ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাউফলে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর নকলের অভিযোগ চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতি সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে সাপাহারে মতবিনিময় সভা বছরে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ রুমিন ফারহানার উচ্চশিক্ষা নয়, নৈতিক শিক্ষায় বড় হও জবানের যে ছোট্ট কথায় অফুরন্ত সওয়াব মেলে সমুদ্র বাঁচলে পৃথিবী বাঁচবে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বরগুনায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ট্রেড ফাইন্যান্স অ্যানালিটিক্স সফটওয়্যার উদ্বোধন শাওমি নিয়ে এল ৯.৭ ইঞ্চির নতুন রেডমি প্যাড ২ ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারী ঈদের আগে বেতন না পাওয়ায় সংসদে ক্ষোভ চীন-মঙ্গোলিয়া যৌথ মহড়ায় নজর কাড়লো রোবটিক উলফ চকরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় নীতিমালা আধুনিকায়ন করছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী দেশে প্রতিবছর অপচয় হয় ৩৫ লাখ টন খাদ্য: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী গৃহকর্মী রোবট! দেশের সম্মান রক্ষায় জীবন বাজি রাখছেন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রামিসার মৃত্যু, অপরাধীর শাস্তি এবং সমাজের দায় বিশ্বকাপের উন্মাদনা এবার রঙ বাংলাদেশে নাচোলে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে মৎস্য সমবায় সমিতির নিবন্ধন জাতিসংঘ: উন্নয়ন অংশীদার নাকি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নদী-খাল কিছু নেই তবুও নির্মাণ হচ্ছে ব্রিজ শাহরাস্তিতে সরকারি গাছ কেটে নিলেন পৌর বিএনপির নেতা বানিয়াচংয়ে দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ, আহত ৫০ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু ২ প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র নর্ডিক দেশসমূহ: প্রকৃতি, সমৃদ্ধি ও মানবিক উন্নয়নের অনন্য দৃষ্টান্ত জনবল নেবে ব্যাংক এশিয়া টুঙ্গিপাড়ায় বিদ্যালয়ের ফ্যান, জানালা, বই-খাতা বিক্রির অভিযোগ
Nagad desktop

ঢাবিতে শোকসভা: বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক

প্রকাশ: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
আপডেট: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৪১ পিএম
ঢাবিতে শোকসভা: বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক
বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে শোকসভা অনুষ্ঠিত। ছবি: খবরের কাগজ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও কর্ম নিয়ে দিনব্যাপী শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আয়োজনে খালেদা জিয়ার স্মরণে শোক বই খোলা হয়েছে।

রবিবার (৪ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনস্থ অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য এই শোক বই খোলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) পর্যন্ত এই শোক বইয়ে স্বাক্ষর করা যাবে। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে শোকবইটি সর্বসাধারণের জন্য আরেকটি শোক বই উন্মুক্ত করেছে ঢাবি শাখা ছাত্রদল। শোকবইটি সর্বসাধারণের জন্য আগামী ৫ ও ৬ জানুয়ারি সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে।

শোকবই উন্মুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রথমে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে শোকলিপি লিখে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন শোকবইতে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ‘দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পাশাপাশি বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনে অপরিসীম ভূমিকা রেখেছেন। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের দেশে ও বিদেশে কীভাবে অগ্রগতি সাধন করা যায়, তিনি তা বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে দেখিয়েছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীরা যেন খালেদা জিয়াকে নিয়ে তাদের চিন্তা-ভাবনা ও অনুভূতি শোকবইতে লিপিবদ্ধ করতে পারেন- সে লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হয়েছে।’

এদিকে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে এক শোকসভা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।

সূচনা বক্তব্য ও শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন শোকসভা আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

শোকসভা কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। পরে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এরপর ‘শিক্ষা ও জাতীয় ঐক্যে খালেদা জিয়া’ শীর্ষক প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্যের এক বিরল প্রতীক। যিনি গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হয়ে বহুমাত্রিক অবদানের মাধ্যমে এ দেশের মানুষকে একত্রিত করতে সক্ষম হয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘মরহুমার জানাজায় সারাদেশের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তার ঐক্য সৃষ্টির সক্ষমতার ঐতিহাসিক প্রমাণ। বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও কর্ম নিয়ে একাডেমিক গবেষণা, সাহিত্যকর্ম ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তাবগুলো বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।’

আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। যার ফলে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থায়ীভাবে স্থান করে নিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষক সমাজের প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহানুভূতি ও অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, ‘তিনি ছিলেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক, গণতন্ত্রের অঙ্গীকারে অবিচল এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিরলস সংগ্রামী একজন রাষ্ট্রনায়ক। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও শিক্ষার উন্নয়ন হয়েছে। কঠোর দেশপ্রেম ও নৈতিক দৃঢ়তার কারণে নিপীড়ন ও বাধার মুখেও তিনি আপস করেননি এবং দেশের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার বলেন, ‘তিনি ছিলেন একজন আপসহীন নেত্রী, গণতন্ত্রের জননী এবং দেশপ্রেমের অনন্য প্রতীক। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করেছিলেন। তিনি শিক্ষার মানোন্নয়ন, জাতীয় ঐক্য এবং গণতন্ত্রের জন্য অমর অবদান রেখেছেন।’

এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে ওই শোক সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. তাজমেরী এস এ ইসলাম, কলা অনুষদের সাবেক ডিন ও সিনেট সদস্য অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক চেয়ারম্যান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. জেড এন তাহমিদা বেগম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বক্তব্য রাখেন। 

এছাড়া এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, সিন্ডিকেট-সিনেট সদস্য, হলের প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান/ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরিফ জাওয়াদ/এসএন

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ
ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ। ছবি সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ।

রবিবার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নিয়োগ প্রদান করা হয়।

নোয়াখালী জেলার স্থায়ী বাসিন্দা ডক্টর মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক পদে কর্মরত রয়েছেন। একইসঙ্গে তাকে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। 

এদিকে লক্ষ্মীপুরে প্রতিষ্ঠিত নতুন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ এর নিয়োগকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবিতের প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালে জাতীয় সংসদে লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাশ হয়। একই বছরের ২৬ অক্টোবর লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মুহাম্মদ হানিফ মুরাদ ১৯৭৪ সালের ১০ এপ্রিল নোয়াখালীর এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কুমিল্লার ব্রাদার আন্দ্রে’স হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে বিএসসি অনার্স এবং এমএসসি (থিসিস গ্রুপ) ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বিএসসি ও এমএসসি উভয় ডিগ্রিতেই প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। বিএসসি ও এমএসসি ডিগ্রিতে অসামান্য ফলাফলের জন্য তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পুরস্কৃত হন। এছাড়াও তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত গণিতে এম ফিল ডিগ্রি লাভ করেন। 

চাকরি জীবনে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শেষে ২০০৬ সালে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। 

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে তার ২৭টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। ডক্টর মুরাদ বাংলাদেশ গণিত সমিতির আজীবন সদস্য।

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম/অন্তরা

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ড. তোজাম্মেল হোসেন

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ড. তোজাম্মেল হোসেন
নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন। ছবি: খবরের কাগজ

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন। তিনি ইবির আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।

রবিবার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩ (সংশোধিত-২০২৫)-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী ড. মো. তোজাম্মেল হোসেনকে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে যেটি আগে ঘটবে, ততদিন তিনি উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। এ পদে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনবোধে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

বিষয়ে অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, 'আমাকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে এ দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করব। সংশ্লিষ্ট সবার কাছে দোয়া, পরামর্শ ও সহযোগিতা চাই।'

নিয়ামত উল্লাহ/আজহার/

নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী উদযাপন

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম
নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী উদযাপন
ছবি: খবরের কাগজ

প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা নবাব স্যার সলিমুল্লাহর ১৫৫ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সালামের নেতৃত্বে হলের আবাসিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ বেগম বাজারস্থ নবাব স্যার সলিমুল্লাহ’র সমাধিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে। পরে তার কবর জিয়ারত করা হয়। এ উপলক্ষ্যে আজ আসরের পর সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে কবর জিয়ারত ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। জোহরের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় নবাব সলিমুল্লাহ’র অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় ও তার কবর সংরক্ষণ এবং সংস্কারের দাবি তোলা হয়।

ডাকসু নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষা বিস্তার, মুসলিম সমাজের উন্নয়ন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে নবাব সলিমুল্লাহ’র ঐতিহাসিক ভূমিকা জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও শিক্ষা-অনুরাগ এ দেশের ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।

কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা, ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে সালমা ও কার্যনির্বাহী সদস্য আনাস ইবনে মুনির।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, ঢাকার নবাব ও মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদান রাখেন। স্যার সলিমুল্লাহর উল্লেখযোগ্য অবদানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে জনমত গঠন করেন। ১৯২০ সালে দ্য ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট পাশ হওয়ার ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা পালন করেন তিনি। ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ।

আরিফ জাওয়াদ/এসএন

দক্ষতা বাড়াচ্ছে রাজশাহী কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাব

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০২:১৩ পিএম
দক্ষতা বাড়াচ্ছে রাজশাহী কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাব
রাজশাহী কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাবের সদস্যরা।

বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সফল ক্যারিয়ার গঠনে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস জরুরি। এই লক্ষ্য নিয়ে ২০১৫ সালের ২৭ আগস্ট রসায়ন বিভাগের চার শিক্ষার্থী ও প্রজ্ঞাবান শিক্ষকদের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠিত হয় ‘রাজশাহী কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাব’ (আরসিসিসি)। 
একটি দক্ষ নির্বাহী কমিটি ও একঝাঁক স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে বছরের শুরুতেই ক্লাবটি বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে। সে অনুযায়ী প্রতি মাসে প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য এতে রয়েছে ‘ক্যারিয়ার জার্নি’, ‘ক্যারিয়ার রোডম্যাপ’ ও ‘ক্যারিয়ার টক’-এর মতো আয়োজন; যেখানে সিভি রাইটিং, ইন্টারভিউয়ের কৌশল, যোগাযোগ ও উপস্থাপনা দক্ষতা এবং বিসিএস ও করপোরেট চাকরির প্রস্তুতি বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। অন্যদিকে, ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবকরা সরাসরি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, করপোরেট যোগাযোগ ও দল পরিচালনার মতো সফট স্কিল শেখার সুযোগ পান।
একাডেমিক ব্যস্ততার মাঝে বড় অনুষ্ঠানের সূচি নির্ধারণ এবং বৃহৎ পরিসরে কাজের জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাব ক্লাবটির অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। তবে সুশৃঙ্খল পরিকল্পনা ও দলগত প্রচেষ্টায় এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠছে তারা। ক্লাবটির দিকনির্দেশনা নিয়ে অনেক প্রাক্তন শিক্ষার্থী আজ দেশের শীর্ষস্থানীয় করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও সরকারি উচ্চপদে কর্মরত। মূলত শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও কর্মমুখী করে গড়ে তুলতে আরসিসিসি একটি আস্থার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।

লেখিকা: শিক্ষার্থী, রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী

ক্যামেরা নষ্ট ছিল স্বপ্ন নয়

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০২:০৯ পিএম
ক্যামেরা নষ্ট ছিল স্বপ্ন নয়
ফয়সালের তোলা ছবি।

সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় বড় চাচার দেওয়া একটি নষ্ট ক্যামেরা ঘিরে মো. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সালের মনে ছবি তোলার যে কৌতূহল জন্ম নিয়েছিল, তা আর কখনো থামেনি। রহনপুরের এই তরুণ মোবাইল ফোন দিয়েই শুরু করেন তার আলোকচিত্রের যাত্রা। বর্তমানে তিনি রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে পড়ার পাশাপাশি ফটোগ্রাফি লালন করছেন।

 

দেশের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে প্রাচীন মসজিদ ও শতবর্ষী ইমারতের ছবি তুলতে তুলতে হেরিটেজ ফটোগ্রাফিতে ফয়সালের চোখ খুলে যায়। পাশাপাশি ন্যাচার, স্ট্রিট এবং স্পোর্টস ফটোগ্রাফিও তাকে টানে।

 

মো. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল


ফয়সালের জীবনের অন্যতম সেরা ছবিটির গল্প সিনেমার মতো। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল রহনপুর রেলওয়ে স্টেশনে এক বন্ধুকে বিদায় জানানোর সময় ট্রেনের জানালায় একটি ফ্রেম দেখে তাৎক্ষণিক ক্লিক করেন তিনি। ‘১৬ হোক কিংবা ৬১’ শিরোনামের সেই ছবির ক্যাপশন ছিল–‘বয়স ১৬ হোক কিংবা ৬১, চিন্তা তোমার পিছু ছাড়বে না।’ ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করার পর ৫৪ হাজারেরও বেশি লাইক পায় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

 

অর্জনের ঝুলিতে রহনপুর ফটোগ্রাফি ক্লাবের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থানসহ একাধিক অনলাইন পুরস্কার থাকলেও, বাচ্চাদের ছবি তুলে তাদের হাসিমুখ দেখানোই ফয়সালের কাছে সবচেয়ে বড় পুরস্কার।