ঢাকা ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিইউএফটি’তে দু’দিনব্যাপী কর্মসূচি মোস্তফা কামালের বিষাদ বসুধা সাতচল্লিশের অস্বাভাবিকতার মধ্যেও স্বাভাবিক জীবনযাপন করেছি প্রাচ্য-প্রতিচ্যের দ্বন্দ্ব ও সমকালীন চিন্তার বহুমাত্রিক পাঠ সোনারগাঁয় অবৈধ গ্যাস সংযোগে চুন কারখানার মালিকের কারাদণ্ড মাদারগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ, গ্রেপ্তার ৬ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে কোরিয়ার চেকমেট টেকনাফ সীমান্তে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক টিভিতে আজকের খেলা সিরাজদিখানে জমি নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ১০ দেশীয় শিল্পের সুরক্ষায় উদ্যোক্তাদের ছাড় আধুনিক বাজেট বনাম ইসলামের বায়তুল মাল ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ থেকে জিদানের ঢুস কর্মসংস্থানকে প্রধান অগ্রাধিকার বরাদ্দ কমিয়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থানে উচ্চাভিলাষ! বাজেটে দুদকের বরাদ্দ বাড়েনি অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সাহসী রোডম্যাপ জুয়ার পূর্বাভাস, ভাঙতে পারে সব রেকর্ড মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্য কালোটাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে ১২ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল নতুন বাজেট পুঁজিবাজারকে আস্থায় আনতে নানা পদক্ষেপ ১২ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ইস্পাত রক্ষণ প্রাণে আলমিরন ফুটবলের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে রাজনীতি? প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের শিরোপা কার? সব উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি হয় সাফল্যের রেসিপি ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা’ ১২ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি বিশ্বকাপ ইতিহাসের ১০টি কালজয়ী মন্তব্য
Nagad desktop

কতিপয় পরিবারের দখলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল চাকরি

প্রকাশ: ১৪ নভেম্বর ২০২৫, ১০:২৯ পিএম
কতিপয় পরিবারের দখলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল চাকরি
ছবি: খবরের কাগজ গ্রাফিকস

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আত্মীয়প্রীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ নতুন নয়। বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও একাধিক পরিবারের ডজনের বেশি সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তর, বিভাগ ও হলে কর্মরত থাকার তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পরেও এ নিয়ে কেউ মুখ খোলেনি। সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ সম্পর্ক অস্বীকার করলেও অনুসন্ধানে দেখা গেছে, একই পরিবার বা আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ বহু ব্যক্তি বছরের পর বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিতে যুক্ত রয়েছেন।

মো. শফির তার নিজের কর্মসংস্থান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সেকশনে। তার পরিবারের প্রায় ডজনখানেক আত্মীয়-স্বজনের কর্মসংস্থানও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে। 

তার আপন ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম চাকরি করেন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী ইউনিয়ন অফিসে। আপন দুই ভগ্নিপতি একজন কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ চাকসুতে, অন্যজন সমাজবিজ্ঞান অনুষদে। শফির আপন মামা আবুল কাশেম কর্মরত আছেন আলাওল হলে, আপন খালাতো ভাই আহমেদ কবির বাল্লা আছেন বিজ্ঞান ওয়ার্কশপে। এদিকে বোন জামাতার ভাই (তালতো ভাই) মোহাম্মদ আইয়ুব কর্মরত আছেন পরিবহন দপ্তরে, আইয়ুবের ভাতিজা কর্মরত আছেন নিরাপত্তা দপ্তরে। শফির নিকট আত্মীয় মো. আফসার হোসেনও রয়েছেন নিরাপত্তা দপ্তরে। তারই আরেক খালাতো ভাই ফজল করিম আছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরে। আপন চাচাতো ভাই মোরশেদ আছেন নিরাপত্তা দপ্তরে। 

অভিযোগ রয়েছে, সম্পর্ক গোপন করেও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্মরত রয়েছেন শফির বেশ কয়েকজন স্বজন। 

এ সংক্রান্ত বিষয়ে শফীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসকল তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

এছাড়াও পারিবারিকভাবে অনেকেই কর্মরত রয়েছেন এ বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। পরিবারের দুই ভাই মো. আবুল কাশেম ও মো. জাফর দুজনই রয়েছেন পরিবহন দপ্তরে। জাফরের ছেলে নাঈম উদ্দিন মানিক আছেন শারীরিক শিক্ষা বিভাগে। আবুল কাশেমের পুত্র সাকিফ আছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরে।

এছাড়াও আরেক পরিবারের চার ভাই হোসেন বাবু একাউন্টিং বিভাগে, সালাউদ্দিন ইঞ্জিনিয়ারিং অফিসে, আলাউদ্দিন পদার্থবিদ্যা বিভাগে, সানি সাংবাদিকতা বিভাগে কর্মরত আছেন। তাদের আপন ভাগিনা আকিলও (ভিসি অফিস থেকে বদলিকৃত) কর্মরত রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এদিকে আপন তিন ভাই মো. তাজুল ইসলাম, মো. কামাল উদ্দিন, মো. জামাল উদ্দিন, যথাক্রমে শাহজালাল হল, লাইব্রেরী ও শিক্ষা অনুষদে কর্মরত আছেন। সাম্প্রতিককালে জামাল উদ্দিনের মৃত্যু হলে তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তার পুত্র। 

মোহাম্মদ ফয়েজ আহমেদ (মৃত) ছিলেন নিরাপত্তা দপ্তরের প্রহরী। তিনি সহ তার পরিবারের ৯ সদস্য কর্মকর্তা রয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। চার পুত্র ও এক পুত্রবধূ, এক মেয়ের জামাতা, এক বোনের ছেলে ও এক নাতি কর্মরত আছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। ফয়েজ আহমেদের পুত্র মোহাম্মদ লোকমান আছেন নিরাপত্তা দপ্তরে, তার স্ত্রী নিলুফার ইয়াসমিন আছেন প্রীতিলতা হলে। আরেক পুত্র মো. ইমরান হোসেন আছেন বিজ্ঞান অনুষদে অফিসার হিসাবে। ফয়েজ আহমেদের আরেক পুত্র মো. ওসমান কর্মরত আছেন কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অফিসে, খালেদা জিয়া হলের মালি হিসাবে আছেন আরেক ছেলে মো শাহজাহান। ফয়েজ আহমেদের মেয়ের জামাতা মো. জাফর কর্মরত আছেন ইঞ্জিনিয়ারিং অফিসে। তার নাতি ও জাফরের পুত্র মোহাম্মদ জামশেদ কর্মরত আছেন নিরাপত্তা দপ্তরে। ফয়েজের আপন বোনের পুত্র বখতিয়ার আছেন আলাওল হলে।

এ বিষয় সম্পর্কে জানতে ফয়েজ আহমেদের পুত্র ইমরানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরিবারের সদস্যদের চাকরির বিষয়টি স্বীকার করলেও ভাগিনা হিসেবে জামশেদকে অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে জামশেদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি নিজেকে ফয়েজ আহমেদের নাতি ইমরানের ভাগিনা হিসাবে পরিচয় দেন। 

আবুল কালাম (অবসর প্রাপ্ত) কর্মরত ছিলেন নিরাপত্তা দপ্তরে, তার দুই ছেলে মোহাম্মদ ফরিদ, মো. নজরুল ইসলাম কর্মরত আছেন শহীদ আব্দুর রব হলে, কালামের আরেক পুত্র আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী কর্মরত আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুলে। 

আবুল কালামের ভাই তাজুল ইসলাম অবসরপ্রাপ্ত কর্মরত ছিলেন শাহজালাল হলে। তার পুত্র মাহবুব আলম কর্মরত আছেন জীববিজ্ঞান শিক্ষক লাউঞ্জে।

আবুল কালামের বোন জামাই আব্দুল আহাদ কর্মরত ছিলেন নিরাপত্তা দপ্তরে, সঙ্গে তার দুই পুত্রের একজন মিলাদ হোসেন কর্মরত আছেন নিরাপত্তা দপ্তরে, আর এক পুত্র মোহাম্মদ আলী কর্মরত আছেন ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদে, আব্দুল আহাদের শ্যালক আবু তাহের কর্মরত আছেন জীববিজ্ঞান (শিক্ষক লাউঞ্জে) আবু তাহেরের ছেলে কর্মরত আছেন শাহ্জালাল হলে।

খলিল, জলিল, সাদিক, সৈয়দ আপন চার ভাই যথাক্রমে কর্মরত আছেন পরিসংখ্যান বিভাগ, চাকসু ও আলাওল হলে। সৈয়দের স্ত্রী আছেন কর্মরত আছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে।

রহিম, জসিম আপন দুই ভাই আছেন সংগীত বিভাগ ও ইঞ্জিনিয়ারিং অফিসে, রহিমের স্ত্রী আছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে। 

আব্দুল মোনাফ আছেন বিজ্ঞান অনুষদে ভাই আব্দুল হালিম বড় ভাইয়ের সঙ্গে আছেন বিজ্ঞান অনুষদে, আরেক ভাই আব্দুস সালাম আছেন সোহরাওয়াদী হলে, ফরহাদ হলে আছেন আরেক ভাই আব্দুল আজিজ । 

লোকমান, মাবুদ, শাহ আলম আপন তিন ভাই যথাক্রমে কর্মরত আছেন ইঞ্জিনিয়ারিং অফিস, আইন অনুষদ ও নিরাপত্তা দপ্তরে। 

শাহ আলমের এক পুত্র কর্মরত আছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরে।

এ যাত্রায় পিছিয়ে নেই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ উপাচার্যগণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল আজিম আরিফ তার পুত্রবধূ, দুই শ্যালক সহ নিয়োগ দিয়েছেন বেশ কয়েকজন নিকট আত্মীয়কে। দুই শ্যালিকা শাহনাজ ও ইসরাত যথাক্রমে কর্মরত আছেন রেজিস্টার অফিস ও ডে কেয়ার সেন্টারে। ছেলের বউ কর্মরত আছেন বাণিজ্য অনুষদের ডিন অফিসে।

সাবেক উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামসুদ্দীনের আপন দুই ভাই গাজী নুরুদ্দিন কর্মরত আছেন কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীতে, আরেক ভাই গাজী সালাউদ্দিন কর্মরত আছেন রেজিস্টার অফিসে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোচিত আরেক উপাচার্য প্রফেসর অধ্যাপক ড. এম বদিউল আলমের আপন ভাই মাহবুব হারুন চৌধুরী কর্মরত আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেট ডিপার্টমেন্ট।

ছেলে ফাহিম শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে। ছেলের বউ মৌসুমী শিক্ষক ছিলেন একই বিভাগে। 

অধ্যাপক ড. আলাউদ্দিন যিনি উপ-উপাচার্য এবং ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তার আপন ভাইয়ের ছেলে মজনু কর্মরত আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় ২৪ হলে। আপন শ্যালক হাফিজ কর্মরত আছেন শারীরিক শিক্ষা বিভাগে। 

কর্মক্ষেত্রে ভালোবাসার বন্ধনকে সুদৃঢ় করতে স্ত্রীকে সবসময় পাশে রাখার চেষ্টা করেছেন যারা তাদের মধ্যে মো. নাজিম উদ্দিন কর্মরত আছেন ডেপুটি রেজিস্টার হিসেবে শহীদ আব্দুর রব হলে, তার সহধর্মিনী আছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরে। একই অফিসে কর্মরত আছেন শাহানুর ও তার সহধর্মিনী। 

নুরুল আফসার আছেন আইন অনুষদে তার স্ত্রী আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী মো ইউনূস, ও তার সহধর্মিনী কর্মরত আছেন খালেদা জিয়া হলে। 

সারোয়ার হোসেন খোকন কর্মরত আছেন স্যার এ এফ রহমান হলে, তার স্ত্রী কর্মরত আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব নিয়ামক দপ্তরে। 

মো. আব্দুর রহিম কর্মরত আছেন সংগীত বিভাগে, স্ত্রী আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে।

মোহাম্মদ লোকমান হোসেন কর্মরত আছেন নিরাপত্তা দপ্তরে, তার স্ত্রী আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হলে। 

মোহাম্মদ আবু তৈয়ব আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় স্টোরে তার স্ত্রী কর্মরত আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীতে।

মো. জাহাঙ্গীর আলম ডেপুটি রেজিস্টার হিসেবে কর্মরত আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগে, তার স্ত্রী আছেন একই অনুসদের পরিসংখ্যান বিভাগে।

বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য, রেজিস্টার উপাচার্য ও উপ উপাচার্য (প্রশাসন) প্রশাসনিক কাজে চীনে অবস্থান করায়, উপ-উপাচার্য ড. শামীম উদ্দিন খানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আল আরাফ/মাহফুজ

 

আবাসন বৃত্তির অর্থ পাচ্ছে জবি শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৯:২৩ পিএম
আবাসন বৃত্তির অর্থ পাচ্ছে জবি শিক্ষার্থীরা
ছবি: সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের জন্য ঘোষিত বিশেষ আবাসন বৃত্তি বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৯ হাজার টাকা করে বৃত্তির চেক হস্তান্তরের মাধ্যমে বহুল আলোচিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে চেক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ১৫তম ব্যাচ থেকে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ২০তম ব্যাচ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ১২৪ জন শিক্ষার্থী এ বিশেষ বৃত্তির আওতায় এসেছেন। উদ্বোধনী দিনে প্রতীকীভাবে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির সৌজন্যে প্রথম কিস্তির ৯ হাজার টাকার চেক শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

বৃত্তির অর্থ বিতরণ কার্যক্রম সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন বলেন, “চলতি সপ্তাহেই বৃত্তির অর্থ বিতরণের মূল পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যে ফ্যাকাল্টিভিত্তিক শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং তাদের ব্যাংক-সংক্রান্ত তথ্য অত্যন্ত সতর্কতার সাথে যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। বৃত্তির অর্থ বিতরণের সার্বিক পদ্ধতি নিয়ে আগামীকাল বৃত্তি কমিটির একটি জরুরি সভা আহ্বান করা হয়েছে, যেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।”

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিটি ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নে আমাদের প্রশাসন অত্যন্ত আন্তরিক ও বদ্ধপরিকর। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আবাসন সংকটের কথা বিবেচনা করেই এই বিশেষ বৃত্তির অর্থ দ্রুত বিতরণের লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। শুধু বৃত্তিই নয়, আমাদের মেগা প্রজেক্ট অর্থাৎ দ্বিতীয় ক্যাম্পাস ও নতুন আবাসিক হল নির্মাণকাজের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে আমি নিজেই খুব দ্রুত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে যাবো। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আমরা সবসময় কাজ করে যাব।

প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে দুইদিন ব্যাপী ফল উৎসব

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম
প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে দুইদিন ব্যাপী ফল উৎসব
গুলশানে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির নিজস্ব ক্যাম্পাসে মৌসুমি ফল উৎসব। ছবি: খবরের কাগজ

দেশীয় ফলের ঐতিহ্য ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে শুরু হয়েছে দুইদিনব্যাপী ‘মৌসুমি ফল উৎসব’।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সকাল ১১টায় উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মান্নান চৌধুরী। উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে তিনি দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্যগত উপকারিতা এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের আগ্রহে এ ফল উৎসবের আয়োজন হয়ে থাকে। এছাড়া প্রতিবারই আমাদের নবান্ন উৎসব, বৈশাখের আয়োজন করে থাকি। সব সময়ের মতো এবারও শিক্ষার্থীরা অনেক আগ্রহের সঙ্গে উপভোগ করছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল কবির। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার মো. সাকির হোসাইন, ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম খান নাঈম, স্কুল অব বিজনেসের ডিন প্রফেসর আবুল কালাম, স্কুল অব ল’র ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম, স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড অ্যাডমিনের পরিচালক আফরোজা হেলেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. জাহেদুর রহমান, প্রক্টর মো. আনিছুর রহমান, স্ট্র্যাটেজিক অপারেশন্স অ্যান্ড স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর ও হেড মুশফিকুর রহমান ধ্রুব, এবং পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর ও হেড জাহিদ হাসানসহ বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল কবির বলেন, শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল উপস্থিতিদের মধ্যে দেশীয় ফলের প্রতি আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নতুন প্রজন্মকে দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত থাকুক এই প্রত্যাশা রাখছি।  

শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। আম, জাম, লিচু, কাউ, কাঁঠাল, লটকনসহ বিভিন্ন দেশীয় রসালো ফলের সমারোহ ও সুবাসে মুখরিত ছিল পুরো ক্যাম্পাস। ক্যাম্পাসের ছাদে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।  

সাগুফতা/এসএন

পদত্যাগ করলেন রাবি ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক আমীরুল ইসলাম

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
পদত্যাগ করলেন রাবি ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক আমীরুল ইসলাম
রাবি অধ্যাপক আমীরুল ইসলাম কনক। ছবি: সংগৃহীত

একাডেমিক কাজের ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক আমীরুল ইসলাম কনক।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে রেজিস্ট্রার দপ্তর বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠান তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, সম্প্রতি আমার একাডেমিক কাজ এবং গবেষণার কাজের ব্যস্ততা বেড়ে গিয়েছে। ছাত্র উপদেষ্টার মতো পদে থেকে যদি শিক্ষার্থীদেকেই সময় দিতে না পারি তাহলে এই পদে থাকার মানে হয় না।

তিনি আরও বলেন, গতকাল (বুধবার) এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে কিন্তু আমি কিছুই করতে পারিনি। সেই শিক্ষার্থী আমার সঙ্গে একবার কথাও বলেনি। সব মিলিয়ে আমার মনে হয় না এই পদে আমি আর থাকতে পারি।

পদত্যাগপত্রে তিনি বলেছেন, একাডেমিক এবং গবেষণামূল কাজের ব্যস্ততার কারণে বর্তমানে আমার পক্ষে ছাত্র উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করা সম্ভবপর নয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতিখারুল ইসলাম মাসউদ বলেন, পদত্যাগপত্র আমি পেয়েছি। বিষয়টা উপাচার্য স্যারকে  মৌখিকভাবে জানিয়েছি। তিনি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

উল্লেখ্য, তিনি ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অভ্যুত্থান পরবর্তী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ছাত্র উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান।

শাকিবুল হাসান/নাঈম

মাভাবিপ্রবিতে বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখা হবে এলইডি স্কিনে

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০২:১৩ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম
মাভাবিপ্রবিতে বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখা হবে এলইডি স্কিনে
ছবি: খবরের কাগজ

‎আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপ খেলা বড় পর্দায় দেখানোর ব্যবস্থা করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) প্রশাসন। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ৮ ফুট উচ্চতা ও ১০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি এলইডি স্ক্রিন স্থাপন করা হচ্ছে।

‎বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তৃতীয় একাডেমিক ভবনের সামনে স্থাপিত এই স্ক্রিনে বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ সরাসরি প্রদর্শন করা হবে। শিক্ষার্থীরা যাতে একসঙ্গে খেলা উপভোগ করতে পারেন এবং ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়, সে লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‎বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহীদুল ইসলামের উদ্যোগে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, খেলাধুলাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। ফুটবলের পাশাপাশি অন্যান্য খেলাধুলা, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বাড়াতেও তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

‎এর আগে,  শিক্ষার্থীদের সম্মিলিতভাবে খেলা দেখার ব্যবস্থা করার দাবিতে মাভাবিপ্রবি ছাত্রদল উপাচার্যের কাছে একটি স্মারকলিপি দেয়। গত ৯ জুন এ স্মারকলিপিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বড় পর্দার মাধ্যমে বিশ্বকাপের খেলা উপভোগের দাবি জানানো হয়। পরে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়।

‎বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, ক্যাম্পাসে বড় পর্দায় বিশ্বকাপের খেলা দেখার সুযোগ তাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল। প্রশাসনের এ উদ্যোগে তারা আনন্দিত। তাদের মতে, একসঙ্গে খেলা দেখার আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক বন্ধন আরও দৃঢ় করবে। 

‎এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অনেক শিক্ষার্থী উপাচার্যকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বিশ্বকাপ ঘিরে ক্যাম্পাসে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

‎বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, বিশ্বকাপ উপলক্ষে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের দল ও তারকা খেলোয়াড়দের ছবি নিয়ে থিমভিত্তিক ডিসপ্লেরও ব্যবস্থা করা হবে। সেখানে শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীরা স্মৃতিচারণমূলক ছবি তোলার সুযোগ পাবেন।

জুয়েল রানা/খাদিজা রুমি/

জাকসু ভিপি ও জিএসের ছাত্রত্ব শেষ: পদে বহাল থাকা নিয়ে নতুন সংকট

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৭:৩০ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম
জাকসু ভিপি ও জিএসের ছাত্রত্ব শেষ: পদে বহাল থাকা নিয়ে নতুন সংকট
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)-এর সহসভাপতি (ভিপি) আব্দুর রশিদ জিতু ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলামের নিয়মিত শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার পর তাদের পদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা অধ্যাদেশ অনুসারে তাদের নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে এবং নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে অবস্থান আর বহাল নেই। তবে তারা এখনও জাকসুর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আলোচনা চলছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স ডিগ্রি অর্ডিন্যান্সের ৬.১ ধারায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, মাস্টার্স পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ব্যর্থ হলে বা উত্তীর্ণ না হলে কোনো শিক্ষার্থী নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে গণ্য হবেন না। বিভাগীয় সভাপতির অনুমোদন সাপেক্ষে সর্বোচ্চ দুই বছরের মধ্যে একবার অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকলেও নিয়মিত ছাত্রত্ব থাকে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজা জানান, নিয়মিত মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ হওয়ার সাত দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল ছাড়তে হয়। এরপর তারা আর নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে বিবেচিত হন না। প্রাধ্যক্ষ কমিটির সভাপতি ও বীরপ্রতীক তারামন বিবি হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবেদা সুলতানাও একই কথা বলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি নিয়মিত মাস্টার্স ২০২২-এ একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হন। জাকসুর গঠনতন্ত্র অনুসারে নিয়মিত মাস্টার্সে অকৃতকার্য শিক্ষার্থী পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত বৈধ ভোটার হিসেবে বিবেচিত হন। কিন্তু নিয়মিত মাস্টার্স ২০২৩ (৪৮তম ব্যাচে) এর মাস্টার্স পরীক্ষা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। সে হিসাবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ছাত্রত্বের বৈধতা হারিয়েছে জাকসু ভিপি জিতুর।

ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক শামীমা সুলতানা বলেন, “ইনস্টিটিউটের নিয়মিত মাস্টার্স ২০২৩ (৪৮তম ব্যাচ) পরীক্ষা শেষ হয়েছে। জিতু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি কোর্সের পরীক্ষায় অংশ নেননি। তাকে বিধি অনুসারে বিশেষ পরীক্ষা দিতে হবে।”

অন্যদিকে জিএস মাজহারুল ইসলাম ইংরেজি বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের থিসিস গ্রুপের শিক্ষার্থী। তবে তিনি একবছর ড্রপ দেওয়ায় গত মাসে অর্থাৎ মে মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের সঙ্গে থিসিস জমা দিয়ে ছাত্রত্ব শেষ করেন জাকসু জিএস মাজহার। বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রায়হান শরীফ বলেন, জাকসুর জিএস মাজহার তার একাডেমিক কার্যক্রম শেষ করেছে। এখন ফলাফল প্রকাশ করা বাকি রয়েছে।

জিএস মাজহারুল ইসলাম বলেন, “জাকসুর সদস্য হওয়ার নীতিমালা সুস্পষ্ট থাকলেও নিয়মিত শিক্ষাজীবন শেষে পদ ছাড়ার বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো নীতিমালা নেই। তবে আমি নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আগামী কার্যনির্বাহী সভায় নিয়মিত শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার পর পদত্যাগের বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা তৈরির প্রস্তাব আনা হবে।”

ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, “জাকসুর কারা প্রার্থী হতে পারবে তা উল্লেখ থাকলেও কারো ছাত্রত্ব শেষ হয়ে গেলে তখন কী হবে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা নেই। যেহেতু গঠনতন্ত্রে সুনির্দিষ্ট উল্লেখ নেই, তাই পদে থাকা না থাকা নিয়ে কোনো সমস্যা নেই।”

নিয়মিত মাস্টার্স ২০২৩ এ জিতু পরীক্ষায় অংশ নেননি জানিয়ে বলেন, তিনি নিয়মিত শিক্ষার্থী না হলেও অনিয়মিত হিসেবে এখনো শিক্ষাজীবন আছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও জাকসুর সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, “আমি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।”

উল্লেখ্য যে, জাকসুর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কোনো কারণে জাকসুর ভিপি ও জিএস এর পদ শূন্য হলে জ্যেষ্ঠ কার্যনির্বাহী সদস্য ও জ্যৈষ্ঠ সহসাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে ভারপ্রাপ্ত ভিপি ও ভারপ্রাপ্ত জিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন  

আমানউল্লাহ খান/এসএন