ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
আজকের মুদ্রার বাজার: ১০ জুন, ২০২৬ বগি লাইনচ্যুত, জামালপুর- ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ভারতে সাজাভোগের পর তামাবিল দিয়ে ফিরলেন ৭ বাংলাদেশি কেমন ছিল নবিজি (সা.)-এর গায়ের বর্ণ? আবারও কমল সোনার দাম, নতুন দর কত? ক্লিন ইমেজের আলী রেজাও দুদকের জালে দেশে ৫০ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে: চট্টগ্রামের ডিসি বাবাকে খাবার দিতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেল শিশু গজারিয়ায় আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশত গাছ উপড়ে পড়েছে, মহাসড়কে তীব্র যানজট ধামরাইয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে এসে প্রেমিকার আত্মহত্যা শাবিপ্রবিতে ৩২৫ গবেষকের অংশগ্রহণে ওশেনোগ্রাফি বিভাগের সিম্পোজিয়াম আর্জেন্টিনার উত্তাপে গলে গেল আইসল্যান্ড ক্যাম্প থেকে পালিয়ে সীমান্তে মাছ ধরায় ১৯ রোহিঙ্গা আটক বাড়ছে না বিড়ির দাম সারাদেশে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোতে অংশ নেবে বিসিসিসিআই ইসলামী ব্যাংকের সিআরআরে বড় ধরনের ঘাটতি আক্কেলপুরে একদিনে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার একদিনেই বদলে গেল চবির দুই উপ-উপাচার্য কক্সবাজারে মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬ রাজশাহীতে বর্ষার আগেই ডেঙ্গুর অশনিসংকেত বিদেশি কোচদের চোখে নতুন ইতিহাস ল্যাবএইডে ডেঙ্গুবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আবেগের বিয়েতে ঝুঁকিতে পড়ছে মেয়েরা শখ থেকে স্বাবলম্বী গৃহবধূ, ঘরের ছাদ যেন ক্যাকটাস রাজ্য ইসরায়েলের সামরিক অভিযান: লেবাননে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত ইসরায়েলি কারাগারে বন্দিদের ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন বরিশাল বিভাগে ৫ বছরে নদীগর্ভে বিলীন ১২০ বর্গ কিমি ভুট্টা চাষে বিপর্যয়, চাষিদের স্বপ্ন এখন পচে-গলে পড়ে আছে মাঠে বড় বাজেট, বড় ঘাটতি, বড় চ্যালেঞ্জ
Nagad desktop

আয়োজক কমিটির সিদ্ধান্তে বদলে গেল আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবলের ফলাফল

প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬, ০৫:০৭ পিএম
আয়োজক কমিটির সিদ্ধান্তে বদলে গেল আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবলের ফলাফল
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল (ছাত্র-ছাত্রী) প্রতিযোগিতা ২০২৬ এ মাঠের খেলা শেষ হওয়ার পর গভীর রাতে আয়োজক কমিটির সিদ্ধান্তে বদলে গেছে একটি ম্যাচের ফলাফল।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যকার ম্যাচ ঘিরে সৃষ্ট সংঘর্ষ, পরবর্তী বৈঠক এবং সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে এখন প্রশ্ন উঠেছে পুরো টুর্নামেন্টের স্বচ্ছতা ও পরিচালনা নিয়ে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) অনুষ্ঠিত ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের শেষদিকে ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। খেলার মোট সময় ছিল ৭০ মিনিট এবং প্রায় ৭৪ মিনিট (অতিরিক্ত সময়সহ) পর্যন্ত খেলা গড়ায়। এ সময় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় একটি ফাউলের জন্য ফ্রি-কিক পায়। ফ্রি-কিকের আগে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও তর্কাতর্কির ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ ওঠে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড় অভিমালো (জার্সি নং-১১) শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড় সাব্বিরকে ঘুষি মারলে তার কপাল ফেটে যায়।

ঘটনার পর খেলা আর স্বাভাবিকভাবে এগোয়নি। তবে মাঠেই সঙ্গে সঙ্গে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না দিয়ে বিষয়টি পরে প্রশাসনিক পর্যায়ে গড়ায়।

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত পাঁচ দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে দুই দলের অফিসিয়ালদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। পরে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া নিয়ন্ত্রক, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া উপদেষ্টা ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক কামাল উদ্দিন, খেলা পরিচালক, বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা কমিটি এবং টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সদস্যদের নিয়ে ধারাবাহিক বৈঠক হয়। অবশেষে রাত বারোটার পর সিদ্ধান্ত আসে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে পরাজিত ঘোষণা করা হয়েছে এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

পরদিন সকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাচ হওয়ার কথা থাকলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কারণে সেই ম্যাচ আর অনুষ্ঠিত হয়নি। পরিবর্তে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপক্ষে মাঠে নামে এবং ১-০ গোলে পরাজিত হয়।

ঘটনার পর প্রকাশিত আয়োজক কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর বাইলজের ১০ ও ১২ নম্বর ধারা অনুযায়ী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দলকে অভিযুক্ত করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড় অভিমালোকে “অখেলোয়াড়সুলভ ও মারমুখী আচরণের” জন্য নিজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় শান্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে শাহরুল ইসলাম (জার্সি নং-৫)-কে সতর্ক করার কথাও বলা হয়।

অন্যদিকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই খেলোয়াড় ফারহান তামিম দিপ্ত (জার্সি নং-২২) এবং আসাদুল হাবিব (জার্সি নং-১১) কে টুর্নামেন্টের পরবর্তী সব ম্যাচ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে ম্যাচে পরাজিত ঘোষণা করা হলেও তাদের কোনো খেলোয়াড়কে সরাসরি টুর্নামেন্ট থেকে নিষিদ্ধ না করায় প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

চাকসু ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ শাওন বলেন, “টুর্নামেন্টের ১০ নম্বর নিয়মে বলা আছে, যদি এগিয়ে থাকা কোনো দল নিয়ম ভঙ্গ করে বা ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতিপক্ষকে আঘাত করে, তাহলে প্রতিপক্ষ অ্যাডভান্টেজ পাবে।”

মাঠে সঙ্গে সঙ্গে সিদ্ধান্ত না দিয়ে পরে রাতে সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হলো এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “রেফারি প্রথমে লিখিত রিপোর্ট দিয়েছে। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া উপদেষ্টা ও আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া নিয়ন্ত্রককে জানানো হয়। এরপর নিয়ম অনুযায়ী সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে সবার আগে দুই দলের অফিসিয়ালদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়েছিল।”

সংঘর্ষের পর মাঠে কোনো কার্ড দেখানো হয়েছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “কার্ড প্রদর্শনের জন্য শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়কে মাঠে থাকতে হতো। তারা মাঠ ছেড়ে চলে যায়। রেফারি খেলা স্থগিত করে দিয়েছিল।”

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জুবায়ের বলেন, “ম্যাচের শুরু থেকেই তারা সময় নষ্ট করছিল। আমরা রেফারির কাছে অভিযোগ জানালে তারা আক্রমণাত্মক হয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে একটি ফাউলের পর ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে ফ্রি-কিকের সময় ওদের একজন খেলোয়াড় আমাদের প্লেয়ারকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। তখন আমাদের খেলোয়াড় হাত সরালে সে আঘাত পায়। এটি কোন উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে আঘাত ছিল না তিনি দাবি করেন, “ঘটনার পর শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় মাঠ ছেড়ে চলে যায়। আমরা মাঠে ছিলাম। রেফারি কোনো কার্ড দেয়নি। আমরা যদি দোষী হতাম তাহলে মাঠেই লাল কার্ড দিতে পারত।”

তিনি আরও বলেন আমাদের উপরে এ সিদ্ধান্ত চাপে দেওয়া হয়েছে। আমরা এ সিদ্ধান্ত মেনে নেইনি আমরা প্রতিবাদ লিপি দিয়েছি।

অন্যদিকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনায়ক শাকিল অভিযোগ করেন, “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলছিল। আমাদের গালাগালি করেছে, বাজেভাবে ট্যাকেল করেছে। ফ্রি কিকের সময় একজনকে কিল মেরে চোখের উপরের অংশ ফাটিয়ে দেয়। চারটি সেলাই লেগেছে।”

তিনি আরও বলেন, “রেফারি যদি আগে থেকেই কঠোর ব্যবস্থা নিত তাহলে হয়তো এমন ঘটনা ঘটতো না। আমরা রাত দুইটার দিকে জানতে পারি যে আমাদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।”

আজকের ম্যাচে হারের বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা ১০ জন নিয়ে খেলেছি। পেনাল্টির মাধ্যমে আমাদের হারানো হয়েছে।”

এ ঘটনায় উপস্থিত থাকা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক খেলোয়াড়ও প্রশ্ন তুলেছেন সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা নিয়ে। তিনি বলেন, “রেফারি বাঁশি দিয়ে খেলা শেষ করার পর কীভাবে ফল পরিবর্তন হয়? শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ই মাঠ ছেড়ে গিয়েছিল।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, “চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যেহেতু ফাইনালে উঠেছে, তাই বড় দলগুলো যেন না উঠতে পারে সে ধরনের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।”

একই খেলোয়াড় যিনি উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ও চুয়েটের ম্যাচে তিনি সে ঘটনাও তুলে ধরেন। তার দাবি, ওই ম্যাচে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলকিপার চুয়েটের এক খেলোয়াড়কে ঘুষি মারার অভিযোগে চুয়েট মাঠ ছেড়ে চলে যায়। কিন্তু তখন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

এ বিষয়ে চাকসু ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ শাওন বলেন, “চুয়েটের ক্যাপ্টেনের সঙ্গে আমাদের গোলকিপারের সংঘর্ষ হয়েছিল। রেফারি কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। পরে চুয়েট মাঠ ছেড়ে চলে যায়। রেফারি ও লাইনম্যান কেউই ঘুষির ঘটনা দেখেনি।”

চুয়েটের অধিনায়ক সাযীম চৌধুরী তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, “দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই তাদের গোলকিপার ইচ্ছাকৃতভাবে আমাকে ঘুষি মারে। রেফারির পক্ষ থেকে কোন ধরনের সিদ্ধান্ত আসে নি । তাই আমরা মাঠ ছেড়ে চলে আসি ।সবচেয়ে অবাক করা বিষয় ছিল, তিনজন রেফারিই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।”তিনি আরও অভিযোগ করেন, “চুয়েট টেন্টকে চাপে রাখতে অতিরিক্ত একজন ‘পঞ্চম রেফারি’ রাখা হয়েছিল, যা কোনো নিয়মের মধ্যেই পড়ে না।”

ঘটনার পর থেকে টুর্নামেন্টজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। মাঠের খেলা শেষ হওয়ার পর প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে ফল পরিবর্তন হওয়ায় অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

আল আরাফ/এসএন

শাবিপ্রবিতে ৩২৫ গবেষকের অংশগ্রহণে ওশেনোগ্রাফি বিভাগের সিম্পোজিয়াম

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১০:২২ এএম
শাবিপ্রবিতে ৩২৫ গবেষকের অংশগ্রহণে ওশেনোগ্রাফি বিভাগের সিম্পোজিয়াম
ছবি: খবরের কাগজ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশেনোগ্রাফি বিভাগ দুই দিনব্যাপী একটি আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করতে যাচ্ছে।

আগামী ১৭-১৮ জুন অনুষ্ঠিতব্য 'ইন্টারন্যাশনাল সিম্পোজিয়াম অন কোস্ট, ক্লাইমেট অ্যান্ড কমিউনিটি' শীর্ষক এই সিম্পোজিয়ামে বাংলাদেশসহ সাতটি দেশের ৩৮টি প্রতিষ্ঠানের মোট ৩২৫ জন গবেষক অংশ নেবেন এবং ১১৫টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হবে।

সিম্পোজিয়ামে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষক, এবং উন্নয়ন সংস্থার কর্মকর্তারা অংশ নেবেন।

সোমবার (৯ জুন) শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন বিভাগের শিক্ষকরা।

শিক্ষকদের সূত্রে জানা যায়, সিম্পোজিয়ামে একটি প্লেনারি সেশন, পাঁচটি টেকনিক্যাল সেশন, একটি পোস্টার সেশন এবং একটি ওয়ার্কশপ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্লেনারি সেশনের প্লেনারি স্পিকার হিসেবে থাকবেন আয়ারল্যান্ডের 'ট্রিনিটি কলেজ ডাবলিন'-এর অধ্যাপক ড. ক্যারেন উইল্টশায়ার, যিনি জার্মানির বিশ্বখ্যাত আলফ্রেড ওয়েগেনার ইনস্টিটিউটের সাবেক ভাইস ডিরেক্টর।

এ ছাড়াও থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, পাকিস্তানের গবেষকরা এই সেশনে আলোচক হিসেবে অংশ নেবেন।

টেকনিক্যাল সেশনগুলোতে সুনীল অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন, উপকূলীয় অঞ্চলের স্থানীয় জনগোষ্ঠির জীবনযাত্রা ও বিকল্প জীবিকা, সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান, মেরিকালচার, সামুদ্রিক ও উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সামুদ্রিক দূষণ বিষয়ে মোট ১১৫টি গবেষণাপত্র উপস্থাপিত হবে- যার মধ্যে ৮০ টি ওরাল প্রেজেন্টেশন (মৌখিক উপস্থাপনা) ও বাকি ৩৫ টি পোস্টার আকারে উপস্থাপিত হবে।

ওয়ার্কশপে শাবিপ্রবির ওশেনোগ্রাফি বিভাগ কর্তৃক ডেভেলপকৃত লো-কস্ট ওশান মনিটরিং ডিভাইসটি প্রদর্শন ও বিতরণ করা হবে।

এই সেশনে বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেবেন।

সিম্পোজিয়ামের পার্টনার হিসেবে রয়েছেন নিপ্পন ফাউন্ডেশন এবং পার্টনারশিপ ফর অবজার্ভেশন অব গ্লোবাল ওশান (পোগো) ও তাদের অর্থায়নে পরিচালিত স্যাজিটা প্রজেক্ট।

এ ছাড়াও পার্টনার হিসেবে রয়েছেন জার্মান উন্নয়ন সংস্থা জিআইজি, অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল, সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড ডায়ালগ (সিপিআরডি) এবং ক্রিশ্চিয়ান কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ (সিসিডিবি)।

ইসফাক আলী/খাদিজা রুমি/

একদিনেই বদলে গেল চবির দুই উপ-উপাচার্য

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৯:০৬ এএম
একদিনেই বদলে গেল চবির দুই উপ-উপাচার্য
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) পদে একদিনেই বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। সরকারের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন দুই অধ্যাপককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ জুন) বিকেলে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব সুলতান আহমেদ স্বাক্ষরিত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়। একই সঙ্গে পূর্বে দায়িত্বে থাকা দুই উপ-উপাচার্যকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অধ্যাপক মো. আল-আমিনকে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) এবং অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলামকে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) হিসেবে চার বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা নিজ নিজ বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন।

এর আগে ২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিনকে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) এবং অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানকে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। নতুন নিয়োগের মাধ্যমে তাঁদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আগের দুই উপ-উপাচার্যকে অব্যাহতি দিয়ে তাদের স্থলে নতুন দুজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনগুলো সত্য।’ 

নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মো. আল-আমিন দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেসে (আইএফইএসসিইউ) শিক্ষকতা করছেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তন ও বন অভিযোজন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ গবেষক। তার ৩৪ বছরের শিক্ষকতা ও গবেষণার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, হল প্রভোস্ট এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্বও পালন করেছেন।

অন্যদিকে, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলাম রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক। তিনি সম্প্রতি কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্বে যোগ দিচ্ছেন। তিনি চীন ও ইউরোপের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ভূরাজনীতি ও নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে গবেষণার জন্য পরিচিত।

নতুন দায়িত্ব গ্রহণের প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুসরণ করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করব।’  তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতাও কামনা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই আকস্মিক পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নাঈম/রিফাত/

সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ১০ জুলাই

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম
সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ১০ জুলাই
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রথম মিলনমেলা আগামী ১০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। দিনব্যাপী এ আয়োজনের মাধ্যমে কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে একটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. কামরুল হাসানের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিটুল চৌধুরীর সহযোগিতায় এ মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন। দিনব্যাপী কর্মসূচিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, প্রয়াত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্মরণ, ব্যাচভিত্তিক পরিচিতি ও স্মৃতিচারণ, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের বিষয়ে আলোচনা, র‍্যাফেল ড্র এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে।

আগ্রহী প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অনলাইনে নিবন্ধনের আহ্বান জানিয়েছে আয়োজক কমিটি।

নিবন্ধন করা যাবে gbcreunion.com ওয়েবসাইটে।

শেখ জাহাঙ্গীর/এসএন

জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ঢাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সালাম

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৭:২১ পিএম
জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ঢাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সালাম
অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। ছবি: সংগৃহীত

পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে অসাধারণ অবদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম ‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫’ লাভ করেছেন। 

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে তা জানানো হয়। এর আগে গত ৭ জুন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫’ লাভ করায় উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তার এই অর্জনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার গর্বিত।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) এবং রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম পরিবেশ, বায়ু দূষণ ও প্রযুক্তি বিষয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার অসংখ্য গবেষণা প্রবন্ধ দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

আরিফ জাওয়াদ/এসএন

নোবিপ্রবির নতুন উপ-উপাচার্য ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:৩১ পিএম
নোবিপ্রবির নতুন উপ-উপাচার্য ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম
ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) নতুন উপ-উপাচার্য (প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ও ফ্যাকাল্টি অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সের ডিন ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। 

মঙ্গলবার (৯ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১-এর ১২ (১) ধারা অনুযায়ী ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তার মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। একই সঙ্গে তাকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি ও আইন অনুযায়ী নির্ধারিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি উপাচার্য কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্বও পালন করবেন তিনি।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রয়োজনবোধে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ নিয়োগাদেশ বাতিল করতে পারবেন।

ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে নোবিপ্রবির ফার্মেসি বিভাগে শিক্ষকতা করে আসছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সের ডিন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তার এ নিয়োগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টি নিজস্ব শিক্ষক থেকে নতুন উপ-উপাচার্য পেল। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে তার অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

কাওসার/রিফাত/