ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নওগাঁয় পানিতে ডুবে ১৩ মাসের শিশুর মৃত্যু পুশইন বন্ধে ভারতকে ১০-১২টি চিঠি দিয়েছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ভাঙ্গায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু সরিষাবাড়ীতে চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা, এলাকাবাসীর তৎপরতায় রক্ষা বিল-ঝিলে পদ্ম ও শাপলার মায়াবী রূপ শরীয়তপুরে মাটি গরম হয়ে ধোঁয়া ওঠা স্থানে গ্যাস নেই: বাপেক্স শার্শায় আওয়ামী লীগ নেতা টিংকু গ্রেপ্তার শক্তিশালী ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চান নেতানিয়াহু! মানিকগঞ্জে বাবার মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্ত ছেলে ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে মৃত্যু ১৯, আহত ১৩০ ড. ইউনূসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ প্রতিদিন ১০০ কোটি লিটার পানি ঢাকায় সরবরাহ করা সম্ভব হবে : মির্জা ফখরুল মাঠের ফুটবল যখন জীবনের ব্যাধি হয়ে দাঁড়ায় ইসরায়েলের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ইরানের হামলা পাঁচ বছর না খেয়েও যেভাবে বেঁচে থাকে গভীর সমুদ্রের প্রাণী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস খাদে পড়ে নারী-শিশুসহ নিহত ৪ ধামরাইয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা আবারও ম্যাচ চলাকালে মাঠে লুটিয়ে পড়লেন এরিকসেন উড়োজাহাজ প্রযুক্তিতে চীনের নতুন মাইলফলক রাজধানীর বনানীতে আরএফএল ‘বেস্ট বাই’ এর নতুন শোরুম চালু গজারিয়ায় পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার তুরিন আফরোজ ফুটপাথের দোকানীকে সাধারণ ভাববেন না! হতে পারে... ইরানের হামলায় চুক্তির কোনো পরিবর্তন হবে না: ট্রাম্প রামুতে জোড়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার আবারও ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ কানাডার
Nagad desktop

দায়িত্ব থেকে সরে যেতে চান ঢাবি উপাচার্য

প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম
দায়িত্ব থেকে সরে যেতে চান ঢাবি উপাচার্য
ছবি: খবরের কাগজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য পদ থেকে দায়িত্ব থেকে সরে যেতে চান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান।

তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের আগস্ট মাসে একটি ক্রান্তিকালীন সময়ে আমরা দায়িত্ব নিয়েছিলাম। মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাজকর্ম শুরু করা এবং এটিকে স্থিতিশীল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। আজকে প্রায় দেড় বছর পর আপনাদের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমরা মোটামুটি একটি ভালো অবস্থানে আছি। সেই আপৎকালীন কিংবা বিশেষ পরিস্থিতি আমরা অংশীজনদের ভালবাসা ও সহযোগিতা এই মুহূর্তে আমরা উত্তোলন করতে পেরেছি। সুতরাং আমি এখন মনে করছি, এটি একটি দায়িত্ব পালনের পর্বে আমরা ভালো পর্যায়ে আছি এবং আমি সরে দাঁড়াতে চাই।’

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন উপাচার্য। 

উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, ‘এই মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন কোনো শূন্যতা না হয়, ধারাবাহিকতা যেন বজায় থাকে; অংশীজনেরা যদি কিছু সময় নিতে চান, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে সেটি বিবেচনা করতে রাজি আছি। আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি একটি নিয়মিত রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নেবেন এবং আমরা তাদেরকে পূর্ণ সহযোগিতা করব। সুতরাং, আমি সরে দাড়াচ্ছি এ কারণে যে আমি একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়েছিলাম, এটিকে কোনো সময়ই আমি নিয়মিত চাকরি মনে করিনি। উপাচার্যের দায়িত্ব আমার কাছে একটা আমানতের মতো ছিল। আমাকে ছাত্ররা অনুরোধ করে ভালোবেসে এই দায়িত্বটা দিয়েছিলেন। আমাদের মতো তুলনামূলক বিবেচনায় অরাজনৈতিক মানুষদের বাংলাদেশে এই ধরনের পদে আসার সুযোগ কম। এটিকে আল্লাহর রহমত এবং ছাত্রদের মমতার অংশ হিসেবে মনে করি। আমি যতদূর পেরেছি আপনাদেরকে সঙ্গে নিয়ে এখন একটু স্থিতিশীল অবস্থায় এসেছি। আমি সরে দাঁড়াতে চাই যাতে রাজনৈতিক সরকার তার মতো করে তার প্রশাসন সাজিয়ে নিতে পারে। সেই ক্ষেত্রে যদি আমার সহযোগিতা তাদের কোনো দরকার হয় আমি যেকোনো সময় প্রস্তুত আছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি এখন বর্তমানে ডেপুটেশনে আছি এই পদে। ডেপুটেশনে পজিশন থেকে আমি অব্যাহতি চাইব এবং আমি আমার যে মূল কাজ শিক্ষকতা, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের গ্রেড-১ অধ্যাপক হিসেবে আমি ফেরত যেতে চাই। এই মুহূর্তে আমি হঠাৎ করে কোনো শূন্যতা সৃষ্টি করছি না, পদত্যাগ করে চলে যাচ্ছি না।’

কেন এই সময়ে পদত্যাগ করছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, ‘কেননা আমি যদি এটি (পদত্যাগের) নির্বাচনের পরে করি তাহলে যেটা মনে হবে নতুন সরকারের সঙ্গে আমার কোনো মনোমালিন্য আছে। সেটি তো নেই! আমি একটি বিশেষ পরিস্থিতি এসেছিলাম, এখন সেই পরিস্থিতিটা নেই পরিস্থিতি অগ্রগতি হয়েছে। সুতরাং, আমি এই ভালো অবস্থা থেকে আমি বিদায় নিতে চাই।’

বিদায় নেওয়া প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি মহামান্য আচার্যকে লিখব যে- আমি এই ডেপুটেশন থেকে আমাকে অব্যাহতি দিয়ে উন্নয়ন অধ্যাপক বিভাগে গ্রেড-১ অধ্যাপক হিসেবে ফিরে যেতে চাই।’

চাপের পড়ে বিদায় নিচ্ছে কি-বা জানতে চাইলে ঢাবি উপাচার্য বলেন, ‘আমি খুব সাধারণ মানুষ কিন্তু আমি চাপে নত হওয়ার মানুষ না।’

দায়িত্ব পালনে দেশের সকল রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে সহযোগিতা পেয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপির প্রধানের কাছে গিয়েছি। তারা প্রত্যেকে আমাকে অসাধারণ সম্মান জানিয়েছেন। তারা ভালো করে জানেন, আমি রাজনীতির মানুষ না। গত ১১ মাসের কোনো রকমের বড় মাপের সংঘাত-রক্তপাত হয়নি। কারণ রাজনৈতিক সংগঠনগুলো এবং ছাত্রসংগঠনগুলো মোটামুটিভাবে একটা পরিমিতিবোধ এবং সহনশীলতা দেখিয়েছেন। এটি আমার প্রতি তাদের একটি বড় উপহার। এখনও মনে করি, রাজনৈতিক দলগুলো একটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক মানুষকে যতটুক সহযোগিতা করা সম্ভব, তারা আসলে তা করেছে। তাই এটা মনে যেন না হয় যে, কোনো রাজনৈতিক সরকারের প্রতি বিরূপ হয়ে আমি চলে যাচ্ছি। আমার দায়িত্ব যে মাপকাপঠির ভিত্তিতে আমি দায়িত্ব নিয়েছিলাম; আমার বিবেচনায় সেই মাপকাপিঠি অর্জিত হয়েছে, আমি বিদায় নিতে চাই।’

নির্বাচিত সরকার পদে রাখতে চাইলে থাকবেন কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, ‘এই মুহুর্তে আমি ক্লান্ত। মূল বিষয় আমি ধারাবাহিকতা রাখতে চাই। সবাই মিলে রক্ত পানি করে এই বিশ্ববিদ্যালয় একটা পর্যায়ে এসেছে। হঠাৎ করে যেন কোনো শূন্যতা না হয় সেটিই আমি করব। কিন্তু এরপরে কি হবে, আমি বিবেচনা করতে চাই। তারাও (নির্বাচিত সরকার) সময় নিক আমিও সময় নিই।’

এর আগে গত ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়টির ৩০তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান ড. নিয়াজ আহমেদ খান। ওই বছরের ১০ আগস্ট ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

আরিফ জাওয়াদ/অমিয়/

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ
ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ। ছবি সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ।

রবিবার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নিয়োগ প্রদান করা হয়।

নোয়াখালী জেলার স্থায়ী বাসিন্দা ডক্টর মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক পদে কর্মরত রয়েছেন। একইসঙ্গে তাকে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। 

এদিকে লক্ষ্মীপুরে প্রতিষ্ঠিত নতুন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ এর নিয়োগকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবিতের প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালে জাতীয় সংসদে লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাশ হয়। একই বছরের ২৬ অক্টোবর লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মুহাম্মদ হানিফ মুরাদ ১৯৭৪ সালের ১০ এপ্রিল নোয়াখালীর এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কুমিল্লার ব্রাদার আন্দ্রে’স হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে বিএসসি অনার্স এবং এমএসসি (থিসিস গ্রুপ) ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বিএসসি ও এমএসসি উভয় ডিগ্রিতেই প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। বিএসসি ও এমএসসি ডিগ্রিতে অসামান্য ফলাফলের জন্য তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পুরস্কৃত হন। এছাড়াও তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত গণিতে এম ফিল ডিগ্রি লাভ করেন। 

চাকরি জীবনে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শেষে ২০০৬ সালে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। 

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে তার ২৭টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। ডক্টর মুরাদ বাংলাদেশ গণিত সমিতির আজীবন সদস্য।

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম/অন্তরা

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ড. তোজাম্মেল হোসেন

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ড. তোজাম্মেল হোসেন
নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন। ছবি: খবরের কাগজ

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন। তিনি ইবির আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।

রবিবার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩ (সংশোধিত-২০২৫)-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী ড. মো. তোজাম্মেল হোসেনকে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে যেটি আগে ঘটবে, ততদিন তিনি উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। এ পদে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনবোধে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

বিষয়ে অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, 'আমাকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে এ দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করব। সংশ্লিষ্ট সবার কাছে দোয়া, পরামর্শ ও সহযোগিতা চাই।'

নিয়ামত উল্লাহ/আজহার/

নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী উদযাপন

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম
নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী উদযাপন
ছবি: খবরের কাগজ

প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা নবাব স্যার সলিমুল্লাহর ১৫৫ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সালামের নেতৃত্বে হলের আবাসিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ বেগম বাজারস্থ নবাব স্যার সলিমুল্লাহ’র সমাধিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে। পরে তার কবর জিয়ারত করা হয়। এ উপলক্ষ্যে আজ আসরের পর সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে কবর জিয়ারত ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। জোহরের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় নবাব সলিমুল্লাহ’র অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় ও তার কবর সংরক্ষণ এবং সংস্কারের দাবি তোলা হয়।

ডাকসু নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষা বিস্তার, মুসলিম সমাজের উন্নয়ন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে নবাব সলিমুল্লাহ’র ঐতিহাসিক ভূমিকা জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও শিক্ষা-অনুরাগ এ দেশের ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।

কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা, ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে সালমা ও কার্যনির্বাহী সদস্য আনাস ইবনে মুনির।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, ঢাকার নবাব ও মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদান রাখেন। স্যার সলিমুল্লাহর উল্লেখযোগ্য অবদানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে জনমত গঠন করেন। ১৯২০ সালে দ্য ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট পাশ হওয়ার ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা পালন করেন তিনি। ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ।

আরিফ জাওয়াদ/এসএন

দক্ষতা বাড়াচ্ছে রাজশাহী কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাব

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০২:১৩ পিএম
দক্ষতা বাড়াচ্ছে রাজশাহী কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাব
রাজশাহী কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাবের সদস্যরা।

বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সফল ক্যারিয়ার গঠনে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস জরুরি। এই লক্ষ্য নিয়ে ২০১৫ সালের ২৭ আগস্ট রসায়ন বিভাগের চার শিক্ষার্থী ও প্রজ্ঞাবান শিক্ষকদের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠিত হয় ‘রাজশাহী কলেজ ক্যারিয়ার ক্লাব’ (আরসিসিসি)। 
একটি দক্ষ নির্বাহী কমিটি ও একঝাঁক স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে বছরের শুরুতেই ক্লাবটি বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে। সে অনুযায়ী প্রতি মাসে প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য এতে রয়েছে ‘ক্যারিয়ার জার্নি’, ‘ক্যারিয়ার রোডম্যাপ’ ও ‘ক্যারিয়ার টক’-এর মতো আয়োজন; যেখানে সিভি রাইটিং, ইন্টারভিউয়ের কৌশল, যোগাযোগ ও উপস্থাপনা দক্ষতা এবং বিসিএস ও করপোরেট চাকরির প্রস্তুতি বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। অন্যদিকে, ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবকরা সরাসরি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, করপোরেট যোগাযোগ ও দল পরিচালনার মতো সফট স্কিল শেখার সুযোগ পান।
একাডেমিক ব্যস্ততার মাঝে বড় অনুষ্ঠানের সূচি নির্ধারণ এবং বৃহৎ পরিসরে কাজের জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাব ক্লাবটির অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। তবে সুশৃঙ্খল পরিকল্পনা ও দলগত প্রচেষ্টায় এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠছে তারা। ক্লাবটির দিকনির্দেশনা নিয়ে অনেক প্রাক্তন শিক্ষার্থী আজ দেশের শীর্ষস্থানীয় করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও সরকারি উচ্চপদে কর্মরত। মূলত শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও কর্মমুখী করে গড়ে তুলতে আরসিসিসি একটি আস্থার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।

লেখিকা: শিক্ষার্থী, রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী

ক্যামেরা নষ্ট ছিল স্বপ্ন নয়

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০২:০৯ পিএম
ক্যামেরা নষ্ট ছিল স্বপ্ন নয়
ফয়সালের তোলা ছবি।

সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় বড় চাচার দেওয়া একটি নষ্ট ক্যামেরা ঘিরে মো. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সালের মনে ছবি তোলার যে কৌতূহল জন্ম নিয়েছিল, তা আর কখনো থামেনি। রহনপুরের এই তরুণ মোবাইল ফোন দিয়েই শুরু করেন তার আলোকচিত্রের যাত্রা। বর্তমানে তিনি রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে পড়ার পাশাপাশি ফটোগ্রাফি লালন করছেন।

 

দেশের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে প্রাচীন মসজিদ ও শতবর্ষী ইমারতের ছবি তুলতে তুলতে হেরিটেজ ফটোগ্রাফিতে ফয়সালের চোখ খুলে যায়। পাশাপাশি ন্যাচার, স্ট্রিট এবং স্পোর্টস ফটোগ্রাফিও তাকে টানে।

 

মো. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল


ফয়সালের জীবনের অন্যতম সেরা ছবিটির গল্প সিনেমার মতো। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল রহনপুর রেলওয়ে স্টেশনে এক বন্ধুকে বিদায় জানানোর সময় ট্রেনের জানালায় একটি ফ্রেম দেখে তাৎক্ষণিক ক্লিক করেন তিনি। ‘১৬ হোক কিংবা ৬১’ শিরোনামের সেই ছবির ক্যাপশন ছিল–‘বয়স ১৬ হোক কিংবা ৬১, চিন্তা তোমার পিছু ছাড়বে না।’ ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করার পর ৫৪ হাজারেরও বেশি লাইক পায় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

 

অর্জনের ঝুলিতে রহনপুর ফটোগ্রাফি ক্লাবের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থানসহ একাধিক অনলাইন পুরস্কার থাকলেও, বাচ্চাদের ছবি তুলে তাদের হাসিমুখ দেখানোই ফয়সালের কাছে সবচেয়ে বড় পুরস্কার।