের নাম নিউজিল্যান্ড। আইসিসির চারটি ইভেন্টে তারা এখন পর্যন্ত ৭ বার ফাইনাল খেলেছে। কিন্তু শিরোপা জিতেছে মাত্র দুবার। ২০০০ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এবং ২০২১ সালে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। ব্যর্থতায় খাতায় যোগ হয়েছে মাত্রই শেষ হওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে রানার্সআপ হওয়া। তবে বিংশ শতাব্দীর এই দশকে নিউজিল্যান্ডের অগ্রযাত্রা চোখে পড়ার মতো। আইসিসির সাতটি ইভেন্টের তিনটিতেই তারা ফাইনালে উঠেছে। শিরোপা জিতেছে একটি।

আইসিসির আদি আসর ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ১৯৭৫ সালে এই টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার ৪০ বছর পর ২০১৫ সালে গিয়ে নিউজিল্যান্ড প্রথমবারের মতো ফাইনাল খেলে। ফাইনালে প্রতিপক্ষ ছিল অস্ট্রেলিয়া। দুই দেশই ছিল যৌথ আয়োজক। ১৯৯২ সালের পর আবার দুই দেশ যৌথভাবে আয়োজক হয়েছিল। ১৯৯২ সালে স্বাগতিক দুই দেশই ফাইনালে উঠতে পারেনি। কিন্তু ২০১৫ সালে দুই স্বাগতিক দেশই ফাইনাল খেলে। লো স্কোরিং ফাইনালে নিউজিল্যান্ড হেরেছিল ৭ উইকেটে। মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত ফাইনালে নিউজিল্যান্ড টস জিতে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৮৩ রানে অলআউট হয়ে যায়। অস্ট্রেলিয়া সেই রান তাড়া করে ৩৩.১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে। পরের বছর ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টও নিউজিল্যান্ড ফাইনাল খেলে। প্রতিপক্ষ ছিল স্বাগতিকরাই। ক্রিকেট বিশ্বের ইতিহাসে সেরা ফাইনালের জন্ম দিয়ে ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বেশি বাউন্ডারি মারার কারণে। ৫০ ওভারে নিউজিল্যান্ডের ৮ উইকেটে করা ২৪৮ রানের জবাব দিতে নেমে ইংল্যান্ড শেষ বলে ২৪৮ রানেই অলআউট হয়ে যায়। শেষ বলে তাদের ২ রানের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে মার্ক উড রান আউট হয়ে যান। এরপর সুপার ওভারে প্রথমে ইংল্যান্ড ব্যাট করে ১৫ রান করে। এবার নিউজিল্যান্ড তাড়া করতে নেমে ১৫ রানই করে। শেষ বলে তাদেরও প্রয়োজন ছিল ২ রানের। এবার তাদের গাপটিল দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রানআউট হয়ে যান। এরপর পুরো ইনিংসের দুই দলের চার ও ছয় গণনা করা হয়। যেখানে দেখা যায় ইংল্যান্ড ২৬টি, নিউজিল্যান্ড ১৭টি ছিল। এভাবে স্বপ্নচূর্ণ হয় নিউজিল্যান্ডের। 

ওয়ানডে বিশ্বকাপ নিউজিল্যান্ডকে পৃষ্ঠদেশ দেখালেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কিন্তু তাদের উচ্ছ্বাসের ঝর্ণাধারা বইয়ে দিয়েছে। ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ থেকে যাত্রা শুরু করা আসরের দ্বিতীয় আয়োজনেই চ্যাম্পিয়ন হয় নিউজিল্যান্ড। কেনিয়ার নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ভারতকে হারিয়েছিল ৪ উইকেটে। আগে ব্যাট করে ভারত ৬ উইকেটে করেছিল ২৬৪ রান। জবাব দিতে নেমে নিউজিল্যান্ড ২ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটে করে ২৬৫ রান। আইসিসির কোনো ইভেন্টে এটি ছিল তাদের প্রথম শিরোপা। এরপর ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত আসরে নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনাল খেলেছিল। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আর পেরে ওঠেনি। হেরেছিল ৬ উইকেটে। নিউজিল্যান্ড আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ২০০ রান করে। অস্ট্রেলিয়া সেই রান অতিক্রম করে ৪৫.২ ওভারে ২০৬ রান করে। এরপর তারা ফাইনাল খেলেছিল। এবার তাদের আশাহত করে ভারত।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট নিউজিল্যান্ড একবারই মাত্র ফাইনাল খেলেছে ২০২১ সালে। করোনার কারণে ভারতের টুর্নামেন্ট স্থানান্তরিত হয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল সেই অস্ট্রেলিয়া। নিউজিল্যান্ডের ৪ উইকেটে করা ১৭৪ রান অজিরা পাড়ি দিয়েছিল ১৮.৫ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে। নিউজিল্যান্ড ফাইনালে যে পাঁচবার হেরেছে, তার তিনবারই প্রতিপক্ষ ছিল অস্ট্রেলিয়া। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসরেই নিউজিল্যান্ড ফাইনালে উঠে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ২৯২১ সালে সাউদাম্পটনে অনুষ্ঠিত ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। নিউজিল্যান্ড ম্যাচ জিতেছিল ৮ উইকেটে। 

‘নতুন পুরাতন মিলিয়ে ভালোই বোর্ড হবে’

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০১:০৫ এএম
‘নতুন পুরাতন মিলিয়ে ভালোই বোর্ড হবে’
প্রফেসর ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ৭ জুনের নির্বাচনে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয়ের আধিক্য খুব বেশি। তা যেমন কাউন্সিলর হওয়ার ক্ষেত্রে, তেমনি পরিচালক পদে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রেও। যে কারণে নতুন মুখের ভিড় বেশি। এদের অনেকেই আছেন, যাদের ক্রিকেটের সঙ্গে পূর্বের কোনো রকম সম্পৃক্ততা ছিল না। সেখানে ব্যতিক্রম প্রফেসর ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম। বিসিবিতে প্রথমবারের মতো নির্বাচন করলেও পেছনে রয়েছে তার দীর্ঘ ক্রিকেট ক্যারিয়ার।

ছাত্রজীবনে খেলেছেন ক্রিকেট। পরে জড়িত হয়েছেন ক্রিকেট সংগঠক হিসেবে। ক্রিকেটের সঙ্গে এ রকম সম্পৃক্ততার কারণে রাজনৈতিক পরিচয়ের সমালোচনার তীর তার দিকে বেশি বিদ্ধ হয়নি। ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের কাউন্সিলর হয়ে তিনি বিসিবিতে প্রথমবারের মতো নির্বাচন করছেন। জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদী। কাউন্সিলররা তাকে বিবেচনা করবেন বলে তার বিশ্বাস। 

চাঁদপুরের মতলব উপজেলার সন্তান প্রফেসর ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম বেড়ে উঠেছেন বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। স্কুল জীবনে ছিলেন তুখোড় ক্রিকেটার। ছিলেন ব্যাটিং অলরাউন্ডার। চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্র হিসেবে খেলেছেন স্কুল টিমে। হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজে ভর্তি হওয়ার পর কলেজ টিমেও জায়গা করে নেন। চট্টগ্রাম প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগ খেলেছেন আগ্রাবাদ নওজোয়ান ক্লাব, এলিট পেইন্ট ক্লাব, ডক্টরস ক্লাব। স্টার যুব ক্রিকেট টুর্নামেন্টে খেলেছেন মোহামেডান ব্লুজ, জুনিয়র ফ্রেন্ডসের হয়ে। ক্লাব ক্রিকেটে স্বীয় প্রতিভার ছাপ রেখে তিনি জায়গা করে নেন চট্টগ্রাম জেলা যুব দলে।

ঢাকার মিলনার্স প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগে খেলেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের হয়ে। এরপর আর তার খেলোয়াড়ি জীবন এগোয়নি মেধাবী ছাত্র হওয়ার কারণে। খেলার পেছনে অনেক সময় ব্যয় হওয়ার কারণে পরিবার থেকে চাপ আসে না খেলার জন্য। ফলে সেখানেই থেমে যায় খেলোয়াজি জীবন। এরপর মেডিকেলে পড়ায় মনোযোগ দেন। এমবিবিএস শেষ করে তিনি পরবর্তীতে গ্লাসগো থেকে ডিপ্লোমা ইন ডার্মাটোলজি (ডিপ ডার্ম), যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিপ্লোমা ইন এসথেটিক মেডিসিন ডিগ্রি নেন।

বাংলাদেশের এসথেটিক ডার্মাটোলজির পথিকৃত হিসেবে তিনি দেশ-বিদেশে নন্দিত। তিনি বাংলাদেশের একজন শীর্ষস্থানীয় ও প্রখ্যাত চর্মরোগ, এসথেটিক ডার্মাটোলজি ও হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট বিশেষজ্ঞ। বর্তমানে তিনি ঢাকা ডার্মাটোলজি ইনস্টিটিউট, লেজার ট্রিট, ডিএইচআই, ক্লিনিক টুয়েন্টি ওয়ানের প্রধান পরামর্শদাতা এবং এম এইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজের চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের প্রধান। ছাত্রজীবনে খেলাধুলার পাশাপাশি তিনি বিএনপির আদর্শে সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

সংগঠকমনা ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম খেলাধুলার পাশাপাশি পেশাজীবী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত। তিনি ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এবং ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান। মোহামেডান ক্লাবের স্থায়ী সদস্য। চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ নওজোয়ান ক্লাবের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যানও। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সংস্কারবিষয়ক কমিটির বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সদস্য। ড্যাবের (ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি। এসথেটিক ডার্মাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি, সার্ক অ্যাসোসিয়েশন অব এসথেটিক ডার্মাটোলজির ভাইস প্রেসিডেন্ট, বাংলা ডার্মার মহাসচিব। এ ছাড়াও তিনি বিএনপির চাঁদপুর জেলা কমিটির সদস্য আবার মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা। উত্তরা ক্লাব, গুলশান ক্লাব, বনানী ক্লাব, বারিধারা ক্লাব ও বুট ক্লাবের সদস্য।

বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকলেও খেলাধুলার প্রতি আলাদা একটা টান অনুভব করেন ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম। রাজনৈতিক কারণে বিগত সময়ে তিনি ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে জড়িত হতে পারেননি। এখন আবার সব কিছু অনুকূলে আসায় নিজেকে আবার ক্রীড়াঙ্গনে ফিরিয়ে এনেছেন। কাজ করতে চান দেশের ক্রিকেটের জন্য। খবরের কাগজকে তিনি বলেন, ‘আমার ক্লাব ওয়ান্ডারার্সের সবাই চেয়েছেন আমি বিসিবিতে যাই। আমিও চেয়েছি। আমি জিয়া স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উপদেষ্টা ছিলাম। আমার সব সময় ইচ্ছা ছিল দেশের জন্য বড় পরিসরে কিছু করা।

আমি মনে করি যে ক্রিকেটার, সংগঠক, চিকিৎসক হিসেবে আমার যা অভিজ্ঞতা সব মিলিয়ে দেশের ক্রিকেটকে আমি কিছু দিতে পারব। একটা ভালো প্ল্যাটফর্ম থাকলে কাজ করার সুবিধা হয়।’ এবারের নির্বাচনে নতুন ও তরুণ প্রার্থীর আধিক্য নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের পূর্বসূরি যারা আছেন তারা ক্রিকেট বোর্ডকে একটা অবস্থানে দাঁড় করিয়ে গেছেন। তারা তাদের ক্যাপাসিটি অনুযায়ী করেছেন। এখন যে বোর্ডটা আসতেছে সবই নতুন। নিউ ব্লাড, স্পিরিটেড। সবার একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড, অন্যান্য কানেকশন খুবই ভালো। তারা নতুন পার্সপেক্টিভে যদি চিন্তা করে, আর সিনিয়র যারা আছেন সবাই মিলে আলটিমেটলি ভালো করবে বলে আমার বিশ্বাস। তিনি বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডে শুধু ক্রিকেটার না, আরও অন্য সব ধরনের পেশার লোক লাগে। শুধু ক্রিকেট জ্ঞান থাকলে চলবে না, ম্যানেজমেন্টের জ্ঞানও থাকতে হবে। যারা নির্বাচন করছেন তারা শিক্ষা-দিক্ষা শৌর্য-বীর্য সবদিক দিয়েই আমি মনে করি যথেষ্ট প্রতিশ্রুতিশীল। কারও বয়সই একেবারে ফেলে দেওয়ার মতো না। অনেকে বাইরে পড়ালেখা করেছে। এরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার মতো যোগ্যতা রাখে। তারা ভালো করতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’ অভিজ্ঞতার ঘাটতি হবে না বলেও মনে করেন ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম।

তিনি বলেন, ‘নতুন বোর্ড মনে করি না। ফাহিম সিনহা আছে। রফিক বাবু ভাই আছেন। জেলা পর্যায়েও কয়েকজন আছেন যারা আগে বিসিবিতে ছিলেন। এ ছাড়া পাপ্পু ভাই, মাসুদুজ্জামানের মতো অভিজ্ঞ ক্রীড়া সংগঠকও আছেন। আমার মনে হয় নতুন পুরাতন মিলিয়ে ভালোই বোর্ড হবে।’ ক্রীড়াঙ্গনে রাজনীতির প্রভাব নিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারের সঙ্গে রিলেশন থাকলে তো বোর্ডের কোনো কিছু আদায় করা সহজ হয়। এখানে অনেকেই সরকারের সঙ্গে জড়িত। সরকারের কাছে ইজিলি এক্সেসেবল আছে। এটাকে আমি পজেটিভ হিসেবে নিতে পারি।

আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ভক্তদের শোডাউন

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৯:৫৫ পিএম
আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ভক্তদের শোডাউন
ছবি: খবরের কাগজ

ফুটবলপ্রেমীদের উৎসবমুখর অংশগ্রহণে কক্সবাজারের টেকনাফে অনুষ্ঠিত হয়েছে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বাইক শোডাউন। অন্যদিকে শরীয়তপুরে ব্রাজিল সমর্থকদের মোটরসাইকেল ও ট্রাকে চড়ে প্রিয় দলের পতাকা হাতে আনন্দ মিছিল করতে দেখা যায়। 

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুর ২টায় টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মাধ্যমে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের শোভাযাত্রা শুরু হয়। দেশটির জাতীয় পতাকা, দলের জার্সি ও বিভিন্ন ব্যানারে সমর্থকদের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রাটি টেকনাফ স্থলবন্দর এলাকা থেকে শুরু হয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়ক প্রদক্ষিণ করে নির্ধারিত স্থানে শেষ হয়।

পুরো শোভাযাত্রাজুড়ে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস, স্লোগান ও প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ স্থানীয় মানুষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। মোটরসাইকেলের দীর্ঘ বহর এবং নীল-সাদা পতাকার সমারোহে টেকনাফজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। পথের দুই পাশে দাঁড়িয়ে অনেকেই এই ব্যতিক্রমী আয়োজন উপভোগ করেন।

বাইক শোডাউন শেষে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্ট। এতে কক্সবাজারের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ইফতি ও সংগতি সংগীত পরিবেশন করেন। তাদের প্রাণবন্ত পরিবেশনায় উপস্থিত দর্শক, ফুটবলপ্রেমী ও সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে সাবেক ফুটবল খেলোয়াড় হেলাল উদ্দিন জানান, ‘খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি এবং সুস্থ বিনোদনের পরিবেশ গড়ে তোলাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। ফুটবল বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও বন্ধনের বার্তা ছড়িয়ে দেয়। সেই চেতনা ধারণ করেই আমরা এই আয়োজন করেছি।’

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, ক্রীড়াপ্রেমী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও তরুণরা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা এমন আয়োজনকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে শুক্রবার বিকেলে শরীয়তপুর সদর উপজেলা প্রাঙ্গণে ব্রাজিল সমর্থকরা মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করেন। শতাধিক মোটরসাইকেল ও ট্রাকে চড়ে প্রিয় দলের পতাকা হাতে আনন্দ মিছিলে অংশ নেন তারা। সেখানে বাবাদের সঙ্গে তাদের ছোট্ট বাচ্চারাও ছিল। কেউ সন্তানকে কাঁধে তুলে, কেউ আবার মোটরসাইকেলের সামনে বসিয়ে শামিল হয়েছেন ব্রাজিলপ্রেমের এ উৎসবে। হলুদ-সবুজ রঙে মোড়া পুরো আয়োজনটি যেন ফুটবলকে ঘিরে পারিবারিক বন্ধন ও সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়।

শোভাযাত্রা দেখতে সড়কের দুই পাশে ভিড় করেন অসংখ্য মানুষ। ব্রাজিল সমর্থকদের এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন স্থানীয়দের মাঝেও ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দের সৃষ্টি করে। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন বয়সী সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে ব্রাজিল সমর্থক পিতা-পুত্র ও কন্যাদের একসঙ্গে অংশগ্রহণ আয়োজনটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে অনেকেই ব্রাজিলের জার্সি পরে এবং দেশটির পতাকা হাতে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। আয়োজকরা জানান, ব্রাজিল ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থকদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ আয়োজন। শোভাযাত্রাটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

ব্রাজিলের আনন্দ শোভাযাত্রায় শিশুপুত্র আজানকে সঙ্গে নিয়ে অংশ নিয়েছেন এস এম শাকিল নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা। তিনি বলেন, ছোটবেলায় আমি ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ নিতে দেখেছি। সেই থেকে ব্রাজিলের সাপোর্টার। আজ ব্রাজিলের মহড়ায় আমার ছেলেকে নিয়ে এসেছি। জানিনা ও বড় হয়ে ব্রাজিলের সাপোর্টার হবে কি না? তবে এখন পর্যন্ত ও আমার দলেই আছে।

মহড়ায় বিএম ইস্রাফিল এসেছেন তার কন্যা ফাতেমা শখ ও ছেলে স্বাধীনকে নিয়ে। তিনি বলেন, আমার স্ত্রী ও বড় ছেলে আর্জেন্টাইন সাপোর্টার। আমি, আমার ছোট ছেলে এবং ছোট মেয়ে ব্রাজিলের সমর্থক। আমি ছোটবেলা থেকে ব্রাজিলের সমর্থক। আমার ছেলে-মেয়ে দুজনেরই ব্রাজিলের খেলা ভালো লাগে বলেই তারা ভীষণ ভক্ত। আমার ফুটবলের প্রতি যে অগাধ ভালোবাসা, সেটা আমার ছেলেমেয়েরা মূল্যায়ন করে। আজ ওদের সঙ্গে নিয়ে মহড়ায় এসে দারুণ সময় উপভোগ করলাম।

ব্রাজিল ফ্রেন্ডস ক্লাবের সমর্থক ও মহড়ার আয়োজক সালাউদ্দিন মুন্না বলেন, প্রতিবারের ন্যায় এবারও আমরা ব্রাজিল সমর্থকদের সমন্বয়ে একটি শোভাযাত্রা বের করেছি। আমাদের এই জেলাসহ পার্শ্ববর্তী জেলার ব্রাজিল ভক্তরা কয়েক শ মোটরসাইকেল ও ট্রাক নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছে। আমরা খুবই আনন্দিত। এবার যেহেতু ব্রাজিল দলে নেইমার ফিরেছে, তাই আমরা আশা করছি বিশ্বকাপ জিতে নেব।

জটিলতা দূর, বাংলাদেশে টিভির পর্দায় দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:১৬ পিএম
জটিলতা দূর, বাংলাদেশে টিভির পর্দায় দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ
ছবি: সংগৃহীত

দেরি হলেও বাংলাদেশে টিভির পর্দায় ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ দেখা নিশ্চয়তা পেল ভক্তরা। দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল বিটিভি এবং দুটি স্যাটেলাইট চ্যানেল টি-স্পোর্টস ও সময় টিভি টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করবে।

টি স্পোর্টসের মার্কেটিং বিভাগের প্রধান আহমেদ রাকিব আজ (৫ জুন) নিউ এজকে বলেছেন, ‘আজ (শুক্রবার) আমরা বিটিভির কাছ থেকে নিশ্চিতকরণপত্র পেয়েছি, যারা বাংলাদেশের জন্য সম্প্রচার স্বত্ব অর্জন করেছে।’ রাকিব আরও জানান, বিটিভি ও টি-স্পোর্টসের পাশাপাশি সময় টিভিও বাংলাদেশে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ম্যাচগুলো সম্প্রচার করবে।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্প্রিংবুক প্রাইভেট লিমিটেড প্রথমে সম্প্রচার স্বত্ব অর্জন করেছিল, কিন্তু পরে মে মাসে তারা চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ায়, ফলে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে বিশ্বকাপ ম্যাচ সম্প্রচার নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। স্প্রিংবুক সরে যাওয়ার পর বিটিভি পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কম মূল্যে স্বত্ব পাওয়ার জন্য ফিফার সঙ্গে আলোচনা করে।

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডার আয়োজনে বিশ্বকাপ ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এটি যৌথভাবে ১৬টি শহরে আয়োজিত হবে: যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি, মেক্সিকোর ৩টি এবং কানাডার ২টি শহরে।

এটি হবে ইতিহাসের প্রথম ফিফা বিশ্বকাপ, যা তিনটি দেশ যৌথভাবে আয়োজন করবে এবং প্রথমবারের মতো এতে ৪৮টি দল অংশ নেবে। পাশাপাশি রেকর্ডসংখ্যক ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

অনিক/

পারিশ্রমিক না পেয়ে ম্যাচ বয়কট ব্রাদার্সের ক্রিকেটারদের

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:৫৫ পিএম
পারিশ্রমিক না পেয়ে ম্যাচ বয়কট ব্রাদার্সের ক্রিকেটারদের
ছবি: সংগৃহীত

সূচি অনুযায়ী এখন মাঠে চলছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটের (ডিপিএল) পাঁচটি ম্যাচের খেলা। তবে আজ (৫ জুন) সংখ্যাটি হওয়ার কথা ছিল ৬। সেটা হয়নি ব্রাদার্স ইউনিয়নের ক্রিকেটারদের প্রতিবাদের কারণে। সময় মতো পারিশ্রমিক না পেয়ে দলটি আজ তাদের খেলা বয়কট করেছে। এতে করে প্রতিপক্ষ অগ্রণী ব্যাংককে ওভারওভার দিয়ে পূর্ণ পয়েন্ট দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, চুক্তির পর পারিশ্রমিকের ২০ শতাংশ অর্থ বুঝে পেয়েছে ব্রাদার্সের ক্রিকেটাররা। বাকি টাকা জন্য বারবার ক্লাব কর্তৃপক্ষের দরজায় কড়া নেড়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তাই বাধ্য হয়ে বয়কটের পথ বেছে নিয়েছেন তারা। আজ টসের সময় মাঠে ছিল না ব্রাদার্সের কোনো প্রতিনিধি, যাদের দাবি- ঈদের আগেই ৫০ শতাংশ পারিশ্রমিক দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে ক্লাব মালিক।

নেইমারকে ছাড়াই খেলবে ব্রাজিল

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
নেইমারকে ছাড়াই খেলবে ব্রাজিল
ছবি: সংগৃহীত

ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল শনিবার মিশরের (৬ জুন) বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে গেলেও নেইমার তাদের সঙ্গে ক্লিভল্যান্ডে যাচ্ছেন না বলে জানিয়েছে দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) জানিয়েছে, ৩৪ বছর বয়সি এই ফরোয়ার্ড চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিউ জার্সিতেই অবস্থান করবেন।

গত সপ্তাহে দলের চিকিৎসক জানিয়েছিলেন, কাফের (পায়ের পেছনের পেশি) চোটের কারণে নেইমারকে দুই থেকে তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে। বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচ ১৩ জুন, নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডে মরক্কোর বিপক্ষে। তবে সেই ম্যাচে নেইমার খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

নেইমারকে ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দলে নেওয়াটা ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল, কারণ তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে শঙ্কা ছিল। ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারের গোল সংখ্যা ৭৯। তবে ২০২৩ সালের অক্টোবরে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে বাম হাঁটুর অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট (এএসিএল) ছিঁড়ে যাওয়ার পর মাঠে ফেরার পর থেকে তিনি সংগ্রাম করে যাচ্ছেন।

গত মাসে কোচ কার্লোস আনচেলত্তি বলেছিলেন, ‘বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের আগে সে এখনও নিজের ফিটনেস আরও উন্নত করতে পারবে। এ ধরনের প্রতিযোগিতায় তার অভিজ্ঞতা আছে, আমাদের দলের সবাই তাকে ভালোবাসে। সে এই দলের পরিবেশকে আরও ভালো করতে পারে।’

এ বছর সান্তোসের হয়ে হয়ে নেইমার আটটি ম্যাচ খেলেছেন। সেখানে তার গোল চারটি এবং অ্যাসিস্ট দুটি। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় চোটে আক্রান্ত হলে টুর্নামেন্টে দলের প্রথম ম্যাচের এক দিন আগ পর্যন্ত তাকে বদলি করা যেতে পারে। যদি তিনি খেলেন, তবে এটি হবে নেইমারের চতুর্থ বিশ্বকাপ।

অনিক/