দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় দলের বাইরে অবস্থান করছেন সাকিব আল হাসান। গেল বছরের নভেম্বরে সবশেষ ক্রিকেট মাঠে নেমেছিলেন তিনি। বোলিং অ্যাকশন নিয়েও পড়েছিলেন ঝামেলায়। সেই জটিলতা কাটিয়ে অপেক্ষায় ছিলেন মাঠে ফেরার। জাতীয় দলে ফেরার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অপেক্ষায় ছিলেন কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে মাঠে নামার।
অবশেষে সেই সুযোগ এসেছে কড়া নাড়লো সাকিব আল হাসানের দুয়ারে। যুদ্ধবিরতির পর ১৭ মে হতে আবারও মাঠে ফিরছে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)। সেই লিগে রিশাদের দল লাহোর কালান্দার্সে খেলবেন বাংলাদেশের এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।
গেল কিছুদিন আগে সযুক্ত আরব-আমিরাতের দুবাইয়ে ব্যাটিং প্র্যাকটিস করার কিছু ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল সাকিব আল হাসানের। এরপরও গুঞ্জন ছিল মাঠের ক্রিকেটে ফিরছেন তিনি। অবশেষে নিশ্চিত হওয়া গেল পিএসএলে খেলবেন তিনি।
এবারই প্রথম পিএসএলে খেলা নয় সাকিবের। খেলেছেন একাধিকবার এই লিগে। করাচি কিংস আর পেশোয়ার জালমির হয়ে মাতিয়েছিলেন মাঠ। ১৪ ম্যাচে তিনি করেছেন ১৮১ রান, তুলে নিয়েছেন ৮টি উইকেটও।
পিএসএলে খেলতে বিসিবির অনাপত্তিপত্র লাগবে সাকিবের। বিসিবি অনাপত্তিপত্র দিলে তারপরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণাটা দেবে পিএসএল। সাকিব এখনও অনাপত্তিপত্রের জন্য আবেদন করেননি।
গত ৮ মে ভারত-পাকিস্তানের উত্তেজনার মাঝেই পিএসএল স্থগিত করা হয়। স্টেডিয়ামের খুব কাছে ড্রোন হামলার ফলে পিএসএল যায় থেমে। তবে সম্প্রতি দুই দেশ যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে সম্মত হয়েছে। যার ফলে আগামী শনিবার থেকে পাকিস্তান সুপার লিগের বাকি অংশ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয় পিসিবি।
তবে বিদেশি ক্রিকেটারদের আস্থা পাকিস্তান হারিয়ে বসেছে রীতিমতো। একাধিক ক্রিকেটার বলে দিয়েছেন, আর কক্ষনো পাকিস্তানে যাবেন না তিনি। সে কারণ তো আছেই, আরও অনেক কারণে অনেক বিদেশি ক্রিকেটারকে হারিয়েছে পিএসএল।
সে কারণে এখন বিকল্প ক্রিকেটারদের দিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হচ্ছে দলগুলোকে। সে কারণে সাকিবও দল পেয়ে গেলেন এবার।
সাকিব বিসিবির অনাপত্তিপত্র পেলে আগামী শনিবার লাহোরের জার্সি পরে মাঠে নামতে পারেন। সেদিনই বিরতি শেষে মাঠে গড়াবে পিএসএল। লিগ পর্ব ও প্লে অফসহ আরও ৮টি ম্যাচ বাকি পিএসএলে