প্রকৃতির রূপের জাদুকর বাংলাদেশে প্রতিটি ঋতুই ভিন্ন সাজে আবির্ভূত হয়। গ্রীষ্মের এই তপ্ত দিনে প্রকৃতিতে বেগুনি রঙের মায়াবী আভা ছড়িয়ে ফুটেছে জারুল ফুল। রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতায় উঠে আসা এই জারুল যেন সৌন্দর্যের দিক থেকে অতুলনীয়। গ্রীষ্মের শুরুতেই নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে জারুলের নজরকাড়া সমারোহ এক প্রশান্তির আবহ তৈরি করেছে।
বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামের সম্মুখভাগ, শহিদ মিনার প্রাঙ্গণ, একাডেমিক ভবন-২ এবং কেন্দ্রীয় মাঠের চারপাশ বেগুনি রঙের ঝলকানিতে এক অনন্য রূপ ধারণ করেছে। গাঢ় সবুজ পাতার মাঝে বেগুনি পাপড়ির এই ফুল শুধু চোখধাঁধিয়ে দেয় না, বরং শিক্ষার্থীদের হৃদয়েও প্রশান্তির ছোঁয়া এনে দেয়। ক্যাম্পাসে জারুলের পাশাপাশি কৃষ্ণচূড়া, অলকানন্দা ও বাগানবিলাসের মতো নানা ফুলের সংমিশ্রণ এক অনবদ্য প্রাকৃতিক দৃশ্য সৃষ্টি করেছে।
ক্লাসের ফাঁকে বা অবসর সময়ে শিক্ষার্থীরা এই মোহনীয় দৃশ্য উপভোগ করছেন এবং স্মৃতির পাতায় ধরে রাখতে ফ্রেমবন্দি করছেন নিজেদের। বিশেষ করে বৃষ্টির পর জারুলের নমনীয়তা ও উজ্জ্বলতা যেন বহুগুণ বেড়ে যায়। জারুলের এই বেগুনি ছোঁয়ায় নোবিপ্রবি ক্যাম্পাস এখন শিক্ষার্থীদের জন্য এক স্নিগ্ধ ও প্রশান্তির ঠিকানায় পরিণত হয়েছে।
লেখক: শিক্ষার্থী, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।




